শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

ফোনালাপে যে নিয়মগুলো মানা উচিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৩:৩৭ এএম | 176 বার পড়া হয়েছে
ফোনালাপে যে নিয়মগুলো মানা উচিত

ফোন এখন দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত একটি প্রযুক্তি। ফোনে আপনার কথা বলার ধরন অপর প্রান্তের শ্রোতার মনে আপনার বিমূর্ত ছবি দাঁড় করিয়ে দেয়। আপনার সম্পর্কে এই প্রাথমিক ধারণা শ্রোতার মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সচেতন হোন−কোথায় কখন কাকে কী বলছেন, কীভাবে বলছেন।

ফোন ডায়ালের ক্ষেত্রে যে নিয়মগুলো মানবেন

> কাউকে ফোন করার আগে একমুহূর্ত থামুন। কী বলতে চান তা গুছিয়ে নিন। তারপর ফোন করুন।

> যদি অপর প্রান্ত থেকে কথা না বলেন কিন্তু বোঝা যায় রিসিভ করা হয়েছে, তাহলে যিনি কল করেছেন তিনিই সালাম দিতে পারেন।

> গুরুজন বা সম্মানীয় ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে সালাম দিলে আপনি সালামের উত্তর দিন। পাল্টা সালাম দেয়ার প্রয়োজন নেই। যদি উভয়ে একইসাথে সালাম দেন, তাহলে উভয়েই উত্তর দিন।

> অতি জরুরি না হলে ‘অনুরোধের’ নম্বরে ফোন করবেন না।

> কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে যদি না পান, যিনি ফোন রিসিভ করেছেন তাকে নিজের পরিচয় দিয়ে বলুন− ‘আমি কি … (যথার্থ সম্বোধনসহ নামে) সঙ্গে কথা বলতে পারি?’

> অপ্রয়োজনীয় বা তেমন জরুরি নয়−এমন ফোনের জবাব দেয়ার জন্যে দুপুরে খাওয়ার আগে বা অফিস ছুটির আগে−এ সময়গুলো বেছে নিন।

> একবার ফোন করে না পেলে অন্তত পাঁচ মিনিট পর আবার করুন। তখনো না পেলে টেক্সট/ ভয়েস মেসেজ দিন। কল ওয়েটিং দেখলে বার বার কল করে তাকে বিব্রত ও নিজের অসহিষ্ণুতা প্রকাশ করবেন না।

> আপনি ফোন করে থাকলে এবং কোনো কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে পুনরায় নিজেই ফোন করুন।

> কাউকে ফোন করলে তার কথা বলার সময় হবে কিনা জেনে নিন। ফোনে আলাপ যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্ত করুন। দীর্ঘক্ষণ কথা বলার মতো সময় তার না-ও থাকতে পারে। আর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন− ‘বেশি কথা মোবাইলে, কান যাবে অকালে’।

> ফোন করে কথা বলার অনুমতি চাওয়ার ক্ষেত্রে ‘একটু বিরক্ত করি’ না বলে বলুন, ‘আপনি অনুমতি দিলে আমি আপনার সাথে … মিনিট কথা বলতে চাচ্ছি’।

> রং-নাম্বারে ফোন করে ফেললে ‘দুঃখিত’ বলুন। অপর প্রান্তের ব্যক্তির নাম বা কোন জায়গা তা জিজ্ঞেস করবেন না।

ফোন রিসিভের ক্ষেত্রে যে নিয়মগুলো মানবেন…

> রিং বেজে ওঠার স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ফোন রিসিভ করার চেষ্টা করুন।

> স্বাভাবিক কৌতূহল নিয়ে ফোন রিসিভ করুন। অতি উচ্ছ্বাস, বিরক্তি কিংবা বিরস ভাব নয়, স্পষ্ট স্বরে কথা বলুন।

> ফোন রিসিভ করে প্রথমেই ‘হ্যালো’ বা ‘হ্যাঁ!’ বলার পরিবর্তে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলুন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করুন। আত্মবিশ্বাস ও বিনয়ের সাথে নিজের পরিচয় দিন।

> সামনে বসা কারো সাথে কথা বলার সময় জরুরি ফোন এলে ‘মাফ করবেন’ বলে তার অনুমতি নিয়ে ফোন ধরুন।

> ফোনে কথা বলার সময় সামনে বসা কারো সাথে কথা বলতে হলে অপর প্রান্তের ব্যক্তির অনুমতি নিন।

> ক্রমাগত রং-নাম্বার থেকে ফোন এলে বিরক্ত হবেন না। কিছুক্ষণ রিসিভার তুলে রাখুন বা ফোন সাইলেন্ট করে দিন।

> যিনি ফোন করেছেন তিনি বিদায়ী সম্ভাষণ জানিয়ে ফোন রাখার পর আপনি ফোন রাখুন।

লেখাটি শহীদ আল বোখারী মহাজাতক-এর “শুদ্ধাচার” বই থেকে নেওয়া

সুশাসনভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দাড়িপাল্লায় ভোট দিন

টেকনিক্যাল মোড়ে প্রচারসভায় জামায়াত প্রার্থী ইকবাল হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
টেকনিক্যাল মোড়ে প্রচারসভায় জামায়াত প্রার্থী ইকবাল হোসেন

পাবনা-৫ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ অধ্যক্ষ ইকবাল হোসেন বলেছেন, ইনসাফ ভিত্তিক ও সুশাসন ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দাড়িপাল্লায় ভোট দিন। দখলদার. চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের হাত থেকে জনগন এখন মুক্তির পথ খুঁজছে। সেই কারনেই তারা দাড়িপাল্লাতে ভোট দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশে আজ ন্যায়বিচার ও সুশাসনের অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই সংকট থেকে উত্তরণে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা জরুরি। এই কারনে দাড়িপাল্লাকে মানুষ বেছে নিয়েছে। সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে বিজয়ী হতে হবে। গতকাল সন্ধ্যায় পৌর এলাকার তিন নম্বর ওয়ার্ডের টেকনিক্যাল মোড়ে এক নির্বাচনী প্রচার সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা পৌর জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল লতিফ। এছাড়াও বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক জেলা আহ্বায়ক বরকাতুল্লাহ ফাহাদ। সভাটি সঞ্চালনা করেন যুব জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুম।

স্বাধীনতা সাবভৌমত্ব রক্ষাসহ অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষে ভোট দিন

টেবুনিয়ায় নির্বাচনী জনসভায় বিএনপি প্রার্থী এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
টেবুনিয়ায় নির্বাচনী জনসভায় বিএনপি প্রার্থী এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস

পাবনা-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, স্বাধীনতা ও সাবভৌমত্ব রক্ষাসহ দেশপ্রেমিক মানুষদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষে ভোট দিন। আমাদের অস্তিত্বে মিশে আছে মানুষের ভালোবাসা, সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছি, জীবনের বাকিটা সময়ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। সাধারন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ধানের শীষের কর্মীরা অতন্দ্র প্রহরী হয়ে কাজ করেছে। আগামী নির্বাচনে সকলের ঐক্যবদ্ধতা ও মানুষের ভালোবাসায় ধানের শীষ বিপুলভোটে জয়ী হবে। পাবনাকে এগিয়ে নেবার জন্য, আলোকিত ও সমৃদ্ধময় পাবনা গড়ে তুলতে আপনাদের ভোট দোয়া ও সমর্থন অত্যন্ত জরুরী। মানুষ অপেক্ষা করছে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিনে তারা তাদের পছন্দের প্রতীক, প্রাণের প্রতীক, সম্মানের প্রতীক ধানের শীষকে বিজয়ী করবে। গতকাল বিকালে টেবুনিয়া বাজারের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান, নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা, মাহমুদুন্নবী স্বপন, এ্যাড. নাজমুল হোসেন শাহিন, রেহানুল ইসলাম বুলাল, যুবদল নেতা হিমেল রানা, মনির আহমেদ, শ্রমিক দল নেতা আব্দুল গফুর, মৎস্যজীবী দল নেতা আজম প্রামানিক, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইয়ামিন খান, কমল শেখ টিটু, সাবেক ছাত্রদল নেতা তসলিম হাসান খান সুইট, ছাত্রদল নেতা কামরুজ্জামান প্রিন্স, সাদ্দাম হোসেন, মাহবুবুল আলম তরুন প্রমূখ। জনসভায় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারন জনতা অংশ নেন।

বিচ্ছু মঞ্চস্থ বনমালীতে

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
বিচ্ছু মঞ্চস্থ বনমালীতে

বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও পৃষ্টপোষকতায় গতকাল সন্ধ্যায় বনমালী মঞ্চে মঞ্চস্থ হয় ড্রামা সার্কেলের ২৫ তম প্রযোজনা নাটক বিচ্ছু। মলিয়ের এর দ্যা স্কাউন্ড্রেল অফ ক্যাপি অবলম্বনে এ নাটকটির রূপান্তর করেছেন তারিক আনাম খান। নাটকটির নির্দেশনা করেছেন খন্দকার ফরিদুল ইসলাম (ফিরোজ খন্দকার)। নাটকটিতে অভিনয় করেন বরকত উল্লাহ শিমুল, আমিনুল হক, ফিরোজ খন্দকার, রিপন হোসেন, ফয়সাল আহম্মেদ নাছিম, হাফিজুর রহমান, মামুনুর রশিদ, সিয়াম খান, মেহেদী হাসান আলিফ, অনুরাজ চন্দ্র দাস, আশীষ বৈরাগী, মোছা. রজনী আক্তার, বর্ষা বিশ্বাস সৃষ্টি, শারমিন জাহান প্রিয়া, অন্বেষা মন্ডল অর্পা ও পূর্ণিমা তরফদার। নাটকটির প্রচ্ছদকারী হলেন দোলন আজিজ। প্রপস সিরাজুল ইসলাম হীরা, আমিনুল হক, আলোক পরিকল্পনা ওহিদুল কাওসার, আবহ সঙ্গীতে ছিলেন মিকাইল হোসেন ও ওয়ালিদ হোসেন। রূপসজ্জায় ছিলেন সিরাজুল ইসলাম হীরা ও মামুনুর রশিদ। প্রযোজনা অধিকর্তা ছিলেন ওহিদুল কাওসার ও আব্দুল হাফিজ রতন। কারিগরি সহায়তায় ছিলেন মতিনুর আলম সবুজ, ফিরোজ আলম স্বপন, মারুফুর রহমান, রুমন, শিরোন, ইসাহক ও আছাদ। অসংখ্য দর্শক নাটকটি উপভোগ করেন।