শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকারের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে

আমার কোনও ওয়ারিশ নেই

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫, ১:৪৬ পিএম | 158 বার পড়া হয়েছে
আমার কোনও ওয়ারিশ নেই

জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দলের চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পীর একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে গাইবান্ধা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে তিনি লেখেন—
“আমি দিলারা খন্দকার(ব্যারিস্টার অ্যাট ল’),মাতা-মৃত স্বপ্না খন্দকার, পিতা—মৃত খন্দকার ওসমান গনি দুলু। পৃথিবীতে আমার কোনো ওয়ারিশ নেই। আমার মৃত্যুর পর যা কিছু সম্পদ আছে, তার ওছিয়তনামা আমি করে রেখেছি। আমার কবর হবে আমার বাড়ি ‘Barrister’s House’-এর পূর্ব পাশে।
বিঃ দ্রঃ আমার মৃত্যুর পর আমার ভাই আবু বকর সিদ্দিক পলাশ আমাকে স্পর্শ করতে পারবে না, দাফনে অংশ নিতে পারবে না, কবরে মাটি দিতে পারবে না।”
এই স্ট্যাটাসটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। কেউ বিষয়টিকে পারিবারিক দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন ব্যারিস্টারের মানসিক অবস্থা নিয়ে।
রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী) আসনে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিলেও পার্টি চেয়ারম্যানের নির্দেশে তা প্রত্যাহার করেন।
২০০৭ সালে যুক্তরাজ্য থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করে দেশে ফিরে তিনি ২০০৯ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত হন এবং ২০১১ সালে হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতি পান।
তার বাবা খন্দকার ওসমান গনি দুলু ছিলেন পলাশবাড়ীর প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি স্থানীয়ভাবে পরিচিত “শিল্পী ভোজনালয়”-এর মালিক ছিলেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি মারা যান। এর ৪০ দিন আগে মারা যান দিলারার মা স্বপ্না খন্দকার।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুর আগে খন্দকার দুলু নিজের সম্পদ ছেলে আবু বকর সিদ্দিক পলাশ ও মেয়ে দিলারা খন্দকারের মধ্যে দলিলমূলে ভাগ করে দেন। তবে পরবর্তীতে সম্পত্তি নিয়ে ভাই-বোনের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এক পর্যায়ে দিলারা খন্দকার আদালতে মামলা করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। এরপর থেকেই দুই ভাই-বোনের সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দেয় এবং স্থানীয়ভাবে এ নিয়ে নানা ঘটনা আলোচনায় আসে।
স্ট্যাটাসের বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন,
“যা ঘটেছে, সেটাই জানাতে চেয়েছি। এর বাইরে কিছু বলার নেই।”
অন্যদিকে, ভাই আবু বকর সিদ্দিক পলাশ বলেন,
“আমরা দুই ভাই-বোনই বাবা-মায়ের আদরের সন্তান। মৃত্যুর আগে বাবা সম্পদ বণ্টন করে গেছেন। তারপরও আপার সঙ্গে কিছু ভুল বোঝাবুঝি রয়ে গেছে, যা সমাধানের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।”
ব্যক্তিগত জীবনে অবিবাহিত ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকারের এই স্ট্যাটাস এখন গাইবান্ধার রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
জাতীয় পার্টির এই সাবেক নেত্রী টেলিভিশনের বিভিন্ন টকশোতেও আলোচিত ছিলেন। দলের প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একাধিকবার তার পলাশবাড়ীর বাসভবনে সফর করেছিলেন।
এরশাদের মৃত্যুর পর তিনি জাতীয় পার্টির নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে ২০২০ সালে “জাতীয় পল্লী পার্টি” নামে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গঠন করেন, যা এরশাদের “পল্লীবন্ধু” উপাধির সঙ্গে মিল রেখে নামকরণ করা হয়।
শিক্ষাজীবনে ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার পলাশবাড়ী পিয়ারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, পলাশবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে লন্ডনে গিয়ে এ-লেভেল, আইন বিষয়ে ডিপ্লোমা, এলএলবি ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এবং “লিংকনস ইন” থেকে বার-অ্যাট-ল অর্জন করেন।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০১ এএম
নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই শাহিনুর ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শেখের বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে তথ্যের ভিত্তিতে বড়চাঁপা ইউনিয়নের চন্ডীতলা গ্রামের জুয়েল রানার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল রানা (৩৫) পালিয়ে যায়।
পরে তার স্ত্রী অপু (৩০)-কে আটক করা হয়। নারী পুলিশের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে তার দেহ থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটককৃত নারী ও তার পলাতক স্বামী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক অপুকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক জুয়েল রানাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

মোঃ সুজন বেপারী

মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মোঃ সুজন বেপারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওস্তাদ মোতালেব পাটোয়ারী সুপরিচিত মিরকাদিম পৌর রিকাবী বাজার মিনি স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি গঠনে দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা জানিয়েছেন মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ।

মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক নতুন মিনি স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে জনাব মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ বলেন, সারাবাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প নিয়েছে এটা একটা উল্লেখযোগ্য কারণ আমাদের জাতি কে ও সমাজ কে যারা উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আমাদের তরুণ সমাজ উপকৃত হবে, রাষ্ট্রীয় উপকৃত হবে, তবে আমি আশাবাদী এজন্যই আল্লাহ্ রহমতে খেলাধুলা তরুণদের লক্ষ্য এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম এর ক্রিকেট ও মাঠ পরিচালক ও জেলা সহ-সভাপতি ক্রিকেট এসোসিয়েশন ক্রীড়া মোঃ রনি খাঁন বলেন, ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল, আমরা শুধু ভালো ক্রিকেটার তৈরি করতে চাই না, আমরা ভালো মানুষও তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশে আমরা ক্রিকেটের মাধ্যমে ভালো তরুণ খেলোয়াড় খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দেওয়া প্রজন্মেদের গড়ে তুলতে চাই।

রনি খাঁন কথাতেই বোঝা যায়, তিনি ক্রিকেটকে জাতীয় আত্মপরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখেন। তার ভাবনায় মিরকাদিম স্টেডিয়াম ক্রিকেট শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, আচরণ ও মূল্যবোধ দিয়েও নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করবে। বলেন, ‘ক্রিকেট আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ঐক্যের জায়গা। এখান থেকেই আমরা শিখতে পারি পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা, দেশপ্রেম। এই গুণগুলোই আমাদের ভালো তরুন প্রজন্মেদের হতে সাহায্য করবে।’

মিরকাদিম পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠের ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার নিজেরই সঁপ্ন ছিলো অনেক বড় পিলিয়ার হওয়া যেটা আমি যখন দেখেছি যে একটা সময় ভালো জায়গায় পোঁছাতে পারিনি তো সেটা আমার নিজেরই ব্যার্থতা।

ফুটবল এর কোচ তিনি আরও বলেন, তবে আমরা আপনারা মাধ্যমে সবাইর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যদি অনেকেই বলে যে মাদক ছেরে মাঠে আয় আসলে এটা সবাইর মুখেমুখেই বাস্তবে সেটা হয়না। বাস্তবে অনেক ছেলেবেলেরা দেখি এন্ড্রয়েড বড় বড় মোবাইল নিয়ে বসে থাকে এবং গেমস খেলে যদি বলি মাঠে আসতে তো আমি অনেক চেষ্টা করি সবাইকে মাঠে আনার জন্য নিজেকে ফুটবল বা ক্রিকেট একটা খেলার সাথে সম্পৃক্ত রাখার জন্য যাতে ফুটবল বা ক্রিকেট খেললে মনমানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থ্যতা অনেক ভালো থাকে।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম মাঠের দায়িত্ব পদে ক্রিকেট পরিচালক রনি খাঁন ও ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোহাম্মদ মোজ্জামেল হোসেন বলেন, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখেন, আমরা পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের এমন উচ্চতায় নিয়ে যাব, যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে গর্ব করতে পারি মিরকাদিম পৌরবাসী ইনশাআল্লাহ্।

error: Content is protected !!