শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় দুই শিক্ষার্থী উপদেষ্টা মাহফুজ ও আসিফ: পদত্যাগ না প্রার্থীতা?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:১৯ পিএম | 152 বার পড়া হয়েছে
নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় দুই শিক্ষার্থী উপদেষ্টা মাহফুজ ও আসিফ: পদত্যাগ না প্রার্থীতা?

অন্তর্বর্তী সরকারের দুই শিক্ষার্থী প্রতিনিধি উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না— তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন চলছে। নির্বাচনের ঘনঘটায় এই দু’জনের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে চলছে নানামুখী জল্পনা-কল্পনা ও বিশ্লেষণ।

উপদেষ্টা পরিষদের তরুণ সদস্য আসিফ মাহমুদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহের কথা আগেই প্রকাশ করেছেন। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান,“আমি নির্বাচন করতে আগ্রহী। তবে এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি কোনো দলের প্রার্থী হব কি না, নাকি স্বতন্ত্রভাবে লড়ব।”

তার এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ এবং সরকারের নিরপেক্ষ ভাবমূর্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে, উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকেও নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন তার ভাই মাহবুব আলম। কয়েকদিন আগে এনসিপির এক অভ্যন্তরীণ সভায় তিনি বলেন,“মাহফুজ আলম আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে ভাবছেন।”

এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে— যদি দুই শিক্ষার্থী উপদেষ্টা নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয় হন, তবে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হবে।

সম্প্রতি বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তারা কিছু উপদেষ্টার কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানান।

এই প্রেক্ষাপটেই গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়— সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দুই শিক্ষার্থী উপদেষ্টাকে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত তারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদের কারও পক্ষ থেকেই কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে সরকারি সূত্রের বরাতে জানা গেছে—“নির্বাচনের আগে নানা রাজনৈতিক সমীকরণে দুই উপদেষ্টাই আপাতত পদত্যাগের কথা ভাবছেন না। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তারা নির্বাচনী ময়দানে নামার সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন।”

জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে তিনজন তরুণ নেতা উপদেষ্টা পরিষদে স্থান পান— মাহফুজ আলম, আসিফ মাহমুদ ও নাহিদ ইসলাম।
তাদের নিয়োগকে তরুণ প্রজন্মের ‘আন্দোলনের সফলতা ও পরিবর্তনের প্রতীক’ হিসেবে দেখা হয়েছিল।

তবে তিনজনের মধ্যে নাহিদ ইসলাম পরবর্তীতে পদত্যাগ করে যোগ দেন আন্দোলনের অগ্রভাগের নেতা ও তরুণদের নিয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে।

নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের পর থেকেই সরকারের ভেতরে শিক্ষার্থী উপদেষ্টাদের প্রভাব অনেকটাই কমে গেছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।রাজনীতিবিদদের মতে, নাহিদ ইসলাম ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে এনসিপির ‘অনানুষ্ঠানিক সংযোগসূত্র’।
তিনি চলে যাওয়ায় সেই প্রভাব দুর্বল হয়েছে।

এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মন্তব্য করেন—“যদি মাহফুজ ও আসিফও পদত্যাগ করেন, তাহলে এনসিপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পর্কের মধ্যে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এনসিপি নেতৃত্ব ও অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে ইতিমধ্যেই ‘অবিশ্বাসের বাতাস’ বইছে।
সরকারি পদে থাকা শিক্ষার্থী উপদেষ্টারা যদি নির্বাচনে প্রার্থী হন, তাহলে সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি এনসিপি’র সঙ্গে সম্পর্কেও ফাটল দেখা দিতে পারে।

একজন বিশ্লেষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন—“শিক্ষার্থী উপদেষ্টাদের নির্বাচনমুখী মনোভাব সরকারের নৈতিক অবস্থানকে ঝুঁকিতে ফেলবে। গণঅভ্যুত্থানের আদর্শের সঙ্গে এটি সাংঘর্ষিক।”

অন্তর্বর্তী সরকারের তরুণ উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
তারা কি সরকারি পদে থেকেই নির্বাচনে নামবেন, না কি আগে পদত্যাগ করবেন এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের রাজনীতির অনেক হিসাব-নিকাশ।

গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ছিল স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নিরপেক্ষতা। তরুণ উপদেষ্টাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত শুধু তাদের ব্যক্তিগত ভবিষ্যৎ নয়, বরং সরকারের নৈতিক অবস্থান ও জনগণের আস্থার প্রতিফলন নির্ধারণ করবে।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০১ এএম
নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই শাহিনুর ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শেখের বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে তথ্যের ভিত্তিতে বড়চাঁপা ইউনিয়নের চন্ডীতলা গ্রামের জুয়েল রানার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল রানা (৩৫) পালিয়ে যায়।
পরে তার স্ত্রী অপু (৩০)-কে আটক করা হয়। নারী পুলিশের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে তার দেহ থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটককৃত নারী ও তার পলাতক স্বামী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক অপুকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক জুয়েল রানাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

মোঃ সুজন বেপারী

মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মোঃ সুজন বেপারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওস্তাদ মোতালেব পাটোয়ারী সুপরিচিত মিরকাদিম পৌর রিকাবী বাজার মিনি স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি গঠনে দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা জানিয়েছেন মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ।

মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক নতুন মিনি স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে জনাব মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ বলেন, সারাবাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প নিয়েছে এটা একটা উল্লেখযোগ্য কারণ আমাদের জাতি কে ও সমাজ কে যারা উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আমাদের তরুণ সমাজ উপকৃত হবে, রাষ্ট্রীয় উপকৃত হবে, তবে আমি আশাবাদী এজন্যই আল্লাহ্ রহমতে খেলাধুলা তরুণদের লক্ষ্য এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম এর ক্রিকেট ও মাঠ পরিচালক ও জেলা সহ-সভাপতি ক্রিকেট এসোসিয়েশন ক্রীড়া মোঃ রনি খাঁন বলেন, ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল, আমরা শুধু ভালো ক্রিকেটার তৈরি করতে চাই না, আমরা ভালো মানুষও তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশে আমরা ক্রিকেটের মাধ্যমে ভালো তরুণ খেলোয়াড় খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দেওয়া প্রজন্মেদের গড়ে তুলতে চাই।

রনি খাঁন কথাতেই বোঝা যায়, তিনি ক্রিকেটকে জাতীয় আত্মপরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখেন। তার ভাবনায় মিরকাদিম স্টেডিয়াম ক্রিকেট শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, আচরণ ও মূল্যবোধ দিয়েও নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করবে। বলেন, ‘ক্রিকেট আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ঐক্যের জায়গা। এখান থেকেই আমরা শিখতে পারি পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা, দেশপ্রেম। এই গুণগুলোই আমাদের ভালো তরুন প্রজন্মেদের হতে সাহায্য করবে।’

মিরকাদিম পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠের ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার নিজেরই সঁপ্ন ছিলো অনেক বড় পিলিয়ার হওয়া যেটা আমি যখন দেখেছি যে একটা সময় ভালো জায়গায় পোঁছাতে পারিনি তো সেটা আমার নিজেরই ব্যার্থতা।

ফুটবল এর কোচ তিনি আরও বলেন, তবে আমরা আপনারা মাধ্যমে সবাইর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যদি অনেকেই বলে যে মাদক ছেরে মাঠে আয় আসলে এটা সবাইর মুখেমুখেই বাস্তবে সেটা হয়না। বাস্তবে অনেক ছেলেবেলেরা দেখি এন্ড্রয়েড বড় বড় মোবাইল নিয়ে বসে থাকে এবং গেমস খেলে যদি বলি মাঠে আসতে তো আমি অনেক চেষ্টা করি সবাইকে মাঠে আনার জন্য নিজেকে ফুটবল বা ক্রিকেট একটা খেলার সাথে সম্পৃক্ত রাখার জন্য যাতে ফুটবল বা ক্রিকেট খেললে মনমানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থ্যতা অনেক ভালো থাকে।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম মাঠের দায়িত্ব পদে ক্রিকেট পরিচালক রনি খাঁন ও ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোহাম্মদ মোজ্জামেল হোসেন বলেন, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখেন, আমরা পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের এমন উচ্চতায় নিয়ে যাব, যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে গর্ব করতে পারি মিরকাদিম পৌরবাসী ইনশাআল্লাহ্।

error: Content is protected !!