মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:০০ পিএম | 10 বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়ের শিক্ষকতা, গবেষণা ও একাডেমিক নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্বে আসছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের নাম ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। এটি তার জন্য নতুন দায়িত্ব হলেও এখনও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন পাননি বলে জানান তিনি।
ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (সম্মান) ও এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৩ সালে একই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং ২০০৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্ডিকা ধানের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক গবেষণার ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা এবং অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলে তেলবীজের গুণগত মান উন্নয়ন বিষয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসে ভিজিটিং প্রফেসর ও গবেষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৪ সালে তার উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে বিভাগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফাংশনাল জেনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স ল্যাবরেটরি (FGPL) এবং আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত গ্রিনহাউস। এখানে ডিএনএ সিকোয়েন্সার, আরটি-পিসিআর, জিন পালসারসহ অত্যাধুনিক গবেষণা যন্ত্রপাতি রয়েছে।
২০১৯ থেকে ২০২২ সালের করোনা মহামারির সময় তিনি কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কার্যক্রমে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। তার ৩১ বছরের শিক্ষকতা ও গবেষণা জীবনে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৫১টি। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন।
গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা থেকে ৫০টিরও বেশি গবেষণা অনুদান লাভ করেছেন। এছাড়া তিনি ৩৯ জন এমএস শিক্ষার্থী, সাতজন এম.ফিল গবেষক এবং একজন পোস্টডক্টরাল গবেষকের গবেষণা তত্ত্বাবধান করেছেন।
এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শহিদুল ইসলাম

নানিয়ারচর জোন কর্তৃক ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঈদ উপহার ও আর্থিক অনুদান প্রদান

শহিদুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
নানিয়ারচর জোন কর্তৃক ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঈদ উপহার ও আর্থিক অনুদান প্রদান

রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপ‌জেলায় ১৬ মার্চ ২০২৬, সোমবার নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ ই বেংগল) এর উদ্যোগে জোনের আওতাধীন এলাকার ৪১ মুসলিম পরিবারের মাঝে ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে ঈদ উপহার সামগ্রী, ঈদ পোষাক এবং আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

উক্ত কর্মসূচিতে নানিয়ারচর সেনা জোনের জোন কমান্ডার বিএ-৭৯০০ লেঃ কর্নেল মোঃ মশিউর রহমান, পিএসসি এবং বিএ-৮২২০ মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈম, জোন উপ-অধিনায়ক এর উপস্থিতিতে নানিয়ারচর জোনের আওতাধীন এলাকার ৩০টি মুসলিম পরিবারকে ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঈদ উপহার সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান, ১০ জন গরীব ও অসহায় ব্যক্তিদেরকে ঈদ পোষাক হিসেবে পাঞ্জাবী এবং ০১ জন অসহায় অসুস্থ্য ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

এ সময় জোন কমান্ডার বলেন, নানিয়ারচর জোন কর্তৃক দূর্গম প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী সদস্যগণ যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ঈদ-উল-ফিতর পালন করতে পারেন সে জন্য নানিয়ারচর সেনা জোনের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী, ঈদ পোষাক এবং আর্থিক অনুদান প্রদান করা হলো। এছাড়াও, এলাকার জণসাধারণ যাতে সুষ্ঠুভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারে সে বিষয়ে জোন কর্তৃক সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণ সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগের প্রতি প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সেনাবাহিনী সবসময় দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য যে, অত্র এলাকার মানুষ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ এই সহযোগীতায় অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা নানিয়ারচর জোন কর্তৃক অত্র এলাকার জনসাধারণের কল্যাণের জন্য বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড চলমান রয়েছে।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাঁশখালীতে আগুনে পুড়ে ভাইবোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
বাঁশখালীতে আগুনে পুড়ে ভাইবোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

চট্টগ্রামের বাঁশখালী-সাতকানিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে দুই ভাইবোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লটমনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো জাহেদা আক্তার (১৪) ও আব্দুল মালেক (৩)। তারা লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. হাসান ও হালিমা আক্তারের সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লটমনি এলাকার জেএমবি ব্রিকস নামের একটি ইটভাটার পাশে পরিত্যক্ত একটি বেড়ার ঘরে সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন মো. হাসান ও হালিমা আক্তার। ওই ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন হালিমা আক্তার। আর বাবা মো. হাসান অন্যত্র কাজ করতেন। ঘটনার সময় সন্তানদের ঘরে রেখে মা-বাবা দুজনই বাইরে কাজে ছিলেন।

বিকেলের কোনো এক সময় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ঘরে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো ঘরটি পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে দুই শিশু আগুনে পুড়ে মারা যায়।

বাঁশখালী থানার রামদাশহাট পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক তপন কুমার বাগচী বলেন, নিহত দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, দুর্গম এলাকায় হওয়ায় ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করতে কিছুটা সময় লেগেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রবাসীদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
প্রবাসীদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

গাজী ইয়াছিন ফকির জামে মসজিদে ধর্মীয় পরিবেশে আয়োজন; সমাজের কল্যাণ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত

ফেনী সদর উপজেলার দক্ষিণ মধুয়াই ২ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত গাজী ইয়াছিন ফকির জামে মসজিদে প্রবাসীদের উদ্যোগে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আয়োজিত এই মাহফিলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাস।

এই মাসে দোয়া, ইবাদত এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি প্রবাসীদের এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ওসমান গণী। তাঁর সাবলীল উপস্থাপনায় পুরো অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়।

তিনি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রবাসীরা দেশের বাইরে থেকেও নিজেদের শেকড় ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ ভুলে যাননি। তাদের সহযোগিতায় এ ধরনের আয়োজন সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দোয়া ও ইফতার মাহফিলে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ (সাংবাদিক)।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, রমজানের এই পবিত্র সময়ে সবাইকে মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, তেমনি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তারা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে যাচ্ছেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে মোহাম্মদ বাবর, মোহাম্মদ রাজন, ফখর লিটন এবং রিয়াজ উদিনসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তারা সবাই এই আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ইফতার মাহফিলে মসজিদ এলাকার অসংখ্য মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন। একসঙ্গে ইফতার করার মাধ্যমে সকলের মাঝে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

উপস্থিত সবাই প্রবাসীদের এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে গাজী ইয়াছিন ফকির জামে মসজিদের ইমাম সাহেব দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং প্রবাসীদের সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন।

তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন সবাইকে নেক আমল করার তৌফিক দান করা হয় এবং সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় থাকে।

ধর্মীয় আবহে অনুষ্ঠিত এ দোয়া ও ইফতার মাহফিল এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও প্রবাসীদের সহযোগিতায় এমন মানবিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।

তাদের বিশ্বাস, এ ধরনের আয়োজন সমাজে ঐক্য, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।

error: Content is protected !!