বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

মা-বাবা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে আচরণ যেমন হওয়া উচিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৩:৩২ এএম | 112 বার পড়া হয়েছে
মা-বাবা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে আচরণ যেমন হওয়া উচিত

আল্লাহ আদেশ করেছেন যে, তোমরা এক আল্লাহ ছাড়া কারো উপাসনা করবে না। বাবা-মার সাথে ভালো ব্যবহার করবে। তোমার জীবদ্দশায় তাদের একজন বা উভয়েই যদি বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবুও তাদের ব্যাপারে ‘উহ-আহ’ কোরো না, তাদের ধমক দিও না বা অবজ্ঞা কোরো না, তাদের সাথে আদবের সাথে কথা বলো। শ্রদ্ধাভরা দৃষ্টিতে মমতার ডানা মেলে ছায়ার মতো আগলে রাখো এবং সবসময় তাদের জন্যে দোয়া করো : ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার মা-বাবা শৈশবে যে মমতায় আমাকে লালন করেছেন, তুমিও তাদের ওপর সে-রূপ করুণাবর্ষণ করো।’

চলুন জেনে আসা যাক কীভাবে মা-বাবা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে আচরণ করবেন…

> মা-বাবা ও মুরুব্বি/ গুরুজনদের সাথে দেখা হলে আগে সালাম দিন। হাসিমুখে কুশল জিজ্ঞেস করুন।

> যত ব্যস্তই হোন, দিনের কিছুটা সময় তাদের জন্যে রাখুন। আপনার সঙ্গ তাদের আনন্দ দেবে।

> ঘরে ফিরে আগে মা-বাবার সাথে কুশল বিনিময় করুন। তাদের সাথে গল্প করুন, সারাদিন কী কী উল্লেখযোগ্য ও মজার ঘটনা ঘটেছে তা বলুন এবং তাদের কাছ থেকেও শুনুন।

> বাইরে বেরোনোর সময় কোথায় যাচ্ছেন বলে যান এবং কোনোকিছুর প্রয়োজন আছে কিনা, কিছু আনতে হবে কিনা বা বিশেষ কিছু খেতে ইচ্ছে করছে কিনা তা জেনে নিন।

> বাসায় ফেরার সময় সম্ভব হলে তাদের জন্যে কিছু একটা নিয়ে আসুন। না চাইতে পাওয়ায় তারা খুশি হবেন।

> নিয়মিত তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিন। অসুস্থ হলে সুচিকিৎসা ও সেবার ব্যবস্থা করুন।

> উপার্জন-অক্ষম মা ও বাবাকে বিনয়ের সাথে নিয়মিত হাতখরচ দিন। এ নিয়ে কখনোই খোঁটা দেবেন না। হিসাব চাইবেন না।

> মা-বাবার যুক্তিসঙ্গত যে-কোনো ইচ্ছাপূরণে যথাসাধ্য চেষ্টা করুন।

> গুরুত্বপূর্ণ বা পারিবারিক বিষয়ে তাদের সাথে আলাপকালে আগে তাদের কথা শুনুন, তারপর নিজের কথা বলুন।

> বড় যে-কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে মা-বাবাকে জানান। তাদের পরামর্শ ও দোয়া নিন।

> বাইরে থাকলেও দিনে অন্তত একবার ফোন করে খোঁজখবর নিন।

> রাতে নিজেরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে তাদের ঘুমানোর ব্যবস্থা করুন।

> সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আপনার ব্যক্তিগত কাজের ফাঁকে তাদের জন্যে সময় রাখুন। তাদের পছন্দের খাবার রান্না করুন বা তাদের নিয়ে বেড়াতে যান। আত্মিক/ সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, মেলা/ উৎসব/ দাওয়াতে তাদেরকে সঙ্গে নিন। আপনার সান্নিধ্য তাদেরকে সবসময় উৎফুল্ল রাখবে।

> মা-বাবাকে উদ্বুদ্ধ করুন বাসায় একাকী অলস সময় না কাটিয়ে সবার সাথে মিলেমিশে আত্ম উন্নয়নমূলক ও সেবা-কাজে শরিক হতে। তাহলে তারা প্রফুল্ল থাকবেন।

> মা-বাবার বিশেষ দিনগুলোতে তাদের আন্তরিক সময় দিন।

> মা-বাবার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সবসময় প্রার্থনা করুন।

> তাদেরকে নিয়ে সুযোগ করে আত্মীয়দের বাড়িতে বেড়াতে যান। দূরে কোথাও গেলে তাদের যেন কোনো অসুবিধা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।

> মা-বাবার ডায়েরি অথবা মোবাইল ফোন অনুমতি ছাড়া ধরবেন না।

> মা-বাবার মানিব্যাগ বা পার্স থেকে বিনা অনুমতিতে কখনো টাকা নেবেন না।

> মতের অমিল হলেও মা-বাবার সাথে তর্ক করবেন না। বিনয়ের সাথে নিজের অভিমত তুলে ধরুন।

> মা/ বাবা যদি কোনো গুরুতর ভুল বা অন্যায়ের সাথে জড়িয়ে যান (যেমন : মাদকাসক্তি পরকীয়া জুয়া ইত্যাদি)−যেখানে আপনার কিছু করার নেই, তা নিয়ে বাসায় হইচই বা বাইরে নিন্দা করবেন না। সুযোগ থাকলে পরিবারের কোনো গুরুজনের সাথে পরামর্শ করুন। নিজে প্রশান্ত থাকুন এবং তাদের জন্যে দোয়া করুন। কিন্তু এ কারণে কোনোভাবেই নিজের জীবন ও ক্যারিয়ারের ক্ষতি করবেন না।

> কোনো অন্যায় বা ভুল করতে দেখলে বিনয়ের সাথে তা বুঝিয়ে বলুন, তাদেরকে শুধরে নিতে সাহায্য করুন।

> তাদের বার্ধক্যজনিত কোনো শারীরিক বা মানসিক অপারগতা/ অক্ষমতাকে বার বার মনে করিয়ে দেবেন না।

> বার্ধক্যে মানুষ দ্বিতীয় শৈশবে চলে যায়। তাদের শিশুসুলভ আচরণে অসহিষ্ণু বা ক্ষুব্ধ হবেন না। এসময় তাদের প্রতি আরো সহনশীল ও সমমর্মী হোন।

> মুরুব্বি/ গুরুজনদের সামনে পায়ের ওপর পা তুলে বসবেন না। তাদের দিকে পা ছড়িয়ে দিয়েও বসবেন না।

> মুরুব্বি/ গুরুজনেরা কথা বলতে এলে সম্মানার্থে উঠে দাঁড়ান।

> তাদের সামনে হাত নেড়ে বা আঙুল উঁচিয়ে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। সঙ্গত কারণ না থাকলে সানগ্লাস/ ক্যাপ খুলে কথা বলুন।

> যে-কোনো ভালো কাজে যাওয়ার আগে তাদের দোয়া/ আশীর্বাদ নিন।

> সবসময় এগিয়ে গিয়ে তাদের কাজে সহায়তা করুন।

> বয়োজ্যেষ্ঠ বা সম্মানিত কাউকে মোবাইল ফোনে ‘মিসড কল’ দেয়া থেকে সচেতনভাবে বিরত থাকুন।

> সশরীরে সহজেই যাওয়া যায়−এমন দূরত্বে বয়োজ্যেষ্ঠদের ফোন করে সিদ্ধান্ত জানাবেন না বা কিছু জানতে চাইবেন না।

> বয়োজ্যেষ্ঠদের সাথে কখনো ধমকের সুরে ও মেজাজ দেখিয়ে কথা বলবেন না। তাদের যে-কোনো প্রশ্নের জবাব বিনয়ের সাথে দিন।

> তাদের কথা শোনার ক্ষেত্রে মনোযোগী হোন। বিরক্তি বা অস্থিরতা প্রকাশ করবেন না।

> মুরুব্বি, শিক্ষক, গুরুজন যে স্বরে কথা বলছেন তার চেয়ে উচ্চস্বরে কথা বলবেন না।

> কারো বাসায় বা কোনো অনুষ্ঠানে গেলে প্রবীণদের সঙ্গে নিজেই এগিয়ে গিয়ে সালাম ও কুশল বিনিময় করুন।

> বাসায় কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে তাদেরকেও সম্পৃক্ত করুন।

> সুযোগ পেলেই তাদের সাথে গল্প করুন। সমসাময়িক বিভিন্ন ইতিবাচক বিষয়ে আলাপ করুন কিংবা তাদের সুখস্মৃতি সম্পর্কে বলতে অনুরোধ করুন।

> স্কুলে/ বাইরে যাওয়ার সময় দাদা-দাদি/ নানা-নানি/ মুরুব্বিদের সাথে দেখা করে দোয়া নিতে সন্তানদের উদ্বুদ্ধ করুন।

> পরীক্ষায় কিংবা কোনো সাফল্যে সন্তানদেরকে বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছে বিশেষভাবে দোয়া চাইতে উৎসাহিত করুন।

> খাবার টেবিলে বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে একসাথে বসুন। সবার আগে তাদের প্লেটে খাবার তুলে দিন।

> তাদেরকে হাসিখুশি রাখতে সাধ্যমতো চেষ্টা করুন। মনের সুখই বার্ধক্যে তাদের দেহের অনেক অসুখকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

> অপেক্ষমাণ যে-কোনো লাইনে বয়োবৃদ্ধদের আগে সুযোগ দিন।

> আপনার সঙ্গে পদ-পদবি বা যোগ্যতার ব্যবধান থাকলেও বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রত্যেককে তার প্রাপ্য সম্মান দিন।

> মুরুব্বিদের সিদ্ধান্ত উপদেশ নির্দেশ আপাতত অপছন্দনীয় হলেও তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ বা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করবেন না।

> মুরুব্বিদের কখনোই ‘বুড়ো/ বুড়ি’ বলে সম্বোধন করবেন না। পঙ্গুত্ব বা শারীরিক অক্ষমতার জন্যে খোঁটা দেবেন না।

> বাসার কারো আচরণে বা কথায় যেন তারা কখনো মনে না করেন যে, বৃদ্ধ হয়েছেন বলে সংসারে তারা এখন অপাঙ্‌ক্তেয়, বোঝা।

> বয়োজ্যেষ্ঠদের মতামতকে গুরুত্ব দিন। সবসময় মনে রাখুন− আপনার ধ্যানধারণা সমকালীন হলেও জীবন ও জগৎ সম্পর্কে তারা আপনার চেয়ে অভিজ্ঞ।

> আপনার জীবনে মা ও বাবার অবদানের জন্যে সবসময় তাদের প্রতি বিনীত, কৃতজ্ঞ ও শ্রদ্ধাশীল থাকুন। তাদের প্রতি দায়িত্ব পালন আর সম্মান-ভালবাসা জানানো শুধু তথাকথিত ‘বাবা/ মা দিবসে’ সীমাবদ্ধ করে ফেলবেন না।

> জীবনসায়াহ্নে সন্তানের কাছে থাকার আকুতি মা-বাবার মাঝে সবচেয়ে বেশি থাকে। এসময় তাদেরকে গ্রামে বা নিজের থেকে দূরে শুধু গৃহকর্মী পরিবেষ্টিত করে রাখবেন না। যেভাবে তারা আপনাকে শিশুবয়সে আগলে রেখেছিলেন, একইভাবে তাদের শেষ বয়সে আপনিও তাদের আগলে রাখুন।

> তাদের সাথে মতের অমিল হলে বা তাদেরকে বোঝা মনে করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর কথা ভুলেও চিন্তা করবেন না। তাদেরকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠালে আপনার বার্ধক্যেও একই পরিণতির জন্যে তৈরি থাকুন।

> বয়োবৃদ্ধ মা-বাবার যত্ন নিন। বার্ধক্যে আপনিও যত্নে থাকবেন। স্ত্রী/ স্বামী বিরোধিতা করলে কুশলী হোন। আপনি তা-ই করুন, যা মা-বাবার প্রতি সন্তান হিসেবে আপনার কর্তব্য।

> জীবন যেমন স্বাভাবিক, মৃত্যুও তেমনি স্বাভাবিক। জীবন যেমন সম্মানজনক, মৃত্যুও তেমনি সম্মানজনক হওয়া উচিত। তাই মৃত্যুপথযাত্রী মা-বাবাকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ নামক ‘নির্জন সেলে’ একাকী ফেলে রেখে অসম্মান করবেন না। তাদের জন্যে সবচেয়ে সম্মানজনক মৃত্যু হচ্ছে−আপনার কোলে মাথা রেখে, আপনার হাতে হাত রেখে পরম প্রভুর নাম নিতে নিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা।

> আপনার বেড়ে ওঠায় মা-বাবার অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করুন। আর সন্তান হিসেবে মনে রাখুন− মায়ের পায়ের নিচে আপনার বেহেশত।

> মা-বাবা কিংবা ঘনিষ্ঠ অভিভাবক পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়ে থাকলে তাদের মাগফেরাত বা অনন্ত প্রশান্তি কামনা করে সৎকর্মে অংশ নিন, সাধ্যমতো দান করুন। সামর্থ্য থাকলে তাদের নামে একজন এতিমকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিন। পারলৌকিক মুক্তির নিয়তে আল কোরআন বাংলা মর্মবাণী বিতরণ করুন।

লেখাটি শহীদ আল বোখারী মহাজাতক- এর “শুদ্ধাচার” বই থেকে নেওয়া

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা গাইবান্ধা

পলাশবাড়ীতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা গাইবান্ধা প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪১ পিএম
পলাশবাড়ীতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পলাশবাড়িয়া থানা পুলিশ। বুধবার ১১ মার্চ পলাশবাড়ী গাইবান্ধা সড়কের ঠুটিয়া পুকুর (ইটভাটা সংলগ্ন) নামক স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়ভাবে জানা যায়, রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের ঠুটিয়াপাকুর গড়েয়া ব্রিজ মাঝামাঝি রাস্তায় পড়ে থাকা অবস্থায় অজ্ঞাতক নামা ব্যক্তির মরদেহ স্থানীয়রা দেখে থানা পুলিশকে অবগত করেন। এরপর পলাশবাড়ী থানার কর্মরত এস আই বাশার তার সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে বলা যায় থানায় নিয়ে আসে।

মরদেহটির অনেকটাই গাড়ির নিচে চাপা পড়েছে অথবা কোন অজ্ঞাত নামা বাস অথবা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়েছে বলে ধারণ স্থানীয়দের।

এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী থানার এস আই এই প্রতিবেদককে জানায়,আমরা লাশের পরিচয় সনাক্ত করার চেষ্টা করতেছি। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা

কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে উপহার সামগ্রী প্রদান

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৮ পিএম
কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে উপহার সামগ্রী প্রদান

“কর্তব্যের তরে করে গেল যারা, আত্মবলিদান প্রতিক্ষণে স্মরি, রাখিব ধরি তোমাদের সম্মান” এই প্রতিশ্রুতি বুকে ধারণ করে বাংলাদেশ পুলিশের সম্মানিত ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির মহোদয়ের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর-২০২৬ উপলক্ষে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যদের পরিবারবর্গকে ঈদ শুভেচ্ছা বার্তাসহ খাদ্য উপকরণ ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।

আজ ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখ দুপুর ০১:৫০ ঘটিকায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অফিস কক্ষে ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মহোদয় কর্তৃক প্রেরিত পবিত্র ঈদুল ফিতর-২০২৬ এর শুভেচ্ছা সামগ্রী কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী ০২ জন পুলিশ সদস্যদের পরিবারবর্গের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন জনাব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।

এসময় পুলিশ সুপার মহোদয় কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাদের যেকোনো প্রয়োজনে জেলা পুলিশ সবসময় পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরাফাত হোসেন নন্দীগ্রাম (বগুড়া)

নন্দীগ্রামে এক অসহায় পরিবারকে সেলাই মেশিন প্রদান

আরাফাত হোসেন নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৬ পিএম
নন্দীগ্রামে এক অসহায় পরিবারকে সেলাই মেশিন প্রদান

বগুড়ার নন্দীগ্রামে এক অসহায় পরিবারের সদস্যদের মাঝে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে।

১১ই মার্চ (বুধবার) দুপুর ১২ টায় বগুড়া জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আরার তত্ত্বাবধানে এবং ৪ নং থালতামাজগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান (প্যানেল-১) শামসুর রহমানের চেষ্টার প্রেক্ষিতে থালতামাঝগ্রাম ইউনিয়নের থালতা গ্রামের মিন্টু কুমার শীলের মেয়ে শ্রাবন্তী রানী শীল (১৭) কে একটি সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন হলে উক্ত অসহায় পরিবারটি আয়-উপার্জনের অবলম্বন হিসেবে একটি সেলাই মেশিন দাবি করে আসছিল। তারই প্রেক্ষিতে আজ উক্ত পরিবারটিকে ডেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় হতে একটি সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।
ঐ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আরা, থালতামাজগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান (প্যানেল-১) শামসুর রহমান, নন্দীগ্রাম মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জাকারিয়া লিটন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রউফ উজ্জল, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের হিসাব সহকারী নুরনবী আলম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষীত সেলাই মেশিনটি হাতে পেয়ে পরিবারটি অত্যন্ত খুশি এবং আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে।

error: Content is protected !!