শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

চকরিয়া উপজেলা প্রতিনিধি

আহসানুল কাদের চৌধুরী সাব্বির এর ফেইস’বুকে ফেক আইডি ব্যবহার করে মিথ্যা অপপ্রচার চলানো হচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ পিএম | 32 বার পড়া হয়েছে
আহসানুল কাদের চৌধুরী সাব্বির এর ফেইস’বুকে ফেক আইডি ব্যবহার করে মিথ্যা অপপ্রচার চলানো হচ্ছে

তিনি একজন সব’সময় মানুষের পাশে দাড়াঁনো ব্যাক্তি। বর্তমানে শিক্ষিত সমাজের গুনি জন ব্যাক্তিরা’ই মনে করেন, তার জন’প্রিয় তাই বিনষ্ট করার জন্য কিছু কুচক্রী মহল তার পিছঁনে লেগে আছে। তারা আরোও বলেন লেগে থেকে কিছু করতে পারবেনা ইনশাআল্লাহ তার জন প্রিয়’তা আরোও দিন, দিন বাড়বে বলে মনে করেন স্থানীয় ব্যাক্তিরা।

সাধারণ জনগণ আরও বলেন, গত ২২/০২/২৬ইং তারিখ বদরখালী আহমদ কবিরের ঘাটায় সড়ক দূর্ঘটনা হয়ে একটি শিশু মারা যায়। মারা যাওয়ার পর সেই ঘটনাটি নিয়ে পরর্বতী ব্যাপক ভাবে আরেকটি বড় আকারে ঘটনা ঘটার সম্ভবনা ছিল। তবে সেই সময় বদরখালী ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক আহসানুল কাদের চৌধুরী সাব্বির উপস্থিত হওয়ার পর আর কোন ঘটনা ঘটতে পারেনি।

সচেতন মহল ব্যাক্তিরা’ই বলেন, আহসানুল কাদের চৌধুরী সাব্বির সাহেবকে আমরা সবসময় বিপদের সময় পেয়েছি, যার রাজ সাক্ষী বদরখালী ছনুয়া পাড়ার লটারী যখন এক সময়ে তারা বড় বিপদে পড়ে তাদেরকে’ই উদ্ধার করার মত ক্ষমতা কারোও ছিলনা তখন’ই সাব্বির সাহেব’কে বিপদের সময় আমরা পেয়েছি।

আহসানুল কাদের চৌধুরী সাব্বির আরও বলেন আমার কাছে সব দুঃখ কষ্টকে জয় করে,,প্রতিটি বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বেচেঁ থাকার নামই জীবন, এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াঁনোর নামই জীবন। এবং তিনি আরও বলেন, ফেইসবুকে নিদিষ্ট গোষ্টির ফেইক আইডির লিখা নিয়ে বিভ্রান্তি না হওয়ার জন্য আহবান করেন।

সমাজের গুনি ব্যাক্তিরা’ই বলেন, নিরব থেকে ঘৃণা প্রকাশ করা যায়, কিন্তু তা শুধু নিজের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকে। সমাজকে বদলাতে হলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই হবে। ইতিহাস সাক্ষী, যারা সমাজে পরিবর্তন এনেছেন, তারা কখনো চুপ ছিলেন না। তারা মুখ খুলেছেন, প্রতিবাদ করেছেন, সংগ্রাম করেছেন।

“যেখানেই অন্যায়, সেখানেই প্রতিবাদ” এই কথাটা শুধু একটা স্লোগান না, এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন, তারাই সমাজে পরিবর্তন এনেছেন।

চুপ থাকা কখনোই প্রতিবাদ না। অনেকে ভাবে, অন্যায় দেখে চুপ থাকা এক’ধরনের প্রতিবাদ। কিন্তু সত্যি হলো, চুপ থাকলে অনেক সময় অন্যায় আরও বাড়ে। কেউ যদি অন্যায়-অবিচার বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু না বলে, তাহলে সেও সেই অন্যায়ের অংশীদার হয়ে যায়।

“অনাচার থামানো আমাদের পক্ষে সব সময় সম্ভব না-ও হতে পারে, কিন্তু নীরব থাকা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।”

পরিশেষে, আরোও বলেন, আমি সবার সাথে ভালবেসে মিলেমিশে থাকতে চাই, এবং আমার প্রিয় জনরা’ই অপপ্রচারে বিভ্রান্তি না হওয়ার জন্য সর্বদাই সজাগ দৃষ্টি এবং সচেতন থাকবেন।

“আর হবে না দেখা” — প্রয়াত গুণী শিল্পীদের স্মরণে আবেগঘন স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৮ এএম
“আর হবে না দেখা” — প্রয়াত গুণী শিল্পীদের স্মরণে আবেগঘন স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

নরসিংদীতে আবেগঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো প্রয়াত তিন গুণী সংগীত ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করার এক ব্যতিক্রমী আয়োজন। “আর হবে না দেখা” শিরোনামে এই স্মরণসভা আয়োজন করে বৈশাখী সংগীত একাডেমী, নরসিংদী।

আজ বিকেল ৩টায় নরসিংদী প্রেসক্লাব হলরুমে আয়োজিত এ সভায় স্মরণ করা হয় দেশের প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী নাজির উদ্দিন আহমেদ, বিশিষ্ট তবলা বাদক ফকির পিয়ার হোসেন এবং তবলা বাদক বীরেন্দ্র চন্দ্র দাসকে।
বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক এবং বৈশাখী সংগীত একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আলী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এমন গুণী শিল্পীদের অবদান আমাদের সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। তাদের শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়, তবে তাদের কর্ম আমাদের পথ দেখাবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মন্দী গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেন নাজির, নরসিংদী প্রেসক্লাবের প্রবীণ সাংবাদিক ও সাবেক সভাপতি নিবারণ চন্দ্র রায়, সহ-সভাপতি হলধর দাস, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. রমজান আলী প্রামানিক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান পরিকল্পনাকারী নূর হোসেন মিন্টু, দৈনিক আজকের খোঁজখবর পত্রিকার সম্পাদক মনজিল এ মিল্লাত, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নজরুল একাডেমী জেলা শাখার অধ্যক্ষ মতিউর রহমান চৌধুরী, যুগান্তর সজন সমাবেশের সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান খোকন এবং নবধারা কণ্ঠশিল্পন-এর পরিচালক মোতাহার হোসেন অনিকসহ আরও অনেকে।
প্রয়াত তিন শিল্পীর জীবনী পাঠ করেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের কণ্ঠশিল্পী তাসনিম আনআম রাইসা। জীবনী পাঠের সময় উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
স্মরণসভায় বক্তারা প্রয়াত শিল্পীদের জীবন, কর্ম এবং সংগীতে তাদের অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বৈশাখী সংগীত একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক তাসমিনা ইয়াসমিন রুনা, তবলা প্রশিক্ষক অভিজিৎ পদ্মা টিপু, কণ্ঠশিল্পী টিপু সুলতান, পুরবী সংগীত একাডেমীর অধ্যক্ষ বাদল চন্দ্র বিশ্বাস এবং নজরুল সংগীত শিল্পী ও গবেষক মনিরুল ইসলাম মনি স্মৃতিচারণ করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবব্রত সাহা দেবু, নরোত্তম দাস, শফিকুল ইসলাম লিটন, স্বপন সাহা, প্রেমানন্দ বিশ্বাস, নিতাই সাহা, সৌরভ, ডা. বিধু ভূষণ দাস, জাহাঙ্গীর আলম খোকন, শাওন, ঝন্টু, অসিত বর্মন, সন্তোষ কুমার সূত্রধর, সমীর রায়, জয় সাহাসহ জেলার বহু শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বৈশাখী সংগীত একাডেমীর সাংগঠনিক সম্পাদক পরিতোষ চন্দ্র দাস।
স্মরণসভা শেষে প্রয়াত শিল্পীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও নীরবতা পালন করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভরা এক অনন্য পরিবেশ—যেখানে বারবার উচ্চারিত হয়েছে, “আর হবে না দেখা”, কিন্তু তাদের সৃষ্টিকর্ম চিরকাল বেঁচে থাকবে আমাদের হৃদয়ে।

লালমনিরহাটে দিনদুপুরে হামলা-ভাঙচুর, গাছ কেটে লুটপাট: আতঙ্কে অসহায় পরিবার, থানায় অভিযোগ

ফারুক হোসাইন, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান লালমনিরহাট প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩১ এএম
লালমনিরহাটে দিনদুপুরে হামলা-ভাঙচুর, গাছ কেটে লুটপাট: আতঙ্কে অসহায় পরিবার, থানায় অভিযোগ

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের তেলীপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দিনদুপুরে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে আপন ভাই ও ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একটি পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোঃ আব্দুস সাত্তার (৬৮) তার বড় ভাই মোঃ আব্দুস সোবাহান (৭০) ও ভাতিজা মোঃ সাগর (৩২) এবং মোঃ রেজাউল (২২)-এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির উত্তর পাশের সীমানা নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে আছেন।
গত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত হয়ে ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা টিনের ঘর ও বেড়া ভাঙচুর করে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং টিন খুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এতেই ক্ষান্ত না হয়ে তারা বাড়ির সীমানায় থাকা প্রায় ২০-২৫টি বিভিন্ন ফলজ গাছ—সুপারি, আম ও কাঁঠাল গাছ কেটে ফেলে, যার আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।
বাধা দিতে গেলে ভুক্তভোগীর পুত্রবধূ মোছাঃ নুর জাহান বেগম (২০)-কে মারধর করে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। এছাড়া অপর পুত্রবধূ মোছাঃ হোসনে আরা খাতুনকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তেড়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরিবারের দাবি, তিনি নয় মাসের গর্ভবতী ছিলেন এবং তার গর্ভের সন্তানের জীবননাশেরও চেষ্টা করা হয়।
ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে অভিযুক্তরা চলে যাওয়ার সময় পুনরায় সুযোগ পেলে হত্যার হুমকি দিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকা ভুক্তভোগী পরিবার লালমনিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগী আব্দুস সাত্তার বলেন, “আমরা এখন চরম আতঙ্কে আছি। যেকোনো সময় তারা আবার হামলা করতে পারে।”
এ বিষয়ে লালমনিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার জেলার অভিভাবক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে।

চট্টগ্রামে মানবাধিকার সংস্থার সাধারণ সভা: ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ঐক্যের আহ্বান

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা। প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৮ এএম
চট্টগ্রামে মানবাধিকার সংস্থার সাধারণ সভা: ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ঐক্যের আহ্বান

মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের সমন্বয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা ও নির্যাতন প্রতিরোধে জোর

চট্টগ্রাম, শুক্রবার:
ন্যায়, মানবতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার জেলা শাখার গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সভা। বিকাল ৪টায় জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইনের ল’ চেম্বারে আয়োজিত এই সভায় মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইন। বক্তারা বলেন, সমাজের অসঙ্গতি ও অন্যায় তুলে ধরতে সাংবাদিকরা যেমন অগ্রণী ভূমিকা রাখেন, তেমনি সেই সমস্যার প্রতিকার নিশ্চিত করতে কাজ করেন মানবাধিকার কর্মীরা। এই সমন্বয়ই একটি সুস্থ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।
সভায় সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান মাস্টার আবুল কাশেম এবং জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইনের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে গৃহীত কার্যক্রমের প্রশংসা করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে অঙ্গীকারের বার্তা
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইন বলেন,
“আমরা শুধু একটি সভায় বসিনি, আমরা একটি দায়িত্ব ও মানবিক সংগ্রামের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার কোনো দয়া নয়, এটি প্রতিটি মানুষের জন্মগত অধিকার। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ানো এবং বঞ্চিতদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় গুরুত্ব বাস্তবায়নে
সভায় বক্তারা কথার চেয়ে কাজে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন। এ লক্ষ্যে কয়েকটি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়—
প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া
নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ
মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা ও শিক্ষা বিস্তার
অন্যান্য বক্তাদের অংশগ্রহণ
সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ওমর শরীফ লিটনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, গণমাধ্যম বিষয়ক সচিব সাংবাদিক মোহাম্মদ সেলিম খান, হাটহাজারীর দায়িত্বশীল মোহাম্মদ আবদুল হালিম আলম, শ্রম বিষয়ক সচিব মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, শিল্প, জলবায়ু ও পরিবেশ বিষয়ক সচিব মোহাম্মদ মোরশেদ আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
উপসংহার
সভাটি একটি শক্তিশালী ও কার্যকর মানবাধিকার আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয়ে শেষ হয়। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে অন্যায়-অবিচারমুক্ত, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

error: Content is protected !!