শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

এস এম সালমান হৃদয় বগুড়া

বগুড়া জেলা মহিলা দলের রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি নিহার সুলতানা তিথি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:১৫ এএম | 99 বার পড়া হয়েছে
বগুড়া জেলা মহিলা দলের রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি নিহার সুলতানা তিথি

বগুড়া জেলা মহিলা দলের রাজনীতিতে সাহস, ত্যাগ, নিষ্ঠা ও নেতৃত্বগুণের উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি হিসেবে যিনি সমধিক পরিচিত, তিনি হলেন নিহার সুলতানা তিথি। তিনি কেবল একজন নেত্রী নন, বরং বগুড়ার নারী সমাজের অনুপ্রেরণার নাম। দৃঢ় বিশ্বাস, অটল আদর্শ ও সংগঠনের প্রতি অগাধ ভালোবাসা দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।

সরকারি মজিবর রহমান ভান্ডারী মহিলা কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি হিসেবে ছাত্র রাজনীতির সূচনালগ্ন থেকেই তিনি প্রমাণ করেছেন নিজের নেতৃত্বের দৃঢ়তা। শিক্ষাজীবনেই সংগঠনের প্রতি তার ভালোবাসা ও নিষ্ঠা তাকে এনে দেয় ছাত্রনেত্রীর মর্যাদা। পরবর্তীতে তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা মহিলা দলের পরপর দুইবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাফল্যের সাথে। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় তিথি হয়ে উঠেছেন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও সাহসী নেতৃত্বের প্রতীক।

বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের প্রতিটি আন্দোলন, কর্মসূচি ও মানবিক উদ্যোগে নিহার সুলতানা তিথি ছিলেন সবসময় সামনের কাতারে। রাজনৈতিক ঝড়ঝাপটা কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতি কখনোই তাকে থামাতে পারেনি। দল যখন দুঃসময়ে, তখনও তিনি রাজপথে থেকেছেন কর্মীদের পাশে। তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামতের কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি ছিলেন প্রথম সারির সক্রিয় নেতৃত্বের একজন। নিজ হাতে লিফলেট বিতরণ থেকে শুরু করে সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণ—সব ক্ষেত্রেই তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।

তিনি বিশ্বাস করেন, সংগঠনের শক্তি গড়ে ওঠে তৃণমূল নেত্রীদের মধ্য দিয়ে। তাই তিনি বগুড়া জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় মহিলা দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। তার নেতৃত্বে জেলা মহিলা দল এখন অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ, সচেতন ও কর্মক্ষম। তৃণমূল পর্যায়ের নেত্রী ও কর্মীদের মধ্যে তার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অনন্য।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও অগ্রগামী। অসহায়, দরিদ্র ও বঞ্চিত নারীদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের স্বাবলম্বী করে তোলা, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য। তার উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা বগুড়া জেলার নারী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

তার রাজনৈতিক দর্শন সুস্পষ্ট—তিনি বিশ্বাস করেন, “নারীর নেতৃত্ব মানেই সমাজের উন্নয়ন।” এই বিশ্বাস থেকেই তিনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন নারীদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে, তাদের কণ্ঠস্বরকে শোনা যায় এমন জায়গায় পৌঁছে দিতে। তার চিন্তাধারায় দলীয় রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতা নয়, বরং জনগণের কল্যাণে কাজ করা, দলীয় কর্মীদের পাশে থাকা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা।

দলীয় কর্মীদের প্রতি তার আন্তরিকতা ও সহযোগিতা তাকে করেছে সবার প্রিয় নেত্রী। সংগঠনের ছোট-বড় প্রতিটি কর্মীর সুখ-দুঃখে তিনি পাশে দাঁড়ান, তাদের উৎসাহ দেন, সাহস জোগান। রাজনীতির ময়দানে তার এই মানবিক ও নিবেদিতচেতা ভূমিকা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।

বর্তমান প্রজন্মের কাছে নিহার সুলতানা তিথি এক রোল মডেল। তার জীবন, সংগ্রাম ও সাফল্য প্রমাণ করে—নারীও নেতৃত্ব দিতে পারে দৃঢ়ভাবে, সৎভাবে এবং সাহসিকতার সঙ্গে। রাজনীতির অঙ্গনে তার অবস্থান আজ বগুড়া জেলা মহিলা দলের জন্য গর্বের বিষয়।

আগামী দিনে তৃণমূল থেকে জেলা পর্যন্ত মহিলা দলকে আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও গতিশীল করতে তিনি যে স্বপ্ন বুনছেন, তা-ই বগুড়ার নারীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। তিনি আগামী দিনের স্বপ্ন স্রষ্টা, যার নেতৃত্বে বগুড়া জেলা মহিলা দল এগিয়ে যাবে নতুন দিগন্তের পথে।

বগুড়ার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে আজ যে নামটি উচ্চারণ করলে নেতৃত্ব, সাহস, ত্যাগ আর ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি ভেসে ওঠে, সেটি হলো নিহার সুলতানা তিথি — এক সংগ্রামী, সাহসী ও দৃঢ় নেতৃত্বের প্রতীক, যিনি বগুড়া জেলা মহিলা দলের গর্ব, অহংকার এবং ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা।

এ.এস.এম হামিদ হাসান, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কটিয়াদীতে মেজর আখতারের হাত ধরে দুই শতাধিক লোকের জামায়াতে যোগদান

এ.এস.এম হামিদ হাসান, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৫ এএম
কটিয়াদীতে মেজর আখতারের হাত ধরে দুই শতাধিক লোকের জামায়াতে যোগদান

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বিএনপির সাবেক এমপি,বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সদ্য জামায়াতে যোগদান করা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের হাত ধরে বিএনপিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দুই শতাধিক মানুষ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকাল থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কটিয়াদী উপজেলার চান্দপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে মেজর রঞ্জনের বাড়িতে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। মেজর আখতারের উপস্থিতিতে যোগদানকৃত ব্যক্তিরা জামায়াতের সহযোগী সদস্য ফর্ম পূরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ লাভ করেন।

জানা গেছে, গত ১৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন। এরপর থেকে তিনি স্থানীয় এলাকা ও ঢাকায় জামায়াতের বিভিন্ন কর্মসূচি ও অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে বক্তব্য দিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে জামায়াতে মনোনীত ১০ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন।

এছাড়া‌ও গত বৃহস্পতিবার তিনি ঢাকা-১১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ দেন।য পাশাপাশি নিজ এলাকায় তিনি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের বিষয়ে ব্যাপকভাবে ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে কটিয়াদী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপিসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, সাবেক ইউপি সদস্য এবং দুজন সনাতন ধর্মাবলম্বীর ব্যক্তিসহ প্রায় দুই শতাধিক লোক জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।

এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন বলেন, দেশ ও মানুষের কল্যাণে আদর্শভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়েছেন। এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীর হয়ে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

মেজর রঞ্জন আরও বলেন, দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হলে সৎ ও আদর্শভিত্তিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং মানুষকেও সেই আহ্বান জানিয়েছি। ইতোমধ্যে আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে মানুষ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহশ্রাম-ধূলদিয়া ও চান্দপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। মেজর রঞ্জন বলেন ইনশাআল্লাহ আগামীকাল বিকেলেও এই যোগদান কর্মসূচি চলমান থাকবে।

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান, (চট্টগ্রাম)

রাউজান সরকারি কলেজে বাণী অর্চনা পরিষদের উদ্যোগে বিদ্যাদেবী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান, (চট্টগ্রাম), উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৭ এএম
রাউজান সরকারি কলেজে বাণী অর্চনা পরিষদের উদ্যোগে বিদ্যাদেবী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের রাউজান সরকারি কলেজে বাণী অর্চনা পরিষদের উদ্যোগে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিদ্যাদেবী শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পবিত্র এই পূজা উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল মায়ের চরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সমবেত প্রার্থনা, ধর্মীয় আলোচনা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্যানুষ্ঠান। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পূজার সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মানিত সভাপতি শ্রীযুক্ত অরুণ পালিত (বাসু), রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব সাজেদুল ইসলাম (পলাশ), রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক শ্রীমান সুমন দাশগুপ্ত, সহ-সাধারণ সম্পাদক শ্রীযুক্ত টিপু দে ও হিমাদ্রি পাল ইমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রীমান দাশ (শুভ) ও বাপ্পা কুমার দাশ এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রীমান পাবেল চৌধুরী।
এছাড়াও রাউজান ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অমর কৃষ্ণ দাশ গুপ্ত, শ্রীমান দাশ (শুভ), সাগর দাশগুপ্ত (বাবু), উৎসব মজুমদার, অনিক দাশ (শুভ) ও রুবেল মজুমদার।
বাণী অর্চনা পরিষদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক পার্থ দে, অর্থ সম্পাদক অন্তর মজুমদার, সহ-অর্থ সম্পাদক অভিষেক তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় দে, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় বিশ্বাস ও চৈত্রীকা দে, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তীর্থ চৌধুরী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক প্রীতম বিশ্বাস ও ঋতু দে, প্রচার সম্পাদক কিশোর দে, সহ-প্রচার সম্পাদক দীপঙ্কর দেবনাথ, নিলয় ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সময় বিপুল সংখ্যক সনাতনী ছাত্র-ছাত্রী ও ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য রাউজান উপজেলায় ২৫০টিরও বেশি স্থানে বিদ্যাদেবী সরস্বতী পূজা উদযাপিত হচ্ছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নেতৃত্ব মানে সামনে থাকা নয়, পাশে থাকা

কলস মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুকে ঘিরে সমর্থনের সুর

মো: রাজিবুল ইসলাম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধি, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৪ এএম
কলস মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুকে ঘিরে সমর্থনের সুর

নেতৃত্ব মানে শুধু সামনে দাঁড়িয়ে থাকা নয়; বরং মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাই প্রকৃত নেতৃত্ব—এমন মন্তব্য করেছেন নাটোর-১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনের কলস মার্কা প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর এক শুভানুধ্যায়ী।

তিনি বলেন, একসময় চীনের একটি কাস্টমার কেয়ার প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় তিনি দেখেছেন, মাঠপর্যায়ে মেয়েরা কাজ করলেও ম্যানেজমেন্ট ও বড় বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন পুরুষরা। সেখান থেকেই তিনি উপলব্ধি করেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ও দায়বদ্ধতাই একজন নেতার আসল যোগ্যতা। এই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি বিশ্বাস করেন, তাইফুল ইসলাম টিপু একজন দায়িত্বশীল ও মানবিক নেতা, যাঁকে মানুষ সবসময় পাশে পাবেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লালপুর–বাগাতিপাড়া–নাটোর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর ভোট প্রচার সংক্রান্ত অনলাইন সংবাদে মন্তব্য করে কবির খান নামের এক ব্যক্তি তাঁর প্রতি সমর্থন জানান। মন্তব্যে কবির খান বলেন, তাঁর জন্ম ঝিনাইদহে এবং বর্তমানে তিনি ঢাকায় বসবাসরত ভোটার। তবে তিনি যদি লালপুরের ভোটার হতেন, তাহলে অবশ্যই কলস মার্কায় ভোট দিতেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় কাছ থেকে তাইফুল ইসলাম টিপু ভাইকে দেখেছি। তিনি একজন সাদাসিধা, পরোপকারী ও প্রাণপ্রিয় মানুষ। যদিও আমি ঢাকার ভোটার, তবুও তাঁর প্রতি আমার আন্তরিক শুভকামনা থাকবে। লালপুর ও বাগাতিপাড়া’র মানুষ তাঁকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন—এটাই আমার প্রত্যাশা।”
এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাইফুল ইসলাম টিপুকে খুব কাছ থেকে চেনেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে তাঁকে একজন অভিভাবকের মতো পাশে পেয়েছেন। তাঁর মতে, তাইফুল ইসলাম টিপুর রয়েছে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা এবং মানুষের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা।
তিনি বলেন, “যোগ্য, সৎ ও অভিজ্ঞ মানুষকেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করা উচিত। কলস মার্কায় ভোট দিয়ে তাইফুল ইসলাম টিপুকে নির্বাচিত করলে ইনশাআল্লাহ এটি লালপুর–বাগাতিপাড়া এলাকার মানুষের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে।”
শেষে তিনি প্রাণপ্রিয় টিপু ভাইয়ের প্রতি আন্তরিক শুভকামনা জানিয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।