শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে একগুচ্ছ নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ১:০০ এএম | 108 বার পড়া হয়েছে
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে একগুচ্ছ নির্দেশ

আসন্ন দুর্গাপূজায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠ প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. জহিরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস স্মারকের মাধ্যমে আজ এ নির্দেশনাসমূহ জারি করা হয়।

অফিস স্মারকে বলা হয়েছে, গত ১ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের দ্বিতীয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাঠ প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য এসব নির্দেশনাসমূহ জারি করা হয়।

নির্দেশনাসমূহ হলো- শারদীয় দূর্গাপূজা-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র‌্যাব এবং আনসার ও ভিডিপি কর্তৃক দৃশ্যমান টহল জোরদার এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে, যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা প্রতিরোধে পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। অপ্রত্যাশিতভাবে কোনো ঘটনার সূত্রপাত ঘটার সাথে সাথেই সংশি¬ষ্ট সকলকে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশি¬ষ্ট সকলকে পূজামন্ডপসমূহ পরিদর্শন করতে হবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এরূপ কোনো বক্তব্য বা গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, সংশি¬ষ্ট পূজা উদযাপন কমিটিসমূহকে পূজামন্ডপসমূহে সার্বক্ষণিক পাহারার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও পাহারাদার (পালাক্রমে দিনে কমপক্ষে ৩ জন এবং রাতে ৪ জন) নিয়োজিত করতে হবে, প্রতিটি পূজামন্ডপে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ বাহিনীর সদস্য, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, র‌্যাব এবং অন্যান্য বাহিনীর সদস্য মোতায়েন নিশ্চিত করতে হবে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে হিন্দু ধর্মালম্বীদের পাশাপাশি পূজামন্ডপের নিরাপত্তা বিধানে সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্র-জনতাকে অন্তর্ভুক্ত করে মনিটরিং কমিটি গঠন করতে হবে।

জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরূপ কমিটি গঠন করবেন বলে অফিস স্মারকে উল্লেখ করা হয় ।

সূত্র: বাসস

“আর হবে না দেখা” — প্রয়াত গুণী শিল্পীদের স্মরণে আবেগঘন স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৮ এএম
“আর হবে না দেখা” — প্রয়াত গুণী শিল্পীদের স্মরণে আবেগঘন স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

নরসিংদীতে আবেগঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো প্রয়াত তিন গুণী সংগীত ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করার এক ব্যতিক্রমী আয়োজন। “আর হবে না দেখা” শিরোনামে এই স্মরণসভা আয়োজন করে বৈশাখী সংগীত একাডেমী, নরসিংদী।

আজ বিকেল ৩টায় নরসিংদী প্রেসক্লাব হলরুমে আয়োজিত এ সভায় স্মরণ করা হয় দেশের প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী নাজির উদ্দিন আহমেদ, বিশিষ্ট তবলা বাদক ফকির পিয়ার হোসেন এবং তবলা বাদক বীরেন্দ্র চন্দ্র দাসকে।
বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক এবং বৈশাখী সংগীত একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আলী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এমন গুণী শিল্পীদের অবদান আমাদের সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। তাদের শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়, তবে তাদের কর্ম আমাদের পথ দেখাবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মন্দী গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেন নাজির, নরসিংদী প্রেসক্লাবের প্রবীণ সাংবাদিক ও সাবেক সভাপতি নিবারণ চন্দ্র রায়, সহ-সভাপতি হলধর দাস, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. রমজান আলী প্রামানিক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান পরিকল্পনাকারী নূর হোসেন মিন্টু, দৈনিক আজকের খোঁজখবর পত্রিকার সম্পাদক মনজিল এ মিল্লাত, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নজরুল একাডেমী জেলা শাখার অধ্যক্ষ মতিউর রহমান চৌধুরী, যুগান্তর সজন সমাবেশের সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান খোকন এবং নবধারা কণ্ঠশিল্পন-এর পরিচালক মোতাহার হোসেন অনিকসহ আরও অনেকে।
প্রয়াত তিন শিল্পীর জীবনী পাঠ করেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের কণ্ঠশিল্পী তাসনিম আনআম রাইসা। জীবনী পাঠের সময় উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
স্মরণসভায় বক্তারা প্রয়াত শিল্পীদের জীবন, কর্ম এবং সংগীতে তাদের অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বৈশাখী সংগীত একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক তাসমিনা ইয়াসমিন রুনা, তবলা প্রশিক্ষক অভিজিৎ পদ্মা টিপু, কণ্ঠশিল্পী টিপু সুলতান, পুরবী সংগীত একাডেমীর অধ্যক্ষ বাদল চন্দ্র বিশ্বাস এবং নজরুল সংগীত শিল্পী ও গবেষক মনিরুল ইসলাম মনি স্মৃতিচারণ করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবব্রত সাহা দেবু, নরোত্তম দাস, শফিকুল ইসলাম লিটন, স্বপন সাহা, প্রেমানন্দ বিশ্বাস, নিতাই সাহা, সৌরভ, ডা. বিধু ভূষণ দাস, জাহাঙ্গীর আলম খোকন, শাওন, ঝন্টু, অসিত বর্মন, সন্তোষ কুমার সূত্রধর, সমীর রায়, জয় সাহাসহ জেলার বহু শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বৈশাখী সংগীত একাডেমীর সাংগঠনিক সম্পাদক পরিতোষ চন্দ্র দাস।
স্মরণসভা শেষে প্রয়াত শিল্পীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও নীরবতা পালন করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভরা এক অনন্য পরিবেশ—যেখানে বারবার উচ্চারিত হয়েছে, “আর হবে না দেখা”, কিন্তু তাদের সৃষ্টিকর্ম চিরকাল বেঁচে থাকবে আমাদের হৃদয়ে।

লালমনিরহাটে দিনদুপুরে হামলা-ভাঙচুর, গাছ কেটে লুটপাট: আতঙ্কে অসহায় পরিবার, থানায় অভিযোগ

ফারুক হোসাইন, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান লালমনিরহাট প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩১ এএম
লালমনিরহাটে দিনদুপুরে হামলা-ভাঙচুর, গাছ কেটে লুটপাট: আতঙ্কে অসহায় পরিবার, থানায় অভিযোগ

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের তেলীপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দিনদুপুরে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে আপন ভাই ও ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একটি পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোঃ আব্দুস সাত্তার (৬৮) তার বড় ভাই মোঃ আব্দুস সোবাহান (৭০) ও ভাতিজা মোঃ সাগর (৩২) এবং মোঃ রেজাউল (২২)-এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির উত্তর পাশের সীমানা নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে আছেন।
গত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত হয়ে ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা টিনের ঘর ও বেড়া ভাঙচুর করে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং টিন খুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এতেই ক্ষান্ত না হয়ে তারা বাড়ির সীমানায় থাকা প্রায় ২০-২৫টি বিভিন্ন ফলজ গাছ—সুপারি, আম ও কাঁঠাল গাছ কেটে ফেলে, যার আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।
বাধা দিতে গেলে ভুক্তভোগীর পুত্রবধূ মোছাঃ নুর জাহান বেগম (২০)-কে মারধর করে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। এছাড়া অপর পুত্রবধূ মোছাঃ হোসনে আরা খাতুনকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তেড়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরিবারের দাবি, তিনি নয় মাসের গর্ভবতী ছিলেন এবং তার গর্ভের সন্তানের জীবননাশেরও চেষ্টা করা হয়।
ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে অভিযুক্তরা চলে যাওয়ার সময় পুনরায় সুযোগ পেলে হত্যার হুমকি দিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকা ভুক্তভোগী পরিবার লালমনিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগী আব্দুস সাত্তার বলেন, “আমরা এখন চরম আতঙ্কে আছি। যেকোনো সময় তারা আবার হামলা করতে পারে।”
এ বিষয়ে লালমনিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার জেলার অভিভাবক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে।

চট্টগ্রামে মানবাধিকার সংস্থার সাধারণ সভা: ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ঐক্যের আহ্বান

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা। প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৮ এএম
চট্টগ্রামে মানবাধিকার সংস্থার সাধারণ সভা: ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ঐক্যের আহ্বান

মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের সমন্বয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা ও নির্যাতন প্রতিরোধে জোর

চট্টগ্রাম, শুক্রবার:
ন্যায়, মানবতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার জেলা শাখার গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সভা। বিকাল ৪টায় জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইনের ল’ চেম্বারে আয়োজিত এই সভায় মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইন। বক্তারা বলেন, সমাজের অসঙ্গতি ও অন্যায় তুলে ধরতে সাংবাদিকরা যেমন অগ্রণী ভূমিকা রাখেন, তেমনি সেই সমস্যার প্রতিকার নিশ্চিত করতে কাজ করেন মানবাধিকার কর্মীরা। এই সমন্বয়ই একটি সুস্থ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।
সভায় সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান মাস্টার আবুল কাশেম এবং জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইনের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে গৃহীত কার্যক্রমের প্রশংসা করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে অঙ্গীকারের বার্তা
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইন বলেন,
“আমরা শুধু একটি সভায় বসিনি, আমরা একটি দায়িত্ব ও মানবিক সংগ্রামের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার কোনো দয়া নয়, এটি প্রতিটি মানুষের জন্মগত অধিকার। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ানো এবং বঞ্চিতদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় গুরুত্ব বাস্তবায়নে
সভায় বক্তারা কথার চেয়ে কাজে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন। এ লক্ষ্যে কয়েকটি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়—
প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া
নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ
মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা ও শিক্ষা বিস্তার
অন্যান্য বক্তাদের অংশগ্রহণ
সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ওমর শরীফ লিটনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, গণমাধ্যম বিষয়ক সচিব সাংবাদিক মোহাম্মদ সেলিম খান, হাটহাজারীর দায়িত্বশীল মোহাম্মদ আবদুল হালিম আলম, শ্রম বিষয়ক সচিব মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, শিল্প, জলবায়ু ও পরিবেশ বিষয়ক সচিব মোহাম্মদ মোরশেদ আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
উপসংহার
সভাটি একটি শক্তিশালী ও কার্যকর মানবাধিকার আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয়ে শেষ হয়। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে অন্যায়-অবিচারমুক্ত, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

error: Content is protected !!