সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

সেনবংশের করুণ ইতিহাস

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:০৪ এএম | 77 বার পড়া হয়েছে
সেনবংশের করুণ ইতিহাস

লক্ষ্মণসেনের মৃত্যুর পর সেনবংশের ভাগ্যে আর স্থিতি রইল না। রাজসিংহাসনে আরোহণ করলেন মাধবসেন, কিন্তু তাঁর রাজত্বকাল মূলত আত্মরক্ষা ও অস্থিরতার মধ্যেই কেটে যায়। মুসলমান আক্রমণের মুখে অবশিষ্ট সেনরাজ্য রক্ষা করাই হয়ে ওঠে তাঁর প্রধান কর্তব্য। ফলে সুসংহত প্রশাসন ও দীর্ঘমেয়াদি শাসনব্যবস্থার দিকে বিশেষ মন দেওয়া সম্ভব হয়নি।
হরিমিশ্রের কারিকা থেকে জানা যায়, মাধবসেন রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণদের বিশেষভাবে চারিবরণ বা সমীকরণ করেন। সম্ভবত এই ব্রাহ্মণসমাজকে কেন্দ্র করেই সেনরাজারা ক্রমশ ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং রাজ্যের সুশাসন দুর্বল হয়ে যায়। একপর্যায়ে মাধবসেন রাজ্যভার ভ্রাতা কেশবসেনের হাতে অর্পণ করে নিজে হিমালয় প্রদেশে তীর্থযাত্রায় গমন করেন।
কুমায়ূনের আলমোড়ার নিকটবর্তী যোগেশ্বর মন্দিরের শিলালিপিতে মাধবসেনের কীর্তির উল্লেখ রয়েছে। তাঁর সঙ্গে বহু ব্রাহ্মণও তীর্থভ্রমণে গমন করেন। কেদারভূমির বাণেশ্বর মন্দিরে প্রাপ্ত এক তাম্রশাসনে ভট্টনারায়ণ বংশীয় রুদ্রশর্ম্মার নাম পাওয়া যায়। আবার সূক্তিকর্ণামৃত গ্রন্থে মাধবসেনের রচিত কবিতাও সংরক্ষিত আছে। সাধারণভাবে মনে করা হয়, মাধবসেন প্রায় দশ বছর রাজত্ব করেন।
মাধবসেনের পর সেনসিংহাসনে বসেন কেশবসেন। কিন্তু তাঁর পক্ষে গৌড় রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। মুসলমানদের অগ্রগতির ফলে তিনি পূর্ববঙ্গে সরে যেতে বাধ্য হন এবং অনুমান করা হয় যে, ১২১৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তাঁর রাজত্ব বিস্তৃত ছিল। এই সময় বহু ব্রাহ্মণ গৌড় ত্যাগ করে কেশবসেনের সঙ্গে পূর্ববঙ্গে গমন করেন।
কেশবসেনের সভাসদ এডুমিশ্র উল্লেখ করেছেন, মুসলমানেরা গৌড় ও নদীয়া অধিকার করলে কেশবসেন পিতামহ লক্ষ্মণসেন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কুলীনদের সঙ্গে নিয়ে বিক্রমপুরে এক সেন-রাজার আশ্রয় গ্রহণ করেন। সেই সেনরাজা এডুমিশ্রকে অনুরোধ করলে তিনি বল্লালী কুলীন নিয়ম প্রণয়ন করেন। তবে এই সেন-রাজার নাম আজও ইতিহাসে নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত হয়নি।
কেশবসেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ তাম্রশাসন আবিষ্কৃত হয়েছে, যা মূলত মাধবসেনের সময়ে লিখিত হলেও পরে কেশবসেনের নামে দান হওয়ায় পূর্ববর্তী নাম কেটে নতুন নাম খোদাই করা হয়। এই তাম্রশাসন থেকে জানা যায় যে কেশবসেন ছিলেন সৌর উপাসক, এবং তাঁর দীর্ঘ উপাধির মধ্যে ‘শঙ্কর গৌড়েশ্বর’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সেনবংশের প্রায় সকল রাজার ক্ষেত্রেই এই উপাধির ব্যবহার দেখা যায়।
এই তাম্রশাসন থেকে আরও জানা যায়, দানকৃত ভূমি ছিল পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির অন্তর্গত বিক্রমপুর অঞ্চলে। পালরাজাদের তাম্রশাসনে যেখানে পুণ্ড্রবর্ধন, তীরভুক্তি ও শ্রীনগর—এই তিনটি ভুক্তির উল্লেখ পাওয়া যায়, সেখানে সেনরাজাদের ক্ষেত্রে কেবল পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির নামই পাওয়া যায়। এর থেকেই স্পষ্ট বোঝা যায় যে, সেনরাজ্যের বিস্তার পালরাজ্যের তুলনায় অনেক সীমিত ছিল। কেশবসেনের সময় কার্যত শুধু বিক্রমপুর অঞ্চলই সেনদের অধিকারে ছিল; বঙ্গের বাকি অংশ মুসলমানদের করায়ত্ত হয়ে পড়ে।
এই সংকটময় সময়ে সেনবংশের শেষ শক্তিমান প্রতিনিধি হিসেবে আবির্ভূত হন বিশ্বরূপ সেন—লক্ষ্মণসেনের কনিষ্ঠ পুত্র ও বসুদেবীর গর্ভজাত সন্তান। তিনি ছিলেন তাঁর ভ্রাতাদের তুলনায় অধিক বীর ও সংগ্রামী। মুসলমানদের অগ্রযাত্রা প্রতিহত করতে তিনি বহু চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়ে পূর্ববঙ্গে সরে যেতে বাধ্য হন। কেশবসেনের মৃত্যুর পর ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি সেনসিংহাসনে আরোহণ করেন।
বিশ্বরূপ সেনের প্রদত্ত একটি তাম্রশাসন আজও পাওয়া যায়, যা কেশবসেনের দানীয় ঈশ্বর দেবশর্ম্মার ভ্রাতা বিশ্বরূপ দেবশর্ম্মাকে প্রদান করা হয়েছিল। এতে দুটি ভূমিদানের উল্লেখ আছে—একটির পরিমাণ ৬০০, অপরটির ৫৪৭। এর মধ্যে একটি ভূমি ছিল পোঞ্জিকাপী গ্রামে, যার বর্তমান নাম পিঞ্জারী—বর্তমান ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত।
এইভাবেই লক্ষ্মণসেনের পরবর্তী যুগে সেনবংশ ক্রমশ শক্তি, ভূখণ্ড ও রাজনৈতিক প্রভাব হারিয়ে ইতিহাসের অন্তিম প্রান্তে উপনীত হয়—যা মধ্যযুগীয় বাংলার এক করুণ ও শিক্ষণীয় অধ্যায়।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!