সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

জাহারুল ইসলাম জীবন এর লেখা ও সম্পাদনা

রতি থেকে জ্যোতি☞ পর্ব:-২

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম | 165 বার পড়া হয়েছে
রতি থেকে জ্যোতি☞ পর্ব:-২

দেহতত্ত্বের গহীনে মানুষের শরীর কেবল রক্ত-মাংসের কাঠামো নয়, বরং এটি মহাজাগতিক রহস্যের এক ক্ষুদ্র সংস্করণ (Microcosm)। এখানে দেহতত্ত্বে বর্ণিত কাম, মাম (মায়া), প্রেম এবং নূর- এই চারটি ধাপ মূলত: আত্মার উত্তরণের একেকটি সোপান। নিচে এর নিগূঢ় বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:-
**১. কাম:- রতি ও সৃষ্টির আদি কাঁচামাল:- দেহতত্ত্বে ‘কাম’ হলো সুপ্ত আগ্নেয়গিরি। এটি একদিকে যেমন ধ্বংসের কারণ (কালনাগিনী), অন্যদিকে এটিই সাধনার প্রাথমিক জ্বালানি।
** তাত্ত্বিক রহস্য:- কাম যখন কেবল জৈবিক চাহিদা হিসেবে নির্গত হয়, তখন তা আধ্যাত্মিক অপচয়। কিন্তু যখন এই কাম শক্তিকে ‘নারী-ভাবনা’ বা ‘মহামায়া’র পবিত্রতায় জারিত করা হয়, তখন তা ‘রতি’তে রূপান্তরিত হয়।
** কোরআনিক ইশারা:- আল্লাহ তায়ালা মানুষের প্রবৃত্তিকে (নফ্স) তিনটি স্তরে ভাগ করেছেন। কাম যখন অনিয়ন্ত্রিত, তখন তা ‘নফ্সে আম্মারা’ বা মন্দ কাজের- আদেশদাতা। সাধক একে দমনের পরিবর্তে শোধন করে ‘নফ্সে লাওয়ামা’ বা অনুতপ্ত হৃদয়ে রূপান্তর করেন।
**২. মাম (মায়ারস/মায়া) শক্তির ভারসাম্য ও নারীত্বের আধ্যাত্মিকতা:- চিত্রে ‘মাং’ বা ‘মাম (মায়া)’ শব্দটি নারীর সেই বিশেষ আধ্যাত্মিক রসকে নির্দেশ করে, যা পুরুষের রুক্ষ কামকে শীতল প্রেমে রূপান্তরিত করে।
** তাত্ত্বিক রহস্য:- নারী এখানে কেবল ভোগের বস্তু নয়, বরং সে স্রষ্টার ‘জামাল’ বা সৌন্দর্য গুণের আধার। পুরুষের কাম (তৈজস শক্তি) যখন নারীর মাম (মায়ারস/মায়া বা আকর্ষণ শক্তি) এর সাথে মিলিত হয়, তখনই সৃষ্টি হয় একটি ভারসাম্য।
** হাদিসের ইশারা:- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমাদের জগতের তিনটি বস্তু আমার নিকট প্রিয় করা হয়েছে- সুগন্ধি, নারী এবং নামাজের শীতলতা।” এখানে নারীর প্রতি প্রিয়তা কেবল দৈহিক নয়, বরং এটি সেই আধ্যাত্মিক প্রশান্তি যা সাধকের কামকে প্রেমে রূপান্তর করে।
**৩. প্রেমের রতি হতে জ্যোতিতে উত্তরণের মহাজাগতিক সেতুবন্ধন:- প্রেম হলো সেই ‘পরশপাথর’ যা কামের তামা স্পর্শ করলে তা নূরের সোনা হয়ে যায়। আপনার ভাষায়-রতির সাথে মতির মইথন-ই হলো প্রেম।
** তাত্ত্বিক রহস্য:- প্রেমহীন মিলন কেবল দেহের ঘর্ষণ, যা রতিকে অপচয় করে আয়ু কমিয়ে দেয়। কিন্তু প্রেমযুক্ত মইথনে রতি উর্ধ্বগামী হয়ে মস্তিষ্কের ‘মুকিম’ বা জ্যোতি দেশে পৌঁছায়। এটি-ই হলো কালনাগিনীর বিষকে অমৃতে রূপান্তর করার মিরাক্কেলীয় সাধন প্রক্রিয়া।
** আধ্যাত্মিক দর্শন:- সুফিবাদে একে বলা হয় ‘ইশকে মেজাজি’ (লৌকিক প্রেম) থেকে ‘ইশকে হাকিকি’ (ঐশী প্রেম) এ উত্তরণ। যারা পবিত্রতা বজায় রেখে প্রেম করে, তাদের রতি- শক্তিতে পরিণত হয়ে ‘নূরানি আভা’ তৈরি করে।
**৪. নূর-ফানা ও পরম সত্যের জ্যোতি:- সাধনার চূড়ান্ত স্তর হলো নূর। যখন কাম ও মামের/মায়ার মিলন প্রেমের আগুনে পুড়ে খাঁটি হয়, তখন সাধকের ভেতর খোদার নূর প্রকাশিত হয়।
** তাত্ত্বিক রহস্য:- এই স্তরে পৌঁছে সাধক আর নিজের ইচ্ছায় চলে না। তার ইচ্ছা তখন স্রষ্টার ইচ্ছায় বিলীন (Fana) হয়ে যায়। তখন তার দেখা হয় খোদার দেখা, তার বলা হয় খোদার বলা। রতি যখন মতির মাধ্যমে নূরে পরিণত হয়, তখন সাধক দীর্ঘায়ু এবং দিব্যজ্ঞান লাভ করেন।
** কোরআনিক নূর:- সূরা আন-নূরে বলা হয়েছে, “নূরুন আলা নূর” (জ্যোতির ওপর জ্যোতি)। সাধকের হৃদয়ে যখন এই নূর প্রজ্বলিত হয়, তখন সে দেহের সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে মহাজাগতিক সত্যকে প্রত্যক্ষ করে।
সর্বপরি, এখানে দেওয়া তত্ত্ব অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়াটি একটি চক্রাকার আধ্যাত্মিক রসায়ন। কাম হলো- বীজ, মাম/মায়া- হলো মাটি ও পানি, প্রেম হলো- সেই বৃক্ষ যা রতিকে রস হিসেবে উর্ধ্বগামী করে এবং নূর হলো- সেই ফল যা মানুষকে অমরত্ব ও খোদার সান্নিধ্য দান করে। এটি-ই মূলত ‘আদম’ থেকে ‘ইনসানে কামেল’ বা পূর্ণ মানব হওয়ার পথ- আমিন >চলমান পাতা।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!