বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

মেহজাবিন চৌধুরী’র বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:১৩ পিএম | 143 বার পড়া হয়েছে
মেহজাবিন চৌধুরী’র বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

কিছুদিন আগেই মডেল – অভিনেত্রী তানজিন তিশা’র বিরুদ্ধে থানায় জিডি হয়েছে। সেই রেশ যেতে না যেতেই এবার আরেক জনপ্রিয় মডেল – অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী’র বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত, হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এই মামলায় মেহজাবিনের ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) ভাই – বোনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছ।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটিতে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (আদালত ৩) আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর ধার্য করা হয়েছে। আদালতে বাদীর করা ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭/ ১১৭(৩) ধারার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলায় বাদী আমিরুল হক উল্লেখ করেছেন বাদীর সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসামি মেহজাবীন চৌধুরী নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বাদী বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজ দেব কাল দেব বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরও অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা বলেন, এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না। তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলবো।
জানা যায়, এসব কথা বলে মেহজাবিন ও তার ভাই বাদী আমিরুল হককে জীবননাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য বাদী সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়।

মো:এনামুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ

শোলাকিয়ায় ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম জামাত সকাল ১০টায়

মো:এনামুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৪ পিএম
শোলাকিয়ায় ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম জামাত সকাল ১০টায়

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে এবার অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম জামাত। ঐতিহ্যবাহী এ মাঠে প্রতিবারই জেলা ছাড়াও সারাদেশ থেকে কয়েক লাখ মুসুল্লি ঈদের জামাতে অংশ নেন।

শোলাকিয়ায় ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম জামাত সকাল ১০টায় ইতিমধ্যে নামাজের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। ঈদ জামাতকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এবার জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।

বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে গিয়ে দেখা গেছে, সবশেষ তুলির আঁচড়ে রঙের প্রলেপ ছুঁয়ে যাচ্ছে ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীরে। নামাজের সময় মুসুল্লিদের কাতার সোজা করার জন্য দাগ কাটাও শেষ করা হয়েছে।

প্রতি বছর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদের জামাতের জন্য নেওয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। এবারও সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে স্থানীয় ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা মুসুল্লিদের কথা মাথায় রেখে। এ মাঠে ঈদের একটি মাত্র জামাত সকাল দশটায় অনুষ্ঠিত হবে। বংশপরম্পরায় এ মাঠে নামাজ পড়েন দেশের বিভিন্ন জেলার মুসুল্লিরা।

শোলাকিয়ার বাসিন্দা রহমত আলী বলেন, “এ মাঠে লক্ষ লক্ষ মানুষের সাথে নামাজ পড়লে কোন এক জনের দোয়াও যদি আল্লাহ কবুল করেন, তাহলে আমরাও সওয়াব পাবো। কারণ দোয়া সকলের জন্যই করা হয়ে থাকে। তাছাড়া এখানে ঈদের নামাজ পড়লে মনে শান্তি চলে আসে।”

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, “শোলাকিয়া মাঠে মুসুল্লিদের জন্য চার স্তরের নিরাপত্তা থাকবে। ঈদগাহ পর্যবেক্ষণের জন্য ৬টি ওয়াচ টাওয়ার, চারটি ড্রোন ক্যামেরা ও ৬৪টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিসহ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে জেলা শহরসহ ঈদগাহ মাঠ।”

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, “প্রতিবারের মতো এবারও দূর-দূরান্তের মুসুল্লিদের সুবিধার্থে ঈদের দিন ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। ঈদগাহে আগত মুসুল্লিদের জন্য সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে

নড়াইলের লোহাগড়ায় হিন্দু বাড়িতে গরু চুরি: পুলিশের খাঁচায় যুবক

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
নড়াইলের লোহাগড়ায় হিন্দু বাড়িতে গরু চুরি: পুলিশের খাঁচায় যুবক

নড়াইলের লোহাগড়ায় হিন্দু বাড়িতে গরু চুরির সময় চিৎকার করলে গুলি করার হুমকি, পুলিশের খাঁচায় যুবক।

গরু চুরির অভিযোগে গ্রেফতার মো. রফিকুল ইসলাম (৩৭)। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় গরু চুরির অভিযোগে মো. রফিকুল ইসলাম (৩৭) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তবে তার রাজনৈতিক কোনো পদ-পদবি নেই বলে জানা গেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাতে সারুলিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। সে ওই গ্রামের হামিদ বিশ্বাসের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৪ মার্চ) রাত ১১টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বসুপটি গ্রামের মৃত গুরুদাস দত্তের ছেলে গোপাল দত্তর বাড়ির গোয়ালঘর থেকে গরু চুরির সময় বাড়ির লোকজন টের পেয়ে চিৎকার করে। এসময় চিৎকারের শব্দে গ্রামের একজন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে গ্রামবাসী চোরচক্রকে ধাওয়া দেয়। এ সময় চোরের দল পালিয়ে গেলেও গ্রামবাসী একটি গরু উদ্ধার করে। পরে গোয়াল ঘরে চুরির সময়ের সিসি ক্যামেরার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশিত হয় যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন মুখোশ পরে দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে গোয়ালঘর থেকে গরু নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। সেই মুহূর্তে বাড়ির লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি করলে তাদেরকে গুলি করে দেবে বলে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে চোরচক্রের সদস্যরা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদ পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের সারুলিয়া গ্রাম থেকে চুরির ঘটনায় জড়িত রফিকুল ইসলামকে আটক করেন।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহমান বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলাম নামে
একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নামে চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামুনুর রশীদ মামুন, ময়মনসিংহ

ঈদযাত্রায় ময়মনসিংহে স্বস্তি: সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণে যানজট

মামুনুর রশীদ মামুন, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৪ পিএম
ঈদযাত্রায় ময়মনসিংহে স্বস্তি: সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণে যানজট

অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রায় ময়মনসিংহে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে স্বস্তির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রতীক হয়ে থাকা যানজট পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে,ফলে নগরবাসী ও যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ব্রিজ মোড়,দিঘারকান্দা বাইপাস মোড়সহ বিভিন্ন প্রবেশ ও প্রস্থান সড়ক ঘুরে দেখা গেছে—যানবাহনের চাপ থাকলেও তা স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে। কোথাও দীর্ঘস্থায়ী বা অসহনীয় যানজটের দৃশ্য চোখে পড়েনি। এতে ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন,জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগের ফলেই এ ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সরেজমিন তদারকি,দিকনির্দেশনা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় উপস্থিতি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাদের তৎপরতায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও ছিল অধিক সতর্ক ও কার্যকর। বিশেষ করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ,যানবাহনের সুষ্ঠু প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন—এসব উদ্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করেছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, “ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের যাতায়াতে স্বস্তি ফেরাতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন, আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।” এছাড়া ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবক কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। তারা যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও পথচারীদের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, যা সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করেছে। সাধারণ যাত্রীদের অনেকে জানান,আগে ঈদে বাড়ি ফেরার কথা ভাবলেই দুশ্চিন্তা হতো,তবে এবার অনেকটাই স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতেও ময়মনসিংহে ঈদযাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক হবে এবং এই সমন্বিত উদ্যোগ অন্যান্য জেলার জন্যও একটি উদাহরণ হতে পারে।

error: Content is protected !!