সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

সন্তানকে ৫টি শিক্ষা দিতে পারেন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫, ৮:৪২ পিএম | 329 বার পড়া হয়েছে
সন্তানকে ৫টি শিক্ষা দিতে পারেন

সন্তানকে এই ৫টি শিক্ষা দিতে পারেন👇
প্রতিটি শিশু যেন শুধু ভালো শিক্ষার্থী নয়, বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবেও বড় হয়—এটা প্রত্যেক মা–বাবার চাওয়া। কিন্তু স্কুলের বইয়ের বাইরে জীবন নিয়ে যে শিক্ষা, তা প্রধানত পরিবার থেকেই আসে। ছোটবেলা থেকেই কিছু মানবিক মূল্যবোধ ও নীতিগত শিক্ষা সন্তানকে দেওয়া গেলে তারা ভবিষ্যতে আরও সচেতন, সহানুভূতিশীল ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হয়ে উঠবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর মানসিক গঠন শুরু হয় পরিবারের হাত ধরে। তাই বাবা–মায়ের কিছু সচেতন প্রয়াসে তৈরি হতে পারে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ। জেনে নিন এমন ৫টি শিক্ষা, যা প্রতিটি সন্তানের মধ্যেই ছোটবেলা থেকে গড়ে তোলা জরুরি।
১. সততা ও দায়বদ্ধতা
সন্তান যদি ছোটবেলা থেকেই শিখে যে ভুল করা খারাপ কিছু নয়, কিন্তু মিথ্যা বলা খারাপ—তবে তারা ভয় না পেয়ে সত্য বলা শিখবে। সন্তানকে বোঝাতে হবে, নিজের কাজের জন্য দায় নেওয়া একজন ভালো মানুষের লক্ষণ। আপনি যদি সন্তানকে সত্য বলার জন্য উৎসাহ দেন এবং ভুল করলেও ভালোভাবে বিষয়টি বোঝান, তবে তারা ভয় নয়, বরং বিশ্বাসের শিক্ষা পাবে।
২.সহানুভূতি ও সহমর্মিতা
অন্যের কষ্ট বুঝতে শেখা বড় গুণ। সন্তানকে শেখান, গৃহকর্মীর প্রতি সম্মান, পথশিশুর প্রতি সহানুভূতি কিংবা বন্ধু কষ্টে থাকলে পাশে থাকা—এসবই একজন মানবিক মানুষের পরিচয়। শিশুকে এমন গল্প বলুন, যেখানে সহানুভূতির জয় হয়েছে। সুযোগ পেলে তাকে নিয়ে অসহায়দের সাহায্য করতে যান—এই অভিজ্ঞতা তাকে বড় শিক্ষা দেবে।
৩.নিজের কাজ নিজে করা
ছোটবেলা থেকেই সন্তানকে ছোট ছোট দায়িত্ব দিন—খাবার পর নিজের প্লেট ধোয়া, স্কুলব্যাগ গুছানো, বিছানা ঠিক করা। এতে করে তাদের মধ্যে আত্মনির্ভরতা গড়ে উঠবে। ভবিষ্যতে তারা কোনো কাজকে ‘ছোট’ বা ‘অমর্যাদাকর’ ভাববে না, বরং নিজে উদ্যোগ নিতে শিখবে।
৪. না বলতে শেখা
সব সময় হ্যাঁ বলা যে ভালো নয়, সেটা সন্তানকে শেখান। নিজের সীমানা নির্ধারণ করা, অস্বস্তিকর বা ভুল কিছুতে ‘না’ বলা—এটি সাহসী ও আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন একজন মানুষ হওয়ার প্রথম ধাপ। বন্ধু বা বড় কেউ ভুল কিছু করতে বললে ‘না’ বলা শেখা তাদের নিরাপত্তার জন্যও জরুরি।
৫. পরিবেশ ও প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা
বাড়িতে গাছ লাগানো, পাখিকে পানি দেওয়া বা আহত কুকুরকে সাহায্য করার মতো ছোট ছোট কাজ সন্তানকে প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল করে তোলে। এ শিক্ষা ভবিষ্যতে তাকে শুধু একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে।
বইয়ের জ্ঞান বা ভালো রেজাল্ট এক সময় পুরনো হয়ে যায়। কিন্তু জীবনযাপনের এই শিক্ষাগুলো রয়ে যায় চিরকাল। আজ যে শিশুটি আপনার কোলে, কাল সে সমাজ গঠনের সৈনিক। তাকে
শুধু বড় নয়, ভালো করে গড়ে তুলুন—এই প্রত্যাশায়।

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

ফারুক হোসাইন, ব্যুরো প্রধান, রংপুর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

অবরোধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফকু, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুনান হক্কানি এবং জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কামালকে অবৈধভাবে বাফার গোডাউনে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি সারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপসারণ করা না হলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

মোঃ ফরহাদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৫ এএম
কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায়দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যানবাহন চালক, পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলার চন্দ্রা, মৌচাক, কোনাবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন চালকরা। অনেক পাম্পে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও সামান্য তেল পাওয়া গেলেও সেখানে মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ পাম্পে তেলের মজুত শেষ হয়ে গেছে। পাম্প মালিকরা বলছেন, আগাম অর্থ জমা দিলেও সময়মতো তেল সরবরাহ না পাওয়ায় এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে তেল মজুদ করার অভিযোগও উঠেছে। সম্প্রতি প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুদের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে, যা কৃত্রিম সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

জ্বালানি সংকটের কারণে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলেও ব্যাঘাত ঘটছে। অনেক যানবাহন তেল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করে ভোগান্তি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

error: Content is protected !!