সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

নিউজিল্যান্ড আসছে ১৩ এপ্রিল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৪ পিএম | 15 বার পড়া হয়েছে
নিউজিল্যান্ড আসছে ১৩ এপ্রিল

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ শেষ হয়েছে গত রাতে। রুদ্ধশ্বাস ওয়ানডে জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। পাকিস্তান সিরিজ জয়ের এক মাসের বিরতির পর মাঠে নামবে বাংলাদেশ। আজ সেই সিরিজের সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

এপ্রিল-মে মাসে সাদা বলের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড। বিসিবি আজ সেই সিরিজের সূচি চূড়ান্ত করেছে বিসিবি। ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল তিনটি ওয়ানডে খেলবে দুই দল। যার মধ্যে প্রথম দুই ওয়ানডে হবে মিরপুরে। আর তৃতীয় ওয়ানডে হবে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে।

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ চট্টগ্রামে শুরু হবে ২৭ এপ্রিল। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি এই মাঠেই হবে ২৯ এপ্রিল। শেষ ম্যাচ খেলতে মিরপুরে আসতে হবে দুই দলকে। ২ মে মিরপুর শেরেবাংলায় হবে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি। ওয়ানডে ম্যাচগুলো বেলা ২টায় শুরু হবে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ মাঠে গড়াবে সন্ধ্যা ৬টায়। মিরপুরে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে দিনের আলোয়। এই ম্যাচ বাংলাদেশ সময় বেলা ২টায় শুরু হবে।

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ

ওয়ানডে সিরিজ

তারিখ ম্যাচ ভেন্যু

১৭ এপ্রিল প্রথম ওয়ানডে মিরপুর

২০ এপ্রিল দ্বিতীয় ওয়ানডে মিরপুর

২৩ এপ্রিল তৃতীয় ওয়ানডে চট্টগ্রাম

* বেলা ২টায় শুরু হবে ম্যাচগুলো

টি-টোয়েন্টি সিরিজ

তারিখ ম্যাচ ভেন্যু

২৭ এপ্রিল প্রথম টি-টোয়েন্টি চট্টগ্রাম

২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি চট্টগ্রাম

২ মে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি মিরপুর

* প্রথম দুই ম্যাচ সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বেলা ২টায় শুরু হবে।

 

প্রবাসীদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
প্রবাসীদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

গাজী ইয়াছিন ফকির জামে মসজিদে ধর্মীয় পরিবেশে আয়োজন; সমাজের কল্যাণ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত

ফেনী সদর উপজেলার দক্ষিণ মধুয়াই ২ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত গাজী ইয়াছিন ফকির জামে মসজিদে প্রবাসীদের উদ্যোগে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আয়োজিত এই মাহফিলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাস।

এই মাসে দোয়া, ইবাদত এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি প্রবাসীদের এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ওসমান গণী। তাঁর সাবলীল উপস্থাপনায় পুরো অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়।

তিনি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রবাসীরা দেশের বাইরে থেকেও নিজেদের শেকড় ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ ভুলে যাননি। তাদের সহযোগিতায় এ ধরনের আয়োজন সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দোয়া ও ইফতার মাহফিলে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ (সাংবাদিক)।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, রমজানের এই পবিত্র সময়ে সবাইকে মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, তেমনি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তারা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে যাচ্ছেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে মোহাম্মদ বাবর, মোহাম্মদ রাজন, ফখর লিটন এবং রিয়াজ উদিনসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তারা সবাই এই আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ইফতার মাহফিলে মসজিদ এলাকার অসংখ্য মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন। একসঙ্গে ইফতার করার মাধ্যমে সকলের মাঝে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

উপস্থিত সবাই প্রবাসীদের এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে গাজী ইয়াছিন ফকির জামে মসজিদের ইমাম সাহেব দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং প্রবাসীদের সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন।

তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন সবাইকে নেক আমল করার তৌফিক দান করা হয় এবং সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় থাকে।

ধর্মীয় আবহে অনুষ্ঠিত এ দোয়া ও ইফতার মাহফিল এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও প্রবাসীদের সহযোগিতায় এমন মানবিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।

তাদের বিশ্বাস, এ ধরনের আয়োজন সমাজে ঐক্য, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।

মোঃ সবুজ খান

মির্জাপুরে সাঈদকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আপামর জনসাধারণ দেখতে চায়

মোঃ সবুজ খান প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
মির্জাপুরে সাঈদকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আপামর জনসাধারণ দেখতে চায়

মোঃ শরিফুজ্জামান খান সাঈদ শহীদ জিয়ার দর্শন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের, সৎ, কর্মঠ, মেধাবী, দক্ষ, বিচক্ষণ, নম্র-ভদ্র একজন নিঃস্বার্থ কর্মী। স্কুল জীবন থেকেই তার রাজনীতির হাতেখড়ি।
তিনি শিক্ষার্থী বান্ধব ছাত্র রাজনীতির আদর্শবান কর্মী ছিলেন।
মির্জাপুর কলেজের অগনিত শিক্ষার্থীর বেতন মৌকুফ, কলেজে ভর্তি ও পরিক্ষার ফর্ম পুরনে ছাড়, যাতায়াত, চিকিৎসা ইত্যাদি বিবিধ বিষয়ে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে সর্বসময় থেকেছেন। ছাত্র রাজনীতির সময় সে মির্জাপুর কলেজ ছাত্রদলের সদস্য ও মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্রাবস্থায় শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে তার বড় ভাই বুয়েটের মেধাবী ছাত্রদল কর্মী প্রকৌশলী আসাদুর রহমান খান সাদ এর পরামর্শে দক্ষিণ মির্জাপুরে সর্বপ্রথম কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করে ব্যপকভাবে সমাদৃত হন।
ছাত্র রাজনীতির সাফল্যের জন্যই ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি সবচাইতে কম বয়সে বিপুল ভোটে উয়ার্শী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং সফলতার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে ব্যপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
ছাত্রাবস্থায় পৃত্রিবিয়োগ ও বড় ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অবস্থান করলেও নিজ এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সর্বদাই সম্পৃক্ত ছিলেন।
যার ফলে দুঃসময়ে মির্জাপুর উপজেলা বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও সম্মানিত সদস্যের দ্বায়িত্বও পালন করেন। এছাড়াও উয়ার্শী ইউনিয়ন বিএনপি’র ক্রান্তিকালে পুনরায় ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের (ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক) দ্বিতীয় পালন করেন।
সুদীর্ঘ ফ্যাসিবাদের করাল গ্রাসে সর্বশ্য বিসর্জন দিলেও শহীদ জিয়ার আদর্শ হতে বিন্দু পরিমাণ পিছুপা হননি তিনি। এমনকি তার দুঃসময়ে স্থানীয় বিএনপি নেতৃত্ব তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেও তিনি আদর্শ চ্যুতি হননি। বরং ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র পদধারী সকাল নেতৃত্ব যখন দ্বায়িত্ব পালন করেননি, তখন তাকে স্বেচ্ছায় উয়ার্শী ইউনিয়ন বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের দ্বায়িত্ব কাঁধে নিয়ে, সাধারণ কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। হামলা-মামলা, লাঞ্ছনা-বঞ্চনার স্বীকার হয়েও শত প্রতিকূলতার মাঝেও শেষ পর্যন্ত দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।
ফ্যাসিবাদের পতনের পর ছাত্র জনতার আত্ম-ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ কে আদর্শের পথে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে, সাধারণ জনগণের বিপুল সমর্থনে নবনির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান যে পরিবর্তনের রাজনীতির আহ্বান জানিয়েছেন, তা থেকে মির্জাপুর উপজেলা অনেকাংশে পিছিয়ে।
এ অবস্থা থেকে উত্তরণের মানসেই মির্জাপুর উপজেলার সাধারণ মানুষ ও বিএনপি’র আদর্শবান নেতা-কর্মী-সমর্থকবৃন্দ মোঃ শরিফুজ্জামান খান সাঈদ কে আসন্ন মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় ।
সকলের দোয়া, সমর্থন, ভালোবাসা ও সার্বিক সহযোগিতায় শহীদ জিয়ার আদর্শ, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুঞ্জয়ী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হবে ইনশাআল্লাহ ।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:০০ পিএম
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়ের শিক্ষকতা, গবেষণা ও একাডেমিক নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্বে আসছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের নাম ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। এটি তার জন্য নতুন দায়িত্ব হলেও এখনও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন পাননি বলে জানান তিনি।
ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (সম্মান) ও এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৩ সালে একই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং ২০০৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্ডিকা ধানের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক গবেষণার ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা এবং অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলে তেলবীজের গুণগত মান উন্নয়ন বিষয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসে ভিজিটিং প্রফেসর ও গবেষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৪ সালে তার উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে বিভাগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফাংশনাল জেনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স ল্যাবরেটরি (FGPL) এবং আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত গ্রিনহাউস। এখানে ডিএনএ সিকোয়েন্সার, আরটি-পিসিআর, জিন পালসারসহ অত্যাধুনিক গবেষণা যন্ত্রপাতি রয়েছে।
২০১৯ থেকে ২০২২ সালের করোনা মহামারির সময় তিনি কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কার্যক্রমে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। তার ৩১ বছরের শিক্ষকতা ও গবেষণা জীবনে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৫১টি। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন।
গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা থেকে ৫০টিরও বেশি গবেষণা অনুদান লাভ করেছেন। এছাড়া তিনি ৩৯ জন এমএস শিক্ষার্থী, সাতজন এম.ফিল গবেষক এবং একজন পোস্টডক্টরাল গবেষকের গবেষণা তত্ত্বাবধান করেছেন।
এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

error: Content is protected !!