মো: শহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যসহ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে নানা অভিযোগ
আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ও ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যসহ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন জেলার সংবাদকর্মীরা।
বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ির নিজ বাড়িতে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জেলার আইনশৃংখলা পরিস্থিতির বিষয় জানতে চাইলে বিভিন্ন কারন উল্লেখ্য করে বিএনপি মহাসচিবকে জেলার সংবাদকর্মী ওসির ঘুষবাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না এমন প্রশ্ন তুলেন।
এসময় সংবাদকর্মীরা বিএনপির মহাসচিবকে বলেন, জেলার আইনশৃংখলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। ধর্ষন, খুন, চুরি ডাকাতি ও ছিনতাইসহ অপরাধ প্রবনতা বেড়েছে। সেই সাথে আসামিদের আটক করে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া, মামলা বানিজ্য চরম আকারে রুপ নিয়েছে সদর থানায়। খোদ ওসি শহিদুর রহমান এর সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাসে এমন ওসি পায়নি জেলাবাসি। যা যঘন্য বলেও উল্লেখ করেন সংবাদকর্মীরা। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন সংবাদকর্মীরা।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মহাসচিব বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা অবনতি হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন এর আগে আওয়ামীলীগের ধামাধারা পুলিশ প্রশাসন ছিল। আওয়ামীলীগ যা বলতো তারা তাই করতো। যার ফলে যেখানে পুলিশের প্রয়োজন বা যেটা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন তারা সেখানে সেরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, এ ওসির (ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) তার বিরুদ্ধে আমাকে সুনির্দিষ্ট ভাবে কেউ অভিযোগ করেনি। আপনারা (সাংবাদিকরা) আমাকে অভিযোগ করলেন আমি ওসির ব্যাপারে তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে তদন্ত করতে বলব। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে সরকারকে বলব ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।
অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সরাসরি জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীরা বিচার পাচ্ছেন না, অথচ অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
পুলিশের এমন ভূমিকা আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করছে। অনেকেরই প্রশ্ন, আইনের শাসন কি কেবল দুর্বলদের জন্য? প্রভাবশালী হলে কি পুলিশও অসহায় হয়ে পড়ে?











