মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২

‘একটু পাশে দাঁড়াই’ আয়োজনে ৫০০ অসহায় হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ১১:৩৪ পিএম | 134 বার পড়া হয়েছে
‘একটু পাশে দাঁড়াই’ আয়োজনে ৫০০ অসহায় হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘একটু পাশে দাঁড়াই’ আয়োজনে ৫০০ অসহায় হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। অসহায় হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব কুতুব উদ্দিন আহমেদ আহবায়ক, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার সদস্য সচিব, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাডঃ খন্দকার সিরাজুল ইসলাম পাবলিক প্রসিকিউর (পি.পি),জজ কোর্ট, কুষ্টিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কামাল উদ্দিন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, সদর উপজেলা, কুষ্টিয়া। এবং আব্দুল হাকিম মাসুদ সভাপতি, কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।প্রধান অতিথি জনাব কুতুব উদ্দিন আহমেদ আহবায়ক, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি, তিনি বলেন আমি অনেক সংগঠনই দেখলাম যারা সংগঠন নামে মানুষের সাথে প্রতারণা করেন। কিন্তু “একটু পাশে দাঁড়াই” এমন সত এবং অসহায় মানুষদের পাশে থাকেন দেখে আমার খুবই ভালো লাগছেন এবং এই সংগঠনে যদি কোন কিছুর প্রয়োজন বোধ হয় ইনশাআল্লাহ আমি আছি থাকবো। তিনি আরও বলেন “একটু পাশে দাঁড়াই” প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ” মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন) তিনি একজন অনেস্ট /সত সাহসী মানুষ কেউ কখনো যদি অসহায় দারিদ্র মানুষদের জন্য কিছু দিতে চান অবশ্যই যোগাযোগ করবে।
“একটু পাশে দাঁড়াই” প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান তিনি বলেন আমরা সবসময় অসহায়, হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে আছি থাকবো ইনশাআল্লাহ তিনি আরও বলেন আপনারা যদি কেউ যে কোনভাবে কোন সমস্যায় পরেন অবশ্যই আমাদের জানাবে। অনুষ্ঠানে অনেক গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এবং সভাপতি করেছেন মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি “” একটু পাশে দাঁড়াই।

২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেলেন যাঁরা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:০০ পিএম
২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেলেন যাঁরা

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী থাকছেন। সরকারি সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পূর্ণ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী যারা ডাক পেয়েছেন তাঁদের তালিকা দেওয়া হয়েছে—

পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন যারা:

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

সালাহউদ্দিন আহমদ

ইকবাল হাসান মাহমুদ

হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন

ড. খলিলুর রহমান

আব্দুল আওয়াল মিন্টু

কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ

মিজানুর রহমান মিনু

নিতাই রায় চৌধুরী

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

আরিফুল হক চৌধুরী

জহির উদ্দিন স্বপন

মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ

আফরোজা খানম (রিতা)

মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

আসাদুল হাবিব দুলু

মো. আসাদুজ্জামান

জাকারিয়া তাহের

দীপেন দেওয়ান

আ ন ম এহসানুল হক মিলন

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন

ফকির মাহবুব আনাম

শেখ রবিউল আলম

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন:

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

মো. শরিফুল আলম

শামা ওবায়েদ ইসলাম

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

কায়সার কামাল

ফরহাদ হোসেন আজাদ

মো. আমিনুল হক

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন

হাবিবুর রশিদ

মো. রজাবি আহসান

মো. আব্দুল বারী

মীর শাহে আলম

মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম

ইশরাক হোসেন

ফারজানা শারমিন

মো. নুরুল হক নুর

ইয়াসের খান চৌধুরী

এম ইকবাল হোসেইন

এমএ মুহিত

আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর

ববি হাজ্জাজ

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম

প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৫৮ পিএম
প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে এরই মধ্যে শপথ নিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। এরপর সংসদে সরকারি দলের জন্য নির্ধারিত সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই বিজয়ী দল হিসেবে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতি ক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এর আগে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় বিএনপির নির্বাচিত এমপিরা শপথবাক্য পাঠ করেন। শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

শপথ গ্রহণ উপলক্ষে সংসদ ভবন এলাকায় সকাল থেকেই ভিড় দেখা যায়। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি সংসদ এলাকায় সাধারণ মানুষের ভিড়ও লক্ষ্যণীয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান দেখা গেছে।

ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টায় শুরুতে বিএনপির সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন সিইসি। এরপর বিএনপি জোটের নির্বাচিত তিনজনকে শপথ পাঠ করানোর পর দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন সিইসি। এরপর জামায়াতের জোটের শরিক দলগুলোর সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে।

শপথ শেষে সংসদ ভবনের তৃতীয় তলায় রাখা শপথ বইয়ে সই করবেন সংসদ সদস্যরা। এরপর পরিচয়পত্রের জন্য ছবি, আঙুলের ছাপ, ডিজিটাল স্বাক্ষর করবেন তাঁরা। এ জন্য ১০টি বুথ রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর জন্য সংসদ ভবনের নিচতলার শপথকক্ষ এবং সংসদ ভবনের নয়তলায় সরকারি ও বিরোধী দলের সভাকক্ষ গতকালই প্রস্তুত করা হয়েছে।

শপথের কার্যক্রম শেষে বিএনপির সংসদীয় দল বেলা সাড়ে ১১টায় বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা, উপনেতা, চিফ হুইপ নির্বাচন করা হতে পারে। একই সভায় আগামী জাতীয় সংসদের স্পিকার বাছাই করা হতে পারে; যা সংসদের প্রথম অধিবেশনে কণ্ঠভোটে পাস হবে।

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা নির্বাচনের পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়ানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হবে। এর ভিত্তিতে বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।

মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা প্রস্তুত করা হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে থাকবে আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার চেয়ার। সংসদ ভবন এলাকায় সাজসজ্জা করা হয়েছে। রীতি অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যদের পরিবারের এক বা একাধিক সদস্য মূল ভবনে প্রবেশ করেন। তবে এবার নিরাপত্তার কারণে শুধু নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রবেশ করতে পারবেন। অবশ্য দু-একটি ব্যতিক্রম বিবেচনা করা হতে পারে।

বিগত জাতীয় সংসদগুলোর শপথ অনুষ্ঠানের দিন সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যস্ত সময় কাটাতেন। সূত্র বলেছে, এবার সংসদের প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ১৬৫ জন ছাড়া বাকি সবাইকে সাধারণ ছুটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনে কয়েকজন বাদ পড়তে পারেন।

অতীতে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানের সময় সংসদ সচিবালয় এলাকায় সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের প্রবেশে বাধা না থাকলেও এবার ব্যতিক্রম। সংসদ সচিবালয় বলেছে, বাংলাদেশ টেলিভিশন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে। সেখান থেকে সাংবাদিকেরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে মন্ত্রিসভার শপথের সময় আমন্ত্রিত ও নির্ধারিত সাংবাদিকেরা প্রবেশ করতে পারবেন।

ঘাতক ট্রাক চালক গ্রেফতার

কুড়িগ্রামে ট্রাক চাপায় সাবেক সেনাসদস্য নিহত

মোঃ হামিদুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৫০ পিএম
কুড়িগ্রামে ট্রাক চাপায় সাবেক সেনাসদস্য নিহত

কুড়িগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক সাবেক সেনাসদস্য নিহতের ঘটনায় ঘাতক ট্রাক চালককে লালমনিরহাট থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৩।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-১৩, রংপুর।

জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঘাতক ট্রাক চালক হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জানুয়ারি সকালে মোটরসাইকেল চালক মোঃ নজরুল ইসলাম নিজ বাড়ি থেকে কুড়িগ্রাম শহর যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কুড়িগ্রাম পৌরসভার তারামন বিবি চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছামাত্র নাগেশ্বরী থেকে কুড়িগ্রামগামী পাথরবোঝাই একটি ট্রাক দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে তার মোটরসাইকেলের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ট্রাকের চাকার নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মোঃ এনামুল হক বাদী হয়ে ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনের ৯৮/১০৫ ধারায় কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৫)।

ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‍্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে এবং আসামি গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৩, সদর কোম্পানি, রংপুর-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযানে নেমে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‍্যাব-১৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামি জানান, এ ধরনের সহিংস ও বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।