রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

Ru Bi Na

তুমি আর সময়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ২:৪৬ পিএম | 220 বার পড়া হয়েছে
তুমি আর সময়

তুমি আর সময় — দুজনেই আলো,
একজন ছুঁয়ে যায় হৃদয়, অন্যজন ছুঁয়ে যায় কালো।
তোমায় দেখি, পাই, তবু বাঁধতে পারি না,
যেন সূর্যের কিরণ — হাত বাড়ালেই হারিয়ে যায় নির্দ্বিধা।
সময়কে ছুঁতে পারি না, কিন্তু সে আমায় ছোঁয়,
নিয়ে যায় হাসি, ফেলে যায় কষ্টের ঢেউ।
তুমি থেকেও দূরে, সময় থেকেও ব্যথা,
দুজনার মিলনে জন্ম নেয় আমার নীরবতা।
তুমি হারিয়ে গেলে মনে হয় সময় থেমে যায়,
আর সময় চলে গেলে, তোমার ছায়াও মলিন হয়।
এই দুজনেই আমার জীবনের অনন্ত খেলা,
একজন প্রেমের, অন্যজন বিদায়ের মেলা।
তোমরা দুজনেই আমার — তবু কারো নই,
তোমায় পাই প্রতিক্ষণে, আর হারাই প্রতিনিয়তই।
তুমি ও সময় — একই রকম নিষ্ঠুর,
একজন ভালোবাসায়, অন্যজন স্মৃতিচারণ।

গ্রিস উপকূলে প্রাণ হারানোদের ১০ জনই সুনামগঞ্জের

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ২:১৪ পিএম
গ্রিস উপকূলে প্রাণ হারানোদের ১০ জনই সুনামগঞ্জের

সাগরপথে লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে সুনামগঞ্জের তিন উপজেলার ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে জগন্নাথপুর উপজেলার ৫ জন, দিরাই উপজেলার ৪ জন ও দোয়ারাবাজার উপজেলার ১ জন।

গ্রিস যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া নৌযানটিতে ৪৩ জন অভিবাসন প্রত্যাশী ছিলেন। এর মধ্যে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিহতের এক স্বজন।

এর আগে গ্রিক কোস্ট গার্ডের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হয়, গত শুক্রবার রাতে ক্রিট দ্বীপের কাছে ২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থার একটি জাহাজ ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। তাঁদের মধ্যে একজন নারী এবং এক শিশু রয়েছে। কোস্ট গার্ড নিশ্চিত করেছে, জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি, ৪ জন দক্ষিণ সুদানি এবং একজন চাদের নাগরিক।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের চিলাউড়া গ্রামের শামছুল হকের ছেলে ইজাজুল হক, একই গ্রামের দুলু মিয়ার ছেলে মো. নাঈম, টিয়ারগাঁওয়ের শায়েক আহমেদ, পাইলগাঁওয়ের আমিনুর রহমান ও ইছাগাঁওয়ের মোহাম্মদ আলী।

দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের আবু সরদারের ছেলে মো. নূরুজ্জামান সরদার ময়না, আব্দুল গণির ছেলে সাজিদুর রহমান, ইসলাম উদ্দিনের ছেলে সাহান এহিয়া ও একই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের আব্দুল মালেকের ছেলে মুজিবুর রহমান এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার কবিরনগর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে আবু ফাহিম।

স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানা যায়, নিহতদের বহনকারী নৌযানটি সপ্তাহখানেক আগে লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। নৌযানটি পথ হারিয়ে সাগরেই পাঁচ-ছয়দিন আটকা পড়েছিল। পথহারা অবস্থায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সঙ্কটের কারণে অনেকে মারা যান। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগই সুনামগঞ্জের বলে জানা গেছে।

জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউরা গ্রামের নিহত ইজাজুল হকের নিকটাত্মীয় নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে নৌকায় ৪৩ জন ছিল। এর মধ্যে ১৮ জন মারা গেছে। গত ২৩ মার্চ লিবিয়া থেকে নৌযানটি যাত্রা শুরু করার চারদিন পর গতিপথ হারিয়ে ফেলে। পরে খাবার সঙ্কটে অনেকে মারা যায়। পরে দুর্গন্ধ শুরু হলে লাশ সাগরে ফেলে দেওয়া হয়। দালালের মাধ্যমে তার নিকটাত্মীয় ইজাজুল হক গ্রিস যাত্রা করেছে বলে জানতে পেরেছেন তারা।

তিনি জানিয়েছেন, জানুয়ারির ২২ তারিখে ইজাজুল হককে তারা বাড়ি থেকে বিদেশের উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছেন। ২১ মার্চ নৌকাটি গ্রিসের উদ্দেশে রওয়ানা দিলেও দালাল তাদেরকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত আটকে রাখে। তারা নৌকায় থাকা একজনের ভিডিও ফুটেজ থেকে মৃত্যুর খবরটি জানতে পেরেছেন।

দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের ইউপি সদস্য সানুর মিয়া বলেন, ‘নিহতদের চারজনের তিনজনই আমাদের গ্রামের। তারা দালালের মাধ্যমে প্রায় দুই-আড়াই মাস আগে বাড়ি থেকে বিদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সাগরপথেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।’

চিলাউরা হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, ‘জগন্নাথপুরে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আমার ইউনিয়নের আছে দুইজন। তারা সবাই লিবিয়া থেকে গ্রিস যেতে চেয়েছিল।’

দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার বলেন, ‘নৌযানে থাকা জীবিতদের মাধ্যমে যতটুকু জানতে পেরেছি, মৃত অবস্থায় দুইদিন নৌযানে থাকার পর যখন দুর্গন্ধ শুরু হয় তখন লাশগুলোকে সাগরে ফেলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে দিরাই উপজেলার চার জন আছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।’

সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আয়েশা আক্তার বলেন, ‘সাগরপথে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট তথ্য আমাদের জানা নেই। আমরা শুধু মিডিয়ার মাধ্যমে ১০ জনের মৃত্যুর তথ্যটা জেনেছি। সুনির্দিষ্ট তথ্য স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে আমরা সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি।’

শিশুকে সফল হিসেবে দেখতে চান?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
শিশুকে সফল হিসেবে দেখতে চান?

নিজের সন্তানকে সফল হিসেবে দেখতে কে না চায়? বিষয়টি কঠিন কিছু নয় বলে জানাচ্ছেন গবেষকেরা।

গবেষণা থেকে জানা যায়, ঘরের কাজ করতে জানা শিশুদের জীবনে সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। শৈশব মানে শুধু খেলাধুলা বা পড়াশোনা নয়; বরং এটি ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি গড়ার উপযুক্ত সময়। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা, বিশেষ করে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ ৭৫ বছরের একটি গবেষণা থেকে পাওয়া গেছে একটি ভিন্ন সম্ভাবনার কথা। গবেষণার ফলাফলে দাবি করা হয়েছে, যেসব শিশু ছোটবেলা থেকে ঘরের কাজে অংশ নেয়, প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় তাদের সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ঘরের ছোট ছোট কাজ শিশুদের মধ্যে এমন কিছু গুণ তৈরি করে, যা কোনো পাঠ্যবই শেখাতে পারে না। বৈজ্ঞানিক গবেষণার আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শৈশবের ছোট ছোট দায়িত্ব একটি শিশুকে মানসিকভাবে পরিপক্ব ও স্বাবলম্বী করে তোলে।

গবেষণা যা বলছে

হার্ভার্ড স্টাডি: ১৯৩৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ গবেষণায় দেখা গেছে, সফল ব্যক্তিদের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য ছিল, তাঁরা ছোটবেলায় নিয়মিত ঘরের কাজ করতেন। এটি তাঁদের মধ্যে শক্তিশালী ওয়ার্ক এথিকস বা কাজের প্রতি নিষ্ঠা তৈরি করেছে।

প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য: ২০১৯ সালের একটি গবেষণা জানাচ্ছে, যেসব শিশু কিন্ডারগার্টেন থেকে ঘরের কাজে যুক্ত থাকে, পরবর্তী জীবনে তাদের গণিতের নম্বর এবং আত্মবিশ্বাস অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি হয়।

সঠিক সময়: মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণামতে, ৩ থেকে ৪ বছর বয়সে শিশুকে ছোট কাজে যুক্ত করা ভালো। ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়সে শুরু করলে তার প্রভাব ততটা কার্যকর হয় না।

আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ

গবেষণা বলছে, যেসব শিশু ছোটবেলা থেকে নিজের খেলনা গোছানো বা ঘর পরিষ্কারের মতো কাজে অংশ নেয়, তাদের মধ্যে একধরনের আত্মকার্যকারিতা তৈরি হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ ৭৫ বছরের এক বিখ্যাত গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশবে ঘরের কাজ করা শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় পেশাগত জীবনে অনেক বেশি সফল হয়। এর কারণ হলো, তারা খুব অল্প বয়স থেকে একটি কাজ শুরু করে তা শেষ করার আনন্দ ও তৃপ্তি অনুভব করতে শেখে। এই অভ্যাসের ফলে তারা বড় হয়ে যেকোনো কঠিন কাজকে ভয় না পেয়ে বরং চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।

সময় ব্যবস্থাপনা ও কর্মনিষ্ঠা

সাফল্যের একটি বড় শর্ত হলো সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করা। ঘরের কাজে নিয়োজিত থাকলে শিশুরা বুঝতে পারে, পৃথিবী শুধু তাদের ইচ্ছেমতো চলে না। তারা বুঝতে শেখে, পৃথিবীতে কিছু কাজ রুটিনমাফিক করতে হয়। পড়াশোনার ফাঁকে বা খেলার আগে নিজের কাপড় ভাঁজ করা বা থালাবাসন ধোয়ার মাধ্যমে তারা কাজের গুরুত্ব নির্ধারণ করতে শেখে। এই অভ্যাস বড় হয়ে কর্মক্ষেত্রে তাদের সময়ানুবর্তী এবং অত্যন্ত নিষ্ঠাবান করে গড়ে তোলে।

সহমর্মিতা ও সামাজিক দক্ষতা

একটি শিশু যখন ঘরের কাজে হাত লাগায়, তখন সে পরোক্ষভাবে তার বাবা-মায়ের পরিশ্রমের মূল্য বুঝতে পারে। এটি তাদের মধ্যে গভীর সহমর্মিতা তৈরি করে। তারা বুঝতে শেখে যে একটি সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে পরিবারের সবার অবদান প্রয়োজন। এই টিমওয়ার্ক বা দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা তাদের সামাজিক সম্পর্কগুলোকে মজবুত করে এবং অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের কাজ করা শিশুরা অন্যদের চেয়ে বেশি বন্ধুবৎসল এবং পরোপকারী হয়।

স্বনির্ভরতা বনাম পরনির্ভরশীলতা

অনেক সময় অভিভাবকেরা ভালোবেসে শিশুদের সব কাজ নিজে করে দেন। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, এটি শিশুদের জন্য আসলে ক্ষতিকর। এতে তারা পরনির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং নতুন কিছু করার সাহস হারায়। অন্যদিকে, ৩ থেকে ৪ বছর বয়স থেকে শিশুকে ছোট ছোট কাজে উৎসাহিত করলে তারা স্বনির্ভর হয়ে ওঠে। তারা বুঝতে পারে, নিজের যত্ন এবং নিজের চারপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্বটি একান্তই তাদের। এই স্বনির্ভরতা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে এবং ভবিষ্যতে একাকী যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাহায্য করে।

বয়স অনুযায়ী কিছু সহজ কাজের তালিকা

৩ থেকে ৫ বছরের শিশুদের খেলনা গুছিয়ে রাখা, ময়লা জামাকাপড় ঝুড়িতে রাখা, পোষা প্রাণীকে খাবার দেওয়ার মতো কাজের সঙ্গে যুক্ত রাখতে পারেন। ৬ থেকে ৯ বছরের শিশুদের খাবার টেবিল গোছানো, নিজের বিছানা ঠিক করা, বাগান করা বা গাছে পানি দেওয়ার মতো কাজ করাতে পারেন। আর ১০ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের দিয়ে কাপড় ভাঁজ করা, ঘর মোছা বা ঝাড়ু দেওয়া, হালকা রান্না বা খাবার পরিবেশন করাতে পারেন।

নিখুঁত হওয়ার প্রয়োজন নেই

একটি শিশু যখন প্রথমবার ঘর কিংবা থালাবাসন পরিষ্কার করবে, তা হয়তো নিখুঁত হবে না। কিন্তু অভিভাবক হিসেবে আপনার কাজ হলো তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করা। শিশুদের কাজ করে দিলে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ হারাবে। মনে রাখতে হবে, আজকের ছোট ছোট কাজই ভবিষ্যতে তাদের দায়িত্বশীল ও সফল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে। শিশুদের ঘরের কাজ করানো মানে তাদের শৈশব কেড়ে নেওয়া নয়, বরং তাদের জীবনের বড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা। এটি তাদের সৃজনশীলতা বাড়ায়, যুক্তি দিয়ে সমস্যা সমাধান করতে শেখায় এবং সর্বোপরি একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। তাই শিশুদের কাজ করতে দেওয়া শুধু ঘরের পরিচ্ছন্নতার জন্য নয়, বরং তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।

সূত্র: সাইকোলজি টুডে

সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে সেনাবাহিনীর প্রধান

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৩ পিএম
সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে সেনাবাহিনীর প্রধান

সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) এই সফরে যান তিনি। আজ রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সফরকালে সেনাবাহিনীর প্রধান জর্জিয়া স্টেট ক্যাপিটলের উদ্যোগে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একটি সম্মাননা প্রস্তাব গ্রহণ এবং সিনেট চেম্বারে একটি বিশেষ লেকচার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

এ ছাড়াও সেনাপ্রধানের যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

error: Content is protected !!