মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

মোঃ আবু সাঈদ বাঘা (রাজশাহী) প্রতিবেদক

বাঘায় বিএনপির লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৭ এএম | 197 বার পড়া হয়েছে
বাঘায় বিএনপির লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর বাঘায় বিএনপির লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদের নির্দেশে উপজেলা যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ৫নং বাউসা ইউনিয়নের তেতুলিয়া বাজারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।এই লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি ছিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে।

উক্ত বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাঘা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফকরুল হাসান বাবুল, সদস্য সচিব আশরাফ আলী মলিন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুরুজ ও মুকুল, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সালেহ আহম্মেদ সালাম ও জুয়েল খান, সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম শফি, সদস্য মো. সজিব, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম ও সদস্য সচিব আরিফ, রাজশাহী জেলা যুবদলের সদস্য রায়হান রাজা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সেলিম রেজা, বাঘা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আজমল, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক পলান আলী ও সদস্য সচিব শিমুলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ও রহিম মাস্টার, ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান, যুবদলের সাবেক সভাপতি এনামুল হক, ছাত্রদলের সভাপতি আমির হামজা মধু, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল রাজ, ক্রীড়া সম্পাদক রানা, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোকলেচুর রহমান, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামিল ও ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক নজরুল মাস্টার।

এ সময় সকলের উদ্দেশে বাঘা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফকরুল হাসান বাবলু বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দেশের মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নেমেছে। জনগণের মুক্তি, গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রের সব অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে দলের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা জনগণের পাশে আছি, তাদের অধিকার ফিরিয়ে আনতে এই কর্মসূচি সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। প্রত্যেক নেতাকর্মীকে শান্তিপূর্ণভাবে ঘরে ঘরে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। আজকের এই লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি তারই অংশ।”

 

সুকুমার রায় কাহারোল (দিনাজপুর)

কাহারোলে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সুকুমার রায় কাহারোল (দিনাজপুর) প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৩ পিএম
কাহারোলে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি অনুষ্ঠিত

“দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়বো, টেকসই বাংলাদেশ গড়বো”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের কাহারোলে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় কাহারোল উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য,বেসরকারি সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্কাউটস সদস্যসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালি শেষে দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বাড়াতে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক বাস্তবভিত্তিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুর্যোগকালীন সময়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া, আগুন লাগলে প্রাথমিকভাবে কীভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং আহতদের উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বিভিন্ন কৌশল প্রদর্শন করা হয়। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে দুর্যোগের সময় করণীয় সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ধারণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারলে অনেক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। তাই দুর্যোগ প্রস্তুতি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং এ ধরনের কর্মসূচি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ মোকলেদা খাতুন মীম , উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষি বিদ মোঃ জাহিদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ আনিছুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মোতালেব, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এম কে জিন্নাত আলী, উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ সারওয়ার মুর্শেদ, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কাহারোল এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার লাভলী লাকী বিশ্বাস সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্যোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রস্তুতি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মোঃ সবুজ খান স্টাফ রিপোর্টার

মসদই মানেই অন্য রকম আয়োজন

মোঃ সবুজ খান স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৬ পিএম
মসদই মানেই অন্য রকম আয়োজন

সারা বাংলাদেশের আনাচে কানাচে সুনাম ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সেই ভাইরাল মসদই মাঠের নাম। সেই ভাইরাল মসদই মাঠে এবার ভিন্ন রকম ঈদের আয়োজন করা হয়েছে।

মসদই গ্রাম জন্ম লগ্ন থেকেই তার সুনাম বহি বিশ্বে সুনাম রয়েছে। এ-ই গ্রামে জন্মেছিল অনেক জ্ঞানী গুণী মানুষ। মসদই সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবার ঈদ আয়োজন থাকছে সেই পুরো দিনের আয়োজন।

মসদই জনকল্যাণ সংঘের বর্তমান সভাপতি মোঃ জাহিদ খান জানান, পবিত্র রামাদানের শুভেচ্ছা, অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি ঈদুল ফিতরের পরের দিন (ঈদের দ্বিতীয়) সকাল দশ টায় মসদই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গ্রামের মুরুব্বিদের নিয়া কিছু প্রতিযোগিতামূলক খেলার আয়োজন থাকছে এবং বিকালে গ্রামের কৃষক ভাই দের নিয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতা হবে ।

ঈদের পরের দিনের পরের দিন (ঈদের তৃত্বীয় দিন শহর বনাম গ্রাম ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়েছে ।

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি

ডিমলার ঝুনাগাছচাপানীতে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন ডাক্তার মাহাবুবর রহমান

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:১২ পিএম
ডিমলার ঝুনাগাছচাপানীতে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন ডাক্তার মাহাবুবর রহমান

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় গরিব, দুঃখি, অসহায় দরিদ্র এতিম,ছোট,বড় সর্ব সাধারন মানুষের মাঝে আলোচিত এক নাম-ডাক্তার মাহাবুবর রহমান  ।পেশায় তিনি উপজেলার ৮নং ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়নের চাপানীহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ।তিনি এলাকার বিভিন্ন খেলাধুলা, সামাজিক সাংস্কৃতিক ও সেবামুলক সংগঠনের সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত আছেন।চিকিৎসক মাহাবুবর রহমান   ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড দক্ষিক সোনাখুলী  (হাজীপাড়া)গ্রামের হাফেজ ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে। তিনি তার ৭নং ওয়ার্ড এলাকায় সামাজিক উন্নায়ন মুলক কাজ করে যাচ্ছে। কার ঘরে খাবার আছে কিনা, কেউ না খেয়ে আছে নাকি,কারা কোন অসুখ হল নাকি,কার মেয়ের বিয়ে,কোন অসুস্হ রোগীকে মেডিকেল নিয়ে যেতে হবে কিনা।প্রতিদিনে খোঁজ খবর রাখেন।অভাবে অনাটণের কারনে কেউ যদি দিনাপাত করেন তাদের খাওয়ার ব্যবস্হা করে দেন। অভাব অনাটনে  যে সব ছেলে মেয়েদেন লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তাদের খোঁজ খবর নিয়ে আর্থিক সহযোগীতা করে লেখা পড়ার ব্যবস্হা করেন।ধর্মবর্ন নির্বিশেষে কোন অসহায় ব্যক্তি তার কাছে গেলে তিনি তার সাধ্যমতে সহযোগীতা করেন।কোন গরিব অসহায় ব্যক্তির মেয়ে বিয়ে দিলে সবার আগে হাজির হয় নিজে সহযোগীতা করেন এমনকি অন্যের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিয়ের কাজ সম্পুর্ন করেন।মানবসেবা তার রক্তে মিছে আছে।যেখানে মানবিক বিপর্যয় সেখানে তার উপস্হিত হয়ে। অসহায় মানুষের পাঁশে দাড়াঁনো তাদের কে প্রতিস্ঠিত করে সুন্দর ভাবে জীবন যাপনে সাহায্য করা তার নেশা। তিনি অত্র ইউনিয়নে মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল, ক্রিয়া প্রতিযোগিতায় সহায়তা প্রদান। তরুণ প্রজন্মের, তরুণ সমজকে মাদক থেকে দুরে রাখতে বিভিন্ন খেলা ধুলার আয়োজন করেন,এমনকি অত্র ইউনিয়নে ফুটবল,ব্যাটমিন্টন, ক্রিকেট, হাডুডু খেলার আয়োজন করা হয় সবার আগে তিনি  উপস্থিতি হন। রমজান মাসে ইদুল ফিতর উপলক্ষে তার ৬নং এলাকায় অসহায় দুঃস্হ মানুষের মাঝে সেমাই চিনি,আটা নগদ অর্থ প্রদান করেন।অনেক লুঙ্গি,শাড়ী, জামা কাপড় দেন। শুধু তাই নয় উক্ত এলাকায় রাস্তাঘাট,মসজিদ,মন্দির, সামাজিক উন্নায়ন মুলক কাজে সহযোগীতা করে থাকেন।বাল্যবিবাহ,শিশুশ্রম,নারী

নির্যাতণ,মাদক নিমূলে ব্যাপক ভুমিকা পালন করেন। এমন,মানবিক কল্যানে কাজ করতে যেমন পেয়েছেন ভালোবাসা, তার থেকে বেশি পেয়েছেন এক শ্রেনী সমালোচকদের কাছ থেকে কষ্ট দায়ক কথা,তবু ও থেমে থাকেন নাই। তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন তার কাজ মানব প্রেমী এই মানুষটি। এপ্রতিবেদকের একান্ত সাক্ষাত কারে হোমিওপ্যাথিক ডাঃ মাহাবুবর রহমান   বলেন, ছোট বেলা থেকে মানুষের জন্য কিছু করা বড় স্বপ্ন দেখতাম।বড় হয়ে অসহায় মানুষের জন্য এই সমাজের জন্য কিছু করা বড় আনন্দের বিষয়। ছোট বেলায় ঞ্জান হওয়ার পর হতে  বাবার কাছে শিখেছি মানুষকে সাহায়্য করা সমাজে উন্নায়ন মুলক কাজ করা বড় ইবাদত।বাবা সেই অনুপ্রায়নাকে কাজে লাগিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।আমি নিজে একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ।  সেখান থেকে কিছু আয় ও নিজের কিছু সম্পতির যে টুকু অংশ আছে। সেটুকু আবাদ করে সংসার চালায়, তার কিছু থেকে মানুষের জন্য কাজ করি।এটাই আমার বড় পাওয়া। অসহায় গরিব মানুষের কল্যানে সব বিত্তবান ব্যক্তিরা যদি এভাবে এগিয়ে আসতো তাহলে সমাজের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হতো বলে অনেকে মনে করেন।

error: Content is protected !!