শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ঠ জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম | 38 বার পড়া হয়েছে
উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ঠ জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর

উখিয়া উপজেলা রাজাপালং ইউনিয়নের

চারবারের নির্বাচিত সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহকামাল চৌধুরী জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর। ১৯৫৬ সালে রাজাপালং ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে জন্ম এই ক্ষণজন্মা সাহসী মানবিক ন্যায়বিচারকের। পিতা প্রয়াত আবুল কাশেম চৌধুরী রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন পিতার মৃত্যুপর তারই আপন সহোদর উখিয়া টেকনাফের রাজনৈতিক ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি ৫ বারে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী
রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তী শাহজাহান চৌধুরী জাতীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে যায় উখিয়া টেকনাফ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
বড় ভাইয়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতি ও সমাজ সেবায় যুক্ত হন শাহকামাল চৌধুরী। ১৯৯০ ইংরেজিতে
বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি প্রথমবারে মতো রাজাপালং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এর পর থেকে আর থেমে থাকেনি রাজাপালং এর রাজপুত্র শাহকামাল চৌধুরী
মানুষের প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে গিয়ে
একে,একে ৪ বার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।
১৯৯০,১৯৯৪,১৯৯৯,২০০৪ একটানা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উখিয়া উপজেলা জেলা তথা কক্সবাজার জেলায় চমক লাগিয়ে দেন এই ক্ষণজন্মা মানবসেবক শিক্ষাবিদ শাহকামাল চৌধুরী। তিনি একাধারে ৩/৪ বার উখিয়া উপজেলা বি এন পির নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন জাতীয়তাবাদীর রাজনৈতিক অঙ্গনের তার ভূমিকা ছিলো অগ্রগণ্য ও দৃষ্টিনন্দন।
মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা ছিলো তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
তার শাসন আমলে ছিলোনা রাজাপালং ইউনিয়নের দুর্নীতির লেশমাত্র অবিসংবাদিত এই জননেতা
নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে দলের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আপোষহীন এই নেতার ভুমিকা ছিলো অগ্রগণ্য ও চোখে পড়ার মতো
রাজনৈতিক আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে রাজপথে হাজার জনতার মিছিলে সামনের সারিতে থাকতেন বিদ্যুৎসাহী এই নেতা।
একদিন স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে হাজার জনতার কাতারে মিছিলে অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে গিয়ে স্বৈরশাসকের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীর কিরিচের আঘাতে প্রায় দ্বিখন্ডিত হয়ে গিয়েছিল শাহকামাল চৌধুরী সাবলীল হাত!
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে লড়তে তিনি আল্লাহ অশেষ মহিমায় বেঁচে যান তার মতো দলের জন্য এতোবড় ত্যাগ উখিয়াতে উচ্চপদস্থ আর কোন বিএনপি নেতার আছে বলে আমার জানানেই।
নিজের কর্মদক্ষতায় তিনি নিজে ছাড়িয়ে গেছেন উখিয়ার সমাজসেবা অঙ্গনে শ্রেষ্ঠ হয়ে ওঠেন দ্রুত সময়ের মধ্যে । ১৯৯৩ সালে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। সরকার পুরুষ্কার হিসেবে স্বর্ণপদক প্রদান করেন শাহকামাল চৌধুরীকে। তারই সুবাদে রাষ্ট্রীয় খরচে তিনি হংকং, ফিলিপাইন, ব্যাংকক সফর করেন।
২০০৪ সালে সমাজ সেবায় উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য
“সমাজ সেবা ফেডারেশন ” কতৃক “মাদার তেরেসা “পুরুষ্কারে ভূষিত হন।
এই ছাড়াও তিনি সঠিক ভাবে জন্ম নিবন্ধ প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে পারায় কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
বহুগুণে গুনান্বিত এই সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ তার একান্ত প্রচেষ্টায় ১৯৯৩ সালে আবুল কাশেম নুরজাহান চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন
যেটি আজ উখিয়া উপজেলার গন্ডি পেরিয়ে সারা বাংলাদেশে পরিচিত অর্জন করেছে বিভিন্ন ক্ষেত্র।
এছাড়াও তিনি রাজাপালং ইউনিয়নের হরিমারায় ” মোহসিন আলী রেজিস্ট্রার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ল ও প্রতিষ্ঠা করেন।
জীবন অন্তিম মুহূর্তে এই ক্ষণজন্মা সাহসী ও মানবিক চেয়ারম্যান বর্তমানে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন ইচ্ছে আর ছুটে যেতে পারেনা মানবসেবায় তাই তিনি পরিচিতজন দেখলে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে থাকেন আর আফসোস করেন আল্লাহ তুমি আমাকে এমন কেন করেদিলে আমাকে আবার সুস্থ করে দাও মানুষকে আরও একবার সেবা করার সুযোগ দাও এই শব্দ গুলো মনে মনে বলতে বলতে চোখের পানিতে বুকভিজেয়ে পেলেন।
এই বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মানুষ শাহকামাল চৌধুরীর যথাযথ মুল্যায়ন করা এখন লক্ষপ্রাণের দাবি। রাষ্ট্রীয় কত বড় বড় দিবস পালন করা হয় হৈচৈ করে অথচ এই ক্ষণজন্মা মানবসেকদের একটু সম্মান দেওয়ার জন্য কেউ ডাকেনা। এটা কি অবহেলা নাকি প্রশাসনের ইচ্ছেকৃত গাফিলতি নাকি অদূরদর্শীতা দুর্দান্ত পরিচয়
একজন জাতীর বিবেক হিসেবে প্রশ্ন রেখে গেলাম।

উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ট জনসেবকের এক দৃষ্টান্তর

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৭ পিএম
উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ট জনসেবকের এক দৃষ্টান্তর

দেশীয় টুপি ও নতুন নোটে বাড়তি আগ্রহ

চট্টগ্রামে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৪ পিএম
চট্টগ্রামে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

পবিত্র রমজান শেষের পথেই, আনন্দঘন ঈদের বাকি আর মাত্র কয়টা দিন। ঈদ মানেই আনন্দ-ঈদ মানেই নতুন পোশাক, নতুন জুতো আর আর আতর সেন্টের সৌরভ। নাগরিকদের যারযার সাধ্য অনুযায়ী ঈদের নতুন মার্কেটিং চাই-ই চাই। বানিজ্যিক রাজধানী বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কেনাকাটায় জমে উঠেছে নগরীর বাজারগুলো। অভিজাত শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান—সবখানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। যার যার সামর্থ্য ও পছন্দ অনুযায়ী নতুন জামা, জুতা, প্রসাধনী ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে ঈদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন নগরবাসী। দিনের ১০ টা থেকে রাত অবধি চলছে বিকিকিনি। বিশেষ করে বিকাল থেকে শেষ রাত পর্যন্ত জমজমাট চলছে বেচাকেনা।
নগরের নিউ মার্কেট, আন্দরকিল্লা, চকবাজার, জিইসি মোড়, লালখান বাজার, বহদ্দারহাট, সানমার সিটি, ষোলশহর, আগ্রাবাদ ও সিইপিজেড এলাকায় ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের উৎসব বোনাস পাওয়ায় কেনাকাটার চাপ আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
নগরের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার রিয়াজউদ্দিন বাজারে রয়েছে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি পাইকারি দোকান। এখান থেকে চট্টগ্রাম ছাড়াও আশপাশের জেলার খুচরা ব্যবসায়ীরা পণ্য সংগ্রহ করেন। এছাড়া টেরিবাজারেও ভারত, পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত শাড়ি, লেহেঙ্গা, গাউন ও কসমেটিকসহ নানা পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নান বলেন, “ঈদকে সামনে রেখে প্রতিটি ব্যবসায়ী বিশেষ প্রস্তুতি নেন। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল, তবুও গত বছরের তুলনায় এবার বাজারে ক্রেতা উপস্থিতি ভালো।”
এবারের ঈদ বাজারে পাকিস্তান, তাইওয়ান ও থাইল্যান্ডের তৈরি পোশাক, মেয়েদের থ্রি-পিস, জুতা, প্রসাধনী ও শিশুদের ফ্যাশন সামগ্রীর চাহিদা বেশি। ভারতীয় পোশাকের দাম ৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় সিল্ক, কাতান, টাঙ্গাইল ও কাঞ্জিলাল শাড়ি ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
এদিকে অতিরিক্ত ক্রেতা চাপের কারণে নিউ মার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার, জুবিলী রোড, স্টেশন রোড, আন্দরকিল্লা, চকবাজার, ষোলশহর, নাসিরাবাদ, আগ্রাবাদ, দেওয়ানহাট ও বহদ্দারহাট এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। উৎসব মৌসুমে নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। নিউমার্কেট, রেয়াজউদ্দিন বাজার, টেরিবাজার, লালখান বাজার, কহিনুর সিটি, সানমার সিটি, জিইসি, বহদ্দার হাট, চকবাজার, আগ্রাবাদ আক্তারুজ্জামান সেন্টার, সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট, লাকী প্লাজায় গিয়ে ক্রেতার ভীড়ে ত্রাহি অবস্থা, সব জায়গায় প্রশাসনের কড়া নজরদারী চোখে পড়েছে। এসব এলাকার ফুটপাতেও ক্রেতার প্রচুর ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।

ঈদের মার্কেটে চোর সিন্ডিকেট, চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তারঃ

ঈদের বাজারকে কেন্দ্র করে চুরির ঘটনাও বাড়ছে। ঈদের বাজারকে কেন্দ্র করে নারী পুরুষের সমন্বয়ে কয়েকটি চোর সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিভিন্ন কৌশলে ক্রেতা সেজে ঈদের মার্কেটগুলোতে হানা দিয়ে চুরি করছে ঈদের জামাকাপড় সহ বিভিন্ন পণ্য। এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানা পুলিশ অভিযানে পেশাদার চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন—সিয়ান্দর ওরফে মো. আরিফ হোসেন (৩০) এবং মো. রুবেল (৩৫)। তারা উভয়েই কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা হলেও খাতুনগঞ্জের লোহারপুল সংলগ্ন সোনা মিয়া মার্কেটের একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়ার সার্বিক নির্দেশনায় কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে শুক্রবার (১২ মার্চ) রাত ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে খাতুনগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন রঙের ১২টি থ্রি-পিস, তিনটি লেহেঙ্গা এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত কাটার, লোহার কাঁচি, স্ক্রু-ড্রাইভার ও একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত পোশাকের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪২ হাজার টাকা।
গ্রেপ্তার আরিফের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী ও বাকলিয়া থানায় মাদক ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। রুবেলের বিরুদ্ধেও কোতোয়ালী থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

দেশীয় হাতেবোনা টুপির কদর বেশি এবারঃ

ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে নগরের আতর ও টুপির দোকানগুলোতেও জমে উঠেছে বেচাকেনা। সুগন্ধি আতর এবং নান্দনিক নকশার টুপি যেন ঈদের প্রস্তুতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ মার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার ও চকবাজার এলাকায় আতর-টুপি কেনার জন্য ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে ২০ রমজানের পর থেকে এসব পণ্যের বিক্রি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দোকান ঘুরে দেখা গেছে, শতাধিক ডিজাইনের দেশি-বিদেশি টুপি পাওয়া যাচ্ছে। তবে এবার দেশীয় তৈরি হাতেবোনা টুপির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এসব টুপির দাম ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে।
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ, হাটহাজারী, বগুড়া, ময়মনসিংহ ও বরিশাল অঞ্চল থেকে এসব হাতেবোনা টুপি আসে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এগুলো বিদেশেও রপ্তানি করা হয়।
এছাড়া বাজারে পাকিস্তানি, মালয়েশিয়ান, আফগানি, কাশ্মীরি ও তার্কিশ টুপি পাওয়া যাচ্ছে। তার্কিশ টুপি বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকায়, চায়না টুপি ২০০-৪০০ টাকায় এবং কাশ্মীরি টুপি ৬০০ থেকে ১৪০০ টাকায়।
চকবাজারের গুলজার টাওয়ারের আয়াত স্টোরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন,
“এবার হাতেবোনা দেশীয় টুপির চাহিদা বেশ বেড়েছে। ডিজাইন ও মান ভালো হওয়ায় ক্রেতারা এগুলো বেশি কিনছেন।”
এদিকে অনেকেই ঈদের নামাজের জন্য জুব্বা কিনছেন। জুব্বার সঙ্গে পরার জন্য হাজী রুমালও বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। সৌদি আরব থেকে আসা একই ধরনের রুমালের দাম ১৪০০ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত।

আতরের দোকানে বাড়ছে ক্রেতাঃ

এদিকে আতরের দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন নামিদামি ব্রান্ডের আতর। স্প্রে করা যায় এমন আতরও কিনছেন তরুণরা। কাবার গিলাপে ব্যবহার করে এমন আতরের কদর এবার বেশি বলে জানা গেছে। এছাড়া বিক্রির তালিকায় আছে বাংলাদেশের সিলেট থেকে আসা অর্গানিক অয়েল বা আতর। যেটা সিলেটি উদ নামেও পরিচিত। পাশাপাশি ভারতের আজমল ব্রান্ড এবং আল হারমাইন ব্রান্ডের আতর। সুরাতি, আমীর আল উদ, এসআচ আল আরাবিয়া, দালাল, সুলতান, মাস্কাল কাবা, নাফা কাস্তুরী, সুইটস মাসকাল তাহারা, উদ, আবদুস সামাদ কোরাইশী, শাফাঘ উদ, জান্নাতুল ফেরদৌস, আমির আল কুয়াদিরাজা’সহ বিভিন্ন নামের আতর বিক্রি হচ্ছে। মান ও ব্র্যান্ড অনুযায়ী এসব আতরের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্পোরেট, সফট মিষ্টি এবং আকর্ষণীয় ঘ্রাণের আতর আছে। আছে অর্গানিক কালেকশনও।
আতরে অভিজ্ঞ কয়েকজন বিজ্ঞ আলেমদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,- ভাল আতর সাধারণত মস্ক, উড, অ্যাম্বার টাইপ আতর সবচেয়ে বেশি সময় স্থায়ী হয়। মস্ক, উডি মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে

ফুটপাতে নতুন টাকার জমজমাট বাজারঃ

ঈদকে সামনে রেখে নতুন টাকার চাহিদা বাড়লেও এবার ব্যাংকে নতুন নোট সরবরাহ না থাকায় নগরের বিভিন্ন ফুটপাতে গড়ে উঠেছে নতুন টাকার অস্থায়ী বাজার।
নিউ মার্কেট মোড়ে জাকির হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী ৫, ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নতুন নোট বিক্রি করছেন। অতিরিক্ত টাকা দিলেই ক্রেতারা নতুন নোট সংগ্রহ করতে পারছেন।
তিনি জানান, ১০ টাকার নোটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ১০ টাকার এক হাজার টাকার বান্ডিল কখনো কখনো দেড় হাজার টাকায়ও বিক্রি হয়।
ঈদের সময় জাকাত, সালামি ও উপহার দেওয়ার জন্য অনেকেই নতুন নোট কিনে থাকেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের কাছে কড়কড়ে নতুন নোটের আলাদা আকর্ষণ রয়েছে।
নিউ মার্কেট ছাড়াও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশপাশ, সিডিএ ভবনের সামনে, আগ্রাবাদ সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটের সামনে এবং কোর্ট হিল এলাকায়ও নতুন টাকার এমন অস্থায়ী দোকান দেখা যাচ্ছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই এই ব্যবসা জমে উঠছে।
এক নারী বিক্রেতা জানান, খুব সকালে লাইনে দাঁড়িয়ে তিনটি বান্ডিল নতুন নোট সংগ্রহ করে তিনি প্রায় ৩০০-৩৫০ টাকা লাভ করেছেন। ভারী কাজ করতে না পারায় এভাবেই জীবিকা চালাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে লিখেছেন, ফুটপাতে নতুন টাকার বাজার বাংলাদেশের একটি ব্যতিক্রমী সামাজিক ঐতিহ্য। ঈদের আগে এই দৃশ্য নগরের উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

পীরগঞ্জে আকস্মিক বৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট

মো. আরফান আলী প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:১০ পিএম
পীরগঞ্জে আকস্মিক বৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট

ঠাকূরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় ১২ ও ১৩ মার্চ রাত্রে টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে কৃষকের স্বপ্ন ভেসে গেছে পানিতে। মাঠজুড়ে সবুজ ফসল এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষকের পরিশ্রম ও আশা মুহূর্তেই ক্ষতির মুখে পড়েছে। ভারাক্রান্ত কৃষক কোন কূল কিনারা না পেয়ে হতাশ, জীবন ধারণের সম্বল টুকু হারিয়ে নিঃস্ব ক্ষুদ্র কৃষকগণ। তিমটি ফসল গম, ভূট্রা আলু বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
প্রাকৃতিক এই দূর্যোগে কৃষকের ক্ষতি অপূরণীয় হলেও সবাই আশা করছেন দ্রুত পানি নেমে যাবে এবং আবার নোতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে কৃষকের জীবন ও কৃষি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে কোন দূর্যোগ পূর্বাভাস প্রদান করা হয় নি। পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা প্রণয়ন করে প্রণোদনা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন নির্বাহী পরিচালক কবি ও সাংবাদিক জানান, সরকার চাইলে প্রাকৃতিক দূর্যোগের জন্য কৃষি বীমা চালু করেলে কিছুটা ক্ষুদ্র কৃষকের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে।

error: Content is protected !!