শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

আমরা কোন ব্যর্থ নির্বাচন চাচ্ছি না : ডা. শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ২:৪৬ এএম | 76 বার পড়া হয়েছে
আমরা কোন ব্যর্থ নির্বাচন চাচ্ছি না : ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা দুটি রোর্ড ম্যাপ চাচ্ছি। একটা সংস্কারের জন্য। সেই রোড ম্যাপের নিদিষ্ট হতে হবে কী কী বিষয়ে সংস্কার হবে এবং কতদিনের ভিতরে সংস্কার হবে। সংস্কারের রোর্ড ম্যাপ যদি সফল হয়, তাহলে পরবর্তীতে দেরি না করে নির্বাচনী রোর্ড ম্যাপ দিতে হবে। কিন্তু প্রথমটা যদি সফল না হয় তাহলে দ্বিতীয়টি ব্যর্থ হবে। আমরা কোন ব্যর্থ নির্বাচন চাচ্ছি না। আমরা একটা সফল নির্বাচন চাচ্ছি।

রাত ১০টায় কক্সবাজারে নিহত সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জনের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করের বেতকায় গিয়ে তার পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে ডাকাতদল এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তারা এক মাস আগে জামিনে বের হয়েছে। এরপর তারা বিশাল একটি দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে। এরকম আরও অনেকেই জেল থেকে জামিন পেয়েছেন। সরকারকে এগুলো দেখতে হবে। দেশ আমাদের সবার। কোন দলের এবং ব্যক্তির নয়। এই দেশ ১৮ কোটি মানুষের। তাদের স্বার্থে যা করা দরকার সবই করতে হবে।

শেখ হাসিনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পালিয়ে যাওয়া কোন ভালো জিনিস না। উনি চলে যাওয়ার পরে মাঝে মধ্যে টেলিফোনের কথা শুনতে পাই। আমার মনে হয়, তিনি এখান থেকে সরে গিয়েছেন, নিশ্চিই তিনি উপলবদ্ধি করেছেন দেশের মানুষ তাকে ভালোবাসে না। যেহেতু দেশের মানুষ তাকে ভালোবাসে না, জোর করে আবার নিজের স্থান করা বুদ্ধিমত্তার কাজ হবে না বলে আমি মনে করি। তিনি যদি অপরাধী হন, কোন অপরাধ করে থাকেন। তাহলে তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি আইন আমরা হাতে তুলে নিবো না। কিন্তু সুনিদিষ্ট অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে। কে ষড়যন্ত্র করছে, না করছে এটা বড় কথা নয়। জাতি কিন্তু এখন ঐক্যবদ্ধ ও মজবুত স্থানে রয়েছে। গোটা যুব সমাজের বিরুদ্ধে তারা দাঁড়িয়ে গণহত্যা করেছে। নৈতিক দিক থেকে তারা পরাজিত হয়েছেন। এখন তাদেরই মূল্যায়ন করতে হবে যে তারা রাজনীতি করার কোন অধিকার রাখে কী না।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশের জন্য জীবন দেওয়ার সৌভাগ্য সকলের হয় না। তিনি (তানজিম সারোয়ার নির্জন) সেনাবাহিনীতে জেনে শুনেই গিয়েছিলেন। এটা জীবন মৃত্যুর খেলা এবং সেটা দেশ রক্ষার খেলা। এটা জেনেই তিনি সেখানে গিয়েছিল, আলহামদুলিল্লাহ। তার মা-বাবাকে মহান আল্লাহ এ রকম একটা সন্তান দিয়ে ধন্য করেছেন। আমরা ওনাদেরকে গর্বিত করতে এখানে আসিনি, আমরা এসেছি নিজেরা গর্বিত হতে।

তিনি আরও বলেন, এ রকম বাবার কপালে চুমু দেওয়া আমার জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার। আমরা মনে করি এটা আমাদের জাতীয় নাগরিক দায়িত্ব, তাদের প্রতি সম্মান দেখানো। আমি সম্মান দেখানোর জায়গা থেকে এখানে এসেছি। আপনাদের সবার প্রতি, এলাকার মানুষের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে আপনারা তাদের (বাবা-মা) বুকটা ভরে রাখবেন। আপনারা তাদের খোঁজখবর নেবেন, আমরাও যতটুকু পারি পাশে থাকবো।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আমেরিকায় বলেছেন, এই আন্দোলন ছিল একেবারেই পরিকল্পিত। আমি ওনার বক্তব্যের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করবো না। আমি আমার নিজস্ব মূল্যায়নটা শুধু বলবো। সবার প্রতি আমার সম্মান আছে। আমার জানামতে এই আন্দোলন ছিল ছাত্রদের রাইট ইস্যুর ব্যাপার, অধিকারের ব্যাপার। সেই অধিকারটা অন্য কিছু না।
নির্জনের পরিবারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘসময় কথা বলে তার বাবা ছারওয়ার জাহান দেলোয়ার, মা শাহনাজ খান ও বড় বোন তাসনুভা সারোয়ার সূচীকে সাথে নিয়ে দোয়া করেন।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, জেলা সেক্রেটারি হুমায়ুন কবীর, জেলা সহকারী সেক্রেটারি হোসনী মোবারক বাবুলসহ দলের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গত সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে দায়িত্বপালনকালে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামে ডাকাতের ছুরিকাঘাতে লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন (২৩) নিহত হন।

চিকিৎসায় সাফল্য ও মানবিকতা: ঢাকা-১৭ আসনে ডা. খালিদুজ্জামানের পক্ষে গণজোয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ এএম
চিকিৎসায় সাফল্য ও মানবিকতা: ঢাকা-১৭ আসনে ডা. খালিদুজ্জামানের পক্ষে গণজোয়ার

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি এক নিঃসন্তান মায়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস ভাইরাল হওয়ার পর তার প্রতি জনসমর্থন ও সাধারণ মানুষের সহমর্মিতা আরও বেড়েছে।

চিকিৎসায় অভাবনীয় সাফল্য

পিরোজপুরের বাসিন্দা আইরিন সুলতানা নামে এক নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, দীর্ঘ ৬ বছর দেশের নামি-দামি বহু চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েও তিনি মাতৃত্বের স্বাদ পাননি। অবশেষে ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের চিকিৎসায় মাত্র ২৬ দিনের মাথায় তিনি গর্ভধারণ করেন। বর্তমানে তিনি একটি সুস্থ কন্যাসন্তানের মা। তার মতে, রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও একজন চিকিৎসক হিসেবে ডা. খালিদুজ্জামান বহু পরিবারে আশার আলো জ্বালিয়েছেন।

যোগ্যতা নিয়ে অপপ্রচারের জবাব

ডা. খালিদুজ্জামানের এমএসসি ইন ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি (ভারত) ডিগ্রিসহ চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার সফলতার রেকর্ডটি দীর্ঘ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম টেস্টটিউব বেবি সফলতায় তার অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, তার মেধা ও দক্ষতাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।

নির্বাচনী মাঠে ‘দাড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রভাব

ব্যক্তিগত জীবনে পরোপকারী এবং সফল এই চিকিৎসককে ঘিরে ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ভোটারদের একাংশ মনে করছেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে একজন দক্ষ পেশাজীবীকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাওয়া এলাকার উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে উন্নত চিকিৎসার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিচ্ছেন, তা সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

জনগণের প্রত্যাশা

নির্বাচনী প্রচারণায় ডা. খালিদুজ্জামান বলছেন, তিনি নির্বাচিত হলে ঢাকা-১৭ আসনকে একটি আধুনিক ও স্বাস্থ্যসেবা-বান্ধব মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন। কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং কর্মের মাধ্যমেই তিনি সকল সমালোচনার জবাব দিতে চান।

পরিশেষে, একজন সফল চিকিৎসক যখন রাজনৈতিক ময়দানে আসেন, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে যায়। আইরিন সুলতানার মতো হাজারো মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই এখন ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার বড় শক্তি।

আহত-৩০

কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

এ.এস.এম হামিদ হাসান, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম
কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৩জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামে এসংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, বিকেলে ভাতশালা গ্রামে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট ফজলুর রহমানের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা চলছিল। তবে তিনি অসুস্থতার কারণে ওই জনসভায় উপস্থিত হতে পারেননি।

ঘটনা সূত্রে আরো জানা যায়, সভার শেষে পর্যায়ে কাস্তুল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম কিসমতের নেতৃত্বে একটি মিছিল সভাস্থলে পৌঁছায়। এসময় ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে যুবদল নেতাকর্মীদের চেয়ারে বসা নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তা হাতাহাতি পর্যায়ে রূপ নেয়। সংঘর্ষে যুবদল নেতা মাহবুব আলম কিসমতসহ অন্তত ২০জন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা মাহবুব আলম কিসমত অভিযোগ করে বলেন, মিছিল নিয়ে জনসভায় পৌঁছানোর পর ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া ও তার সাথে থাকা লোকজন আমাদের ওপর হঠাৎ হামলা চালায়। এতে আমি সহ অন্তত দলের ২০ নেতাকর্মী আহত হই।

অপরদিকে তার দেওয়া অভিযোগ অস্বীকার করে ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া বলেন যুবদল নেতা কিসমত ও তার সাথে থাকা লোকজনই প্রথম আমাদের উপর হামলা করেছে। হামলায় আমি সহ অন্তত দলের ৮-১০ জন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছে।

এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েব খান জানান, বর্তমানে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এখানকার পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। তবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তাদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শীতের পিঠার স্বাদে মুখর হয়ে উঠেছিল শিরিন আওলাদ মডেল স্কুল চত্বর

মোঃ সুলতান মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৫ পিএম
শীতের পিঠার স্বাদে মুখর হয়ে উঠেছিল শিরিন আওলাদ মডেল স্কুল চত্বর

গাজীপুরের শ্রীপুরের শিরিন আওলাদ মডেল স্কুলে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব হয়েছে। শীতের আমেজে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠার স্বাদে মুখর হয়ে উঠেছিল স্কুল চত্বর।

আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন ছোট কলিম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান সজল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম শামসুন্নাহার।
অনুষ্ঠানের উৎসবে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
উৎসবে ভাপা পিঠা, পুলি, চিতই, পাটিসাপটা, দুধচিতইসহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী পিঠা প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিজেরা পিঠা তৈরি করে স্টলে উপস্থাপন করে। এতে তাদের মধ্যে সৃজনশীলতা ও দলগত কাজের অভিজ্ঞতা তৈরি হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়েরে বাইরের জ্ঞান অর্জন এবং দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতেই এ আয়োজন। পিঠা উৎসব ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। অনেক অভিভাবকও সন্তানের তৈরি পিঠার স্বাদ নিতে অংশ নেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিদুল ইসলাম সাংবাদিককে বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের আনন্দের পাশাপাশি সংস্কৃতি চর্চায় আগ্রহী করে তোলে। ভবিষ্যতেও এমন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।’
পিঠা উৎসবকে ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যৌথ প্রচেষ্টায় পুরো আয়োজনটি সফলের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়।