রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ চলাচল অব্যাহত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩২ পিএম | 60 বার পড়া হয়েছে
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ চলাচল অব্যাহত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানিবাহী জাহাজ আগমন অব্যাহত রয়েছে। চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১৭ দিনে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও পরিশোধিত জ্বালানি বহনকারী মোট ২২টি জাহাজ বন্দরে ভিড়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও অন্তত চারটি জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক নৌপথে ভূরাজনৈতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও দেশের জ্বালানি আমদানির ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। ইতোমধ্যে আগত চালানগুলোর একটি বড় অংশই এলএনজি।
৩ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে কাতার থেকে চারটি জাহাজে করে ৩ লাখ ৩০ হাজার টনের বেশি এলএনজি দেশে এসেছে। আল জোর, আল জাসাসিয়া, লুসাইল ও আল গালায়েল নামের জাহাজগুলো এরই মধ্যে খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
এদিকে এলপিজি সরবরাহেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। মালয়েশিয়া থেকে আসা মর্নিং জেন ২ হাজার ৫০০ টন, ভারত থেকে আসা সেন্না-৯ জাহাজ ৫ হাজার ৭৬৭ টন এবং এপিক সান্টা ৫ হাজার ৫০০ টন এলপিজি সরবরাহ করেছে। এছাড়া স্কুমি-৭ সীতাকুণ্ডে ৪ হাজার ৯৬১ টন এলপিজি খালাস করেছে। ওমান থেকে আসা এলপিজি সেভান কুতুবদিয়ায় ৭ হাজার ২০ টন এলপিজি খালাস করছে, যা ২০ মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
পরিশোধিত জ্বালানির মধ্যে ইলেন্দ্র স্প্রুস ও হাফিনা ববক্যাট জাহাজে প্রায় ২০ হাজার টন করে উচ্চ সালফারযুক্ত ফুয়েল অয়েল এসেছে। এছাড়া বে ইয়াসু জাহাজে ৫ হাজার ১৯ টন মনোইথিলিন গ্লাইকোল (এমইজি) আমদানি করা হয়েছে।
ডিজেলজাতীয় জ্বালানির ক্ষেত্রেও সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। জিউ চি, লিয়ান হুয়ান হু ও এসপিটি থেমিস জাহাজ সম্মিলিতভাবে ৮৫ হাজার টনের বেশি গ্যাস অয়েল সরবরাহ করেছে। র‍্যাফেলস সামুরা ২৮ হাজার টন এবং চ্যাং হাং হোং তু আরও ৫ হাজার টন জ্বালানি খালাস করছে। এছাড়া অ্যাঞ্জেল নম্বর-১১ জাহাজে ২ হাজার ৫ টন বেস অয়েল এসেছে, যা লুব্রিকেন্ট উৎপাদনে ব্যবহৃত হবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও শিল্প খাত সচল রাখতে এসব জ্বালানি চালান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চারটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। এর মধ্যে কাতার থেকে এলএনজি বহনকারী লেব্রেথাহ এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা প্রাচী জাহাজে প্রায় ৭৪ হাজার ৯২৯ টন এলএনজি রয়েছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর থেকে এইচএসএফও ট্যাংকার লেডি অব ডোরিয়া ও এসসি গোল্ড ওশেন আসছে।
মার্চের শেষ দিকে আরও কয়েকটি জাহাজ আগমনের কথা রয়েছে। এর মধ্যে অ্যাঙ্গোলা থেকে এলএনজিবাহী সোনাগোল বেনগুয়েলা, থাইল্যান্ড থেকে বেস অয়েলবাহী এবি অলিভিয়া এবং এলপিজি ক্যারিয়ার বেয়ক বর্নহোম ও মর্নিং জেন নামের আরও একটি জাহাজ রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে বন্দর কর্মকর্তারা বলছেন, সব ধরনের উদ্বেগ সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল আছে।

সেলিম মাহবুবঃ

শান্তিগঞ্জ থেকে শিমুলবাগান যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১

সেলিম মাহবুবঃ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
শান্তিগঞ্জ থেকে শিমুলবাগান যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১

সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাগলী গ্রামে দিরাই মদনপুর সড়কে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত ও অপর যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত যুবক শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক শিমুলবাক ইউনিয়নের মুক্তখাই গ্রামের উকিল আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (২৬) ও অপর গুরুতর আহত দুই যুবক একই গ্রামের মৃত আক্কল আলীর ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩০), হানিফ উল্লাহের ছেলে গুলজার আলী (৪০)। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (২২ মার্চ) দুপুর ১ টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের গাগলী গ্রামে দিরাই মদনপুর সড়কে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের মুক্তিখাই গ্রাম থেকে ঈদ আড্ডা দিতে মুক্তখাই গ্রামের যুবক সাইদুল ইসলাম, তাহার বন্ধু একই গ্রামের সফিকুল ইসলাম ও গুলজার আলীকে নিয়ে তাহিরপুর উপজেলার শিমুলবাগানের উদ্দেশ্যে নতুন মোটর সাইকেল নিয়ে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে দুপুর ১ টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাগলী গ্রামে দিরাই মদনপুর আঞ্চলিক সড়কের ঈদগাহের পাশে পৌছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত গতিতে রাস্তার পাশে থাকা বড় রেন্ট্রি গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে মোটর সাইকেল চালক সাইদুল ইসলামের পায়ের একটি হাড় ভেঙ্গে গাছের সাথে আটকে যায় এবং মোটর সাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরে মোটর সাইকেল চালক সাইদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও গুলজার আলীগণকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়া চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোটর সাইকেল আরোহী উকিল আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (২৬) মারা যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মোটর সাইকেল চালক সাইদুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন এবং আরোহী গুলজার বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসাধীন আছেন।
শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলি উল্লাহ বলেন, দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আহত মোটর সাইকেল চালক ও আরোহীদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। শুনেছি একজন মোটর সাইকেল আরোহী মারা গেছেন।

কুড়িগ্রামে পুত্রের আঘাতে পিতার মৃত্যু: ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

রূহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৬ পিএম
কুড়িগ্রামে পুত্রের আঘাতে পিতার মৃত্যু: ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ছেলের ছুরিকাঘাতে এক অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য নিহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বেপারীহাট এর মশ্চিমে নিলুর খামার কাইট্টারি সাতানী পাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি আব্দুল খালেক, তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি/সাবেক বিডিআরএর একজন অবসরপ্রাপ্ত সদস্য)

জানা গেছে, অভিযুক্ত ছেলে আসাদুজ্জামান মানিক মিয়া (২৯), নিহত ব্যক্তির ছোট ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হতে থাকলে এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে মানিক মিয়া ঘর থেকে শাবল এনে তার বাবার ওপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই আব্দুল খালেকের মৃত্যু হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান মানিক (২৯) মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল্লাহিল জামান জানান, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে । প্রাথমিকভাবে জানা গেছে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন রোগে ভুগতেছেন। নিহতলা উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন চলছে।

কলকাতা থেকে মনোয়ার ইমাম

মমতার উন্নয়ন কে হাতিয়ার করে ভাঙড়ে জোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে শওকাত মোল্লা

কলকাতা থেকে মনোয়ার ইমাম প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
মমতার উন্নয়ন কে হাতিয়ার করে ভাঙড়ে জোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে শওকাত মোল্লা

আসন্ন ২০২৬,শে পশ্চিম বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন সুন্দর বন উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান ও ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক জননেতা শওকত মোল্লা। তিনি তার পাশে র কেন্দ্র থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। তার পরিবর্তে তাকে লড়াই করতে হচ্ছে পাশে র কেন্দ্র ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে।কারণ এবার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বহু বিধায়ক টিকিট দেওয়া হয়নি। প্রায় ৭৫, টি র বেশি বিধায়ক ও মন্ত্রী টিকিট দেয়নি তৃনমূল কংগ্রেস। তার ব্যতিক্রম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা নয়।এই জেলার প্রায় সাতটি বিধায়ক টিকিট দেয়নি দল।এই ঘটনার পর ক্যানিং পূর্ব আসন থেকে শওকাত মোল্লা কে পাশের কেন্দ্র ভাঙড় থেকে লড়াই করতে হচ্ছে।এই ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র এর বর্তমান বিধায়ক ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি ইতিপূর্বে এই বিধান সভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। এবার তাকে লড়াই করতে হবে হেভিওয়েট প্রার্থী জননেতা শওকত মোল্লা র সাথে। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও বিকাশ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা কে সামনে রেখে ময়দানে নেমে পড়েছে শওকাত মোল্লা। তিনি ইতিমধ্যে মধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছে।আজ ভাঙড় বিধান সভার ঘটক পুকুর থেকে যাদবপুর লোকসভা র এম পি সায়নী ঘোষ এবং যুব সভাপতি সাদেক লস্কর সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ কে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে আই এস এফের প্রার্থী হেভিওয়েট নেতা পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ও সাবেক তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা ও সদ্য আই এস এফে যোগদান করা ভাঙড়ের ভূমিপুত্র সাবেক বিধায়ক আরাবুল ইসলাম ও সাবেক তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা কাইজার আহমেদ ও রফিকুল ইসলাম কে নিয়ে নির্বাচনের ময়দানে নেমে পড়েছে। তবে এই কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কে জিতবে তা লাখ টাকার প্রশ্ন উঠেছে।

error: Content is protected !!