রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট

‎জ্বালানি সংকটে মোংলা বন্দরে লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস ব্যাহত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৮ পিএম | 6 বার পড়া হয়েছে
‎জ্বালানি সংকটে মোংলা বন্দরে লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস ব্যাহত

মোংলা বন্দরে বানিজ্যিক জাহাজে জ্বালানি সংকটের কারণে পণ্য খালাস করে আনলোড করতে পারছে না অধিকাংশ লাইটার জাহাজে। পর্যাপ্ত জ্বালানী তেল সরবরাহ না পাওয়ায় তাদের ভোগান্তি চরমে।

‎যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে তেল-গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশের বাজারে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে বলে দাবি করছে কেউ কেউ। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে জ্বালানি সংকটের কারণে বড় জাহাজ অর্থাৎ মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস করতে পারছে না অধিকাংশ লাইটার জাহাজ। তেলের সংকট স্বাভাবিক না হলে বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা। এর প্রভাব পড়তে পারে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ও অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য সরবরাহের কাজে। এ অবস্থা চলতে থাকলে বন্দরের কাজে অচলাবস্থা সৃষ্টি হবে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তারা। আবার রফতানি পণ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত বেসরকারি ডিপোতেও এই প্রভাব পড়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন ডিপো পরিচালনাকারীরা।

‎মোংলা বন্দরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোংলা বন্দরের বহির্নোঙরে বিদেশ থেকে আসা বড় জাহাজগুলো ড্রাফটের কারণে জেটিতে কিংবা পশুর চ্যানেলে ভিড়তে পারে না। লাইটার জাহাজের মাধ্যমে বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে তা জেটি ও দেশের বিভিন্ন নদী বন্দরে পাঠানো হয়। বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন করা প্রায় এক হাজার লাইটার জাহাজের ওপর নির্ভরশীল দেশের পণ্য পরিবহন নেটওয়ার্ক।

‎সম্প্রতি জ্বালানি সংকটে বিপাকে পড়েছে এসব লাইটার জাহাজ। তেল বিপণন কোম্পানিগুলো রেশনিং করার ফলে অনেক জাহাজ প্রয়োজনীয় তেল না পেয়ে অচল হয়ে পড়েছে। লাইটার জাহাজ মালিকের অভিযোগ, ডিপেগুলো আগের মতো ডিজেল না দেওয়ায় তেলের সংকটে অলস বসে আছে জাহাজগুলো।

‎মোংলা বন্দরের লাইটার জাহাজের মালিকরা বলেন, ‘বন্দরের ফেয়ারওয়ে এলাকায় অবস্থানরত বিদেশি জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের জন্য আমার লাইটার জাহাজ ভাড়া চাওয়া হয়। ফেয়ারওয়ে এলাকা মোংলা থেকে ১৩১ কিলোমিটার দূরে। সেই নৌপথে যাওয়া এবং আসার জন্য ১৮০০ থেকে দুই হাজার লিটার জ্বালানি (ডিজেল) তেলের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ডিপো থেকে সেই তেল না পাওয়ায় আমা জাহাজ ফেয়ারওয়েতে যেতে পারেনি। এ রকম শতাধিক লাইটার জাহাজ তেল সংকটে পড়ে আছে।’

‎বন্দরের লাইটার মালিকরা আরো বলেন, ‘জ্বালানি তেলের সংকটে কোনও লাইটার জাহাজ পণ্য নিয়ে কলকাতায় যেতে পারছে না। আমার আরেকটি জাহাজ ফেয়ারওয়েতে অবস্থান করা জাহাজ থেকে সারবোঝাই করে সেখানে অবস্থান করছে। জ্বালানি তেলের সংকটে সেখান থেকে ছেড়ে আসতে পারছে না। এভাবে চললে বন্দরের কাজে অচলাবস্থা সৃষ্টি হবে।’

‎একই অবস্থা বন্দরের প্রায় সব লাইটার জাহাজের। তেলের সংকটে বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করতে পারছেন না বন্দরের ব্যবসায়ীরা। এতে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

‎মোংলা বন্দর ব্যবহারকারীরা বলেন, ‘তেল সংকটে কোনও লাইটার জাহাজ চলাচল করছে না। ফেয়ারওয়েতে থাকা একটি বড় জাহাজ থেকে কয়লা খালাস করতে পারছি না। এতে আমরা ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। কবে এর সমাধান হবে তাও জানি না।’

‎তেলের সংকট স্বাভাবিক না হলে বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা

‎মোংলা বন্দরের লাইটার জাহাজের মালিক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাসে বিলম্ব হলে আমদানিকারকদের অতিরিক্ত জাহাজ ভাড়া গুনতে হবে। আবার পণ্যের আমদানি খরচ বেড়ে গেলে প্রভাব পড়বে বাজার মূল্যের ওপর। তাই জাহাজ থেকে পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে গেলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন ও বাজার সরবরাহ ব্যবস্থায়। দ্রুত জ্বালানি তেলের সংকট সামাল দিতে না পারলে মোংলা বন্দর অচল হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

‎লাইটার জাহাজ চলাচল ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেলের (বিডব্লিউটিসিসি) আহ্বায়ক সফিক আহমেদ ৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি দিয়ে জানান, জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক লাইটার জাহাজ কর্ণফুলীতে পণ্য নিয়ে ভাসছে, গন্তব্যে যেতে পারছে না। চিঠিতে বন্দর থেকে নদীপথে পণ্য সরবরাহ ঠিক রাখতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়।

উখিয়ায় উপজেলা ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
উখিয়ায় উপজেলা ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

(১৪ মার্চ) বিকেল চারটায় উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠপ্রাঙ্গনে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উখিয়া টেকনাফ থেকে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর সম্মার্তে উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যেগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রদলের সদস্য সচিব রিদুয়ানের সঞ্চালনায় এই সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বি এন পির সভাপতি সাবেক উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জনপ্রিয় জননেতা সরওয়ার জাহান চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বি এন পির সাধারণ সম্পাদক উখিয়া উপজেলার সাবেক ভাইসচেয়ারম্যান
সুলতান মাহমুদ চৌধুরী।
উক্ত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী
উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী যুবদলের আহবায়ক সাইফুল সিকদার,
স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রিদুয়ানুর ছিদ্দিকী
ছাত্র দলের কক্সবাজার জেলা ও উখিয়া উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি সরওয়ার জাহান চৌধুরী ছাত্রদলের উদ্দেশ্য বলেন আমরা অনেক কিছু বিসর্জনে বিনিময়ে একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি এই সময় আমাদের সকলের উচিৎ সম্প্রীতি সৌহার্দ্য পূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে চলা এমন কোন নেগেটিভ পরিবেশ সৃষ্টি না হয় যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কষ্ট হবে।সেই দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। ছাত্র দলের নেতা কর্মীদের টিকাদারী, টেন্ডারবাজী বালুর মহালের ব্যবসা এই গুলো না করার পরামর্শ দেন। ছাত্ররা নিজেদের আর্দশে থেকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে মানুষ বিপদে আপদে ছুটে আসবে এটাই হবে ছাত্রদলের মুল উদ্দেশ্য। আমরা যারা বিএনপিতে আছি তোমাদের আর্থিক কোন সংকট হলে আমাদের জানাবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আমরা সাহায্য সহযোগিতা করবো। পরে তিনি উখিয়া টেকনাফের গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরীর জন্য উপস্থিত সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন যাতে করে শাহজাহান চৌধুরী সুস্থ ও সবল থেকে রাষ্ট্রের নিয়োজিত কার্য সুন্দর ভাবে সম্পূর্ণ করতে পারেন।

পাইকগাছায় পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বি.সরকার, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৬ পিএম
পাইকগাছায় পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছায় উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়-ব্যয় ও ভবন নির্মান প্রসঙ্গে শনিবার বেলা ১১টায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির সরল কালীবাড়িতে অনুষ্ঠিত সভায় পূজা পরিষদ নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সম্পাদরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি ও ভবন নির্মান কমিটির সদস্য সমীরন সাধুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস ও পৌর কমিটির সভাপতি বাবু রাম মন্ডল দফা ভিত্তিক সংগঠনের আয়-ব্যয়ের হিসাব দাখিল করায় সকলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
মতবিনিময় সভা চলাকালে উপজেলা বিএনপি-র আহ্বায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ (এমবিবিএস), তুষার কান্তি মন্ডল উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় পূজা পরিষদ ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রানকৃষ্ণ দাশ, মুরারী মোহন সরকার, সুনিল মন্ডল, সন্তোষ কুমার সরকার, প্রজিৎ কুমার রায়, কালিপদ বিশ্বাস, বি.সরকার, স্নেহেন্দু বিকাশ, সুরঞ্জন চক্রবর্তী, কনক চন্দ্র সরকার, প্রকাশ ঘোষ বিধান, কালিপদ মন্ডল, দীনেশ চন্দ্র রায়, সুভাষ চন্দ্র রায়, দীপঙ্কর কুমার মন্ডল, মনোজিৎ সরদার, প্রশান্ত কুমার রায়, তুষার কান্তি বিশ্বাস, পার্থ প্রতিম সরকার, মনোরঞ্জন বিশ্বাস, গৌবিন্দ দত্ত, অমল কৃষ্ণ, বিপুল বিশ্বাস, দীনবন্ধু মন্ডল, কেশব মৃধা, সাধন চন্দ্র দাশ, প্রদীপ মন্ডল, অমল কৃষ্ণ রায়, তারক চন্দ্র মন্ডল, অনুকুল চক্রবর্তী, উজ্জ্বল মন্ডল, ত্রিনাথ বাছাড়, পরিমল দাশ, গৌরপদ মন্ডল ও অমিত শীলসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে নেতৃবৃন্দ জিরোপয়েন্টে পূজা উদযাপন পরিষদের নিজস্ব জমিতে চলমান ভবন নির্মান কাজ পরদর্শন করেন।

ঈশ্বরদীতে জ্বালানী তেল মজুদ করায় ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৫২ পিএম
ঈশ্বরদীতে জ্বালানী তেল মজুদ করায় ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

পাবনার ঈশ্বরদীতে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রাখা ও বিক্রিতে প্রতি লিটারে প্রায় ২০০ গ্রাম তেল কম দেওয়ার দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

‎‎শনিবার (১৪মার্চ) বিকেলে পোর শহরের রেলগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা আরোপ করেন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর নাম মোঃ করিম। তিনি‘মেসার্স করিম পেট্রোলিয়াম এজেন্সী’-এর স্বত্বাধিকারী।

‎‎জানা গেছে, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে পৌর শহরের রেলগেট এলাকায় মেসার্স করিম পেট্রোলিয়াম এজেন্সীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালিয়ে অনুমোদনহীনভাবে মজুত করা প্রায় ৬ হাজার লিটার পেট্রোল পাওয়া যায়। শুধু তাই নয় পেট্রোল বিক্রিতেও প্রতি লিটারে ২০০ গ্রাম কম দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে এসব জ্বালানি তেল মজুত রাখা ও বিক্রিতে প্রতারনা করায় ব্যবসায়ী মোঃ করিমকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

‎‎ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, নিয়মবহির্ভূতভাবে তেল মজুত রাখা ও তেল বিক্রিতে কম দেওয়ার প্রমাণ মেলায় ওই ব্যবসায়ীকে সতর্কতামুলক জরিমানা করা হয়েছে। মজুতকৃত এসব তেল তাৎক্ষনিক নির্ধারিত সরকারি দামে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে বলা হয়েছে।

error: Content is protected !!