শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

ঈদুল ফিতরে যেসব আমল করতেন নবীজি (সা.)

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫২ এএম | 63 বার পড়া হয়েছে
ঈদুল ফিতরে যেসব আমল করতেন নবীজি (সা.)

ঈদ মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব। তাই কোরআন-হাদিসের নির্দেশনা মেনে ঈদের আমেজে মেতে ওঠা উচিত। নবী করিম (সা.) যেভাবে ঈদ পালন করতেন, তা হতে পারে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য রাসুলের অনুসরণের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব: ২১)

সুলতানি  ও মোগল আমলের ঈদ উৎসব

প্রিয় নবীর (সা.) দেখানো পথে যদি আমাদের ঈদটি সাজাতে পারি, তাহলে আনন্দের পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টিও অর্জন সম্ভব। ঈদকেন্দ্রিক রাসুল (সা.)-এর আমলগুলো জেনে নেওয়া যাক—

চাঁদ দেখে ঈদ পালন

যান্ত্রিক জীবনে আমরা ঈদের চাঁদ দেখার আনন্দ ভুলে গেছি বললেই চলে। অথচ ঈদের চাঁদ দেখা সুন্নত। নবী করিম (সা.) চাঁদ দেখে ঈদ করার কথা বলেছেন।

ঈদের নতুন চাঁদ দেখে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল-য়ুমনি ওয়াল ইমানি, ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি আমাদের জন্য এই চাঁদ সৌভাগ্য ও ইমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদিত করুন। আল্লাহই আমার ও তোমার রব। (সুনানে তিরমিজি: ৩৪৫১)

চাঁদরাতের ইবাদত

চাঁদরাত তথা ঈদের রাত সাধ্যমতো নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ ইত্যাদির মাধ্যমে কাটানো উচিত। এ রাতের ইবাদতের অনেক ফজিলত।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ঈদুল ফিতরের রাতে (ইবাদতের মাধ্যমে) জাগ্রত থাকবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। (আত তারগিব: ১৬৫৬)

নবীজি (সা.) আরও বলেন, যে দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব পাওয়ার নিয়তে ইবাদত করবে, তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে, যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৭৮২)

ঈদগাহে যাওয়ার প্রস্তুতি

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) ঈদের দিন গোসল করতেন। (সহিহ বুখারি)। নবীজি (সা.) ও তাঁর সাহাবিরা ঈদের দিন তাঁদের সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরিধান করতেন। (ফাতহুল বারি)। তাই ঈদের দিন সাধ্য অনুযায়ী উত্তম পোশাক পরিধান করা সুন্নত।

আনাস (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন সকালে কিছু খেজুর খেতেন। অন্য এক বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি বিজোড়সংখ্যক খেজুর খেতেন। (সহিহ বুখারি)

ওয়াজিব সদকাতুল ফিতর যদি আদায় করা না হয়, তাহলে ঈদগাহে যাওয়ার আগেই তা আদায় করা উচিত। নিজ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পক্ষ থেকে এই সদকা আদায় করতে হয়।

ঈদগাহে যাওয়ার সুন্নত

রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন ঘর থেকে বের হয়ে ঈদগাহে পৌঁছানো পর্যন্ত তাকবির বলতেন। (মুসতাদরাকে হাকেম: ১১০৬)। ঈদগাহে এক রাস্তা দিয়ে যেতেন এবং অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরতেন। (সহিহ বুখারি)। এ ছাড়া তিনি হেঁটে ঈদগাহে যেতেন এবং হেঁটে ঈদগাহ থেকে ফিরতেন। (সুনানে তিরমিজি)

ঈদে শিশুদের সঙ্গ দেওয়া

ঈদের দিন শিশুদের সময় দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা উচিত। ঈদগাহে যাওয়ার সময় শিশুদের সঙ্গে নেওয়া সুন্নত। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার সময় ফজল ইবনে আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, আব্বাস, আলী, জাফর, হাসান, হুসাইন, উসামা ইবনে জায়েদ, জায়েদ ইবনে হারিসা ও আয়মান ইবনে উম্মে আয়মানকে সঙ্গে নিয়ে উচ্চ স্বরে তাকবির পাঠ করতে করতে বের হতেন। (বায়হাকি)

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এমপি বুলবুলের ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ বিতরণ

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ২:৪১ পিএম
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এমপি বুলবুলের ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ বিতরণ

পবিত্র ঈদুল ফিতর-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুলের পক্ষ থেকে আজ শুক্রবার। অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবু গিফারী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল। এসময় তিনি বলেন, ঈদের আনন্দ সকলের মাঝে ভাগাভাগি করে নিতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সাবেক পৌরসভার মেয়র মোঃ নজরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোখলেশুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের পৌর আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট শফিক এনাতুল্লাহ, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি তহরুল ইসলাম সোহেল, পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আবু তালেব এবং পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল খালিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য,প্রধানমন্ত্রীর ত্রাত তহবিল থেকে বরাদ্দকৃত ৭০০ পিছ শাড়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মা-বোনদের মাঝে বিতরণ করেন ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ১০ লক্ষ টাকা ১০০০ জন দুস্থ অসহায় মানুষের ১০০০ টাকা নগদ অর্থ প্রদান করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল। সদর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডের দরিদ্র, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে এই ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এই মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ঈদ আনন্দ ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এমপি মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল।

ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মানবিকতা সরকারি ছুটিতেও থেমে নেই সেবা

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম
ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মানবিকতা সরকারি ছুটিতেও থেমে নেই সেবা

ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মানবিকতা ও

ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের অনন্য দৃষ্টান্ত
ফেনী, ২০ মার্চ ২০২৬:
সরকারি ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে এক মুহূর্তের জন্যও বিরত থাকেননি ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

মানবিক দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ স্থাপন করে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছেন হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি) ডা. মো. আদনান আহমেদ এবং ডা. তপু দত্ত।

দিনব্যাপী তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন, রোগীদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং জটিল কেসগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা (কেস ডিসকাশন) করেন।

পাশাপাশি প্রতিটি রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করেন অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে।
চিকিৎসকদের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ইন্টার্ন ডি.এম.এফ সদস্যরাও।

তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাসপাতালের সেবার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে এবং রোগীরা পান প্রয়োজনীয় যত্ন ও সহানুভূতি।

এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ শুধু চিকিৎসাসেবার মান উন্নত করে না, বরং রোগী ও স্বজনদের মনে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।

সরকারি ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালনের এই মানসিকতা দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী ও মানবিক করে তুলছে।

সংশ্লিষ্ট সকল চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি জানানো হয়েছে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। তাঁদের এই নিরলস প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

সবশেষে, হাসপাতালে ভর্তি সকল রোগীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করা

ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ভূঞাপুরে অসহায়দের পাশে জলিল খান শাড়ি, লুঙ্গি, নগদ অর্থ ও ঈদ সামগ্রী বিতরণে মানবিক উদ্যোগ

খন্দকার আউয়াল ভাসানী টাঙ্গাইল প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ভূঞাপুরে অসহায়দের পাশে জলিল খান  শাড়ি, লুঙ্গি, নগদ অর্থ ও ঈদ সামগ্রী বিতরণে মানবিক উদ্যোগ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে গরিব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জলিল খান।

শুক্রবার (২০ মার্চ) দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শাড়ি, লুঙ্গি, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে বিপুল সংখ্যক অসহায় মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিতরণ অনুষ্ঠানে মোঃ জলিল খান বলেন,

“ঈদ মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দ তখনই পরিপূর্ণ হয় যখন তা সবার মাঝে ভাগাভাগি করা যায়। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সবসময় এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি।”

তিনি আরও বলেন,

“মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রমই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকাই একজন দায়িত্বশীল কর্মীর পরিচয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ভূঞাপুর পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল খান বলেন,

“ঈদ শুধু ধনী-গরিবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সকল মানুষের জন্য আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। সমাজের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। মোঃ জলিল খানের এই মানবিক কার্যক্রম আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।”

তিনি আরও বলেন,

“রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণে কাজ করা। আমরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই, তাহলে সমাজে বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব।”

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভূঞাপুর পৌরসভার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিন্টু তরফদার এবং ভূঞাপুর উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মোছাঃ সেলিনা তরফদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিএনপির নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এলাকাবাসী এ উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

error: Content is protected !!