শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

ইলিশের দাম ৭০০ টাকা কেজি নির্ধারণ করতে লিগ্যাল নোটিশ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:৩৮ পিএম | 142 বার পড়া হয়েছে
ইলিশের দাম ৭০০ টাকা কেজি নির্ধারণ করতে লিগ্যাল নোটিশ

বাংলাদেশের জনগণের জন্য প্রতি কেজি ইলিশ মাছের খুচরা বিক্রয় মূল্য সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা কেজি নির্ধারণ চেয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার এ নোটিশ পাঠান।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রকের ঠিকানায় এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ইলিশ মাছের পাইকারি ও খুচরা বাজার মনিটরিং করা, ইলিশ মাছ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর বাস্তবতা মেনে ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে একটি অভিন্ন সময়ে বা কাছাকাছি সময়ে ইলিশ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার বিষয়ে লিখিতভাবে ভারতকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া এবং ভবিষ্যতে যে কোনো দেশে ইলিশ মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে যেন ইলিশ মাছ রপ্তানি করা না হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।

অন্যথায় উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

লিগ্যাল নোটিশে আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার বলেন, বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ থেকে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রতি কেজি ইলিশ ১০ মার্কিন ডলার বা ১ হাজার ১৮০ টাকা দরে রপ্তানি শুরু হয়েছে। ভারতে যেই দামে ইলিশ মাছ রপ্তানি হচ্ছে, তার চেয়ে প্রতি কেজিতে কমপক্ষে ৯০০ টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে বাংলাদেশের ভোক্তাদের। ইলিশ রপ্তানির পরিপত্রটি কয়েক বছর আগে তৈরি করা।

এছাড়া বাংলাদেশের রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ অনুযায়ী, ইলিশ মাছ মুক্তভাবে রপ্তানিযোগ্য কোনও পণ্য নয়। এই মাছ রপ্তানি করতে চাইলে যথাযথ শর্ত পূরণ করতে হবে। তাই ইলিশ মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশীয় বাজারদরের চেয়ে বেশি মূল্যে রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ করা উচিত ছিল। বাংলাদেশের জনগণ যেখানে প্রতি কেজি ইলিশ মাছ ১৯০০-২৪০০ টাকায় খুচরা বাজারে কিনছেন সেখানে ভারতে রপ্তানি মূল্য কিভাবে ১১৮০ টাকা হতে পারে? এর ফলে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এই ক্ষেত্রেও নোটিশ প্রাপকরা চরম দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের ক্ষতিসাধন করেছেন।

বিগত ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা এই সরকারের অন্যতম প্রধান কাজ। কিন্তু নোটিশ প্রাপকবৃন্দদের দায়িত্ব জ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের ফলে বাংলাদেশের জনগণ সুলভে বড় আকারের পদ্মার ইলিশ মাছ খেতে পারার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবার পাশাপাশি ভারতে কম মূল্যে পদ্মার ইলিশ মাছ রপ্তানির ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ও

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক ১ নং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমান মোল্লা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে তারাবো পৌরসভার ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডে হতদরিদ্র গাড়ি চালক ও পথচারীদের মধ্যে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠিত।
এসময় আরো
উপস্থিত ছিলেন তারাবো পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ওহাব মাসুম, তারাবো পৌর যুবদলের ১নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,তারাবো পৌর বিএনপি’র আহবায়ক সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহির মোল্লা সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন

রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান (চট্টগ্রাম) : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৮ পিএম
রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি মন্দির প্রাঙ্গণে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, মঙ্গলারতি, গঙ্গা আহ্বান, শুভ অধিবাস, মাতৃপূজা এবং চতুষ্প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়।

শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনকে ঘিরে আয়োজিত মহোৎসবে ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মন্দির প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ধর্মীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শ্রীশ্রী নামলীলা অর্চনা, মহানাম সংকীর্তন ও বিভিন্ন ভক্তিমূলক আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে পরিবেশিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত ও কীর্তন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত কীর্তনীয়া দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে শ্রীনাম সম্প্রদায়, জীবনানন্দ ভক্তবৃন্দ ও শ্রীচৈতন্য সম্প্রদায়ের শিল্পীরা ভক্তিমূলক পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত ভক্তদের আপ্লুত করেন।
মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিক্সন নাথ, রাষ্ঠন নাথ, নিউটন নাথ, ওয়াস্টিন নাথ, পরিমল নাথ, পরাগ নাথ, সজল নাথ, মাষ্টার সুভাষ নাথ, সুমন নাথ, শান্ত কুমার নাথ, উজ্জ্বল নাথ, রাজেস নাথ ও রাজীব নাথসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন (লিটু), সহ-সভাপতি দোলন ঘোষ, সুজন দে, সুজন দাশ ও অঞ্জন বিশ্বাস।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই মহোৎসবের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনা ও ভক্তিভাব আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত অসংখ্য ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠান শেষে মন্দির পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ভক্ত, শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

প্রতিবেদন: মোঃ শাকিল মাহমুদ, ঢাকা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

 

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রামপুরা বিটিভি ভবন সংলগ্ন Dutch-Bangla Bank Limited–এর এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় ছেঁড়া ও অচল নোট পাওয়ার অভিযোগ করেছেন গ্রাহকেরা। এতে করে সাধারণ গ্রাহকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ:
অনেক গ্রাহক জানান, এটিএম থেকে টাকা তোলার পর দেখা যায় কিছু নোট ছেঁড়া বা ক্ষতিগ্রস্ত। পরে এসব নোট দোকান বা অন্য জায়গায় ব্যবহার করতে গেলে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক সময় দোকানদাররা এসব নোট নিতে অস্বীকৃতি জানান।
গ্রাহকদের প্রশ্ন:
গ্রাহকদের প্রশ্ন, এটিএমে টাকা লোড দেওয়ার সময় কেন নোটগুলো সঠিকভাবে যাচাই করা হয় না। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
দাবি:
ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এটিএম বুথ থেকে ছেঁড়া বা অচল নোট না আসে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

error: Content is protected !!