সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

বাঘায় দুই বোনের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম | 35 বার পড়া হয়েছে
বাঘায় দুই বোনের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই বোনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। আহতরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকলেও এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

(৫’ই এপ্রিল ২০২৬) রোববার বিকেলে বিভাগীয় প্রেসক্লাব রাজশাহীর হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মিনারা বেগম এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে মিনারা বেগম জানান, গত (২৭’শে মার্চ ২০২৬) শুক্রবার, বিকাল আনুমানিক ৪:টার দিকে তিনি তার বোন রেহেনা বেগমের বাসায় বেড়াতে গেলে জমিজমা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে একদল সন্ত্রাসী তাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালায়। এ ঘটনায় বাঘা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হরিরামপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম, রোজিনা খাতুন, সাদিকুল, কালু, খোকন মাস্টার, লালটু, বাচ্চু, বাবলুসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাদের ঘিরে ফেলে। এসময় জিআই পাইপ দিয়ে মিনারা বেগমকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।

তিনি আরও জানান, তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার বোন রেহেনা বেগমকেও লাঠি ও বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তার দুই পা ও ডান হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। হামলাকারীরা তাদের মোবাইল ফোন, গলার চেইন ও ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা প্রায় ৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে লোহার রড দিয়ে আবারও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

মিনারা বেগম বলেন, ওরা আমাকে মারধর করে ফেলে রাখার পর আমি পানি চাইলে কেউ দেয়নি। এক পর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

তিনি অভিযোগ করেন, এত বড় হামলার পরও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বাঘা থানার ওসি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরও দাবি করেন, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও পুলিশ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বরং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

মিনারা বেগম বলেন, আমরা বিচার চাইতে গিয়েও হয়রানির শিকার হচ্ছি। পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে খোকন মাস্টারকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ফরিদপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

মোঃমাহফুজুর রহমান বিপ্লব। প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ এএম
ফরিদপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে বিকাশ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর করেছে বলে জানাযায়।

আজ রোববার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের সাতৈর রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বিকাশ চন্দ্র কর্মকার বোয়ালমারী উপজেলার কামারহাটি গ্রামের নিতাই চন্দ্র কর্মকারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি কয়েক বছর আগে সাতৈর বাজারে স্বর্ণের ব্যবসা করতেন। ব্যবসায় লোকসানের কারণে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং দেনা পরিশোধ করতে জমিজমা বিক্রি করেন। প্রায় দুই বছর আগে তার স্ত্রী মারা যায়। এরপর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
স্থানীয়দের ধারণা, ঋণগ্রস্ততা ও ব্যক্তিগত হতাশা থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার পদ বেঁচে নেয়।

জানাযায়, রাজশাহী থেকে গোপালগঞ্জগামী গামী ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে বোয়ালমারী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

ফারুক হোসাইন, ব্যুরো প্রধান, রংপুর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

অবরোধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফকু, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুনান হক্কানি এবং জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কামালকে অবৈধভাবে বাফার গোডাউনে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি সারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপসারণ করা না হলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

error: Content is protected !!