সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

ওসির বিরুদ্ধে মানববন্ধন: ওসি নিজেই দিলেন অভিযোগের ব্যাখা

TAPAN DAS
TAPAN DAS - DISTRICT CORRESPONDENT, Nilphamari প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১২:২২ এএম | 31 বার পড়া হয়েছে
ওসির বিরুদ্ধে মানববন্ধন: ওসি নিজেই দিলেন অভিযোগের ব্যাখা

নীলফামারীর ডিমলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তার বদলীর দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। রবিবার (৮ মার্চ) বিকাল সারে ৩ টার দিকে উপজেলার প্রধান সড়ক শুঠিবাড়ি মোড়ে সর্বস্থরের ছাত্র জনতার ব্যানারে এই মানববন্ধন হয়। আয়োজকরা ওসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তার বদলি দাবি করে। এসময়ে হঠাৎ করে ওসি ঘটনাস্থলে এসে মানববন্ধনের সামনে সারিতে নিজেও দাঁড়িয়ে পড়েন ও তার বিরুদ্ধে বক্তাদের অভিযোগের বক্তব্য শুনেন। এরপর তিনি তুলে ধরেন অভিযোগের ব্যাখা।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত ৩ মার্চ ডিমলা থানা পুলিশের উদ্যোগে থানা চত্বরে ইফতার মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রসাশনের বিভিন্ন স্থরের কর্মকর্তা। সেই ইফতার মাহফিলে নুরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মানববাচার চক্রের সদস্য দাবি করে কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে বলা হয় নীলফামারীর ডিমলা সদরের দক্ষিন তিতপাড়া গ্রামের ময়েন উদ্দিনের ছেলে আসাদুজ্জামান আসাদ ও তার ভাই নুরুল হক ইতালি প্রবাসী আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী। আলাদিনের চেরাগের মত রাতারাতি হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া আন্তর্জাতিক মানব পাচার কারী ও পাসপোর্ট জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা। ঢাকা র‌্যাব-২ গত ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ থানা পুলিশের সহযোগিতায় উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে ময়েন উদ্দিনের ছেলে আসাদুজ্জামান আসাদ(৩৫) ও নুরল হককে(৩১) গ্রেফতার করে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক মানব পাচারে জড়িত আরো ৪ সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা র‌্যাব-২।

গ্রেফতার কৃতদের আদালতেসোপর্দ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কিছুদিন হাজতবাস করে তারা জামিনে মুক্তি পান। তবে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ও মামলার আসামী কি ভাবে ডিমলা থানার ইফতারে দাওয়াত পেলো তা নিয়ে উপজেলায় চলে তোলপাড়।
সেই তোলপাড়ের অংশ হিসাবে রবিবার বিকালে ওসির বিরদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে মানববন্ধন চলছিল। সেখানে মানববন্ধন চলাকালীন সময়ে ওসি নিজে গিয়ে উপস্থিত হন এবং মানববন্থনের ব্যানারের লাইনে দাড়িয়ে মানববন্ধনের বক্তাদের সবার বক্তব্য শুনেন।এসময়ে বক্তারা অভিযোগ করেন, ডিমলা থানা কর্তৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিলে আন্তজার্তিক মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যকে দাওয়াত করা হয়েছিলো। মানববন্ধনের বক্তাদের অভিযোগ শুনে ডিমলা থানার ওসি মাইক হাতে নিয়ে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ গুলোর উত্তর দেন। ওসি বলেন, আমরা কখনো একজন অপরাধীকে দাওয়াত করতে পারিনা। আমাদের পক্ষ থেকে তাকে দাওয়াত করা হয়নি। তিনি ইফতারে সময়ে হঠাৎ করে থানায় এসে ঢুকে ও ইফতারের টেবিলে বসে পড়েন। তবে সে বা অন্য কেউ যদি দোষী হয়ে থাকে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবই। বিষয়টি থানা পুলিশ তদন্ত করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মানববন্ধন শেষে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসি সাংবাদিকদের বলেন, জানতে পারি আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন হচ্ছে। পরে আমি নিজেই মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে আয়োজকদের কাছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো শুনি। ওসি জানান, আমার সৎ সাহস রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেখি মানববন্ধন করছে সেখানে আমি নিজেই দাড়িয়েছিলাম সবার কথা শুনে আমি কথা বলেছি ও মানববন্ধন আয়োজনকারিদের ভুল ভাঙ্গাতে সক্ষম হয়েছি।

ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌহিদ মো. সিয়াম পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে সিয়াম লিখেছেন, ‘গত ২৮ মার্চ আমি জাতীয় ছাত্রশক্তি থেকে পদত্যাগ করেছি। এই পথচলায় যারা আমার সহযোদ্ধা ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। জাতীয় ছাত্রশক্তি ও এনসিপির নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রয়াস সফল হোক এই কামনা করি।’

আবু তৌহিদ মো. সিয়াম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বাগছাসের নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে গত ২৩ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

এরপর ৩১ অক্টোবর সংগঠনটির চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) পদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তৌহিদ মো. সিয়াম।

মোঃ সাকিব মুন্সী

মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ সাকিব মুন্সী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক, তিনি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নিজ বাড়ির সামনে বিলে ঘাস কাটতে গেলে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে একই গ্রামের মো. সোহেল (৩৫), তার ভাই মো. কায়েস (২৮), কাউসার (৩০) ও মো. সাগর (২২) মিলে তাকে মারধর করে এবং পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রোববার মদন পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা, এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মেহেদী হাসান আমার চাষকৃত জমিতে ঘাস কাটছিল। আমি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। তবে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নিউজফিডে অহেতুক একটা বিতর্ক দেখছি।
দুজনের বয়স কাছাকাছি, কিন্তু জয়া যেভাবে নিজেকে মেন্টেইন করেছেন, নিজের বয়সকে ধরে রেখেছেন, বিপাশা সেভাবে পারেননি,
তার শরীরে বয়সের ছাপ পড়েছে, চুল পেকেছে আরো কত কি।
সমস্যাটা আসলে কার চুল সাদা, কার ফিগার ছিপছিপে, কার মেকআপ কম সেটা না, সমস্যাটা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে।
একটা অদ্ভুত মানসিকতা ধীরে ধীরে সমাজে জায়গা করে নিয়েছে।
যেখানে একজন নারী বয়সকে যেভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাকেই আদর্শ বানিয়ে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিপাশা হায়াত যদি নিজের সাদা চুল, স্বাভাবিক বয়স এসবকে গ্রহণ করেন, সেটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ, তার স্বাচ্ছন্দ্য।
কিন্তু সেই পছন্দকে মাপকাঠি বানিয়ে অন্য নারীদের বিচার করা এটা আসলে প্রশংসা না, এটা নিয়ন্ত্রণের আরেক রূপ।
একইভাবে, জয়া আহসান যদি নিজেকে ফিট রাখেন, স্টাইলিশ থাকেন, কিংবা নিজের মতো করে ইয়াং অনুভব করতে চান, তাহলে সেটাও তার অধিকার।
বয়স বাড়লেই কেন একজন নারীকে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢুকে যেতে হবে?
কেন তার সাজ, পোশাক, এমনকি নিজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছু সমাজ ঠিক করে দেবে?
সবচেয়ে বড় সমস্যার বিষয় হলো এই তুলনাটা।
একজনকে তুলে ধরতে গিয়ে আরেকজনকে ছোট করা।
একজন স্বাভাবিক, কারণ তিনি বয়স মেনে নিয়েছেন,
আরেকজন অস্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেকে ধরে রাখতে চান।
এই বিভাজনটা আসলে কতটা যুক্তিযুক্ত?
সত্যি বলতে, এখানে প্রশংসার আড়ালে একটা সূক্ষ্ম চাপ কাজ করে, তুমি এমন হও, না হলে তুমি ভুল, তুমি খারাপ।
কেউ সাদা চুলে স্বাচ্ছন্দ,
কেউ রঙ করে ভালো লাগে।
কেউ মেকআপ ছাড়াই স্বস্তিতে,
কেউ সাজতে ভালোবাসে।
এই ভিন্নতাই স্বাভাবিক।
সমালোচনা যদি করতেই হয়, তাহলে এই দ্বিমুখী মানসিকতারই করা উচিত।
যেখানে একজন নারীর স্বাধীন পছন্দকে আরেকজনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।
কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সহজ,
নারী কি নিজের মতো করে বাঁচতে পারবে?
নাকি তাকে সবসময় অন্যের পছন্দ অনুযায়ী বদলাতে হবে?

error: Content is protected !!