শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২

কে এই মুকুল চৌধুরী?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৩ পিএম | 31 বার পড়া হয়েছে
কে এই মুকুল চৌধুরী?

দৌড়ে এক রান নিতেই উৎসব শুরু লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের। কলকাতার ইডেন গার্ডেনসের দর্শকদের কাঁদিয়ে মুকুল চৌধুরী শূন্যে মুষ্টিবদ্ধ উদযাপন করেছেন। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন ২১ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে যে মুকুল লক্ষ্ণৌকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দিয়েছেন, তাঁকে কাঁধে তুলে শূন্যে উদযাপনে ব্যস্ত সতীর্থরা।

কলকাতার বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে নেওয়া মুকুল এবারই প্রথমবার খেলছেন আইপিএলে। নিলাম থেকে তাঁকে ২ কোটি ৬০ লাখ রুপিতে নেয় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। পেশাদার ক্রিকেটেও খুব একটা নিয়মিত নন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৪, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৫, টি-টোয়েন্টিতে ১০ ম্যাচ—সব মিলিয়ে ১৯ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। গতকাল ২৭ বলে ৫৪ রানের যে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন, তার মধ্যে ৫০ রানই এসেছে বাউন্ডারি থেকে। ৭ ছক্কা ও ২ চার মেরেছেন তিনি।

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে রাজস্থানের জার্সিতে ছত্তিশগড়ের বিরুদ্ধে প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় মুকুলের। সাদা পোশাকে চার ম্যাচে করেছেন ১০৩ রান। যেখানে সর্বোচ্চ স্কোর ৪৫। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৫ ম্যাচ মিলিয়ে ১০০ রানও করতে পারেননি (সাদা বলের এই সংস্করণে তাঁর রান ৭১)। তবে সীমিত ওভারের আরেক সংস্করণ টি-টোয়েন্টিতে তিনি অন্য রকম। ২০২৩ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ১০ টি-টোয়েন্টিতে ৪৬.৬৭ গড় ও ১৬৪.৭০ স্ট্রাইকরেটে করেন ২৮০ রান। করেছেন তিন ফিফটি।

প্রথমে মিডিয়াম পেসার হলেও পরে উইকেটরক্ষক হিসেবে খেলেন। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে তিনি নজর কাড়েন। ২০২৫-২৬ মৌসুমের সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে তিনি ৫ ইনিংসে করেন ১৭৩ রান। তাঁর স্ট্রাইকরেট ছিল ১৯৮.৮৫। এই বিধ্বংসী ব্যাটিংই তাঁকে আইপিএলে দল পেতে সহায়তা করে। রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে কাড়াকাড়িতে তাঁকে নেয় মুকুল।

কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে গতকাল ২৭ বলে ৫৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন মুকুল। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল তখনই, যখন আমার বাবা বিয়েও করেননি। তাঁর স্বপ্ন ছিল, তাঁর ছেলে যেন ক্রিকেট খেলে। আমি বয়সভিত্তিক পর্যায় থেকে শুরু করি। কিন্তু সিকিমে ভালো কোনো একাডেমি ছিল না। আমি দিল্লি এবং গুরগাঁওয়ে ম্যাচ খেলতাম। সেটাই আমাকে সাহায্য করেছে। যখন অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে উত্তর প্রদেশের বিরুদ্ধে খেলছিলাম, সেটা ছিল লো-স্কোরিং। তবে আমার সেই স্কোর দেখে অনেকেই বুঝতে পেরেছিলেন কিছু করতে পারব। সেটা ছিল মাত্র আমার দ্বিতীয় ম্যাচ।’

কলকাতার দেওয়া ১৮২ রানের লক্ষ্যে নেমে ১৮ ওভার শেষে লক্ষ্ণৌর স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৫২ রান। ২ ওভারে ৩০ রানের সমীকরণ হলেও মুকুল ঘাবড়ে যাননি। ১৯তম ওভারে ক্যামেরন গ্রিনকে দুই ছক্কা ও এক চার মেরে একাই ১৬ রান নেন মুকুল। আর শেষ দুই বলে যখন ৭ রানের সমীকরণ, তখন ডিপ এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা মেরে স্কোর সমতায় আনেন। শেষ বলে কলকাতা উইকেরটক্ষক অংক্রীশ রঘুবংশী মিস করায় সেই সুযোগে এক রান নিয়ে ম্যাচ জেতান মুকুল।

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুকুল বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তা আমাকে এই সুযোগ দিয়েছেন। এখানে চাপ ছিল। একই সঙ্গে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগও ছিল। শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করা ছিল আমার লক্ষ্য। প্রথম ছক্কাটা আমার ভালো লেগেছে। কারণ, আগের দুই ম্যাচে একটা ছক্কাও মারিনি। প্রথমটা তাই ছিল বিশেষ। আমার মনে ছিল যে চার বলের মধ্যে একটা বাজে বল আসবেই। সেটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। ছোটবেলা থেকেই আমি ছক্কা মারতে পছন্দ করি।’

এবারের আইপিএলে নিজের প্রথম দুই ম্যাচ মিলিয়ে মুকুল করেন ১৬ রান। তিনি গতকাল চাপ সামলে দুর্দান্ত ইনিংস খেলে নজর কেড়েছেন। পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও। তাঁর দল লক্ষ্ণৌ ১০ দলের মধ্যে পাঁচ নম্বরে রয়েছে। ৩ ম্যাচে ২ জয় ও ১ হারে দলটির পয়েন্ট চার।

সৌদি আরব দাম্মাম জুবায়েল প্রবাসী আশরাফ আলী মৃত্যু।

মো লুৎফুর রহমান রাকিব আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৩ এএম
সৌদি আরব দাম্মাম জুবায়েল প্রবাসী আশরাফ আলী মৃত্যু।

সৌদি আরব দাম্মাম সিটি জুবায়েল প্রবাসী নাম – আশরাফ আলী

পিতা মৃত রশিদ মাতব্বর
মাতা মৃত ফরিদা বেগম
গ্রাম চরপাল্লা
ডাকঘর আব্দুল্লাহবাদ
থানা ভাংগা
জেলা ফরিদপুর
সৌদি আরবের জুবায়েল শহরে ডিউটিরত অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন ও পড়ে আবদুল্লাহ আজিজ হাসপাতালে নিবার পথে আশরাফ আলী ইন্তেকাল করেন।
( ইন্না-লিল্লাহ ওয়ান্না লিল্লাহির রাজিউন )
মৃত কালে ওনার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর । আশরাফ আলী ১ মেয়ের জনক ছিলেন । গতকাল সকালে নিয়মিত ডিউটি তে গিয়েছিল এবং দুপুরের পরেই ওনার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সাথে সাথে ওনার সহকর্মীরা এম্বুলেন্স এ কল দিয়ে ওনাকে জুবায়েল আব্দুল্লাহ আজিজিয়া হসপিটাল পাঠায়। কিন্তু হসপিটাল নেওয়ার পর ডাঃ ওনাকে মৃত ঘোষণা করেন। এবং বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানাছি যে লাশ দেশে ফিরে নেন আশরাফ আলী।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে

জাহিদ হোসেন,খুলনা প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৮ এএম
নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে

খুলনা নগরের খালিশপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

কর্মসূচির আওতায় ছিল নিরাপদ সড়ক ও জনসচেতনামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা, আলোচনা সভা এবং সার্টিফিকেট বিতরণ।
সমাবেশ এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্র ইনজাম হক রামিম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব রায়হান, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান হৃদয়। সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলার সভাপতি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, আরো উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় প্রতিনিধি ও যশোর জেলা আহ্বায়ক জনাব মাহমুদুল হাসান, ঝিনাইদহ জেলা আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোয়াত, জনাব মিলন শেখ, মেহেদী হাসান, আশরাফ হোসেন রকি, রবিউল ইসলাম মল্লিক, জুবায়েদ শেখ সম্রাট, এসএম মাশরাফি, মির্জা মুজাহিদ, ফাতেমা সুলতানা ভাবনা, শান্তা ও নড়াইল মাগুরা সাতক্ষীরা বাগেরহাট জেলার নেতৃবৃন্দ। বিভাগীয় সমাবেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব ছিল খুলনা জেলার নেতৃবৃন্দরা। কর্মসূচি সফল ও সার্থক করতে নিরলস পরিশ্রম কারী ও আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দ এবং প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়ে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট বিতরণের মাধ্যমে প্রোগ্রামের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

দিঘলিয়ার উপজেলার আতাই নদীর লস্করপুর ঘাটে ভেসে ওঠে লাশ, ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৬ এএম
দিঘলিয়ার উপজেলার আতাই নদীর লস্করপুর ঘাটে ভেসে ওঠে লাশ, ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ

 

খুলনা দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি গ্রামে নিখোঁজের তিন দিন পর কালু (৩৫) নামে এক ট্রলারচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ই এপ্রিল) বেলা প্রায় ১টার দিকে আতাই নদীর লস্করপুর ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শাহআলম মোল্লা কালু দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ৮নাম্বার ওয়ার্ড রেজার মোড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় ট্রলারচালক ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। তার বড় মেয়ে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী এবং ছোট ছেলে শিশুর বয়স প্রায় ১০-১২ মাস। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, গত ৭ই মার্চ২৬ (মঙ্গলবার) রাত প্রায় ৯টার দিকে ট্রলার মেরামতের কাজের কথা বলে কালু বাড়ি থেকে বের হন। তিনি তার স্ত্রীকে জানান, ট্রলারটি নদীর ঘাটে তুলে মেরামত করবেন এবং সেজন্য রাতে ট্রলারে থাকবেন বাসায় ফিরবেন না এরপর থেকেই তিনি। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন বুধবার সকাল ৭টার দিকে ট্রলারের মালিক আব্দুল কাদের জনি কালুর স্ত্রীকে ফোন করে জানান, কালু ট্রলারে আসেননি। এ সময় কালুর স্ত্রী জানান, আগের রাতে তিনি ট্রলারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন এবং আর ফিরে আসেননি। এরপর থেকেই পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।
নিখোঁজের ঘটনায় কালুর স্ত্রী প্রথমে সেনহাটি পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি জানান। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার দিঘলিয়া থানায় গিয়ে বিস্তারিত অবহিত করেন এবং থানার পরামর্শে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কালুর স্ত্রী দিঘলিয়া থানায় গেলে কিছুক্ষণ পর থানায় খবর আসে যে আতাই নদীর লস্করপুর ঘাট এলাকায় একটি মরদেহ ভেসে উঠেছে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি কালুর বলে শনাক্ত করেন।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
এ বিষয়ে দিঘলিয়া থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

error: Content is protected !!