সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

“সত্যকে ধারণ করতে হলে সাংবাদিককে প্রথমে সৎ হতে হবে”

আজ মানবতার ফেরিওয়ালা খান সেলিম রহমানের শুভ জন্মদিন 

MD. ABDUL AZIZ
MD. ABDUL AZIZ - MANAGING EDITOR, BANGLADESH প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৩ এএম | 124 বার পড়া হয়েছে
আজ মানবতার ফেরিওয়ালা খান সেলিম রহমানের শুভ জন্মদিন 

আজ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫—জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C.)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দেশবরেণ্য সংগঠক ও মানবতার ফেরিওয়ালা খান সেলিম রহমানের শুভ জন্মদিন।

বাংলাদেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে তাঁর দীর্ঘ পথচলা, দিকনির্দেশনামূলক নেতৃত্ব এবং মানবিক কর্মকাণ্ড তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

১৯৭৭ সালের ১১ ডিসেম্বর ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌর নগর গ্রামের এক স্বনামধন্য মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাবা আলহাজ্ব আবদুর রব মিয়া ছিলেন নীতিবান ও সমাজসেবায় অগ্রণী একজন মানুষ; মা বিবি জারিফা ছিলেন পরোপকারী ও শিক্ষামুখী এক আদর্শ নারী। পারিবারিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার শিখন তাঁর ব্যক্তিত্বকে শৈশব থেকেই মানবিক ও দায়িত্বশীল করে গড়ে তোলে।

মেধা, সাহস ও দৃঢ়চেতা মনোভাব নিয়ে তিনি সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জপূর্ণ পথ অতিক্রম করে আজ হয়ে উঠেছেন সত্যনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী এক গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সংগঠন পরিচালনার আধুনিক ধারা প্রবর্তন, তরুণদের পেশাগত প্রশিক্ষণ—সব ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মামলা বা নির্যাতনের ঘটনায় সর্বপ্রথম পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত। বিভিন্ন সময় আইনগত সহযোগিতা ও পেশাগত সুরক্ষায় তাঁর অক্লান্ত ভূমিকা তাঁকে সাংবাদিক সমাজের অভিভাবক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। মানবিকতার প্রতি গভীর দায়বদ্ধতার জন্যই তাকে সবাই সম্মান করে “মানবতার ফেরিওয়ালা” হিসেবে।

গণমাধ্যমের মানোন্নয়ন, নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা, তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণ এবং স্বচ্ছ সাংবাদিকতার প্রচারে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর বিশ্বাস—“সত্যকে ধারণ করতে হলে সাংবাদিককে প্রথমে সৎ হতে হবে”—এ নীতিতে তিনি পুরো কর্মজীবন পরিচালিত করছেন।

তাঁর জন্মদিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাংবাদিকরা শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন—খান সেলিম রহমান কেবল একজন সম্পাদক নন; তিনি তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণার বাতিঘর। দূরদর্শী নেতৃত্ব, ইতিবাচক নির্দেশনা এবং মানবিক মূল্যবোধ তাঁকে করেছে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব।

দুর্যোগ, সামাজিক সংকট কিংবা সাধারণ মানুষের বিপদে তিনি সবসময় পাশে দাঁড়ান—যা তাঁর মানবিক সত্তার উজ্জ্বল প্রমাণ। সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর নিয়মিত সম্পৃক্ততা তাঁকে সাধারণ মানুষেরও আস্থার প্রতীক করে তুলেছে।

গণমাধ্যম অঙ্গনে তাঁর অবদান নিঃসন্দেহে ইতিহাসে স্থান করে নেবে। দায়িত্বশীল, নৈতিক ও স্বচ্ছ সাংবাদিকতার যে ধারাবাহিক মানদণ্ড তিনি তৈরি করেছেন, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাথরুমে পড়ে গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপি

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম
বাথরুমে পড়ে গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপি

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) নাজির আহমেদ খান তাঁর সরকারি বাসভবনের বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। ২৯ মার্চ (সোমবার) সকালে নগরের সিআরবি এলাকায় অবস্থিত এসপির সরকারি বাংলোতে তিনি এ দূর্ঘটনার শিকার হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন এসপি নাজির আহমেদ খান। পরে বাসার কর্মচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে জানান, তাঁর বাম পা মারাত্মকভাবে ভেঙে গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় রেফার করা হয়।
তিনি আরও জানান, সোমবার বেলা দুইটার দিকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে করে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল (নিটোর)-এ ভর্তি করা হয়েছে।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

error: Content is protected !!