শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

ঢাকা-১৮ আসনে যাঁর নাম উচ্চারিত হলে রাজপথের লড়াই

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১০ পিএম | 121 বার পড়া হয়েছে
ঢাকা-১৮ আসনে যাঁর নাম উচ্চারিত হলে রাজপথের লড়াই

ঢাকা-১৮ আসনে যাঁর নাম উচ্চারিত হলে রাজপথের লড়াই, সংগঠনের শৃঙ্খলা আর নির্যাতনের মধ্যেও টিকে থাকার দৃঢ়তা- সবকিছু একসাথে মনে পড়ে, তিনি আরিফুল ইসলাম আদীব।

বরিশালের সন্তান আরিফুল ইসলাম রাজনীতিতে ধূমকেতু হয়ে আসেননি, তিনি এসেছেন আন্দোলনের বন্ধুর পথ মাড়িয়ে, বিভিন্ন সংগঠনের নানা স্তরের কাজের ভেতর দিয়ে, আর একের পর এক প্রতিকূলতার মাঝখান দিয়ে নিজেকে একজন পরীক্ষিত যোদ্ধা হিসেবে দাঁড় করিয়ে।

বর্তমানে আরিফুল ইসলাম জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতোপূর্বে এনসিপির রাজনৈতিক লিয়াঁজো কমিটির প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

রাজপথের আন্দোলন থেকে সংগঠনের পথে যাত্রা

আরিফুল ইসলামের রাজনৈতিক পথচলার শুরু ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে। সেই আন্দোলনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখায় সাংগঠনিক কাজের হাতেখড়ি তখনই। পরের বছর, ২০১৯ সালে, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ আন্দোলনে তিনি ছিলেন অন্যতম সংগঠক, যে আন্দোলন ক্যাম্পাসে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, স্পষ্ট করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর জিরো টলারেন্স নীতিকেও।

সংগঠক হিসেবে আরিফুল ইসলামের ভূমিকা শুধু আন্দোলনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি রাজনৈতিক দল গণঅধিকার পরিষদের ঘোষণাপত্র প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন, যুক্ত ছিলেন দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন সংগঠক হিসেবেও।

২০২৩ সালে ১৬টি ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্যের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০২৪ সালে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে সংগঠিত ঐতিহাসিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লিয়াঁজো কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং নেতৃত্ব- রাজনীতির ময়দানের অতি গুরুত্বপূর্ণ এই তিন জায়গাতেই নিরলস ও কার্যকরভাবে তিনি কাজ করে গেছেন গত অর্ধযুগেরও বেশি সময় ধরে।

শত নির্যাতনেও হাল না ছাড়ার গল্প

রাজপথের লড়াকু ও পরীক্ষীত সৈনিক আরিফুল ইসলাম একাধিকবার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

২০১৯ সালে ডাকসু ভবনে ছাত্রলীগের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। আঘাত এতটাই মারাত্মক ছিল যে কিডনি ডায়ালাইসিস করতে হয় তাঁর, গুরুতর জখম হয় চোখেও।

২০১৯ থেকে ২০২৪- এই পাঁচ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন জেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের একাধিক হামলা ও নির্যাতনের শিকার হন তিনি।

জীবনে চলার পথে এতসব প্রলয়ঙ্কারী ঝড়ের মুখোমুখি হয়েও তিনি থমকে যাননি, বরং রাজনৈতিক জীবনের ক্রমাগত নির্যাতন-নিপীড়নই তাঁকে আজকের দক্ষ নেতা হিসেবে গড়ে তুলেছে।

পেশাগত জীবন

রাজনীতির বাইরে আরিফুল ইসলামের একটি পেশাগত পরিচয়ও আছে। তিনি যুক্ত আছেন সাংবাদিকতার সঙ্গে। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ফ্রিল্যান্স লেখক হিসেবে কাজ করেছেন। ২০২০ সালের পর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট এবং মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট হিসেবে কাজ করছেন তিনি।

পরিবার ও শিক্ষাজীবন

আরিফুল ইসলামের বাবা একজন শিক্ষক, চাকরি করছেন একটি ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ হিসেবে, আর মা গৃহিণী। ২০১১ সালে বাঘিয়া আল আমিন কামিল মাদ্রাসা থেকে মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর ভর্তি হন ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদ্রাসায়, এবং ২০১৩ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি উচ্চশিক্ষার্থে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ভর্তি হন। ২০১৮ সালে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি।

পরিবার থেকে পাওয়া নৈতিক শিক্ষা, রাজপথের আন্দোলন আর বিভিন্ন সংগঠন পরিচালনার মাধ্যমে অর্জিত রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, ফ্যাসিবাদের দোসরদের নির্যাতনের শিকার হয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিতের সুদৃঢ় চেতনা, এবং সাংবাদিকতায় যুক্ত থেকে জনগণের আরও কাছে এসে তাদের সমস্যাগুলো বুঝতে পারা, সেগুলো সকলের সামনে তুলে ধরে সমাধানের চেষ্টা করা- সব মিলিয়ে আরিফুল ইসলাম আদীবের জীবন যেন একটিই বার্তা দেয়: রাজনীতির ময়দানে দীর্ঘদিনের লড়াকু সৈনিক হিসেবে থাকতেই এসেছেন তিনি, নিয়েছেন গণমানুষের অধিকার আদায়ের মহান ব্রত, যে ব্রত লালন করে এই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জনগণের সেবা করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।

সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যেই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি-র পক্ষে শাপলা কলি প্রতীকে ঢাকা ১৮ আসনে লড়বেন আরিফুল ইসলাম আদীব। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রেখে ঢাকা ১৮ আসনের বাসিন্দাদের জন্য একটি নিরাপদ, নিশ্চিন্ত, সম্ভাবনাময় নাগরিক জীবন নিশ্চিত করতেই নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০১ এএম
নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই শাহিনুর ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শেখের বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে তথ্যের ভিত্তিতে বড়চাঁপা ইউনিয়নের চন্ডীতলা গ্রামের জুয়েল রানার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল রানা (৩৫) পালিয়ে যায়।
পরে তার স্ত্রী অপু (৩০)-কে আটক করা হয়। নারী পুলিশের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে তার দেহ থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটককৃত নারী ও তার পলাতক স্বামী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক অপুকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক জুয়েল রানাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

মোঃ সুজন বেপারী

মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মোঃ সুজন বেপারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওস্তাদ মোতালেব পাটোয়ারী সুপরিচিত মিরকাদিম পৌর রিকাবী বাজার মিনি স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি গঠনে দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা জানিয়েছেন মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ।

মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক নতুন মিনি স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে জনাব মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ বলেন, সারাবাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প নিয়েছে এটা একটা উল্লেখযোগ্য কারণ আমাদের জাতি কে ও সমাজ কে যারা উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আমাদের তরুণ সমাজ উপকৃত হবে, রাষ্ট্রীয় উপকৃত হবে, তবে আমি আশাবাদী এজন্যই আল্লাহ্ রহমতে খেলাধুলা তরুণদের লক্ষ্য এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম এর ক্রিকেট ও মাঠ পরিচালক ও জেলা সহ-সভাপতি ক্রিকেট এসোসিয়েশন ক্রীড়া মোঃ রনি খাঁন বলেন, ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল, আমরা শুধু ভালো ক্রিকেটার তৈরি করতে চাই না, আমরা ভালো মানুষও তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশে আমরা ক্রিকেটের মাধ্যমে ভালো তরুণ খেলোয়াড় খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দেওয়া প্রজন্মেদের গড়ে তুলতে চাই।

রনি খাঁন কথাতেই বোঝা যায়, তিনি ক্রিকেটকে জাতীয় আত্মপরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখেন। তার ভাবনায় মিরকাদিম স্টেডিয়াম ক্রিকেট শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, আচরণ ও মূল্যবোধ দিয়েও নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করবে। বলেন, ‘ক্রিকেট আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ঐক্যের জায়গা। এখান থেকেই আমরা শিখতে পারি পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা, দেশপ্রেম। এই গুণগুলোই আমাদের ভালো তরুন প্রজন্মেদের হতে সাহায্য করবে।’

মিরকাদিম পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠের ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার নিজেরই সঁপ্ন ছিলো অনেক বড় পিলিয়ার হওয়া যেটা আমি যখন দেখেছি যে একটা সময় ভালো জায়গায় পোঁছাতে পারিনি তো সেটা আমার নিজেরই ব্যার্থতা।

ফুটবল এর কোচ তিনি আরও বলেন, তবে আমরা আপনারা মাধ্যমে সবাইর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যদি অনেকেই বলে যে মাদক ছেরে মাঠে আয় আসলে এটা সবাইর মুখেমুখেই বাস্তবে সেটা হয়না। বাস্তবে অনেক ছেলেবেলেরা দেখি এন্ড্রয়েড বড় বড় মোবাইল নিয়ে বসে থাকে এবং গেমস খেলে যদি বলি মাঠে আসতে তো আমি অনেক চেষ্টা করি সবাইকে মাঠে আনার জন্য নিজেকে ফুটবল বা ক্রিকেট একটা খেলার সাথে সম্পৃক্ত রাখার জন্য যাতে ফুটবল বা ক্রিকেট খেললে মনমানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থ্যতা অনেক ভালো থাকে।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম মাঠের দায়িত্ব পদে ক্রিকেট পরিচালক রনি খাঁন ও ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোহাম্মদ মোজ্জামেল হোসেন বলেন, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখেন, আমরা পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের এমন উচ্চতায় নিয়ে যাব, যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে গর্ব করতে পারি মিরকাদিম পৌরবাসী ইনশাআল্লাহ্।

error: Content is protected !!