শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

মো. শাহজাহান বাশার, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

ভোটারদের পছন্দের তালিকায় এগিয়ে কোন দল, উঠে এলো জরিপে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:১৭ পিএম | 156 বার পড়া হয়েছে
ভোটারদের পছন্দের তালিকায় এগিয়ে কোন দল, উঠে এলো জরিপে

দেশের ভোটারদের পছন্দের তালিকায় বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এগিয়ে রয়েছে দেশের ছয়টি বিভাগে। অন্যদিকে রংপুর বিভাগে শীর্ষে জামায়াতে ইসলামী এবং বরিশাল বিভাগে অগ্রগামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগ। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনোভিশন কনসালটিং পরিচালিত ‘পিপলস ইলেকশন পালস সার্ভে, দ্বিতীয় পর্ব–তৃতীয় খণ্ড’-এ এমন তথ্য উঠে এসেছে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ানবাজারের বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত ‘ভোটারদের সিদ্ধান্তে সামাজিক প্রেক্ষাপট ও ভিন্নতার প্রভাব’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন ভয়েস ফর রিফর্মের সহ-আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুর। প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আসিফ শাহান, জামায়াতের প্রতিনিধি ড. নকিবুর রহমান, এনসিপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ, পলিসি এনালিস্ট ড. অনন্য রায়হান, বাংলা আউটলুকের সম্পাদক মোকতাদির রশিদ এবং গবেষণা সংস্থা ব্রেইনের নির্বাহী পরিচালক ড. শফিকুর রহমান। জরিপের ফল উপস্থাপন করেন ইনোভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবাইয়াত সারওয়ার।

জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, দেশের ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপি ভোটারদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগে বিএনপি ৪৫.৭%, জামায়াত ২৫.৮%, আওয়ামী লীগ ১৭.৩% ও এনসিপি ৪.৭% ভোটার সমর্থন পেয়েছে।
সিলেটে বিএনপি ৪৪.৭%, জামায়াত ২৯.৬% ও আওয়ামী লীগ ১৪%।
রাজশাহীতে বিএনপি ৪৪.৪%, জামায়াত ৪০.৯%, আওয়ামী লীগ ৯.২%।
খুলনায় বিএনপি ৪৩.৩%, জামায়াত ৩০.১%, আওয়ামী লীগ ১৮.৩%।
ঢাকা বিভাগে বিএনপি ৪০.৮%, আওয়ামী লীগ ২৫.৮% ও জামায়াত ২৪.৩%।
চট্টগ্রামে বিএনপি ৪১.৯%, জামায়াত ২৭.৬% ও আওয়ামী লীগ ১৭.১% ভোটার সমর্থন পেয়েছে।

অন্যদিকে রংপুর বিভাগে জামায়াতে ইসলামী এগিয়ে রয়েছে ৪৩.৪% সমর্থন নিয়ে; যেখানে বিএনপি পেয়েছে ৩৬.৭% এবং আওয়ামী লীগ ১২.৫%।
বরিশাল বিভাগে তুলনামূলকভাবে আওয়ামী লীগ এগিয়ে ৩১.৯% ভোটার সমর্থন নিয়ে; বিএনপি ২৮.৭% ও জামায়াত ২৯.১% ভোট পেয়েছে।

সার্বিকভাবে জরিপে দেখা গেছে, দেশের ভোটারদের পছন্দের তালিকায়-প্রথম স্থানে বিএনপি,দ্বিতীয় স্থানে জামায়াতে ইসলামী,তৃতীয় স্থানে আওয়ামী লীগ,এবং চতুর্থ স্থানে নবগঠিত এনসিপি (ন্যাশনাল কনজারভেটিভ পার্টি) অবস্থান করছে।
গবেষণা সংস্থা ইনোভিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি ও জামায়াতের সম্মিলিত সমর্থন মোট ভোটারদের অর্ধেকেরও বেশি। এটি চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিরোধী জোটের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিতবাহী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জরিপটি পরিচালিত হয় দেশের ৬৪ জেলার মোট ১০ হাজার ৪১৩ জন নাগরিকের মধ্যে।
এর মধ্যে ৬৯.৫% গ্রামীণ ও ৩০.৫% শহুরে ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন।
লিঙ্গভিত্তিকভাবে পুরুষ ৫৪.২%, নারী ৪৫.৪% এবং তৃতীয় লিঙ্গের ০.৪% অংশগ্রহণ করেছেন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়—জেন জি (১৮–২৮ বছর): ৩৭.৬%,মিলেনিয়াল (২৯–৪৪ বছর): ৩৩.৪%,জেন এক্স (৪৫–৬০ বছর): ১৯.৮%,৬০ বছরের ঊর্ধ্বে: ১.৩%

ঢাকা ২৫.৬%, চট্টগ্রাম ২০%, রাজশাহী ১৫%, খুলনা ১১.২%, রংপুর ১১%, ময়মনসিংহ ৯.৫%, বরিশাল ৬.২%, সিলেট ৫.৩%।

‘পিপলস ইলেকশন পালস সার্ভে’-এর দ্বিতীয় পর্বের তথ্য সংগ্রহ করা হয় ২ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
প্রতিবেদনের প্রথম খণ্ডে আলোচিত হয়েছে জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি—নির্বাচনের সময়কাল, পরিবেশ ও অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যসম্পাদন বিষয়ে।
দ্বিতীয় খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ভোটারদের দলীয় পছন্দ, অনুমোদন, ভোটের সিদ্ধান্ত, ভারত–পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সরকারের প্রতি ভোটারদের প্রত্যাশা।

জরিপে ইনোভিশন কনসালটিংকে সহযোগিতা করেছে গবেষণা সংস্থা ব্রেইন এবং ভয়েস ফর রিফর্ম।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জরিপ ফলাফল দেশের প্রচলিত ভোটাধিকার–বিষয়ক গণধারণায় নতুন এক আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।
একদিকে বিএনপি ও জামায়াতের ধারাবাহিক অগ্রগতি যেমন ক্ষমতাসীন দলের জনপ্রিয়তার ধীর ক্ষয়ের ইঙ্গিত দেয়,
অন্যদিকে বরিশাল ও রংপুরের ফলাফল আঞ্চলিক রাজনৈতিক প্রবণতা ও ঐতিহাসিক দলীয় ভিত্তির পুনরুত্থানকে ইঙ্গিত করছে।

তবে পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে বলেন— জরিপ ভোট নয়, এটি কেবল প্রবণতার প্রতিফলন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সংগঠন, মাঠপর্যায়ের প্রচার ও নেতৃত্বের ইমেজই শেষ পর্যন্ত প্রকৃত ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০১ এএম
নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই শাহিনুর ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শেখের বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে তথ্যের ভিত্তিতে বড়চাঁপা ইউনিয়নের চন্ডীতলা গ্রামের জুয়েল রানার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল রানা (৩৫) পালিয়ে যায়।
পরে তার স্ত্রী অপু (৩০)-কে আটক করা হয়। নারী পুলিশের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে তার দেহ থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটককৃত নারী ও তার পলাতক স্বামী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক অপুকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক জুয়েল রানাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

মোঃ সুজন বেপারী

মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মোঃ সুজন বেপারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওস্তাদ মোতালেব পাটোয়ারী সুপরিচিত মিরকাদিম পৌর রিকাবী বাজার মিনি স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি গঠনে দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা জানিয়েছেন মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ।

মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক নতুন মিনি স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে জনাব মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ বলেন, সারাবাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প নিয়েছে এটা একটা উল্লেখযোগ্য কারণ আমাদের জাতি কে ও সমাজ কে যারা উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আমাদের তরুণ সমাজ উপকৃত হবে, রাষ্ট্রীয় উপকৃত হবে, তবে আমি আশাবাদী এজন্যই আল্লাহ্ রহমতে খেলাধুলা তরুণদের লক্ষ্য এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম এর ক্রিকেট ও মাঠ পরিচালক ও জেলা সহ-সভাপতি ক্রিকেট এসোসিয়েশন ক্রীড়া মোঃ রনি খাঁন বলেন, ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল, আমরা শুধু ভালো ক্রিকেটার তৈরি করতে চাই না, আমরা ভালো মানুষও তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশে আমরা ক্রিকেটের মাধ্যমে ভালো তরুণ খেলোয়াড় খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দেওয়া প্রজন্মেদের গড়ে তুলতে চাই।

রনি খাঁন কথাতেই বোঝা যায়, তিনি ক্রিকেটকে জাতীয় আত্মপরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখেন। তার ভাবনায় মিরকাদিম স্টেডিয়াম ক্রিকেট শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, আচরণ ও মূল্যবোধ দিয়েও নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করবে। বলেন, ‘ক্রিকেট আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ঐক্যের জায়গা। এখান থেকেই আমরা শিখতে পারি পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা, দেশপ্রেম। এই গুণগুলোই আমাদের ভালো তরুন প্রজন্মেদের হতে সাহায্য করবে।’

মিরকাদিম পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠের ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার নিজেরই সঁপ্ন ছিলো অনেক বড় পিলিয়ার হওয়া যেটা আমি যখন দেখেছি যে একটা সময় ভালো জায়গায় পোঁছাতে পারিনি তো সেটা আমার নিজেরই ব্যার্থতা।

ফুটবল এর কোচ তিনি আরও বলেন, তবে আমরা আপনারা মাধ্যমে সবাইর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যদি অনেকেই বলে যে মাদক ছেরে মাঠে আয় আসলে এটা সবাইর মুখেমুখেই বাস্তবে সেটা হয়না। বাস্তবে অনেক ছেলেবেলেরা দেখি এন্ড্রয়েড বড় বড় মোবাইল নিয়ে বসে থাকে এবং গেমস খেলে যদি বলি মাঠে আসতে তো আমি অনেক চেষ্টা করি সবাইকে মাঠে আনার জন্য নিজেকে ফুটবল বা ক্রিকেট একটা খেলার সাথে সম্পৃক্ত রাখার জন্য যাতে ফুটবল বা ক্রিকেট খেললে মনমানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থ্যতা অনেক ভালো থাকে।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম মাঠের দায়িত্ব পদে ক্রিকেট পরিচালক রনি খাঁন ও ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোহাম্মদ মোজ্জামেল হোসেন বলেন, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখেন, আমরা পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের এমন উচ্চতায় নিয়ে যাব, যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে গর্ব করতে পারি মিরকাদিম পৌরবাসী ইনশাআল্লাহ্।

error: Content is protected !!