শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

হারিয়ে যাচ্ছে বেহুলা-লখিন্দরের লোকস্মৃতি

চলনবিলের পালাগান বিলুপ্তির পথে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৪ এএম | 99 বার পড়া হয়েছে
চলনবিলের পালাগান বিলুপ্তির পথে

মোঃ মাজেম আলী মলিন: একসময় চলনবিল ছিল শুধু জল, কাদা, মাছ আর পাখির দেশ নয়; ছিল সুর, কাহিনি, প্রেম, প্রতিবাদ ও বিশ্বাসে গড়া এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক মহাসড়ক। নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও আশপাশের এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পালাগান ছিল মানুষের প্রাণের উৎসব, সমাজচেতনার প্রতিধ্বনি। ভাদ্র মাস এলেই গ্রাম থেকে গ্রামে শুরু হতো পালাগানের আসর। নৌকাবাইচ, গ্রামীণ মেলা, হারমোনিয়ামের সুর আর ঢোলের তালে নেচে উঠত জনপদ। বেহুলা-লখিন্দর, মনসামঙ্গল, মহুয়া, ভাদু কিংবা ধনপতির পালা—সবই ছিল মানুষের আনন্দ, বেদনা আর আত্মপরিচয়ের গল্প।
কিন্তু আজ সেই সুর থেমে গেছে। প্রযুক্তির শব্দে ডুবে গেছে পালাগানের কণ্ঠস্বর। একসময়ের প্রাণবন্ত সেই লোকসংস্কৃতি আজ স্মৃতি হয়ে ঝুলে আছে চলনবিলের বাতাসে। স্থানীয় প্রবীণরা জানান, একসময় ভাদ্র-আশ্বিন মাস এলেই প্রতিটি গ্রামে পালাগানের মঞ্চ বসত, সারারাত গান শুনতে ভিড় করত শত শত মানুষ। প্রেম, বিরহ, সামাজিক অবিচার, নারীর সাহস আর প্রতিরোধের কাহিনি পালাগানের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ত মানুষের মনে। পালাগান ছিল কেবল বিনোদন নয়, ছিল গ্রামীণ জীবনের জীবন্ত নাট্যরূপ।
এক বেসরকারি জরিপে দেখা গেছে, ২০০৫ সালে নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে প্রায় ২৭০টি পালাগানের দল সক্রিয় ছিল। ২০১৫ সালে সেই সংখ্যা কমে আসে ৮০-তে। আর ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, আজ টিকে আছে ১৫টিরও কম দল। অর্থাৎ দুই দশকে পালাগানের মঞ্চ প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে।
গুরুদাসপুর উপজেলার ৭৬ বছর বয়সী প্রবীণ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও পালাকার আব্দুল কাদের বলেন, “একসময় শুধু গুরুদাসপুরেই ১০-১২টা পালাদল সক্রিয় ছিল। প্রতিটি মৌসুমেই পালাগানের ডাক পড়ত গ্রাম থেকে গ্রামে। কিন্তু এখন টেলিভিশন, ইউটিউব আর সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে নতুন প্রজন্ম আর এসবের দিকে ফিরেও তাকায় না। বছর ঘুরে হয়তো প্রবীণরা দুই-একটা অনুষ্ঠান করে স্মৃতিটা টিকিয়ে রাখার জন্য , কিন্তু সেই আগ্রহটাও আজ আর নেই।”
পাবনার আটঘরিয়ার শিল্পী রওশন আলীও একই বেদনার কথা বললেন—“পালাগান একসময় ছিল জীবনের আনন্দ, এখন সেটা ইতিহাস। কেউ আর পৃষ্ঠপোষকতা করে না, আয়োজকও মেলে না। তাই এখন দিনমজুরি করে বেঁচে আছি। দুঃখ লাগে, এই প্রজন্মের কানে আর পালার সুর পৌঁছায় না।”
চলনবিলের লোকজ সংস্কৃতির গভীরে এখনো ভেসে বেড়ায় বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনি। বিলের হাওয়ায় যেন আজও শোনা যায় বেহুলার নিঃশ্বাস, ভাদ্র মাসের রাতে পালাগানের সুরে জেগে ওঠে তার অনন্ত প্রেম ও ত্যাগের গল্প। একসময় এই বিলের পাড়ে, হাটে বা গ্রামের উঠোনে পালাগানের দল গেয়ে যেত বেহুলার যাত্রা, লখিন্দরের মৃত্যুর আর দেবীর অভিশাপ ভাঙার গল্প। সে সুরে মিশে থাকত বিলপাড়ের মানুষের হাসি-কান্না, জীবনের জয়গান।
আজ পালাগানের সেই দিন আর নেই, তবু চলনবিলের বাতাসে এখনো বেহুলার গল্পের প্রতিধ্বনি শোনা যায়—যেন লোকসংস্কৃতির বুকেই সে বেঁচে আছে, অবিনশ্বর প্রেমের এক অনন্ত প্রতীক হয়ে।
চলনবিলের পালাগান হারিয়ে যাওয়ার পেছনে রয়েছে নানান জটিল বাস্তবতা। টেলিভিশন, ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো প্রযুক্তিনির্ভর বিনোদনের দাপটে পালাগানের মঞ্চ হারিয়েছে তার দর্শক। অর্থনৈতিক দারিদ্র্য পালাকারদের পেশায় টিকে থাকা কঠিন করে তুলেছে। অনেকে পালা ছেড়ে কৃষি শ্রমিক, দিনমজুর বা রিকশাচালক হয়েছেন। সরকারিভাবে কোনো পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় শিল্পটি টিকে থাকার অবলম্বন হারিয়েছে। বর্তমান তরুণ প্রজন্ম এই ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত নয়; পরিবার কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও পালাগানের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক গড়ে উঠছে না। অন্যদিকে নগরায়ণ ও জায়গার সংকট পালাগানের ঐতিহ্যিক আসরগুলোকে বিলীন করে দিয়েছে। এক সময় যেখানে খোলা মাঠে পালার আসর বসত, আজ সেসব জায়গা দখল করেছে বাজার, সড়ক আর আধুনিক স্থাপনা।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, “পালাগান ছিল বাংলার গ্রামীণ সমাজের আত্মা। এই ধারার পতন আমাদের সাংস্কৃতিক দেউলিয়াত্ব নির্দেশ করে।” জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারজানা জুঁই মনে করেন, “চলনবিলের মতো অঞ্চলগুলো হারিয়ে গেলে শুধু একটি ঐতিহ্য নয়, হারিয়ে যাবে আমাদের সাংস্কৃতিক অস্তিত্বের অংশ। লোকসংস্কৃতির মাটি ভেঙে গেলে জাতির আত্মপরিচয়ও বিপন্ন হয়ে পড়ে।” লোকসংস্কৃতি গবেষক অধ্যাপক তাহমিনা ফেরদৌস বলেন, “পালাগানে আমরা পেতাম নারীর প্রতিবাদ, প্রেম ও সাহসের চিত্র। সেই সংস্কৃতির পাঠশালা আজ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।”
‘চলনবিলের ইতিকথা’ গ্রন্থের লেখক আব্দুল হামিদের তথ্যমতে, চলনবিল যাদুঘরে এখনো কিছু লোকসাংস্কৃতিক উপকরণ সংরক্ষিত আছে—বেহুলা-লখিন্দরের পালায় ব্যবহৃত বাদ্যযন্ত্র, পোশাক, প্রাচীন পুঁথি ও মুখোশ। তবে গবেষকদের মতে, দেয়ালে টাঙানো নিদর্শন দিয়ে কোনো সংস্কৃতি টিকে থাকে না; টিকে থাকতে হলে তাকে ফিরিয়ে আনতে হয় মানুষের জীবনে, মাটির গন্ধে, উৎসবের উল্লাসে।
লোকসংস্কৃতি রক্ষায় বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি করণীয়ের পরামর্শ দিয়েছেন। তারা মনে করেন, সরকারি উদ্যোগে লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, স্কুল-কলেজে ঐচ্ছিক পাঠ্যক্রমে পালাগান অন্তর্ভুক্ত করা, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে লোকগান উৎসব আয়োজন, পালাকারদের মাসিক সম্মানী ও বয়স্ক ভাতা চালু করা, এবং ডিজিটাল আর্কাইভ গঠন এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি গণমাধ্যমে লোকসংস্কৃতির নিয়মিত প্রচার ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লোকসংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র’ স্থাপনেরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
চলনবিল আজ তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হারিয়ে কাঁদছে। প্রযুক্তির কোলাহলে হারিয়ে যাচ্ছে হারমোনিয়ামের মৃদু সুর, বেহুলার গান আর লখিন্দরের কাহিনি। পালাগান হারিয়ে যাওয়া মানে কেবল একটি শিল্পের ক্ষয় নয়, এটি এক গভীর আত্মপরিচয়ের মাটিতে ধস নামার পূর্বাভাস।
প্রশ্ন হলো, আমরা কি আবার বেহুলার চোখ দিয়ে নিজেদের সংস্কৃতির স্বপ্ন দেখতে পারি না? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আজই উদ্যোগ নিতে হবে, গাইতে হবে, লিখতে হবে, শুনাতে হবে—কারণ হারিয়ে যাওয়ার আগেই আমাদের থামাতে হবে।

রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ও

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক ১ নং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমান মোল্লা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে তারাবো পৌরসভার ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডে হতদরিদ্র গাড়ি চালক ও পথচারীদের মধ্যে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠিত।
এসময় আরো
উপস্থিত ছিলেন তারাবো পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ওহাব মাসুম, তারাবো পৌর যুবদলের ১নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,তারাবো পৌর বিএনপি’র আহবায়ক সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহির মোল্লা সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন

রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান (চট্টগ্রাম) : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৮ পিএম
রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি মন্দির প্রাঙ্গণে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, মঙ্গলারতি, গঙ্গা আহ্বান, শুভ অধিবাস, মাতৃপূজা এবং চতুষ্প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়।

শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনকে ঘিরে আয়োজিত মহোৎসবে ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মন্দির প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ধর্মীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শ্রীশ্রী নামলীলা অর্চনা, মহানাম সংকীর্তন ও বিভিন্ন ভক্তিমূলক আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে পরিবেশিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত ও কীর্তন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত কীর্তনীয়া দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে শ্রীনাম সম্প্রদায়, জীবনানন্দ ভক্তবৃন্দ ও শ্রীচৈতন্য সম্প্রদায়ের শিল্পীরা ভক্তিমূলক পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত ভক্তদের আপ্লুত করেন।
মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিক্সন নাথ, রাষ্ঠন নাথ, নিউটন নাথ, ওয়াস্টিন নাথ, পরিমল নাথ, পরাগ নাথ, সজল নাথ, মাষ্টার সুভাষ নাথ, সুমন নাথ, শান্ত কুমার নাথ, উজ্জ্বল নাথ, রাজেস নাথ ও রাজীব নাথসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন (লিটু), সহ-সভাপতি দোলন ঘোষ, সুজন দে, সুজন দাশ ও অঞ্জন বিশ্বাস।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই মহোৎসবের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনা ও ভক্তিভাব আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত অসংখ্য ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠান শেষে মন্দির পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ভক্ত, শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

প্রতিবেদন: মোঃ শাকিল মাহমুদ, ঢাকা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

 

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রামপুরা বিটিভি ভবন সংলগ্ন Dutch-Bangla Bank Limited–এর এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় ছেঁড়া ও অচল নোট পাওয়ার অভিযোগ করেছেন গ্রাহকেরা। এতে করে সাধারণ গ্রাহকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ:
অনেক গ্রাহক জানান, এটিএম থেকে টাকা তোলার পর দেখা যায় কিছু নোট ছেঁড়া বা ক্ষতিগ্রস্ত। পরে এসব নোট দোকান বা অন্য জায়গায় ব্যবহার করতে গেলে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক সময় দোকানদাররা এসব নোট নিতে অস্বীকৃতি জানান।
গ্রাহকদের প্রশ্ন:
গ্রাহকদের প্রশ্ন, এটিএমে টাকা লোড দেওয়ার সময় কেন নোটগুলো সঠিকভাবে যাচাই করা হয় না। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
দাবি:
ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এটিএম বুথ থেকে ছেঁড়া বা অচল নোট না আসে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

error: Content is protected !!