শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

‎মোঃ কুতুব উদ্দিন

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম | 7 বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক?

‎আজ ১৩ মার্চ শুক্রবার গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির উদ্যোগে “যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক?” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারটি সকাল ১০.৩০ মিনিটে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে (পল্টন টাওয়ার, বিজয়নগর, ঢাকা) অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ড. গোলাম রসুল, আলোচনা করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা, ড. মাহা মীর্জা, সভাপ্রধান হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

‎সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় ড. গোলাম রসুল বলেন, “এই বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে বাংলাদেশের উপর অনেকগুলো জনস্বার্থ বিরোধী শর্ত চাপিয়ে দিয়েছে। এতে দেশের কৃষি-শিল্প খাত ঝুঁকিতে পড়বে, খাদ্যমূল্য বাড়বে। এই অসমম চুক্তির ফলে বাংলাদেশকে বিপুল অর্থের সামরিক অস্ত্র  সামরিক অস্ত্র কিনতে হবে। অর্থাৎ এটি শুধু অর্থনৈতিক চাপই বাড়াবে না, ভূরাজনৈতিকভাবেও বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে চুক্তি করার সক্ষমতাও হারাবে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্যে হুমকি।”

‎ড. মাহা মীর্জা বলেন, “এই চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যকে বাংলাদেশের বাজারে শুল্ক ছাড় দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বাংলাদেশের কৃষি ও শিল্প খাতগুলোর সক্ষমতা কম। তাই পোল্ট্রি, ডেইরি, ঔষধসহ দেশের সম্ভবনাময় কৃষি ও শিল্প খাতকে অসম প্রতিযোগিতায় পড়তে হবে। এতে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

‎সেমিনারে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “অন্তবর্তীকালীন সরকার এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে এই বাণিজ্য চুক্তি করেছে। এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগেই বর্তমান সরকার অন্য দেশের সাথে চুক্তি করার আগে নতজানু হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চাচ্ছে, এটা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্যে হুমকি। সংসদে এই জনস্বার্থ বিরোধী চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।”

‎অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা বলেন, “সারাবিশ্বে চলমান যুদ্ধ উন্মাদনারই অংশ বাণিজ্য যুদ্ধ, শুল্ক যুদ্ধ। ট্রাম্পসহ যুদ্ধোন্মাদনায় উন্মত্ত নেতাদের তৈরি নীতি, চুক্তির ফলে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের অসংখ্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে।”

‎অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ উল্লেখ করেন “সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে স্পষ্ট করতে হবে তারা এই চুক্তির সাথে ছিল না। তারা দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে হলে অবশ্যই এই চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে হবে। চুক্তির সাথে যুক্তদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সত্যিকার অর্থে ধারণ করতে হলে সবার আগে দেশের জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে, জনস্বার্থ বিবেচনা না করে চুক্তি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তা নাহলে এই স্লোগান অর্থহীন হবে বলে জানান।

ঈদের সিনেমায় সাবিনার কালজয়ী গান, হলো নতুন করে রেকর্ড

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১০:০১ পিএম
ঈদের সিনেমায় সাবিনার কালজয়ী গান, হলো নতুন করে রেকর্ড

দীর্ঘ ৪৪ বছর পর আবারও নিজের গাওয়া কালজয়ী গান ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ নতুন করে গাইলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। আসন্ন ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘দম’ সিনেমার জন্য নতুন সংগীতায়োজনে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ১৯৮২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মানসী’ সিনেমার এই তুমুল জনপ্রিয় গানটি এবার নতুন আবহে দর্শকদের সামনে আসতে চলেছে।
চরকির দেওয়া তথ্যমতে, গত বুধবার গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ও আনোয়ার পারভেজের সুরে মূল গানটির কাঠামোর সঙ্গে নতুন সংস্করণে যুক্ত হয়েছে তন্ময় পারভেজের লেখা কিছু নতুন কথা।
আরাফাত মহসীন নিধির সংগীত পরিচালনায় এই গানে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে সহশিল্পী হিসেবে কণ্ঠ দিয়েছেন মোমিন বিশ্বাস। নতুন করে গানটি গাওয়া প্রসঙ্গে সাবিনা ইয়াসমিন লেন, নতুন এই গানটা আমার ভালো লেগেছে বলেই কাজটা করছি। তাছাড়া নতুনদের সঙ্গে কাজ করতে আমার খুব ভালো লাগে।
সিনেমায় গানটি ব্যবহারের প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মাতা রেদওয়ান রনি জানান, ‘দম’ মূলত সাধারণ মানুষের জ্বলে ওঠার এবং আবেগঘন গল্পের একটি সিনেমা। এমন একটি গল্পে সব রকম অনুভূতিকে স্পর্শ করতেই এই গানটি বেছে নেওয়া হয়েছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি জাতির ভালোবাসা, স্মৃতি এবং আনন্দ–বেদনা।
তিনি আরও জানান, প্রয়াত গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সন্তান সরফরাজ আনোয়ার উপল এবং দিঠি আনোয়ার অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গেই সিনেমাটিতে গানটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন এবং রেকর্ডিংয়ের সময় তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এসভিএফ, আলফা-আই এবং চরকির যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘দম’ সিনেমায় মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, পূজা চেরি ও চঞ্চল চৌধুরী।

হানিমুনের মাঝে প্রাক্তনকে নিয়ে ইস্যু

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
হানিমুনের মাঝে প্রাক্তনকে নিয়ে ইস্যু

দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে বিয়ের পর বর্তমানে হানিমুনে রয়েছেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। তবে এই আনন্দের সময়ের মাঝেই পুরনো এক বিতর্ক নিয়ে চরম বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ এই তারকা। সামাজিক মাধ্যমে তার একটি ব্যক্তিগত অডিও ক্লিপ ফাঁস হওয়ার পর এবার আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সামাজিক মাধ্যমে এক দীর্ঘ পোস্টে রাশমিকা তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জানান, বিগত আট বছর ধরে একটি বিশেষ মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি পুরোনো এক কথোপকথনের অডিও ক্লিপ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়েই তৈরি হয়েছে সেই বিতর্ক। ওই ক্লিপটিতে রাশমিকার সাবেক বাগদত্তা রক্ষিত শেঠির সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ ও তৎকালীন নানা জটিলতা নিয়ে আলোচনা করতে শোনা যায়।
রাশমিকা তার পোস্টে লেখেন, বিগত আট বছর ধরে আমাকে নিয়ে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এমনকি আমার মন্তব্য বিকৃত করে প্রচার করা হচ্ছে। আমি এতদিন ধৈর্য ধরে চুপ ছিলাম কারণ পাবলিক ফিগার হিসেবে সমালোচনা মেনে নিতে হয়। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় যা ঘটেছে, তা আর উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। প্রায় আট বছর আগের একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন আমার সম্মতি ছাড়াই রেকর্ড করা হয়েছিল, যা এখন উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভাইরাল করা হচ্ছে।
এই ঘটনাকে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন এবং পরিবারের জন্য অস্বস্তিকর উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, যারা এই অডিও ক্লিপটি ছড়াচ্ছেন তারা দ্রুত এটি বন্ধ না করলে তিনি মানহানির মামলা করতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ‘কিরিক পার্টি’ সিনেমার সেটে অভিনেতা ও পরিচালক রক্ষিত শেঠির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান রাশমিকা। ২০১৭ সালে তাদের বাগদান সম্পন্ন হলেও এক বছরের মাথায় সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। পরবর্তী সময়ে বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ও প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়, যা সম্প্রতি বিয়ের মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছে। বৃহস্পতিবারই এই নবদম্পতি তাদের মধুচন্দ্রিমা শেষ করে নিজ দেশে ফিরেছেন বলে জানা গেছে।

রাশিয়ান মডেল মনিকা

আমিও বাংলাদেশকে কষ্ট দেব

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৮ পিএম
আমিও বাংলাদেশকে কষ্ট দেব

সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকদিন ধরে আলোচিত ও সমালোচিত নাম মনিকা কবির। নানা বিতর্কে জড়িয়ে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে এক বৃদ্ধ পথচারীকে মারধরের ঘটনার পর এবার দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি চরম ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন এই রুশ বংশোদ্ভূত মডেল।
ওই ঘটনার জেরে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে যেমন লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তেমনি তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
সম্প্রতি এক মুঠোবার্তায় নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে মনিকা কবির বলেন, আপনারা মেয়েদের ওপর পানি ফেলেন দেশে! এখানে কোনো ফরেনার মেয়ে আসবে না আমি চলে গেলে, আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি। আমি বাংলাদেশকে অনেক অনেক… বাংলাদেশ আমাকে কষ্ট দিলে আমিও দিব বাংলাদেশকে কষ্ট। এভাবে চলবে না, আমি আপনাদের দেশের জন্য অনেক কিছু করেছি। আমি আপনাদের দেশের কালচারকে আমার দেশে রিপ্রেজেন্ট করেছি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে গুলশান-২ এলাকায় টিকটক ভিডিও ধারণের সময় এক বৃদ্ধ পথচারীর ব্যাগের কোনা মনিকার গায়ে লাগলে তিনি মেজাজ হারান। অভিযোগ ওঠে, তিনি ওই বৃদ্ধকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তার ব্যাগ ছুড়ে মেরে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।
এই ঘটনার ভিডিও নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এরপর তা ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এর প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মনিকা কবিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সাজ্জাদ আল ইসলাম। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আসামিকে হাজির হতে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
রাশিয়ায় জন্ম নেওয়া এবং মস্কোতে বেড়ে ওঠা এই মডেলের প্রকৃত নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা, যাকে তার পরিবার ‘মনিশকা’ নামে ডাকে। তার মা রুশ নাগরিক ম্যারিয়া গোজেন এবং বাবা একজন ভারতীয় চামড়া ব্যবসায়ী। বাবার ব্যবসার সূত্রে ২০১২ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসা মনিকার খোলামেলা পোশাক ও যত্রতত্র চলাফেরা নিয়ে আগে থেকেই নেটিজেনদের মাঝে নানা বিতর্ক ছিল, যা সাম্প্রতিক এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর নতুন মাত্রা পেয়েছে।

error: Content is protected !!