শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

পরশুরামের সন্তানসহ মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর ঠাঁই হলো মিরপুর সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ২:০৫ পিএম | 90 বার পড়া হয়েছে
পরশুরামের সন্তানসহ মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর ঠাঁই হলো মিরপুর সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে

ফেনীর পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া মানসিক ভারসাম্যহীন সেই নারীর অবশেষে ঠাঁই হলো মিরপুর সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে।

এর আগে মঙ্গলবার ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাকে ভবঘুরে হিসেবে শনাক্ত করেছেন।বুধবার তাকে উদ্ধার করে পরশুরাম থানা পুলিশের উদ্যোগে মিরপুর সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।এর আগে বুধবার(০২ এপ্রিল)ফেনীর পরশুরাম পৌর এলাকার খোন্দকিয়া এলাকায় ওই নারী রাস্তায় প্রসব ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন।বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা সহ সংগঠনের সদস্যরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ওই নারী এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন।তারপর থেকে সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালেই ছিলেন।কিন্তু হাসপাতালে নার্স ও চিকিৎসককে ফাঁকি দিয়ে ফের পৌর এলাকার খোন্দকিয়া এলাকায় গিয়ে রাস্তায় ঘুরাঘুরি করতে থাকেন।মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীর কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।মধ্যবয়সী এই প্রসূতি ও নবজাতক সুস্থ আছে।শুদ্ধ ভাষায় কথা বললেও এই নারী নিজের নাম-ঠিকানা কিছুই বলতে পারছেন না।শুধু জানিয়েছেন,তার নাম শামীমা,পিতার নাম আনোয়ার হোসেন,মাতার নাম আঞ্জুমান,স্বামীর কথা জানতে চাওয়া হলে জানান,স্বামী বাইরে আছেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃমোশারফ হোসেন বলেন গত ২ এপ্রিল স্থানীয় লোকজন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের সহযোগিতায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কন্যা সন্তানের জন্মদেন।এরপর থেকে তিনি হাসপাতালেই ছিলেন গত কদিন আগেই সে আবারো খোন্দকিয়া গ্রামে চলে গেলে তাকে উদ্ধার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভবঘুরে হিসেবে সনাক্ত করে পুলিশ হেফাজতে সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।নিয়ম অনুযায়ী অজ্ঞাত পরিচয়ের কোন ব্যক্তি অহেতুক রাস্তায় ঘুরাঘুরি করলে এবং কি রাত্রি যাপন জন্য কোন ঠিকানা বা আশ্রয়ন্থল না থাকলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যেতে পারবে।এরপর ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তাকে ভবঘুরে হিসেবে শনাক্ত করতে হবে।তারপর উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তার সহযোগিতায় সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

পরশুরামের খোন্দকিয়া থেকে উদ্ধারকৃত মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীর কোন পরিচয় এবং কি নাম ঠিকানা না পাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী তাকে ভবঘুরে হিসেবে শনাক্ত করে মিরপুর সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।গত ২ এপ্রিল ফেনীর পরশুরাম হাসপাতালে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর থেকে স্থানীয় সংবাদকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ওই নারীর পরিচয় জানতে চেয়ে ভিডিও ও ছবি পোস্ট করেছেন কিন্তু তারপরও তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।তারপর সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী তাকে ভবঘুরে হিসেবে শনাক্ত করে মিরপুর সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

 

রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ও

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক ১ নং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমান মোল্লা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে তারাবো পৌরসভার ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডে হতদরিদ্র গাড়ি চালক ও পথচারীদের মধ্যে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠিত।
এসময় আরো
উপস্থিত ছিলেন তারাবো পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ওহাব মাসুম, তারাবো পৌর যুবদলের ১নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,তারাবো পৌর বিএনপি’র আহবায়ক সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহির মোল্লা সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন

রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান (চট্টগ্রাম) : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৮ পিএম
রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি মন্দির প্রাঙ্গণে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, মঙ্গলারতি, গঙ্গা আহ্বান, শুভ অধিবাস, মাতৃপূজা এবং চতুষ্প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়।

শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনকে ঘিরে আয়োজিত মহোৎসবে ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মন্দির প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ধর্মীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শ্রীশ্রী নামলীলা অর্চনা, মহানাম সংকীর্তন ও বিভিন্ন ভক্তিমূলক আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে পরিবেশিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত ও কীর্তন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত কীর্তনীয়া দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে শ্রীনাম সম্প্রদায়, জীবনানন্দ ভক্তবৃন্দ ও শ্রীচৈতন্য সম্প্রদায়ের শিল্পীরা ভক্তিমূলক পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত ভক্তদের আপ্লুত করেন।
মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিক্সন নাথ, রাষ্ঠন নাথ, নিউটন নাথ, ওয়াস্টিন নাথ, পরিমল নাথ, পরাগ নাথ, সজল নাথ, মাষ্টার সুভাষ নাথ, সুমন নাথ, শান্ত কুমার নাথ, উজ্জ্বল নাথ, রাজেস নাথ ও রাজীব নাথসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন (লিটু), সহ-সভাপতি দোলন ঘোষ, সুজন দে, সুজন দাশ ও অঞ্জন বিশ্বাস।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই মহোৎসবের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনা ও ভক্তিভাব আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত অসংখ্য ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠান শেষে মন্দির পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ভক্ত, শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

প্রতিবেদন: মোঃ শাকিল মাহমুদ, ঢাকা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

 

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রামপুরা বিটিভি ভবন সংলগ্ন Dutch-Bangla Bank Limited–এর এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় ছেঁড়া ও অচল নোট পাওয়ার অভিযোগ করেছেন গ্রাহকেরা। এতে করে সাধারণ গ্রাহকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ:
অনেক গ্রাহক জানান, এটিএম থেকে টাকা তোলার পর দেখা যায় কিছু নোট ছেঁড়া বা ক্ষতিগ্রস্ত। পরে এসব নোট দোকান বা অন্য জায়গায় ব্যবহার করতে গেলে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক সময় দোকানদাররা এসব নোট নিতে অস্বীকৃতি জানান।
গ্রাহকদের প্রশ্ন:
গ্রাহকদের প্রশ্ন, এটিএমে টাকা লোড দেওয়ার সময় কেন নোটগুলো সঠিকভাবে যাচাই করা হয় না। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
দাবি:
ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এটিএম বুথ থেকে ছেঁড়া বা অচল নোট না আসে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

error: Content is protected !!