সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

সুফিবাদ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম | 118 বার পড়া হয়েছে
সুফিবাদ

পবিত্র কুরআনে ‘সুফিবাদ’ (Sufism) বা ‘সুফি’ (Sufi) শব্দটি সরাসরি বা আক্ষরিকভাবে উল্লেখ নেই। তবে সুফিবাদের মূল ভিত্তি বা নির্যাস—যেমন আত্মশুদ্ধি, আধ্যাত্মিকতা এবং আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ—এসব বিষয়ে কুরআনে প্রচুর আয়াত রয়েছে।
এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. ‘সুফি’ শব্দটির উৎপত্তি ও কুরআন
‘সুফি’ শব্দটি মূলত একটি পারিভাষিক শব্দ, যা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগের বেশ পরে জনপ্রিয় হয়েছে। এর উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে (যেমন: ‘সুফ’ বা পশমি বস্ত্র, অথবা ‘সাফা’ বা পবিত্রতা)। যেহেতু এটি একটি পরবর্তীকালে সংজ্ঞায়িত পরিভাষা, তাই কুরআনে এই নির্দিষ্ট শব্দটি পাওয়া যায় না।
২. কুরআনে সুফিবাদের সমার্থক ধারণা
সুফিবাদ মূলত যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে, কুরআনে সেগুলোকে ভিন্ন নামে ডাকা হয়েছে:
তাজকিয়া (Self-Purification): সুফিবাদের প্রধান লক্ষ্য হলো অন্তর পবিত্র করা। কুরআনে বলা হয়েছে:
সে-ই সফলকাম হবে, যে নিজের নাফসকে পরিশুদ্ধ (তাজকিয়া) করবে।” (সূরা আশ-শামস, আয়াত: ৯)
ইহসান (Excellence in Faith): জিবরাঈল (আ.)-এর প্রসিদ্ধ হাদিসে ‘ইহসান’ এর কথা বলা হয়েছে, যা সুফিবাদের মূল স্পিরিট। অর্থাৎ, এমনভাবে ইবাদত করা যেন আপনি আল্লাহকে দেখছেন।
তাকওয়া ও জিকর: সারাক্ষণ আল্লাহর স্মরণে থাকা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকেও আল্লাহকে ভয় করা।
৩. আধ্যাত্মিকতা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়াত
সুফি সাধকগণ সাধারণত নিচের আয়াতগুলোকে তাদের দর্শনের ভিত্তি হিসেবে দেখেন:
বিষয়ের নাম কুরআনের আয়াত (সারমর্ম) রেফারেন্স👇
আল্লাহর নৈকট্য “আমি তার (মানুষের) ঘাড়ের শাহরগ অপেক্ষাও অধিক নিকটবর্তী।” সূরা ক্বাফ, আয়াত: ১৬
অন্তরের শান্তি “জেনে রেখো, আল্লাহর জিকিরেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।” সূরা আর-রাদ, আয়াত: ২৮
আল্লাহর ভালোবাসা “তিনি তাঁদের ভালোবাসেন এবং তাঁরাও তাঁকে ভালোবাসে।” সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৫৪
👉 মূল কথা
সহজভাবে বলতে গেলে, নাম হিসেবে সুফিবাদ কুরআনে নেই, কিন্তু কাজ হিসেবে (যেমন: বিনয়, আল্লাহর ভালোবাসা, এবং অন্তরের পরিচ্ছন্নতা) এটি ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইসলামের প্রাথমিক যুগে একে ‘ইহসান’ বা ‘তাজকিয়ায়ে নাফস’ বলা হতো, যা পরবর্তী সময়ে ‘সুফিবাদ’ বা ‘তাসাউফ’ নামে পরিচিতি পায়।
🧘 সুফিবাদের ইতিহাস এবং এর চর্চা বা সাধনার পদ্ধতিগুলো বেশ গভীর এবং বৈচিত্র্যময়। নিচে এর মূল পর্যায় এবং চর্চার প্রধান দিকগুলো সহজভাবে তুলে ধরা হলো:
১. সুফিবাদের ঐতিহাসিক বিবর্তন
সুফিবাদ হুট করে আসেনি, বরং এটি সময়ের সাথে বিকশিত হয়েছে:
প্রাথমিক যুগ (যুগ-১): রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং সাহাবীদের যুগে আলাদা কোনো নাম ছিল না। তারা অতি সাধারণ জীবনযাপন (জুহদ) এবং গভীর ইবাদতে নিমগ্ন থাকতেন। একে বলা হতো ‘আহলে সুফফা’-দের আদর্শ।
সংজ্ঞায়িত যুগ (যুগ-২): হিজরি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীতে যখন মুসলিম সাম্রাজ্যে বিলাসিতা বেড়ে যায়, তখন একদল মানুষ দুনিয়াবিমুখ হয়ে আধ্যাত্মিক সাধনায় মন দেন। এ সময় হাসান বসরী (র.), রাবেয়া বসরী (র.) এবং জুননুন মিসরীর মতো সাধকগণ প্রসিদ্ধ হন।
প্রাতিষ্ঠানিক যুগ (যুগ-৩): ১০ম শতাব্দীর পর থেকে সুফিবাদ বিভিন্ন ‘তরিকায়’ বা ধারায় বিভক্ত হয়। বড় বড় সুফি সাধকগণ (যেমন: বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী, খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী) নির্দিষ্ট নিয়মে শিষ্যদের তালিম দিতে শুরু করেন।
২. সুফিবাদের মূল চর্চা (সাধনার পদ্ধতি)
একজন সুফি বা আধ্যাত্মিক সাধক সাধারণত চারটি স্তরের মধ্য দিয়ে নিজেকে গড়ে তোলেন:
শরীয়ত (Shariat): ইসলামের বাহ্যিক আইন (নামাজ, রোজা, হালাল-হারাম) কঠোরভাবে পালন করা। এটি সুফিবাদের ভিত্তি।
তরিকত (Tariqat): একজন পীর বা মুর্শিদের নির্দেশনায় বিশেষ জিকর এবং ধ্যানের মাধ্যমে অন্তরের রোগ (অহংকার, লোভ, হিংসা) দূর করা।
হাকিকত (Haqiqat): সাধনার এক পর্যায়ে যখন অন্তরের পর্দা সরে যায় এবং সৃষ্টির পেছনের সত্য উন্মোচিত হয়।
মারেফত (Ma’rifat): আল্লাহর পরিচয় ও তাঁর সাথে গভীর আধ্যাত্মিক সংযোগ স্থাপন করা।
৩. প্রধান চারটি সুফি তরিকা
উপমহাদেশে এবং বিশ্বজুড়ে চারটি প্রধান তরিকা বা সিলসিলা সবচেয়ে বেশি পরিচিত:
কাদেরিয়া: হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (র.) প্রতিষ্ঠিত। এটি জিকির ও কঠোর শৃঙ্খলার ওপর জোর দেয়।
চিশতিয়া: খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (র.)-এর মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে এটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। তারা বিনয়, মানবসেবা এবং অনেক ক্ষেত্রে সুফি সংগীতের (কাওয়ালি) মাধ্যমে আধ্যাত্মিক ভাব জাগিয়ে তোলেন।
নকশবন্দিয়া: এই তরিকাটি সাধারণত ‘খফী’ বা মৌন জিকিরের জন্য পরিচিত। তারা সুন্নাহর কঠোর অনুসরণে গুরুত্ব দেয়।
সোহরাওয়ার্দিয়া: শেখ শাহাবুদ্দিন সোহরাওয়ার্দী (র.) এর প্রবর্তক। এই তরিকাটি ইলম (জ্ঞান) এবং ইবাদতের সমন্বয়ে পরিচালিত।
৪. সুফিবাদের সারকথা: “খিদমতে খালক”
সুফিবাদের একটি বড় অংশ হলো সৃষ্টির সেবা। সুফিদের মতে, কেবল তসবিহ টিপলেই আল্লাহকে পাওয়া যায় না, বরং আল্লাহর সৃষ্টিকে ভালোবাসলে তবেই স্রষ্টাকে পাওয়া সহজ হয়। এ কারণেই বড় বড় সুফিদের খানকায় সবসময় ক্ষুধার্তদের জন্য লঙ্গরখানা বা খাবারের ব্যবস্থা থাকত।
কুরআনে যাকে বলা হয়েছে ‘তাজকিয়া’ বা আত্মশুদ্ধি, সেটিই মূলত সুফিবাদের মূল কথা। স্রষ্টাকে খুঁজে পেতে হলে আগে নিজের মন থেকে হিংসা, বিদ্বেষ আর লোকদেখানো ইবাদত দূর করতে হয়। আল্লাহ আমাদের অন্তরকে পবিত্র রাখার তাওফিক দিন আমিন।”

ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌহিদ মো. সিয়াম পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে সিয়াম লিখেছেন, ‘গত ২৮ মার্চ আমি জাতীয় ছাত্রশক্তি থেকে পদত্যাগ করেছি। এই পথচলায় যারা আমার সহযোদ্ধা ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। জাতীয় ছাত্রশক্তি ও এনসিপির নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রয়াস সফল হোক এই কামনা করি।’

আবু তৌহিদ মো. সিয়াম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বাগছাসের নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে গত ২৩ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

এরপর ৩১ অক্টোবর সংগঠনটির চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) পদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তৌহিদ মো. সিয়াম।

মোঃ সাকিব মুন্সী

মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ সাকিব মুন্সী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক, তিনি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নিজ বাড়ির সামনে বিলে ঘাস কাটতে গেলে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে একই গ্রামের মো. সোহেল (৩৫), তার ভাই মো. কায়েস (২৮), কাউসার (৩০) ও মো. সাগর (২২) মিলে তাকে মারধর করে এবং পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রোববার মদন পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা, এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মেহেদী হাসান আমার চাষকৃত জমিতে ঘাস কাটছিল। আমি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। তবে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নিউজফিডে অহেতুক একটা বিতর্ক দেখছি।
দুজনের বয়স কাছাকাছি, কিন্তু জয়া যেভাবে নিজেকে মেন্টেইন করেছেন, নিজের বয়সকে ধরে রেখেছেন, বিপাশা সেভাবে পারেননি,
তার শরীরে বয়সের ছাপ পড়েছে, চুল পেকেছে আরো কত কি।
সমস্যাটা আসলে কার চুল সাদা, কার ফিগার ছিপছিপে, কার মেকআপ কম সেটা না, সমস্যাটা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে।
একটা অদ্ভুত মানসিকতা ধীরে ধীরে সমাজে জায়গা করে নিয়েছে।
যেখানে একজন নারী বয়সকে যেভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাকেই আদর্শ বানিয়ে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিপাশা হায়াত যদি নিজের সাদা চুল, স্বাভাবিক বয়স এসবকে গ্রহণ করেন, সেটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ, তার স্বাচ্ছন্দ্য।
কিন্তু সেই পছন্দকে মাপকাঠি বানিয়ে অন্য নারীদের বিচার করা এটা আসলে প্রশংসা না, এটা নিয়ন্ত্রণের আরেক রূপ।
একইভাবে, জয়া আহসান যদি নিজেকে ফিট রাখেন, স্টাইলিশ থাকেন, কিংবা নিজের মতো করে ইয়াং অনুভব করতে চান, তাহলে সেটাও তার অধিকার।
বয়স বাড়লেই কেন একজন নারীকে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢুকে যেতে হবে?
কেন তার সাজ, পোশাক, এমনকি নিজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছু সমাজ ঠিক করে দেবে?
সবচেয়ে বড় সমস্যার বিষয় হলো এই তুলনাটা।
একজনকে তুলে ধরতে গিয়ে আরেকজনকে ছোট করা।
একজন স্বাভাবিক, কারণ তিনি বয়স মেনে নিয়েছেন,
আরেকজন অস্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেকে ধরে রাখতে চান।
এই বিভাজনটা আসলে কতটা যুক্তিযুক্ত?
সত্যি বলতে, এখানে প্রশংসার আড়ালে একটা সূক্ষ্ম চাপ কাজ করে, তুমি এমন হও, না হলে তুমি ভুল, তুমি খারাপ।
কেউ সাদা চুলে স্বাচ্ছন্দ,
কেউ রঙ করে ভালো লাগে।
কেউ মেকআপ ছাড়াই স্বস্তিতে,
কেউ সাজতে ভালোবাসে।
এই ভিন্নতাই স্বাভাবিক।
সমালোচনা যদি করতেই হয়, তাহলে এই দ্বিমুখী মানসিকতারই করা উচিত।
যেখানে একজন নারীর স্বাধীন পছন্দকে আরেকজনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।
কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সহজ,
নারী কি নিজের মতো করে বাঁচতে পারবে?
নাকি তাকে সবসময় অন্যের পছন্দ অনুযায়ী বদলাতে হবে?

error: Content is protected !!