রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২

শীতে মধু খেলে যেসব উপকার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:১৪ পিএম | 81 বার পড়া হয়েছে
শীতে মধু খেলে যেসব উপকার

মধু যতটা সুস্বাদু, তার থেকেও বেশি উপকারী। শরীরের একাধিক উপকার করে এই উপাদান। বছরের যেকোনো সময়েই মধু খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালের জন্য এটি আরও বেশি কার্যকরী। শীতকালে মধু খেলে গলাব্যথা, খুসখুসে কাশি, সর্দি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দূরসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

 

শীত এসে গিয়েছে। ঠান্ডা, শুষ্ক আবহাওয়ায় মধু খাওয়ার চর্চা অনেকেরই রয়েছে। তবে যারা এখনও মধু খাওয়ার অভ্যাস গড়েননি, তাদের জন্য আজ শীতের ডায়েটে মধু রাখার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

মধুর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা

 শক্তি ও তাপ জোগায়: মধুতে থাকা গ্লুকোজ শরীরে দ্রুত শক্তি দেয় এবং শরীরকে উষ্ণ রাখে, যা শীতকালে খুব দরকার।

রক্ত গঠনে সহায়ক: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে, শরীরের অক্সিজেন পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ভাইরাল গুণশক্তির কারণে শীতকালে ঠান্ডা, কাশি ও গলাব্যথার সমস্যা কমাতে সহায়ক।

হজমে সাহায্য করে: শীতে হজমশক্তি কমে যায়, মধু হজমের উন্নতি ঘটায় এবং পেটের অম্লভাব কমায়।

ত্বককে ভালো রাখে: হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে শুষ্ক ত্বক নরম ও উজ্জ্বল হয়।

হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধে কার্যকর: মধুতে থাকা পলিফেনল হৃদ্‌যন্ত্রের সুস্থতা বাড়ায়। দারুচিনির সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে রক্তনালীর সমস্যা কমে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।

ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: পাশাপাশি হাঁপানি, ফুসফুসের সমস্যা, অনিদ্রা ও বুক জ্বালা কমাতে সাহায্য করে।

ক্যালরি ও পটাশিয়ামের উৎস: মাত্র ১ চা-চামচ মধুতে প্রায় ২১ ক্যালরি এবং পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের জন্য উপকারী।

কীভাবে মধু খেতে পারেন?

সরাসরি সকালে আধা থেকে এক চা-চামচ মধু খাওয়া।

টক ফল বা ফলের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়া।

লেবুর রস, আদার রস বা কমলার রসের সঙ্গে মধু দিয়ে পানীয় তৈরি।

রং চা, লেবু চা বা গ্রিন টিতে সামান্য মধু মেশানো যায় (দুধের চায়ে নয়)।

ওটস বা সালাদের ড্রেসিংয়ে মধু ব্যবহার।

রান্নায় চিনির বিকল্প হিসেবে মধু প্রয়োগ (যেমন মিষ্টি স্বাদের মাছ বা মুরগির পদে)।

সতর্কতা

অতিরিক্ত মধু খাওয়া রক্তে শর্করা ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়াতে পারে, যা শারীরিক জটিলতার কারণ হতে পারে।

একবারে বেশি পরিমাণে মধু না খাওয়া ভালো, কারণ এতে হজমের সমস্যা বা অ্যাসিডিটি হতে পারে।

শিশুদের অতিরিক্ত মধু দেওয়া উচিত নয়, কারণ তা তাদের অতিচঞ্চলতা সৃষ্টি করতে পারে।

যাদের মধুতে অ্যালার্জি আছে তারা অল্প পরিমাণেও খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

ডায়াবেটিস বা ফ্যাটিলিভার আক্রান্তদের মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য,  শীতের সময় মধু খাওয়া শরীরকে উষ্ণতা, শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দেয়। এটি হজমকে ভালো করে, ত্বক উজ্জ্বল রাখে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে। তবে, মধুর সঠিক মাত্রা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

সুন্দরবনে ৪ হাজার ফুট ফাঁদসহ হরিণ শিকারিকে আটক করেছে বনবিভাগ

ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৯ পিএম
সুন্দরবনে ৪ হাজার ফুট ফাঁদসহ হরিণ শিকারিকে আটক করেছে বনবিভাগ

‎সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে ছগির খান (৪০) নামে এক হরিণ শিকারিকে আটক করেছে বনরক্ষীরা।

‎শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী ডিমের চর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছে থাকা ৪ হাজার ফুট মালাফাঁদ, মাংস পরিমাপ করা দাড়িপাল্লা, ২ কেজি সাদা পলিথিন জব্দ করা হয়।

‎আটক শিকারি ছগির খান বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ চরদুয়ানী গ্রামের রুস্তম আলী খানের ছেলে।

‎বন বিভাগ জানায়, শনিবার সকালে সুন্দরবনের কচিখালীর ডিমেরচরে নিয়মিত টহলকালে বনের মধ্যে মালাফাঁদ পাতা দেখতে পান। এসময় বনরক্ষীরা তল্লাশি করে ছগির খান নামে এক হরিণ শিকারিকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয়। আটক শিকারির কাছ থেকে ৪ হাজার ফুট মালাফাঁদ, মাংস পরিমাপ করা দাড়িপাল্লা, ২ কেজি সাদা পলিথিন, প্লাস্টিক বস্তা, চাল ডালসহ আনুষঙ্গিক মালামাল জব্দ করে বনরক্ষীরা।

‎এসময়ে বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও ৫ হরিণ শিকারী পালিয়ে যায়।

‎সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার ড. রেজাউল করিম বলেন, কচিখালীর ডিমেরচরে মালা ফাঁদসহ আটক হরিণ শিকারির বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। রোববার সকালে আটক শিকারিকে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান এই বন কর্মকর্তা।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সচেতনতার আহ্বান জানালেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার:: প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সচেতনতার আহ্বান জানালেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

“সরকারি জলমহাল আইন, ২০২৬ এর খসড়া চূড়ান্তকরণ” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু এমপি বলেছেন, ইসরায়েল ইরান যুদ্ধ কে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে বিশ্বে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।

শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির অভাবে হাওর অঞ্চলে ধান ঘরে তুলতে যেন কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে—এ বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ভূমধ্যসাগরে সাম্প্রতিক ঘটনায় ১২টি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে, এবং প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে।
মন্ত্রী জানান, জলমহাল আইন, ২০২৬ এর খসড়া চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর আগে এভাবে অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ খুব কমই নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের এমপি মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ দিলনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কর্মশালার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা তাজুল ইসলাম এবং গীতা পাঠ করেন অমিত চক্রবর্তী। স্বাগত বক্তব্যে সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ বলেন, অংশীজনদের উপস্থিতিতে এ ধরনের আয়োজন বিরল। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে—যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা জলমহালের সুফল পায় এবং একইসঙ্গে সরকারি রাজস্বও নিশ্চিত হয়।
উন্মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নেতারা অভিযোগ করেন, প্রকৃত জেলেরা জলমহালের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হচ্ছেন। তারা জলমহাল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানান।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং বিষয়টি নজরে রাখার আশ্বাস দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মাছ ধরা বন্ধ মৌসুমে বিকল্প কর্মসংস্থান হিসেবে হাঁস-মুরগি পালনসহ অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি জলমহাল ইজারার মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়েও ভাবনার কথা জানান।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন জলমহাল আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা উপকৃত হবেন এবং এ খাতে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান হবে।##

 

সাইফ উল্লাহ
মোবা: ০১৭১২৪৫১৪৪৬
তারিখ: ৫/৪/২৬

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারী আটক

স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আল-আমিন ভূঁইয়া প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারী আটক

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে এক নারীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রবিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) উপজেলার একটি নির্দিষ্ট এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, আটককৃত নারী দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ ও ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় মাদক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এর প্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান জোরদার করে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার একজন কর্মকর্তা জানান, আটককৃত নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!