বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩

হাঙ্গেরির নির্বাচনে অরবানের শোচনীয় হার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ এএম | 38 বার পড়া হয়েছে
হাঙ্গেরির নির্বাচনে অরবানের শোচনীয় হার

হাঙ্গেরির প্রবীণ জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবান গতকাল রোববারের জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ক্ষমতা হারিয়েছেন। টানা ১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার পর তিনি হেরে যান তুলনামূলক নবীন মধ্য-ডানপন্থী টিসা পার্টির কাছে। এই ফলাফল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্রদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ৬২ বছর বয়সী অরবান ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীলদের কাছে ‘ই–লিবারেল’ বা অনুদার গণতন্ত্রের মডেলের রূপকার হিসেবে প্রশংসিত ছিলেন। ভোটাররা দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক স্থবিরতা, আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা এবং ধনকুবেরদের সম্পদ সঞ্চয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন—এ কারণেই অরবানের এই বিশাল হার।

এই ভরাডুবির ফলে টিসা পার্টির নেতা পিটার ম্যাগিয়ার হাঙ্গেরির ১৯৯ আসনের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন। এর ফলে, হাঙ্গেরির তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সংস্কারের পথ খুলে গেল। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমালোচকেরা অরবানের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক নিয়মকে দুর্বল করার অভিযোগ করেছিলেন।

প্রায় সব ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, টিসা পার্টি ১৩৮টি আসন পেতে যাচ্ছে, যা ম্যাগিয়ারের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে। রোববারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটার অংশগ্রহণ করেন, যা প্রমাণ করে যে বহু হাঙ্গেরিয়ান এই নির্বাচনকে দেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখেছেন।

নির্বাচনটিকে ম্যাগিয়ার ‘পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সেরা পছন্দ’ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। তিনি সতর্ক করেছিলেন, ব্রাসেলসের সঙ্গে অরবানের সংঘাতপূর্ণ অবস্থান দেশটিকে ইউরোপীয় মূলধারা থেকে আরও দূরে ঠেলে দেবে। অন্যদিকে অরবান দাবি করেন, টিসা পার্টি হাঙ্গেরিকে রাশিয়ার সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলবে। তবে ম্যাগিয়ার এই দাবি অস্বীকার করেন। নিজ দল ফিদেজ পার্টির কার্যালয়ে অরবান বলেন, ‘এই নির্বাচনের ফলাফল আমাদের জন্য কষ্টদায়ক, কিন্তু স্পষ্ট।’ তাঁর সমর্থকদের কেউ কেউ টিভির পর্দায় তার ভাষণ দেখে কেঁদে ফেলেন।

অরবানের ১৬ বছরের শাসনের অবসান শুধু হাঙ্গেরি নয়, বরং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউক্রেনসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। অনেক ইউরোপীয় নেতা আশা করছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে হাঙ্গেরির বিরোধিতামূলক ভূমিকার অবসান ঘটবে। এতে করে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের জন্য ৯০ বিলিয়ন ইউরো (১০৫ বিলিয়ন ডলার) ঋণ অনুমোদনের পথ খুলতে পারে, যা এত দিন অরবান আটকে রেখেছিলেন।

ইউরেশিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজতবা রহমান বলেন, ম্যাগিয়ার দুর্নীতি দূর করা এবং গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ফিদেজ-ঘনিষ্ঠদের সরানোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন প্রসঙ্গে ম্যাগিয়ার ৯০ বিলিয়ন ইউরো সহায়তা প্রবাহের পথ খুলে দিতে সম্মত হবেন। নির্বাচনের আগে তিনি খুব সতর্ক ছিলেন। কিন্তু এখন ফিদেজ ভোটারদের সন্তুষ্ট করার প্রয়োজন নেই। তাই আমরা মনে করি, হাঙ্গেরি ধীরে ধীরে ইউরোপীয় মূলধারায় ফিরে আসবে।’

তবে ব্রাসেলসের কিছু কূটনীতিক সতর্ক করে বলেছেন, অভিবাসনসহ কিছু বিষয় জটিলই থেকে যেতে পারে। একজন কূটনীতিক বলেন, ‘হাঙ্গেরি চ্যালেঞ্জিং অংশীদার হিসেবেই থাকবে, তবে এমন এক অংশীদার যার সঙ্গে অন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো কাজ করতে পারবে।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ম্যাগিয়ারকে অভিনন্দন জানান এবং ইউরোপের শক্তি বৃদ্ধি ও শান্তি-নিরাপত্তা বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি টেলিগ্রামে লেখেন, ‘গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গির বিজয় গুরুত্বপূর্ণ।’ ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়ন বলেন, ‘হাঙ্গেরি ইউরোপকে বেছে নিয়েছে। ইউরোপ সব সময়ই হাঙ্গেরিকে বেছে নিয়েছে।’

অরবানের বিদায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রধান মিত্রকে হারানোর সমান। একই সঙ্গে পশ্চিমা ডানপন্থী রাজনীতিতেও এর প্রভাব পড়বে, যার মধ্যে হোয়াইট হাউসও রয়েছে। অরবান যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থন পেয়েছিলেন। এর অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুদাপেস্ট সফর করেন। এ ছাড়া ক্রেমলিন এবং ইউরোপের ডানপন্থী নেতারাও তাকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

তবে নির্বাচনী প্রচারণার সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ ওঠে, তার সরকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে মস্কোর সঙ্গে সমন্বয় করেছে—যা তার প্রচারণাকে ধাক্কা দেয়। অরবান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে হাঙ্গেরির জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্যবাহী খ্রিষ্টীয় মূল্যবোধ রক্ষা করা এবং বিপজ্জনক বিশ্বে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

লামা ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়ার্টারে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন।

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:- মোঃ নুরুল আলম) প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৪ এএম
লামা ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়ার্টারে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন।

 

আজ ১৪-ই এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি রোজ মঙ্গলবার। লামা ৩০- আনসার ব্যাটালিয়ান হেড কোয়ার্টারের মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন। এতে ৪-টি দল অংশগ্রহণ করেন, বিভিন্ন জেলা হতে আগত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, লামা। আজ সকাল ৯:০০ টার দুটি দল অংশগ্রহণ করেন, চট্টগ্রাম আনসার ব্যাটালিয়ান বনাম বান্দরবান আনসার ব্যাটালিয়ান, দুই দলের ফলাফল ড্র। আজ বিকেল ৪:৩০ মিনিটে ৩০- আনসার ব্যাট্যালিয়ান বনাম ১- আনসার ব্যাটালিয়ান মধ্যে খেলা হয়। এতে প্রত্যেক টিমের সিনিয়র অফিসার জেসিও উপস্থিত ছিলেন। আজ খেলায় ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান ৫-০ গোলে ১-ওয়ান আনসার ব্যাটলিয়ান কে হারিয়ে জয় লাভ করেন।

দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩২ এএম
দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

 

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনপ্রিয় স্থানীয় পত্রিকা “দৈনিক চাঁপাই দর্পণ”-এর যুগপূর্তি উদ্‌যাপন এবং বহুল প্রতীক্ষিত ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠান গত ১৪ এপ্রিল (দুপুর ১২টা) পত্রিকার নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ এনামুল হক।
উদ্বোধনী আয়োজনে স্থানীয় সাংবাদিক, সুধীজন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
পত্রিকার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু তাঁর বক্তব্যে বলেন, ই-পেপার চালুর মাধ্যমে “দৈনিক চাঁপাই দর্পণ” সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও দ্রুত, সহজলভ্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পাঠকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। তিনি পত্রিকার ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ পত্রিকার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের উন্নয়নে এর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে ডিজিটাল রূপান্তরের ধারায় এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়, যা ভবিষ্যতে পাঠকদের জন্য আরও আধুনিক ও কার্যকর সংবাদ সেবা নিশ্চিত করবে।

চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩১ এএম
চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে বিক্ষোভ ও প্রশ্নের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। একপর্যায়ে পুলিশি নিরাপত্তায় দ্রুত সেখান থেকে বের হয়ে যেতে দেখা যায় তাকে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নগরের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকার ‘এইচ এম ভিলা’ নামের একটি বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে হাসনাত আবদুল্লাহ সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় যান। তার আগমনকে ঘিরে এলাকায় আলোচনা শুরু হলে ছাত্রদল, জুলাই আন্দোলনের কর্মী ও স্থানীয় কিছু মানুষ বাসার সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।
তারা জানতে চান, কী উদ্দেশ্যে তিনি ওই বাসায় এসেছেন এবং সেখানে কোনো ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছিল কি না। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, আওয়ামী লীগের একজন নেতার বাসায় তিনি কেন গেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে হাসনাত আবদুল্লাহ বাসা থেকে বের হয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা বলেন। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে দ্রুত গাড়িতে করে স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের সমন্বয়কারী সদস্য ও মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয় সাংবাদিকদের বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ ব্যক্তিগত কাজে চট্টগ্রামে এসেছিলেন। এ সময় সাবেক মেয়র মনজুর আলমের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
রাত ৮টায় এনসিপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী দিনে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় নেতা।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষুব্ধরা হাসনাত আবদুল্লাহকে প্রশ্ন করছেন—‘আপনি সংসদে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার কথা বলছেন, তাহলে আওয়ামী লীগের দোসরের বাসায় কেন?’
তখন হাসনাত আবদুল্লাহকে হাত নাড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে, এনসিপি থেকে চট্টগ্রামে মেয়র পদে নির্বাচন করার বিষয়ে প্রাথমিক আলাপ করতেই মনজুর আলমের সঙ্গে দেখা করতে যান হাসনাত। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মনজুর আলম। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণেই হাসনাত তাকে দেখতে এসেছিলেন। কুশল বিনিময় ও দুপুরের খাবার শেষে তিনি চলে যান।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ মনজুর আলম ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি চারবার ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন।

error: Content is protected !!