শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

মোঃ শাহজাহান বাশার

দুঃসময়ের কর্মীরাই অগ্রাধিকার পাচ্ছেন বিএনপির মনোনয়ন তালিকায়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫, ২:৫০ পিএম | 145 বার পড়া হয়েছে
দুঃসময়ের কর্মীরাই অগ্রাধিকার পাচ্ছেন বিএনপির মনোনয়ন তালিকায়

আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রেক্ষাপটে দেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নভেম্বরের শুরুতেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে দলের বিভিন্ন টিম মাঠপর্যায়ে জরিপ চালাচ্ছে, নেতাকর্মী ও জনগণের মতামত নিচ্ছে, আর কোন্দলপূর্ণ এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠকও করছে।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপি এবার অতীতের তুলনায় বেশি সতর্ক ও বাস্তবভিত্তিক কৌশল নিচ্ছে। প্রার্থী নির্বাচনে প্রধান বিবেচনায় থাকছে—দলের দুঃসময়ে কার কতটা অবদান রয়েছে,কে কতটা হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, এলাকাবাসীর কাছে কে বেশি গ্রহণযোগ্য,জনপ্রিয়তা ও তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক কতটা দৃঢ়।

সিনিয়র নেতারা প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করছেন। বিএনপি চায়—যাঁকেই প্রার্থী করা হোক না কেন, তাঁকে ঘিরে যেন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে পারে।

গত সোমবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নির্বাচন ও প্রার্থী তালিকা প্রণয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব নেন এবং নির্দেশ দেন—“প্রত্যেক আসনে একক প্রার্থীর পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মতে, প্রায় প্রতিটি আসনেই পাঁচ থেকে বারো জন পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থী আছেন, যাঁরা নিজ নিজ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।এই অবস্থায় অক্টোবরের মধ্যেই বা সর্বোচ্চ নভেম্বরের শুরুতে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে—যেসব নেতা আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় ছিলেন, দলীয় দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, অথবা জনগণের কাছে জনপ্রিয়, তাঁরা প্রার্থী হবেন।তবে এটি প্রাথমিক তালিকা; মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত পরিবর্তন আসতে পারে।বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন—“এলাকায় সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীরাই বিএনপির মনোনয়ন পাবেন।

আমরা তৃণমূল থেকে শুরু করে জনগণের মধ্যে খোঁজ নিচ্ছি, কে আসলে মানুষের আস্থার জায়গায় আছেন তা যাচাই করা হচ্ছে।”

দলের সিনিয়র নেতারা বলেন, নভেম্বরের শুরুর দিকে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করলে আগামী দেড় মাসে তাঁদের জনপ্রিয়তা ও অবস্থানও যাচাইয়ের সুযোগ থাকবে।যদি কোনো প্রার্থী প্রত্যাশিত সাড়া না পান, তাহলে বিএনপি সেই আসনে নতুন বিকল্প প্রার্থীর চিন্তা করতে পারবে।

বৈঠকে বিএনপির জোটসঙ্গী ও সমমনা দলগুলোর আসন বণ্টন বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সূত্র জানায়, জোটের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ২৪৪টি আসনের তালিকা বিএনপির কাছে জমা পড়েছে।
তবে বিএনপি নেতারা বলছেন—“জোটের যেসব প্রার্থী এলাকায় জনপ্রিয় ও শক্ত অবস্থানে রয়েছেন, তাঁদেরকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

কিন্তু মূল্যায়নের নামে যেন আসন হারাতে না হয়, সেটিও গুরুত্ব পাচ্ছে।”

এ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি যে প্রাথমিক তালিকায় জোটের প্রার্থীদের নামও ঘোষণা করা হবে কিনা। কিছু নেতা প্রস্তাব দিয়েছেন—প্রথমে কেবল বিএনপির প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে পরবর্তীতে জোটের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয় করা হবে।

গত রবিবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের শতাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
তিনি সেখানে নেতাদের উদ্দেশে বলেন—“মনোনয়ন পাওয়া না পাওয়া বড় বিষয় নয়; সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”দলের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, ৩০০ আসনে বিএনপির সব যোগ্য নেতাকে স্থান দেওয়া সম্ভব নয়।তাই যারা মনোনয়ন পাবেন না বা জোটের প্রার্থীদের জন্য আসন ছাড়বেন, তাঁদের সংরক্ষিত নারী আসন, টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীত্ব, বা বিভিন্ন সরকারি পদে মূল্যায়ন করার সুযোগ থাকবে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন—“একটি দল যখন আন্দোলনে থাকে, সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই প্রার্থী বাছাই হয়ে যায়।আমরা চাই, সবাই ধানের শীষের পক্ষে একসঙ্গে কাজ করুক। বিজয়ী হলে বঞ্চিতদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।”

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বিএনপি প্রার্থী তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে দলীয় ঐক্য ও মাঠ সংগঠন শক্তিশালী করতে চাইছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নভেম্বরের শুরুতেই প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হলে মাঠে সক্রিয় নেতাকর্মীদের মধ্যে স্পষ্টতা ও উদ্দীপনা বাড়বে, যা নির্বাচনী প্রস্তুতির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০১ এএম
নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই শাহিনুর ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শেখের বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে তথ্যের ভিত্তিতে বড়চাঁপা ইউনিয়নের চন্ডীতলা গ্রামের জুয়েল রানার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল রানা (৩৫) পালিয়ে যায়।
পরে তার স্ত্রী অপু (৩০)-কে আটক করা হয়। নারী পুলিশের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে তার দেহ থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটককৃত নারী ও তার পলাতক স্বামী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক অপুকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক জুয়েল রানাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

মোঃ সুজন বেপারী

মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মোঃ সুজন বেপারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওস্তাদ মোতালেব পাটোয়ারী সুপরিচিত মিরকাদিম পৌর রিকাবী বাজার মিনি স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি গঠনে দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা জানিয়েছেন মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ।

মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক নতুন মিনি স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে জনাব মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ বলেন, সারাবাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প নিয়েছে এটা একটা উল্লেখযোগ্য কারণ আমাদের জাতি কে ও সমাজ কে যারা উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আমাদের তরুণ সমাজ উপকৃত হবে, রাষ্ট্রীয় উপকৃত হবে, তবে আমি আশাবাদী এজন্যই আল্লাহ্ রহমতে খেলাধুলা তরুণদের লক্ষ্য এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম এর ক্রিকেট ও মাঠ পরিচালক ও জেলা সহ-সভাপতি ক্রিকেট এসোসিয়েশন ক্রীড়া মোঃ রনি খাঁন বলেন, ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল, আমরা শুধু ভালো ক্রিকেটার তৈরি করতে চাই না, আমরা ভালো মানুষও তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশে আমরা ক্রিকেটের মাধ্যমে ভালো তরুণ খেলোয়াড় খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দেওয়া প্রজন্মেদের গড়ে তুলতে চাই।

রনি খাঁন কথাতেই বোঝা যায়, তিনি ক্রিকেটকে জাতীয় আত্মপরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখেন। তার ভাবনায় মিরকাদিম স্টেডিয়াম ক্রিকেট শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, আচরণ ও মূল্যবোধ দিয়েও নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করবে। বলেন, ‘ক্রিকেট আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ঐক্যের জায়গা। এখান থেকেই আমরা শিখতে পারি পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা, দেশপ্রেম। এই গুণগুলোই আমাদের ভালো তরুন প্রজন্মেদের হতে সাহায্য করবে।’

মিরকাদিম পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠের ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার নিজেরই সঁপ্ন ছিলো অনেক বড় পিলিয়ার হওয়া যেটা আমি যখন দেখেছি যে একটা সময় ভালো জায়গায় পোঁছাতে পারিনি তো সেটা আমার নিজেরই ব্যার্থতা।

ফুটবল এর কোচ তিনি আরও বলেন, তবে আমরা আপনারা মাধ্যমে সবাইর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যদি অনেকেই বলে যে মাদক ছেরে মাঠে আয় আসলে এটা সবাইর মুখেমুখেই বাস্তবে সেটা হয়না। বাস্তবে অনেক ছেলেবেলেরা দেখি এন্ড্রয়েড বড় বড় মোবাইল নিয়ে বসে থাকে এবং গেমস খেলে যদি বলি মাঠে আসতে তো আমি অনেক চেষ্টা করি সবাইকে মাঠে আনার জন্য নিজেকে ফুটবল বা ক্রিকেট একটা খেলার সাথে সম্পৃক্ত রাখার জন্য যাতে ফুটবল বা ক্রিকেট খেললে মনমানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থ্যতা অনেক ভালো থাকে।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম মাঠের দায়িত্ব পদে ক্রিকেট পরিচালক রনি খাঁন ও ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোহাম্মদ মোজ্জামেল হোসেন বলেন, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখেন, আমরা পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের এমন উচ্চতায় নিয়ে যাব, যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে গর্ব করতে পারি মিরকাদিম পৌরবাসী ইনশাআল্লাহ্।

error: Content is protected !!