মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

আর কে আকাশ, পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় জমে উঠেছে সপ্তাহব্যাপী পাবনা উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৫২ এএম | 185 বার পড়া হয়েছে
পাবনায় জমে উঠেছে সপ্তাহব্যাপী পাবনা উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলা

পাবনার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল মুক্তমঞ্চ (স্বাধীনতা চত্বরে) জমে উঠেছে সপ্তাহ ব্যাপী “পাবনা উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলা”। দর্শনার্থীরা মেলার স্টলগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন। বেচাকেনাও হচ্ছে জমজমাট। “হৃদয়ে পাবনা” ও “বাংলাদেশ উদ্যোক্তা ফোরাম” নামে দুইটি সংগঠনের আয়োজনে প্রথমবারের মতো ১৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর সপ্তাহব্যাপী এ মেলা ও উৎসব শুরু হয়।
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও নিজেদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার-প্রসার বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এ মেলা ও উৎসবের আয়োজন করা হয়।

মেলার ৫৩টি স্টলের মধ্যে অধিকাংশই ছিল নারী উদ্যোক্তাদের। পাট, বাঁশ-বেতের তৈরি সামগ্রী, বিভিন্ন রকমের কেক, পিঠা পুলি, খই, খুরমা, ফুচকা, চটপটি, আঁচার ও জামাকাপড়, গাছ, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্য এ মেলার স্টলে স্থান পেয়েছে। এছাড়া দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য মেলা প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা রয়েছে।

মেলার দর্শনার্থী তামান্না তানজীন জান্নাতী বলেন, পাবনাতে উদ্যোক্তা মেলা হলেও এই প্রথম “পাবনা উৎসব” হচ্ছে। দেখতে এসে বেশ ভালো লাগছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের আয়োজন সবার নজর কেড়েছে। পাবনার উদ্যোক্তাদের জন্য আরও ভালো কিছু হবে বলে আশা করছি।

ইলা ফ্যাশনের উদ্যোক্তা মারুফা ইয়াসমিন ইলা বলেন, নিজেদের পণ্যগুলো ক্রেতাদের নজরে ও অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও যেন বিক্রি করতে পারি মূলত সে কারণেই আমাদের এ মেলায় আসা। আমরা বিশেষ করে যারা নারী উদ্যোক্তা রয়েছি, আমাদের পণ্যগুলো সরাসরি ক্রেতাদের হাতে পৌঁছে দিতে পারছি।

উত্তরণ সাহিত্য আসরের সভাপতি ও কবি আলমগীর হোসেন হৃদয় “পাবনা উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলার” ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এটি একটি ভিন্নধর্মী আয়োজন, এটি পাবনা জেলার শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির ব্যান্ডিং। পাবনা জেলার ১৯৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উপলক্ষে ব্যতিক্রমর্ধমী এই আয়োজন পাবনাবাসীর হৃদয়ে গেঁথে থাকবে।
মেলা উপলক্ষে ঝিনাইদাহ থেকে আগত দর্শনার্থী তানিয়া তানজিন বলেন, মেলায় এসে অনেক ভালো লাগছে। এত মানুষের সমাগম হতে পারে ভাবতে পারিনি। মেলায় প্রতিটি স্টল ছিল বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীতে ভরপুর।

উদ্যোক্তা মেলার আয়োজক হৃদয়ে পাবনার সভাপতি ও গণমাধ্যমকর্মী আর কে আকাশ বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও ঐতিহ্যবাহী জেলা পাবনা ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ অক্টোবর স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। পাবনা জেলার ১৯৭তম প্রতিষ্ঠা বা জন্মবার্ষিক উপলক্ষে পাবনাতে এবারই আমরা প্রথম “পাবনা উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলার” আয়োজন করেছি।
উৎসবে পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্থাপনা, প্রতিষ্ঠানের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, কৃতিজনদের সম্মাননা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, পাবনা জেলাকে নিয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, নৃত্য প্রতিযোগিতা, পাবনার পথে-প্রান্তরের আলোকচিত্র প্রর্দশনী, বিতর্ক প্রতিযোগীতা, বিশিষ্ট্যজনদের শুভেচ্ছা বক্তব্য, পাবনার আঞ্চলিক গান ও নৃত্য নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।
অনেক তরুণ উদ্যোক্তা “পাবনা উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলায়” যুক্ত হয়েছেন। তারা তাদের তৈরি পণ্যের প্রচার করতে কেবল অনলাইন ব্যবহার করে। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে তাদের এই প্রচারটা সরাসরি ক্রেতাদের সামনে করার লক্ষ্যেই মূলত নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় এই মেলার আয়োজন।

আরেক আয়োজক সোনিয়া কিচেনের সৈয়দা সোনিয়া খাতুন বলেন, এ মেলায় হাজার হাজার দর্শনার্থী ও ক্রেতারা আসছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য দেখে তারা কিনছেন এবং উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করছেন।

“পাবনা উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলায়” প্রিয়া ফ্যাশন (উদ্যোক্তা শারমীন আক্তার প্রিয়া), মনিরা নার্সারী (সুলতান মাহমুদ), বর্ণিল ফ্যাশান হাউজ (রাজিয়া সুলতানা), আলী এন্ড আদিস কালেকশনস (উদ্যোক্তা রোকেয়া সুলতানা), সাজঘর এন্ড টয়েস (রত্না রহমান), আদিত্যা’স কালেকশন (আদিতা নাসরিন), সহি হস্তশিল্প (মহসিনা খাতুন সেতু), টিআরএস ফ্যাশন (শারমিন সীমা), স্নিগ্ধা কিডস এন্ড গিফট, সুন্নাতি শপ (মো. সজিব হোসেন), নকসি পিঠার সাজ (রাসেল শিকদার), সোনিয়া কিচেন (সৈয়দা সোনিয়া খাতুন), হেলথ্ এন্ড হাইজিন কেয়ার (মো. মেহেদী দীলদার), ঝিনুক মহিলা উন্নয়ন সমিতি (আছমা আক্তার), দেশোয়ান (সোহাগ), বাবা মায়ের দোয়া স্টোর (শহিদুল ইসলাম), ঘরোয়া ভোজন (সাবরিনা আক্তার নিশি), ড্যাজেল বাইট (সুমাইয়া হাসান পুষ্পিতা), আয়াত কিচেন (নিশাত সুলতানা), শুকুর স্টোর (শুকুর আলী শেখ), সাবিহা হ্যান্ডিক্রাফট (রাশেদুল ইসলাম), সুমি ফুচকা হাউজ (সুমি আক্তার), আকাশ ফুড ভ্যালি (গোলাম মাওলা), স্বপ্নকুটি বুটিক্স ফ্যাশন (সেলিনা ইসলাম), পিওর ফুড (সুমাইয়া ফেরদৌস সোনিয়া), আদর ফুড প্রোডাক্ট (জিনিয়া আফরোজ), শিল্প সমীকরণ (হুসনে আরা), পারিজা’স কেক হাউজ (শর্মিলা ইয়াসমিন), লাভ শপ (আবুল কালাম আজাদ), হিউম্যানিটি লাইট (ডক্টর এসকে মহাইমান), পাবনা বেবী টয়েচ (জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়া), আঁখি বুটিকস্ (আঁখি খাতুন), নূর এন্টারপ্রাইজ (মিজান সিকদার), সিরাজগঞ্জ আচার ভান্ডার (ফারুক মন্ডল), ইলা ফ্যাশন (মারুফা ইয়াসমিন ইলা), গহনা বাড়ি (রনি মিয়া), আল রিহান পারফিউম (আ. রহমান সুমন), সোয়াদ এন্টারপ্রাইজ (অভি), পড়শি বুটিকস্ (মালা সরকার), আর আর লেডিস ফ্যাশন (রুমন সুলতানা), গিফট স্টোরি এন্ড ফ্যাশন (ফাতেমা নুসরাত), আমরা নারী, আমরাই পারি (শারাবান তহুরা), ইয়ানুর ফ্যাশন (রিতা), শাহী চটপটি (আয়শা সীমান্ত খান), ফিহা হ্যান্ডিক্র্যাফট (শাপলা খাতুন), রিয়াদ নার্সারি (মো. আবদুল্লাহ বিশ্বাস), সোডা এক্সপ্রেস (পিয়াস হাসান হিমেল)সহ মোট ৫৩টি স্টল অংশগ্রহণ করেছে। আজ ২০ অক্টোবর সোমবার “উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলার” সমাপনী অনুষ্ঠিত হবে।

 

সুকুমার রায় কাহারোল (দিনাজপুর)

কাহারোলে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সুকুমার রায় কাহারোল (দিনাজপুর) প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৩ পিএম
কাহারোলে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি অনুষ্ঠিত

“দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়বো, টেকসই বাংলাদেশ গড়বো”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের কাহারোলে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় কাহারোল উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য,বেসরকারি সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্কাউটস সদস্যসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালি শেষে দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বাড়াতে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক বাস্তবভিত্তিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুর্যোগকালীন সময়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া, আগুন লাগলে প্রাথমিকভাবে কীভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং আহতদের উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বিভিন্ন কৌশল প্রদর্শন করা হয়। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে দুর্যোগের সময় করণীয় সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ধারণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারলে অনেক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। তাই দুর্যোগ প্রস্তুতি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং এ ধরনের কর্মসূচি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ মোকলেদা খাতুন মীম , উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষি বিদ মোঃ জাহিদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ আনিছুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মোতালেব, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এম কে জিন্নাত আলী, উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ সারওয়ার মুর্শেদ, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কাহারোল এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার লাভলী লাকী বিশ্বাস সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্যোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রস্তুতি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মোঃ সবুজ খান স্টাফ রিপোর্টার

মসদই মানেই অন্য রকম আয়োজন

মোঃ সবুজ খান স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৬ পিএম
মসদই মানেই অন্য রকম আয়োজন

সারা বাংলাদেশের আনাচে কানাচে সুনাম ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সেই ভাইরাল মসদই মাঠের নাম। সেই ভাইরাল মসদই মাঠে এবার ভিন্ন রকম ঈদের আয়োজন করা হয়েছে।

মসদই গ্রাম জন্ম লগ্ন থেকেই তার সুনাম বহি বিশ্বে সুনাম রয়েছে। এ-ই গ্রামে জন্মেছিল অনেক জ্ঞানী গুণী মানুষ। মসদই সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবার ঈদ আয়োজন থাকছে সেই পুরো দিনের আয়োজন।

মসদই জনকল্যাণ সংঘের বর্তমান সভাপতি মোঃ জাহিদ খান জানান, পবিত্র রামাদানের শুভেচ্ছা, অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি ঈদুল ফিতরের পরের দিন (ঈদের দ্বিতীয়) সকাল দশ টায় মসদই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গ্রামের মুরুব্বিদের নিয়া কিছু প্রতিযোগিতামূলক খেলার আয়োজন থাকছে এবং বিকালে গ্রামের কৃষক ভাই দের নিয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতা হবে ।

ঈদের পরের দিনের পরের দিন (ঈদের তৃত্বীয় দিন শহর বনাম গ্রাম ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়েছে ।

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি

ডিমলার ঝুনাগাছচাপানীতে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন ডাক্তার মাহাবুবর রহমান

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:১২ পিএম
ডিমলার ঝুনাগাছচাপানীতে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন ডাক্তার মাহাবুবর রহমান

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় গরিব, দুঃখি, অসহায় দরিদ্র এতিম,ছোট,বড় সর্ব সাধারন মানুষের মাঝে আলোচিত এক নাম-ডাক্তার মাহাবুবর রহমান  ।পেশায় তিনি উপজেলার ৮নং ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়নের চাপানীহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ।তিনি এলাকার বিভিন্ন খেলাধুলা, সামাজিক সাংস্কৃতিক ও সেবামুলক সংগঠনের সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত আছেন।চিকিৎসক মাহাবুবর রহমান   ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড দক্ষিক সোনাখুলী  (হাজীপাড়া)গ্রামের হাফেজ ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে। তিনি তার ৭নং ওয়ার্ড এলাকায় সামাজিক উন্নায়ন মুলক কাজ করে যাচ্ছে। কার ঘরে খাবার আছে কিনা, কেউ না খেয়ে আছে নাকি,কারা কোন অসুখ হল নাকি,কার মেয়ের বিয়ে,কোন অসুস্হ রোগীকে মেডিকেল নিয়ে যেতে হবে কিনা।প্রতিদিনে খোঁজ খবর রাখেন।অভাবে অনাটণের কারনে কেউ যদি দিনাপাত করেন তাদের খাওয়ার ব্যবস্হা করে দেন। অভাব অনাটনে  যে সব ছেলে মেয়েদেন লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তাদের খোঁজ খবর নিয়ে আর্থিক সহযোগীতা করে লেখা পড়ার ব্যবস্হা করেন।ধর্মবর্ন নির্বিশেষে কোন অসহায় ব্যক্তি তার কাছে গেলে তিনি তার সাধ্যমতে সহযোগীতা করেন।কোন গরিব অসহায় ব্যক্তির মেয়ে বিয়ে দিলে সবার আগে হাজির হয় নিজে সহযোগীতা করেন এমনকি অন্যের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিয়ের কাজ সম্পুর্ন করেন।মানবসেবা তার রক্তে মিছে আছে।যেখানে মানবিক বিপর্যয় সেখানে তার উপস্হিত হয়ে। অসহায় মানুষের পাঁশে দাড়াঁনো তাদের কে প্রতিস্ঠিত করে সুন্দর ভাবে জীবন যাপনে সাহায্য করা তার নেশা। তিনি অত্র ইউনিয়নে মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল, ক্রিয়া প্রতিযোগিতায় সহায়তা প্রদান। তরুণ প্রজন্মের, তরুণ সমজকে মাদক থেকে দুরে রাখতে বিভিন্ন খেলা ধুলার আয়োজন করেন,এমনকি অত্র ইউনিয়নে ফুটবল,ব্যাটমিন্টন, ক্রিকেট, হাডুডু খেলার আয়োজন করা হয় সবার আগে তিনি  উপস্থিতি হন। রমজান মাসে ইদুল ফিতর উপলক্ষে তার ৬নং এলাকায় অসহায় দুঃস্হ মানুষের মাঝে সেমাই চিনি,আটা নগদ অর্থ প্রদান করেন।অনেক লুঙ্গি,শাড়ী, জামা কাপড় দেন। শুধু তাই নয় উক্ত এলাকায় রাস্তাঘাট,মসজিদ,মন্দির, সামাজিক উন্নায়ন মুলক কাজে সহযোগীতা করে থাকেন।বাল্যবিবাহ,শিশুশ্রম,নারী

নির্যাতণ,মাদক নিমূলে ব্যাপক ভুমিকা পালন করেন। এমন,মানবিক কল্যানে কাজ করতে যেমন পেয়েছেন ভালোবাসা, তার থেকে বেশি পেয়েছেন এক শ্রেনী সমালোচকদের কাছ থেকে কষ্ট দায়ক কথা,তবু ও থেমে থাকেন নাই। তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন তার কাজ মানব প্রেমী এই মানুষটি। এপ্রতিবেদকের একান্ত সাক্ষাত কারে হোমিওপ্যাথিক ডাঃ মাহাবুবর রহমান   বলেন, ছোট বেলা থেকে মানুষের জন্য কিছু করা বড় স্বপ্ন দেখতাম।বড় হয়ে অসহায় মানুষের জন্য এই সমাজের জন্য কিছু করা বড় আনন্দের বিষয়। ছোট বেলায় ঞ্জান হওয়ার পর হতে  বাবার কাছে শিখেছি মানুষকে সাহায়্য করা সমাজে উন্নায়ন মুলক কাজ করা বড় ইবাদত।বাবা সেই অনুপ্রায়নাকে কাজে লাগিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।আমি নিজে একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ।  সেখান থেকে কিছু আয় ও নিজের কিছু সম্পতির যে টুকু অংশ আছে। সেটুকু আবাদ করে সংসার চালায়, তার কিছু থেকে মানুষের জন্য কাজ করি।এটাই আমার বড় পাওয়া। অসহায় গরিব মানুষের কল্যানে সব বিত্তবান ব্যক্তিরা যদি এভাবে এগিয়ে আসতো তাহলে সমাজের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হতো বলে অনেকে মনে করেন।

error: Content is protected !!