শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

‎রবি, ডাকুয়া, বাগেরহাট

‎মোংলায় ঈদে নৌ-যাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্টগার্ডের বিশেষ টহল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম | 39 বার পড়া হয়েছে
‎মোংলায় ঈদে নৌ-যাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্টগার্ডের বিশেষ টহল

পবিত্র ঈদু-উল-ফিতরকে ঘিরে উপকূলের নৌপথের যাত্রায় দুষ্কৃতকারীরা যেন কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে, সে জন্য বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড টহল জোরদার করেছে।

‎শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১১টায় মোংলা খেয়া পারাপার ঘাটে সন্দেহজনক ব্যক্তি ও নৌযান সমূহে তল্লাশি শেষে বিসিজিএন মনসুর আলীর ইলেক্ট্রিক্যাল অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এ এস এম ফাহাদুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

‎তিনি বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন খুলনার রূপসা, কয়রা, নলিয়ান, বাগেরহাটের মোংলা, শরণখোলা, এবং সাতক্ষীরা জেলার কৈখালীর গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চ, খেয়া, ফেরিঘাট সমূহে জননিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ টহল, জনসচেতনতামূলক মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও নৌযান সমূহে তল্লাশি এবং যাত্রীদের ব্যাগ স্ক্যানসহ অন্যান্য নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
‎দুষ্কৃতকারীরা যেন কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করতে না পারে তার জন্য সদা তৎপর রয়েছে কোস্ট গার্ডের প্রতিটি সদস্য। যার মাধ্যমে যাত্রীদের নৌ যাত্রা নিরাপদ থাকবে বলে আশা করা যায়।

‎কোস্টগার্ডের এ কার্যক্রম দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত আছে এবং ঈদ উল-ফিতর পরবর্তী যাত্রীসাধারণের নৌযাত্রা নিরাপদ রাখতে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান কোস্টগার্ডের এ কর্মকর্তা।

হাফিজুর রহমান (মধুপুর) টাঙ্গাইল

মধুপুরে এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানের মাঝে খেজুর বিতরণ

হাফিজুর রহমান (মধুপুর) টাঙ্গাইল প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৬ পিএম
মধুপুরে এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানের মাঝে খেজুর বিতরণ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে সৌদি সরকারের উপহার হিসেবে আসা খেজুর উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে মধুপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সৌদি আরব থেকে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ২৫ কার্টুন (প্রায় ২০০ কেজি) খেজুর উপজেলা প্রশাসনের কাছে পৌঁছায়। সীমিত পরিমাণ এই উপহার উপজেলার ৩১টি নিবন্ধিত এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর মাঝে বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খেজুর বিতরণ শেষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২১ জন দুস্থ ব্যক্তির মাঝে যাকাতের নগদ অর্থও বিতরণ করা হয়।

মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুবায়ের হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্টদের হাতে খেজুর ও যাকাতের অর্থ তুলে দেন।

বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীব আল রানা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোস্তফা হোসাইন, উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনির এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মধুপুর উপজেলা ফিল্ড সুপারভাইজার আব্দুল আলিম।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে মধুপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাজমুছ সাদাৎ নোমান, সহ-সভাপতি মো. আ. হামিদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পবিত্র রমজান মাসের আগে এই উপহার পেয়ে এতিমখানা ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আবু জাফর, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় ডিসি চলে যেতেই থেমে গেল অভিযান

আবু জাফর, সাতক্ষীরা প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৩ পিএম
সাতক্ষীরায় ডিসি চলে যেতেই থেমে গেল অভিযান

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরুর ঘোষণা থাকলেও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে অভিযান শুরু হলেও তিনি চলে যাওয়ার পরপরই কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এদিকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা নোংরা পানি ও অপরিষ্কার ড্রেনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ডেঙ্গু আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি র‍্যালি বের হয়ে সদর হাসপাতালের দিকে যায়। পরে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আঙিনা ও ড্রেন পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু হয়।
এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মইনুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত এবং বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ শাহীনসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সভা আয়োজনেরও কথা ছিল। পাশাপাশি দিনব্যাপী শহরজুড়ে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।
তবে বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকসহ অতিথিরা সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার পরই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।
সরেজমিনে দেখা যায়, অভিযানে অংশ নেওয়া অনেকেই মূলত ছবি তোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। হাসপাতালের বিভিন্ন ড্রেনে জমে থাকা ময়লা পানি পরিষ্কারের কার্যকর উদ্যোগও তেমন দেখা যায়নি।
হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের বিভিন্ন ড্রেন ও আশপাশে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবিস্তার হচ্ছে। এ অবস্থায় সাময়িক কর্মসূচির বদলে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জরুরি বলে মনে করছেন তারা।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতি শনিবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকবে।

ভাঙ্গুড়ায় আগুনে পুড়া ৪ পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

মোঃ আব্দুল আজিজ, ব্যবস্থাপনার সম্পাদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:০০ পিএম
ভাঙ্গুড়ায় আগুনে পুড়া ৪ পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে চারটি অসহায় পরিবার সর্বস্ব হারিয়েছে। ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও খাদ্যশস্য পুড়ে যাওয়ায় তারা চরম দুর্দশায় পড়েছেন। খবর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার অষ্টমনীষা ইউনিয়নের সিংগাড়ি গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে একটি বসতঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের ঘরবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে চারটি পরিবারের বসতঘর, আসবাবপত্র, ধান, চাল, সরিষা ও নগদ অর্থ পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো, মৃত খইমুদ্দিন সরকারের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম, মৃত খইমুদ্দিনের স্ত্রী সবুরা খাতুন, মৃত আজগার আলী মন্ডলের স্ত্রী শাহিদা খাতুন এবং মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

শুকনো খাবার বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, অষ্টমনিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান জাহান বকুল, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন যুব ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মোঃ ওয়ারেছ আলীসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে উপজেলা প্রশাসন রয়েছে এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!