সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

হিমালয়ের যে নদী মাউন্ট এভারেস্টকে ঠেলে ওপরে তুলে দিচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:২১ পিএম | 166 বার পড়া হয়েছে
হিমালয়ের যে নদী মাউন্ট এভারেস্টকে ঠেলে ওপরে তুলে দিচ্ছে

মাউন্ট এভারেস্টের পাদদেশ দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি নদীতে ভূমিক্ষয়ের কারণে বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গটির উচ্চতা ১৫ থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত বেড়ে গেছে বলে নতুন একটি গবেষণাপত্রে জানা গেছে।

ওই নদীতে ভূমিক্ষয় হয়ে যে পাথর ও মাটি সরে যাচ্ছে নদীবক্ষ থেকে, তারই চাপে মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে গবেষকরা জানাচ্ছেন।

ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ লন্ডনের বিজ্ঞানীরা বলছেন, এভারেস্ট থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দূরে অরুণ নদী অববাহিকার ভূমি-ক্ষয়ের ফলেই প্রতিবছর মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা দুই মিলিমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।

“এটা অনেকটা পণ্যবাহী জাহাজ থেকে মালপত্র ফেলে দেওয়ার মতো ব্যাপার,” বিবিসিকে জানাচ্ছিলেন ওই গবেষণাপত্রের সহ-লেখক অ্যাডাম স্মিথ।

তার ব্যাখ্যা, “জাহাজ থেকে পণ্য ফেলে দেওয়া হলে জাহাজটি কিছুটা ওপরে ভেসে থাকতে পারে, তাই ভূ-ত্বকের ক্ষরণ হলে পর্বতশৃঙ্গটিও কিছুটা ওপরে উঠে যাবে।“

যেভাবে সর্বোচ্চ শৃঙ্গের উচ্চতা বাড়ছে
প্রায় চার থেকে পাঁচ কোটি বছর আগে ভারতীয় প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেটের মধ্যে ধাক্কার অভিঘাতে হিমালয়ের জন্ম হয়েছিল। দুটি প্লেটের ঘাত-অভিঘাতের কারণে এখনও হিমালয়ের উচ্চতা বেড়ে চলেছে।

তবে ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ লন্ডন বা ইউসিএলের বিজ্ঞানীরা বলছেন যে দুটি প্লেটের ঘাত-অভিঘাত ছাড়াও মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা বৃদ্ধির বাড়তি আরও একটা কারণ অরুণ নদীতে ঘটে যাওয়া ভূ-বৈজ্ঞানিক পরিবর্তনগুলি।

হিমালয়ের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়ার পথে অরুণ নদী নদীবক্ষ, অর্থাৎ ভূত্বক থেকে পাথর ও মাটি কেটে নিয়ে যায়। এর ফলে ভূত্বকের ঠিক নিচে ম্যান্টেল নামের যে স্তরটি রয়েছে তা ওপরের দিকে ফুলে ওঠে।

এই প্রক্রিয়াটিকে ভূবিজ্ঞানের তত্ত্বে আইসোস্ট্যাটিক রিবাউন্ড বলা হয়ে থাকে।

নেচার জিওসায়েন্স পত্রিকায় প্রকাশিত গবেষণাপত্রটিতে বলা হয়েছে, এই ভূবৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার ফলে এভারেস্ট ও সেটির কাছাকাছি অঞ্চলের অন্যান্য পর্বতশৃঙ্গগুলিকে ওপরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এভারেস্ট ছাড়াও বিশ্বের চতুর্থ ও পঞ্চম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ– যথাক্রমে লোৎসে এবং মাকালুর উচ্চতাও বেড়ে যাচ্ছে।

গবেষণাপত্রটির আরেকজন সহ-লেখক ড. ম্যাথু ফক্স বিবিসিকে ব্যাখ্যা করছিলেন, “ভূমিক্ষয়ের ফলে যে হারে মাউন্ট এভারেস্ট ও কাছাকাছি অন্যান্য শৃঙ্গগুলির উচ্চতা কমছে, তার থেকে বেশি হারে আইসোস্ট্যাটিক রিবাউন্ড শৃঙ্গগুলিকে ঠেলে ওপরের দিকে ঠেলে তুলে দিচ্ছে।”

“আমরা জিপিএস যন্ত্র ব্যবহার করে দেখেছি যে ওই পর্বতশৃঙ্গগুলির উচ্চতা বছরে প্রায় দুই মিলিমিটার করে বাড়ছে। এই উচ্চতাবৃদ্ধির কারণ আমাদের কাছে এখন আগের থেকে অনেক পরিষ্কার,” বলছিলেন ম্যাথু ফক্স।

‘বিশ্বাসযোগ্য তত্ত্ব’
ওই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত নন, এমন কয়েকজন ভূবিজ্ঞানী বলছেন যে, এই তত্ত্বটি বিশ্বাসযোগ্য ঠিকই, কিন্তু নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে।

চীন ও নেপালের সীমান্তে অবস্থিত মাউন্ট এভারেস্ট। শৃঙ্গটির উত্তরভাগ চীনের সীমানায় পড়ে।

অরুণ নদী তিব্বত থেকে নেমে আসে নেপালে। আরও দুটি নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে ওই নদীটির নাম হয় কোশী। কোশী নদী নেপাল থেকে উত্তর ভারতে প্রবেশ করেছে, যা পরে আবার গঙ্গায় মিশেছে।

খাড়া পর্বতমালার মধ্যে দিয়ে অরুণ নদী প্রচণ্ড স্রোতে নেমে আসে, তার ফলে নদীটির পলিমাটি কেটে নিয়ে আসার ক্ষমতাও খুব বেশি। নদীটির যাত্রাপথে তাই প্রচুর পরিমাণে পাথর আর মাটি বয়ে আনে।

চায়না ইউনিভার্সিটি অফ জিওসায়েন্সের গবেষক ড. শু হান ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ লন্ডনের প্রকাশিত গবেষণাপত্রটির মূল লেখক। ইউসিএলে একটি স্কলারশিপে এসে গবেষণাপত্রটির কাজ করেছিলেন তিনি।

তার কথায়, “মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা বৃদ্ধি আরও বেশি করে আমাদের দেখিয়ে দেয় যে ভূত্বক আসলে কতটা গতিশীল একটা ভূবৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া।”

“অরুণ নদীর নদীবক্ষের ক্ষয় আর ভূ-ত্বকের ঠিক নিচে অবস্থিত ম্যান্টেল স্তরটির ওপরের দিকে চাপ দেওয়ার ফলেই মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা যতটা হওয়া উচিত ছিল, তার থেকেও বেড়ে যাচ্ছে,” জানাচ্ছিলেন ড. শু হান।

গবেষণায় অনিশ্চয়তাও আছে
ইউসিএলের গবেষণাপত্রটি জানাচ্ছে যে তিব্বত থেকে বয়ে আসা আরও একটি নদীখাতের সঙ্গে যে সময়ে মিশেছে অরুণ নদী, তখন থেকেই বিপুল পরিমাণে মাটি আর পাথর কেটে নিত নদীবক্ষ থেকে। তার পরিমাণ এবং গতি সম্ভবত আরও বেড়েছে।

ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবরার স্কুল অফ জিওসায়েন্সেসের অধ্যাপক হিউ সিনক্লেয়ার ইউসিএলের ওই গবেষণার বিষয়ে বলছেন, যে ইউসিএলের গবেষকরা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা বৃদ্ধির যে অন্তর্নিহিত কারণ খুঁজে বের করেছেন, তা যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত।

তবে তিনি এটাও বলছেন, যে নদীবক্ষের মাটি আর পাথর কেটে নেওয়ার সঠিক পরিমাণ ও সময়কাল এবং তার ফলশ্রুতিতে আশপাশের শৃঙ্গগুলির উচ্চতা বৃদ্ধির মধ্যে অনেক অনিশ্চয়তা এখনও আছে।

তার কথায়, “প্রথমত, একটি নদীপথ আরেকটি নদীখাতে মিশে যাওয়ার ফলে বিরাট অববাহিকা জুড়ে একটি নদীবক্ষের মাটি ও পাথর কেটে আনার পরিমাণ হিসাব করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ।”

এই অনিশ্চয়তার কথা মানছেন গবেষণাপত্রটির লেখকরাও।

অধ্যাপক হিউ সিনক্লেয়ার দ্বিতীয় যে বিষয়টির উল্লেখ করছেন তা হলো, ব্যাপক পরিমাণে ভূ-ক্ষয় নদীবক্ষের যেখান থেকে শুরু হয়েছে, তার থেকে কত দূরত্বে শৃঙ্গগুলির উচ্চতা বৃদ্ধি শুরু হয়েছে, এই হিসাব করা কঠিন।

“এইসব হিসাব নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও মাউন্ট এভারেস্টের ব্যতিক্রমী উচ্চতাবৃদ্ধির সঙ্গে নদীর সংযোগ খুঁজে পাওয়াটা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা,” বলছিলেন অধ্যাপক সিনক্লেয়ার।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম
রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের রূপগঞ্জ প্রতিনিধি নাজমুল হুদা (৪৬) কে সন্ত্রাসীরা প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। গত ১৩মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় মোটরসাইকেলে ভুলতা গাউছিয়া যাওয়ার পথে কর্নগোপ রহিম মার্কেট এলাকায় মাস্ক ও হেলমেট পরিহিত অজ্ঞাত ৪জন সন্ত্রাসী এ হুমকি দেয়।
জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার কর্ণগোপ এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক নাজমুুল হুদা দীর্ঘদিন ধরে জাগো নিউজে সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন। সন্ত্রাসী, চাঁদাবজিসহ অপরাধমূলক সংবাদ প্রচার করায় সন্ত্রাসীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে সাংবাদিক নাজমুল হুদা অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে নাজমুল হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪/৫জনকে অভিযুক্ত করে রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সাংবাদিক নাজমুল হুদার এ হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব, রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব, পূর্বাচলের সাংবাদিক কার্যালয় ও পূর্বাচল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে। অবিলম্বে সাংবাদিকের হুমকি দাতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য তারা দাবি জানায়।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, সাংবাদিক নাজমুল হুদাকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সন্ত্রাসীরা যতই প্রভাবশালী হোক ছাড় দেওয়া হবে না।

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী

খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে

” খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে।” পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা নিজ এলাকা পটুয়াখালী -৩ গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলায় খাল খননে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।নিজ এলাকায় খাল খননের উদ্বোধন করতে গিয়ে মাটি কেটে ওরায় করে মাথায় নিয়ে ফেললেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর,পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ ১৬ মার্চ ২০২৬, সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে ‘সাহাপাড়া খাল’ খননের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করে তিনি।সবাই বলছেন পিতার দেখানো পথেই হাঁটছেন তিনি। তাই সকলে তাঁর জন্য দোয়া করবেন – যেন দীর্ঘদিন বাংলাদেশের সেবা করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করে যেতে পারে।আগামী ১৬ মার্চ সোমবার দুপুর ১২ ঘটিকায় গলাচিপায় খাল খনন কর্মসূচি ও ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ৯ ঘটিকায় গলাচিপাবাসীর বহুল প্রত্যাশিত রামনাবাদ সেতুর উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবো।
দলমত নির্বিশেষে সকলে আমন্ত্রিত।
জনাব নুরুল হক নূর এমপি,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী- (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়)
সভাপতি- গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)
সাবেক- ভিপি (ডাকসু)তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে কৃষিতে যে অগ্রগতি ও শস্য বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন তার পথ অনুসরন করে আমরা কৃষিতে বিপ্লব আনতে চাই। তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে সোমবার দুপুরে গলাচিপা উপজেলা খালের খনন কাজ উদ্বোধন উপলক্ষে এসব কথা বলেন। তিনি আর-ও বলেন কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করেনা। সকল দল,মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে আমরা কাজ করবো নুরুল হক নুর
বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে। জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন,জুলাই গনঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহিদদের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। তিনি আরও বলেন,বিএনপি যা বলে তাই করে৷ সরকারের নেয়া কর্মসূচির মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করেছে। মাত্র অল্প সময়ের ব্যবধানে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পটুয়াখালী -৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনের তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। মাত্র এক মাসের মধ্যে সারাদেশ ব্যাপী একযোগে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। যারা বলেছিলেন ফ্যামিলি কার্ড হবেনা,সে ধারনা ভুল প্রমানিত করে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। তিনি বলেন,আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে কৃষি কার্ড কৃষকদের মাঝে পৌঁছে যাবে। জেলা প্রশাসক
সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার,
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ,বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ সহ বিএনপি ও তার অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫০ পিএম
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর শুল্ক বিভাগ।

রোববার সন্ধ্যা ৫টা ৫৫ মিনিটে শারজাহ থেকে আসা একটি উড়োজাহাজ অবতরণের পর বিমানবন্দরের শুল্ক বিভাগের হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে শুল্ক গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর শুল্ক শাখার কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় দুই যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে মোট ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়। শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা সিগারেটের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
আটক যাত্রীরা হলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা হাসান মিয়া এবং কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইব্রাহিমুল করিম।
শুল্ক বিভাগ জানায়, উদ্ধার করা সিগারেট বিভাগীয় নথিভুক্ত মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক দুই যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!