রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২

চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ ৫ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ১:২৯ পিএম | 77 বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ ৫ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু

ঈদের রাতেই কুমিল্লায় বাস ও ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষের ফলে চট্টগ্রামের সাথে সারাদেশে রেল যোগাযোগ ৫ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর আজ সকাল ৮ টা থেকে পুনরায় চালু হয়েছে। ভয়াবহ এ সংঘর্ষে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার এলাকার একটি রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী একটি ট্রেনের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামগামী ‘মামুন স্পেশাল’ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর দ্রুতগতির ট্রেনটি বাসটিকে প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে কুমিল্লা পুলিশ, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নিহতদের মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদেরও সেখানে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অজয় ভৌমিক জানান, হাসপাতালে সকাল পর্যন্ত ১২ জনের মরদেহ নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে, বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
দুর্ঘটনার পরপর চট্টগ্রাম থেকে সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। উদ্ধার কাজ শেষে দ্রুত রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে সকাল ৮ টা বেজে যায় বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রেলগেটের সিগন্যালম্যানের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তবে কুমিল্লা জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. ইদ্রিস বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বাস চালকের ভুলের কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
জেলা প্রশাসন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর সাদিক চৌধুরীকে প্রধান করে জেলা প্রশাসনের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া রেলওয়ের পক্ষ থেকেও বিভাগীয় ও জোনাল পর্যায়ে আরও দুটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। রেলক্রসিংয়ের দায়িত্বে থাকা ২ জন গেটকিপারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সংঘর্ষের পরপর পুলিম, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় জনগনের যৌথ উদ্যোগে দ্রুত উদ্ধার কাজ শেষ করে আজ ২২ মার্চ রবিবার সকাল ৮ টায় চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে। দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে এবং গঠিত তদন্ত কমিটিগুলোর তদন্ত রিপোর্ট দ্রুত সময়ে জমা দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সেলিম মাহবুবঃ

শান্তিগঞ্জ থেকে শিমুলবাগান যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১

সেলিম মাহবুবঃ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
শান্তিগঞ্জ থেকে শিমুলবাগান যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১

সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাগলী গ্রামে দিরাই মদনপুর সড়কে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত ও অপর যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত যুবক শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক শিমুলবাক ইউনিয়নের মুক্তখাই গ্রামের উকিল আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (২৬) ও অপর গুরুতর আহত দুই যুবক একই গ্রামের মৃত আক্কল আলীর ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩০), হানিফ উল্লাহের ছেলে গুলজার আলী (৪০)। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (২২ মার্চ) দুপুর ১ টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের গাগলী গ্রামে দিরাই মদনপুর সড়কে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের মুক্তিখাই গ্রাম থেকে ঈদ আড্ডা দিতে মুক্তখাই গ্রামের যুবক সাইদুল ইসলাম, তাহার বন্ধু একই গ্রামের সফিকুল ইসলাম ও গুলজার আলীকে নিয়ে তাহিরপুর উপজেলার শিমুলবাগানের উদ্দেশ্যে নতুন মোটর সাইকেল নিয়ে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে দুপুর ১ টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাগলী গ্রামে দিরাই মদনপুর আঞ্চলিক সড়কের ঈদগাহের পাশে পৌছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত গতিতে রাস্তার পাশে থাকা বড় রেন্ট্রি গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে মোটর সাইকেল চালক সাইদুল ইসলামের পায়ের একটি হাড় ভেঙ্গে গাছের সাথে আটকে যায় এবং মোটর সাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরে মোটর সাইকেল চালক সাইদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও গুলজার আলীগণকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়া চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোটর সাইকেল আরোহী উকিল আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (২৬) মারা যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মোটর সাইকেল চালক সাইদুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন এবং আরোহী গুলজার বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসাধীন আছেন।
শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলি উল্লাহ বলেন, দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আহত মোটর সাইকেল চালক ও আরোহীদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। শুনেছি একজন মোটর সাইকেল আরোহী মারা গেছেন।

কুড়িগ্রামে পুত্রের আঘাতে পিতার মৃত্যু: ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

রূহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৬ পিএম
কুড়িগ্রামে পুত্রের আঘাতে পিতার মৃত্যু: ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ছেলের ছুরিকাঘাতে এক অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য নিহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বেপারীহাট এর মশ্চিমে নিলুর খামার কাইট্টারি সাতানী পাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি আব্দুল খালেক, তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি/সাবেক বিডিআরএর একজন অবসরপ্রাপ্ত সদস্য)

জানা গেছে, অভিযুক্ত ছেলে আসাদুজ্জামান মানিক মিয়া (২৯), নিহত ব্যক্তির ছোট ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হতে থাকলে এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে মানিক মিয়া ঘর থেকে শাবল এনে তার বাবার ওপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই আব্দুল খালেকের মৃত্যু হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান মানিক (২৯) মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল্লাহিল জামান জানান, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে । প্রাথমিকভাবে জানা গেছে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন রোগে ভুগতেছেন। নিহতলা উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন চলছে।

কলকাতা থেকে মনোয়ার ইমাম

মমতার উন্নয়ন কে হাতিয়ার করে ভাঙড়ে জোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে শওকাত মোল্লা

কলকাতা থেকে মনোয়ার ইমাম প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
মমতার উন্নয়ন কে হাতিয়ার করে ভাঙড়ে জোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে শওকাত মোল্লা

আসন্ন ২০২৬,শে পশ্চিম বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন সুন্দর বন উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান ও ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক জননেতা শওকত মোল্লা। তিনি তার পাশে র কেন্দ্র থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। তার পরিবর্তে তাকে লড়াই করতে হচ্ছে পাশে র কেন্দ্র ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে।কারণ এবার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বহু বিধায়ক টিকিট দেওয়া হয়নি। প্রায় ৭৫, টি র বেশি বিধায়ক ও মন্ত্রী টিকিট দেয়নি তৃনমূল কংগ্রেস। তার ব্যতিক্রম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা নয়।এই জেলার প্রায় সাতটি বিধায়ক টিকিট দেয়নি দল।এই ঘটনার পর ক্যানিং পূর্ব আসন থেকে শওকাত মোল্লা কে পাশের কেন্দ্র ভাঙড় থেকে লড়াই করতে হচ্ছে।এই ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র এর বর্তমান বিধায়ক ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি ইতিপূর্বে এই বিধান সভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। এবার তাকে লড়াই করতে হবে হেভিওয়েট প্রার্থী জননেতা শওকত মোল্লা র সাথে। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও বিকাশ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা কে সামনে রেখে ময়দানে নেমে পড়েছে শওকাত মোল্লা। তিনি ইতিমধ্যে মধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছে।আজ ভাঙড় বিধান সভার ঘটক পুকুর থেকে যাদবপুর লোকসভা র এম পি সায়নী ঘোষ এবং যুব সভাপতি সাদেক লস্কর সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ কে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে আই এস এফের প্রার্থী হেভিওয়েট নেতা পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ও সাবেক তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা ও সদ্য আই এস এফে যোগদান করা ভাঙড়ের ভূমিপুত্র সাবেক বিধায়ক আরাবুল ইসলাম ও সাবেক তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা কাইজার আহমেদ ও রফিকুল ইসলাম কে নিয়ে নির্বাচনের ময়দানে নেমে পড়েছে। তবে এই কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কে জিতবে তা লাখ টাকার প্রশ্ন উঠেছে।

error: Content is protected !!