সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

পুরুষ কার কথা শুনবে স্ত্রী না মা?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫, ১:২৮ পিএম | 463 বার পড়া হয়েছে
পুরুষ কার কথা শুনবে স্ত্রী না মা?

🌸 “পুরুষ কার কথা শুনবে স্ত্রী না মা?”
এটি শুধুমাত্র একটি প্রশ্ন নয়, এটি বহু সংসারের টানাপোড়েনের উৎস। একদিকে জন্মদাত্রী মা, অন্যদিকে জীবনসঙ্গিনী স্ত্রী একজন দিয়েছেন জীবন, অন্যজন জীবনকে করেছেন পরিপূর্ণ। এই দ্বন্দ্বের সমাধান শুধুমাত্র ‘একজনের পক্ষ নেওয়া’ নয়, বরং একটি সূক্ষ্ম ও সচেতন ভারসাম্য গড়ে তোলা।
👵 মায়ের গুরুত্ব:
মা শুধু জন্মদাত্রী নন, তিনিই প্রথম শিক্ষিকা, আশ্রয় এবং নিরাপত্তার প্রতীক।
📚 Journal of Family Psychology (2017) অনুসারে, মা-সন্তানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক মানসিক স্থিতিশীলতা এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, ভবিষ্যতের পারস্পরিক সম্পর্কেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
💬 মায়ের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও মূল্যবোধ একজন পুরুষকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরিণত করে তোলে।
🌱 মা হচ্ছেন আমাদের শিকড় শিকড় শক্ত না হলে কোনো গাছই টিকে থাকতে পারে না।
👰 স্ত্রীর ভূমিকা:
স্ত্রী একজন জীবনের সঙ্গী, ভবিষ্যতের রূপকার।
📘 University of Oxford-এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সংলাপ যত উন্মুক্ত হয়, তাদের মানসিক চাপ তত কম হয়, এবং সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়।
🧠 আজকের যুগে একজন স্ত্রী শুধুমাত্র সংসার সামলান না তিনি কাজ, আর্থিক সিদ্ধান্ত এবং পরিবার গঠনের সমান অংশীদার।
❤️ স্ত্রী এমন একজন, যাকে পুরুষ নিজের প্রতিদিনের সংগ্রাম, স্বপ্ন, ব্যর্থতা সব কিছু ভাগ করে নিতে পারেন।
⚖️ তাহলে সমাধান কী?
১. মায়ের প্রতি কর্তব্য অপরিবর্তনীয়:
🕊️ যতই আপনি বড় হন না কেন, মায়ের প্রতি সম্মান, সময় এবং আবেগ প্রকাশ বন্ধ করা যাবে না।
🎗️ তাকে বোঝান, আপনি তাকে উপেক্ষা করছেন না বরং আরও একটি সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছেন।
২. স্ত্রীর সাথে পার্টনারশিপ গড়ুন:
🤝 তাকে ‘পরের মানুষ’ ভাবা বন্ধ করুন। স্ত্রী মানেই সমানাধিকারভিত্তিক একজন জীবনসঙ্গী।
🗣️ তার মতামত গুরুত্ব দিয়ে শুনুন, যাতে সে অনুভব করে সে নিরাপদ এবং সম্মানিত।
৩. দুই পক্ষের মাঝে স্বচ্ছতা রাখুন:
🔄 মায়ের সামনে স্ত্রীর পক্ষ না নিয়ে বা স্ত্রীর সামনে মায়ের পক্ষ না নিয়ে সঠিক তথ্য ও আবেগ দিয়ে বোঝানোর দক্ষতা গড়ে তুলুন।
🧭 সত্য গোপন নয়, বরং বোঝাপড়া ও বিশ্বাসের মাধ্যমেই সম্পর্ক টেকে।
৪. নিজেই নেতা হোন, বাহক নয়:
🙋‍♂️ একজন পরিপক্ব পুরুষ কখনো পক্ষ নেন না, তিনি মিলনের সেতু হন।
🛠️ স্ত্রী-মায়ের মাঝে যদি ভুল বোঝাবুঝি হয়, সেটাকে এড়িয়ে নয়, প্রজ্ঞা দিয়ে সমাধান করুন।
💎 কিছু আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি:
✅ World Health Organization মতে, পরিবারে মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য নারী সদস্যদের মধ্যে সমতা ও শ্রদ্ধা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
✅ Harvard Business Review অনুযায়ী, যারা পরিবারে ভারসাম্য রাখতে পারে, তারা কর্মক্ষেত্রেও বেশি সফল হন।
✅ সমাজে পুরুষের শক্তি শুধু শারীরিক না তার আসল শক্তি হলো আবেগকে পরিচালনা করার ক্ষমতা।
🔚 উপসংহার:
পুরুষ যেন বুদ্ধিমানের মতো দুজনকেই সম্মান দিয়ে জীবনকে সাজায়।
🌳 মা হচ্ছেন শিকড়, স্ত্রী হচ্ছেন ডালপালা এই দুই মিলে সম্পর্কের বৃক্ষ সবুজ হয়ে ওঠে।
👑 একজন আদর্শ পুরুষ সেই, যিনি মা ও স্ত্রী উভয়ের হৃদয়ে জায়গা করে নেন, কোনো একজনের হৃদয় ভেঙে নয়।
❤️ সত্যিকারের ভালোবাসা মানে একপক্ষ নয় উভয় পক্ষের আবেগকে শ্রদ্ধা করে চলা। সেটাই হবে জীবনের শ্রেষ্ঠ ভারসাম্য।

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

ফারুক হোসাইন, ব্যুরো প্রধান, রংপুর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

অবরোধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফকু, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুনান হক্কানি এবং জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কামালকে অবৈধভাবে বাফার গোডাউনে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি সারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপসারণ করা না হলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

মোঃ ফরহাদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৫ এএম
কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায়দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যানবাহন চালক, পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলার চন্দ্রা, মৌচাক, কোনাবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন চালকরা। অনেক পাম্পে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও সামান্য তেল পাওয়া গেলেও সেখানে মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ পাম্পে তেলের মজুত শেষ হয়ে গেছে। পাম্প মালিকরা বলছেন, আগাম অর্থ জমা দিলেও সময়মতো তেল সরবরাহ না পাওয়ায় এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে তেল মজুদ করার অভিযোগও উঠেছে। সম্প্রতি প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুদের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে, যা কৃত্রিম সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

জ্বালানি সংকটের কারণে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলেও ব্যাঘাত ঘটছে। অনেক যানবাহন তেল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করে ভোগান্তি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

error: Content is protected !!