শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

মাদারীপুরে এক রাতে ২ কোটি টাকার ইলিশ বিক্রি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১:৫৭ এএম | 108 বার পড়া হয়েছে
মাদারীপুরে এক রাতে ২ কোটি টাকার ইলিশ বিক্রি

মাদারীপুরের বিভিন্ন জায়গায় গেল রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রায় দুই কোটি টাকার ইলিশ মাছ বেচা-কেনা হয়েছে। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরুর পূর্ব মুহূর্তে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়েন ইলিশ বাজারে।

জেলা শহরের পুরানবাজার মাছের আড়ত, মস্তফাপুর মৎস্য ভান্ডার সহ রাজৈর, কালকিনি, শিবচর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ইলিশ বেচা-কেনার এ মহোৎসব শুরু হয় শনিবার বিকাল হতে। যা চলে রাত ১২টা পর্যন্ত।

আগামী ২২ দিন ইলিশ কেনা-বেচা ও বাজারজাত বন্ধ থাকায় এমন বেচা-বিক্রি হয়েছে বলে দাবি মাছ ব্যবসায়ীদের। অন্যদিকে এক রাতে এমন ইলিশের মেলায় পুরো মাদারীপুরই যেন মুখরিত হয়ে উঠে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় এসব মাছের আড়তে ইলিশ কেনার ধুম পড়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, শনিবার বিকাল থেকেই মাদারীপুর পৌর শহরের পুরানবাজার মাছের আড়তে ইলিশ মাছ নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। সময় গাড়ানোর সঙ্গে ক্রেতারাও আসতে শুরু করেন ছোট-বড় আকারের ইলিশ কিনতে।

এদিন, পুরুষের পাশাপাশি নারী ক্রেতাদেরও ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সবমিলিয়ে রাত গভীর হলে পুরো মাছের আড়তে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। এ যেন রীতিমতো মাছ আর মানুষের মিলন মেলায় রূপ নেয়।

এ কারণে স্থানীয়রাও এটিকে ইলিশের মেলা বলেই আখ্যায়িত করেছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর ইলিশের দাম বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

মাছ কিনতে আসা রাজিব হোসেন বলেন, ‘২২ দিন ইলিশ মাছ পাওয়া যাবে না। তাই এখন মাছ কিনতে আসছি। তবে গতবার এক কেজি সাইজের ইলিশ ছিল ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, এবার সেই ইলিশ ১৮০০ টাকার উপরে। যে কারণে মাত্র ৩ কেজি ইলিশ কিনছি। না হলে আরও বেশি কিনতাম।’

রনি আহমেদ নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘আগে জানলে এ রাতের জন্য দেরি করতাম না। এখন যে দামে ইলিশ কিনলাম, তা আগের চেয়ে আরও বেশি। মানুষ হুজুকে মাছ কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। আমিও আসছি, এখন দাম দেখে আর কিনলাম না।’

এ বছর ইলিশের সরবরাহও তুলনামূলক কম ছিল। যে কারণে বেশি দাম হাঁকিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে পুরো জেলা জুড়ে। সব জায়গায় শত শত মন ইলিশ বিক্রি হয়েছে। তবে দাম নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

অন্যদিকে, এ বছর ইলিশের মেলায় পুরো জেলায় দুই কোটি টাকা উপরে বিক্রি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। ইলিশ ব্যবসায়ী সালাম মিয়া বলেন, ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শনিবার রাত ১২টা থেকে বাস্তবায়ন করা হবে। তাই যত ইলিশ সংগ্রহে ছিল সবই বিক্রি করে দিচ্ছি। কারণ, মাছ মজুতও রাখা যাবে না। ক্রেতারাও আসছে, আমরাও বিক্রি করছি। তবে দাম গতবারের চেয়ে এবার একটু বেশি। যে কারণে ক্রেতারা কম কিনছে।’

এ ব্যাপারে মাদারীপুর পুরানবাজার মাছ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোছলেম উদ্দিন বলেন, ‘প্রতি বছর নিষিদ্ধ সময়ের আগের রাতে ইলিশ মাছ বিক্রির ধুম পড়ে। সব মাছ ব্যবসায়ীরা সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টার আগ পর্যন্ত ইলিশ বিক্রি করে। এ আড়তে প্রায় এক থেকে দেড় কোটি টাকার ইলিশ বিক্রি হয়। আর জেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রায় এক কোটি টাকা ইলিশ বিক্রি হয়। আমরা সংরক্ষিত সময়ে কোনো ইলিশ কেনা-বেচা করি না।’

সার্বিক বিষয়ে মাদারীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাদিউজ্জামান বলেন, “এ বছর ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। তাই সারাদেশের মতো মাদারীপুরেও এই সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় বন্ধ থাকবে। যদি কেউ এই আইন অমান্য করে তাহলে জেল-জরিমানা করার বিধান রয়েছে।”

গণসংযোগ ও সাংবাদিকতায় বিশেষ আবদানের সিনিয়র সাংবাদিক মো: মফিদুল ইসলামকে সম্মামনা স্মারক প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
গণসংযোগ ও সাংবাদিকতায় বিশেষ আবদানের সিনিয়র সাংবাদিক মো: মফিদুল ইসলামকে সম্মামনা স্মারক প্রদান

স্বাধীনতা নারী উদ্যোক্তা ফোরামের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২৬, ০৩ এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে শুরু হয়ে রাত ০৮.০০ পর্যন্ত আর সি মজুমদার আর্টস অডিটোরিয়াম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গণসংযোগ ও সাংবাদিকতায় বিশেষ আবদানের জন্য সিনিয়র মো: মফিদুল ইসলাম সরকার সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মামনা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠান পবিত্র কোরআন ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। একই সাথে জাতীয় সঙ্গীত এবং থিম সং পরিবেশন করার হয়। “নারীর স্বাধীনতাই শক্তি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মোহাম্মদ আবু তাহের, অ্যাডভোকেট, লেখক, গবেষক, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট, শিক্ষাবিদ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সহযোগী সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা ও সাবেক এজিম (আইন), পূবালী ব্যাংক পিএলসি.; উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, লেখক ও গবেষক, চেয়ারম্যান, উর্দু বিভাগ, কলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ গাউছ-উর রহমান, কবি, শিক্ষক, সাংবাদিক, শিক্ষা উদ্যোক্তা, সংগঠক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, গাউছ-উর রহমান, আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ এস এম গোলাম সারোয়ার, কবি, উদ্যোক্তা, প্রশিক্ষক, সংগঠক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বনলতা সাহিত্য একাডেমী; ডাঃ সৈয়দা হাবিবা মুস্তারিন, কবি, নারী উদ্যোক্তা, প্রশিক্ষক, আবৃত্তিকার, উপস্থাপক ও সংগঠক; জিন্নাত আরা ইফা, কবি, নারী উদ্যোক্তা, রন্ধনশিল্পী, প্রশিক্ষক, মোটিভেশনাল কোচ, সংগঠক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও স্বত্বাধিকারী, ইনসা কুকিং ব্লগ; জেসমিনা হোসেন জুঁই, লেখক, নারী উদ্যোক্তা, প্রশিক্ষক, সংগঠক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, নকশীকাঁথা ফাউন্ডেশন; সৈয়দা শামীমা সুলতানা, লেখক, নারী উদ্যোক্তা, প্রশিক্ষক, সংগঠক ও স্বত্বাধিকারী, হ্যাপি বুটিক হাউজ এন্ড হ্যান্ডিক্র্যাফট; তাসলিমা আক্তার কনিকা, লেখক, নারী উদ্যোক্তা, সংগঠক, প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, সাকসেস অন্ট্রাপ্রেনিওর অব বাংলাদেশ (এসইবিডি) এবং স্বত্বাধিকারী, শৈল্পিক স্বাদ; মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এস এম দেলোয়ার জাহান, কবি, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, সম্পাদক, প্রকাশক, সংগঠক, শতাধিক গ্রন্থের প্রণেতা, প্রধান উপদেষ্টা, স্বাধীনতা নারী উদ্যোক্তা ফোরাম। পুরো অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহানারা রেখা, কবি, শিক্ষক, সংবাদ পাঠক, আবৃত্তিকার, উপস্থাপক ও সংগঠক; তাসনোভা তুশিন, কবি, নারী উদ্যোক্তা, উপস্থাপক ও সংগঠক।

ভোটমারী এস সি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ক্যাম্প

মিজানুর রহমান, কালীগঞ্জ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
ভোটমারী এস সি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ক্যাম্প

দীপ আই কেয়ার ফাউন্ডেশন কর্তৃক ভোটমারী এস সি উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে সবাইকে বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করা হবে। অংশগ্রহণের জন্য শুধু ভোটার আইডি কার্ড সঙ্গে আনতে হবে, তবে আইডি কার্ড না থাকলেও সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তারিখ: শনিবার০৪/০৪/২০২৬ ইং সময়: সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২ টা পযন্ত।

এই সুযোগটি গ্রহণ করে আপনার চোখের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করুন এবং পরিবারের সবাইকে জানিয়ে দিন।

হাটহাজারী মধ্যম মাদার্শা শান্তিনিকেতন বৌদ্ধ বিহারে মহাথের বরণ উৎসব

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
হাটহাজারী মধ্যম মাদার্শা শান্তিনিকেতন বৌদ্ধ বিহারে মহাথের বরণ উৎসব

হাটহাজারীতে প্রতিমন্ত্রীর শুভেচ্ছা,উপাসক-উপাসিকাদের মিলনমেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মধ্যম মাদার্শা সার্বজনীন শান্তিনিকেতন বৌদ্ধ বিহারে সদ্ধর্মগুপরত্ন সুপাল বংশ থের মহাথেরের বরণ উৎসব উপলক্ষে বৌদ্ধ উপাসক-উপাসিকাদের অংশগ্রহণে এক বিশাল মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে।
ধর্মসভা বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ও সামাজিক আবহে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বিহার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্তদের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় এক শান্তিপূর্ণ ও ভক্তিমূলক পরিবেশ।
ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের বার্তা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানটি এক মহাথেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু সমাজের মাননীয় উপসংঘনায়ক সংঘরশ্মি রত্নশ্রী মহাথের, মহাউপসংঘনায়ক শিক্ষাবিদ সুনন্দ মহাথের, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির সভাপতি কমলানন্দ মহাথের, পরমার্থ মহাথের সুমিয়ানন্দ মহাথেরসহ ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য সার্থক উদয় কুসুম বড়ুয়া, যুবদলের ধর্ম বিষয়ক উপকমিটির সহ-সম্পাদক পার্থ প্রতীম বড়ুয়া অপু, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা-কর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গিয়াসউদ্দীন চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা যুবদল নেতা সোলাইমান, ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান বাদশা এবং বিএনপি নেতা জোনায়েদ আলম জিতুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও বাংলাদেশ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার সংঘের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ড. সুব্রত বড়ুয়া, বিশিষ্ট সমাজসেবক অনঙ্গ কান্তি বড়ুয়া, কমল বড়ুয়া, তপন কান্তি বড়ুয়া, দীপংকর বড়ুয়া, তপু বড়ুয়া ও সঞ্জীব বড়ুয়াসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তারা শান্তি, সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

error: Content is protected !!