শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

পরিচিত মুখ আশা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ৩:০৪ এএম | 120 বার পড়া হয়েছে
পরিচিত মুখ আশা

ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলের পরিচিত মুখ আশা নেগি। টিভি সিরিয়ালের মাধ্যমে তাকে দর্শকরা চেনেন প্রায় ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কিন্তু তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে প্রথম বিনোদন জগতে যখন পা রাখেন, তখন আশাকেও পড়তে হয়েছিল নানা সমস্যার মুখে। নানা কুপ্রস্তাব এসেছিল তার কাছে। আশা জানিয়েছেন যে একজন কো-অর্ডিনেটর তাকে কাজ পাওয়ার জন্য আপস করতে হয় এই কথাটা বুঝিয়ে মগজধোলাইয়ের চেষ্টা করেছিলেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কাস্টিং কাউচে কী হয় সেই নিয়ে কথা বলেছেন আশা। তার কাস্টিং কাউচের অভিজ্ঞতার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, তখন কো-অর্ডিনেটর ছিল। কিন্তু সেই সময়ের কো-অর্ডিনেটর ছাড়াও কিছু লোকজন থাকতো, যাদের ওখানে সেইভাবে কোনো কাজ থাকতো না। তাই আমি যখন সেটা বুঝতে পারলাম, ওদের সঙ্গে দেখা করা বন্ধ করে দিলাম। আমি খারাপ কিছু হওয়ার আগেই বুঝে গিয়েছিলাম, এটা ভাবলে আমার স্বস্তি লাগে। কিন্তু একেবারে শুরু থেকেই তো সব বুঝে যাইনি। কাস্টিং কাউচের এক ব্যক্তি তখন টেলিভিশন, বিনোদন জগৎ ইত্যাদি অনেক বিষয় নিয়ে বহু কথা বলতেন।
তখন আমার বয়সও অল্প, ওই ২০ এর আশপাশে। সেভাবে কিছুই জানি না এই জগৎটা সম্পর্কে, তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই আমি সব শুনতাম। সেই সময় তিনি প্রায় আমার মগজধোলাই করার চেষ্টা করছিলেন। আমাকে বলেছিলেন যে এটাই হয়, এভাবেই তুমি বড় হবে। ওই ব্যক্তি আমাকে বলেছিলেন, টিভির অভিনেত্রীরা সবাই আপস করেছেন।
আশা জানান, ওই ব্যক্তি তাকে সরাসরি কোনো প্রস্তাব দেয়নি বা আপস করার বিষয়ে কিছু বলেনি ঠিকই। কিন্তু আকারে – ইঙ্গিতে ওর উদ্দেশ্য বোঝাতে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেটা থেকে অভিনেত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যদি আপস করেই কাজ পেতে হয়, তবে তিনি এভাবে কাজ করতে বা বিনোদন জগতে তার ক্যারিয়ার গড়তে বিশেষ আগ্রহী নন। ওই সময় এই কথা শুনে আশা অনেকটা ভয়ও পেয়েছিলেন। সেই সময় তিনি ‘পবিত্র রিশতা’য় কাজ করতেন। সেই মেগার এক অভিনেতাকে আশা ফোন করে সেই ঘটনার কথা জানিয়েও ছিলেন। কিন্তু এই ঘটনায় সেই অভিনেতা আশ্চর্য তো হননি, বরং এটাকে একটি সাধারণ ঘটনা হিসেবে এড়িয়ে গিয়েছিলেন।এই প্রসঙ্গে আশা বলেন, আমি ওকে বলেছিলাম, যদি এসব করতে হয়, তবে আমি মোটেও আগ্রহী নই। আমার বন্ধু শুধু বলেছিলেন, এসব হয়, এটা স্বাভাবিক। তিনি অবাকও হননি আমার কথা শুনে।
প্রসঙ্গত: আশা নেগি জনপ্রিয় টিভি শো ‘পবিত্র রিশতা’য় ‘পূরবী দেশমুখ কির্লোস্কার’ এর চরিত্রে অভিনয় করার জন্য জনপ্রিয়। এ ছাড়া তিনি বেশ কিছু টিভি শো করেছেন। তাছাড়া তিনি গৌরবী কর্মকারের সঙ্গে ওয়েব সিরিজ ‘বারিশ’ এ অভিনয় করেছেন।

ঈশ্বরদীতে দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৫ পিএম
ঈশ্বরদীতে দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকায় অবস্থিত দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুল–এর শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিলের উদ্যোগে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব উপহার সামগ্রী তুলে দেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট গোপাল অধিকারী। পুরো কার্যক্রমের সমন্বয় করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেন। এ সময় বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবার এবং শিশুদের মাঝে বিভিন্ন ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়, যাতে তারাও ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে পারে।

উপহার সামগ্রী হাতে পেয়ে উপকারভোগীরা আনন্দ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, সমাজের সচেতন ও সামর্থ্যবান মানুষ যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তবে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটবে এবং ঈদের আনন্দ সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়বে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুল শিক্ষার্থীদের কল্যাণ তহবিলের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

দুর্গাপুর উপজেলায় পথচারী ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

মোঃ খোরশেদ আলম লালন প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৪ পিএম
দুর্গাপুর উপজেলায় পথচারী ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় পথচারী ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছে ‘দুর্গাপুর স্বচ্ছ প্রেসক্লাব’। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬ইং) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৫০০ পথচারী ও অসহায় মানুষের হাতে ইফতার তুলে দেওয়া হয়। ইফতার বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা মামুন।
ইফতার বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে প্রধান অতিথি মো. গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, সাংবাদিকদের মূল দায়িত্ব হলো সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজের অসংগতি তুলে ধরা। গুজব ও মিথ্যা তথ্য থেকে দূরে থেকে নির্ভুল তথ্য যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত মতামতের চেয়ে তথ্য-প্রমাণকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এবং কোনো বিশেষ পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। সাংবাদিকতায় সততা, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার পাশাপাশি এমন কোনো সংবাদ পরিবেশন করা যাবে না, যা সমাজে বিভ্রান্তি বা ঘৃণা ছড়াতে পারে।
গোলাম মোস্তফা মামুন সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে সংবেদনশীল বা ঝুঁকিপূর্ণ সংবাদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি ভাষা ও বানানের বিষয়ে সচেতন থাকা এবং নিয়মিত পড়াশোনা ও গবেষণার মাধ্যমে তথ্যসমৃদ্ধ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান তিনি।
ইফতার নিতে আসা পথচারী ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটে ওঠে। তাঁরা বলেন, দুর্গাপুরে এই প্রথম এত বড় পরিসরে ইফতার বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমন মানবিক উদ্যোগের জন্য দুর্গাপুর স্বচ্ছ প্রেসক্লাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তাঁরা।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি রুবেল সরকার, মো: চয়েন উদ্দিন শেখ, মো:শহিদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, দুর্গাপুর স্বচ্ছ প্রেসক্লাবের সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আ:খালেক, সহ-সভাপতি মো: খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: রাকিবুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: হাবিবুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আসাদুজ্জামান সুমন, আইনবিষয়ক সম্পাদক এ এইচ বিজয়, কোষাধ্যক্ষ মো:রবিউল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক সিহাব আলম সম্রাট, প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জীবন,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকবিষায়ক সম্পাদক নাইম ইসলাম সহ প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্যরা।

থামছে না ‘মাটিদস্যুদের’ দৌরাত্ম্য

ফেনীতে ফসলি জমির টপসয়েল যাচ্ছে শতাধিক ইটভাটায়

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১১ পিএম
ফেনীতে ফসলি জমির টপসয়েল যাচ্ছে শতাধিক ইটভাটায়

আইন অমান্য করে রাতের আঁধারে কৃষিজমি, খাল ও নদীপাড় থেকে মাটি কাটছে সিন্ডিকেট; ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানেও বন্ধ হচ্ছে না পরিবেশবিধ্বংসী বাণিজ্য

ফেনী জেলায় কৃষি জমির উর্বর মাটি কেটে শতাধিক ইটভাটায় সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কৃষি জমি ব্যবহার ও সুরক্ষা আইন এবং পরিবেশ আইন অমান্য করে দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ফসলি জমির টপসয়েল (উর্বর মাটি) কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে যেমন কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা নামলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে মাটিদস্যুদের সিন্ডিকেট। প্রতিদিন শত শত ট্রাক ও পিকআপে করে মাটি পরিবহন করা হচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। মাটিবাহী এসব ভারী যানবাহনের কারণে স্থানীয় সড়কগুলোও দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জেলার ফেনী সদর উপজেলার বিরলী, ভগবানপুর, শর্শদী, বালিগাঁও, লেমুয়া, ছনুয়া, মোটবী ও কাজিরবাগ এবং দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর, জায়লস্কর, সিন্দুরপুর, রামনগর, এয়াকুবপুর ও মাতৃভূঞাসহ ফুলগাজী, পরশুরাম ও সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে কৃষিজমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় এক দশক ধরে এই অবৈধ মাটি কাটার কার্যক্রম চলছে।

অভিযোগ রয়েছে, লেমুয়া ও ছনুয়া ইউনিয়নের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে শত শত একর কৃষিজমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

ফলে লেমুয়ার দক্ষিণ লেমুয়া, মীরগঞ্জ, উত্তর চাঁদপুর ও দক্ষিণ চাঁদপুর এলাকায় বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এদিকে ফেনী সদরের বিরলী ও রতনপুর এলাকায় বিগত দেড় যুগ ধরে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় অবাধে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি বিরলী ও ভগবানপুরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করের চড়া খালের পাড়ও কেটে নেওয়া হয়েছে। এমনকি মাটি পরিবহনের সুবিধার্থে খালের পাড় এবং বন বিভাগের গাছ কেটে বিকল্প রাস্তা তৈরি করার ঘটনাও ঘটেছে।

এ ঘটনায় খবর পেয়ে ফেনী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন অভিযান চালান। অভিযানে কাউকে আটক করা না গেলেও তিনটি এক্সকাভেটর জব্দ করা হয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উত্তর কাশিমপুর গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে ২০ থেকে ৩০ ফুট গভীর গর্ত করে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে।

এর ফলে পাশের জমির মাটিও ধসে পড়ছে এবং অনেক জমি জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। আগে এসব জমিতে বোরো ধান ও সরিষা চাষ হলেও এখন সেখানে ফসল উৎপাদন দিন দিন কমে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, অনেক জমির মালিক টাকার লোভে মাটি বিক্রি করলেও অধিকাংশ কৃষক মাটি ব্যবসায়ীদের চাপের মুখে বাধ্য হয়ে জমির মাটি বিক্রি করছেন।

এসব মাটির শেষ গন্তব্য হচ্ছে জেলার বিভিন্ন ইটভাটা।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত এক মাসে রাতের বেলায় পরিচালিত ২৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এতে ২১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং সাতজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জব্দ করা হয়েছে মাটি কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম।

ফেনী উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তৈয়ব বলেন, “ফসলি জমির উপরের ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি মাটিতে জৈব উপাদান থাকে। এই মাটি কেটে নেওয়া হলে জমির উর্বরতা স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়। তাই কৃষিজমির মাটি কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি।”

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, “বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ফসলি জমির টপসয়েল বিক্রি করা আইনত অপরাধ।

মাটি বিক্রি বন্ধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই সমানভাবে দায়ী—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা, দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ভবিষ্যতে ফেনীতে কৃষিজমির পরিমাণ ব্যাপকভাবে কমে যাবে এবং খাদ্য উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

error: Content is protected !!