সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

নারী ভুল জায়গায় গিয়ে ঠকে এবং সঠিক জায়গায় গিয়ে ঠকায়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫, ৭:১৩ পিএম | 394 বার পড়া হয়েছে
নারী ভুল জায়গায় গিয়ে ঠকে এবং সঠিক জায়গায় গিয়ে ঠকায়

“নারী ভুল জায়গায় গিয়ে ঠকে এবং সঠিক জায়গায় গিয়ে ঠকায়”
🔸 ভুল জায়গায় গিয়ে ঠকে:
নারী যখন এমন মানুষ বা পরিবেশে আস্থা রাখে যা তার সম্মান, নিরাপত্তা বা মর্যাদা রক্ষা করে না, তখন নারী প্রতারিত হয়, কষ্ট পায়, সম্পর্ক নষ্ট হয়, মানসিক ভেঙে পড়ে।
🔸 সঠিক জায়গায় গিয়ে ঠকায়:
যখন নারী এমন একজন পুরুষের জীবনে আসে, যে তাকে সম্মান করে, ভালবাসে, তাকে সম্মান দেয়, তখন অনেক নারী তার সেই নিরাপত্তা ও ভালোবাসার জায়গায় অহংকার দেখায়, অন্যায় চাহিদা করে, বা তার দায়িত্বকে হালকাভাবে নেয়, ফলে সেই পুরুষকেই মানসিক কষ্ট দেয়।
বাস্তব উদাহরণ
অনেক নারী ভুল মানুষকে ভালোবেসে তার সবকিছু উৎসর্গ করে, তার দোষ, মদ্যপান, নেশা, অন্য মেয়েদের সাথে সম্পর্ক সহ্য করে। শেষে সেই ছেলে তাকে ছেড়ে দেয়, নারী ঠকে।
কিন্তু যখন সেই নারী সৎ, দ্বীনদার, দায়িত্বশীল একজন স্বামীর ঘরে আসে, সে স্বামীর সাথে তুলনামূলক অহংকার, অহেতুক সন্দেহ, বা অতিরিক্ত চাহিদা করে, ফলে সে সেই সঠিক মানুষকেই ঠকায়।
🔹 নারীকে সম্মান ও মর্যাদা দিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা । কিন্তু যখন নারী অন্যায় সম্পর্কে জড়ায় (অবৈধ সম্পর্ক), নৈতিকতা ছেড়ে ফ্যাশনের পেছনে ছুটে, তখন সে দুনিয়ার কাছে খারাপ চরিত্রের নারী হিসেবে প্রতিপন্ন হয়।
🔹 আর যখন নারী দ্বীনদার স্বামী পায়, ভালো পরিবার পায়, তখন তার দায়িত্ব হলো সেই পরিবেশকে সম্মান করা। কিন্তু অহংকার, অবহেলা, অযাচিত চাহিদা করে অনেক নারী সেই সঠিক স্থানকে কষ্ট দেয়।
সমাজ থেকে নেওয়া বাস্তব অভিজ্ঞতা
✅ অনেক নারী অর্থলোভী বা বিলাসী পুরুষের পেছনে গিয়ে ঠকে, শেষমেষ একাকী হয়ে যায়।
✅ আবার কোনো নারী একজন সহজ-সরল, ভালো মানুষের জীবনে এসে অহেতুক ঝগড়া, সন্দেহ, পরিবারকে হুমকি দিয়ে জীবনকে জটিল করে তোলে।
✅ তাই নারী যখন ভুল জায়গায় যায়, প্রতারিত হয়। সঠিক জায়গায় আসে, তখন নিজের অভ্যাস বা অহংকার দিয়ে প্রতারনা করে।
উপসংহার
“নারী ভুল জায়গায় গিয়ে ঠকে এবং সঠিক জায়গায় গিয়ে ঠকায়” –
🔸 কথাটি আমাদের সমাজের বাস্তবতা।

ফরিদপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

মোঃমাহফুজুর রহমান বিপ্লব। প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ এএম
ফরিদপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে বিকাশ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর করেছে বলে জানাযায়।

আজ রোববার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের সাতৈর রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বিকাশ চন্দ্র কর্মকার বোয়ালমারী উপজেলার কামারহাটি গ্রামের নিতাই চন্দ্র কর্মকারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি কয়েক বছর আগে সাতৈর বাজারে স্বর্ণের ব্যবসা করতেন। ব্যবসায় লোকসানের কারণে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং দেনা পরিশোধ করতে জমিজমা বিক্রি করেন। প্রায় দুই বছর আগে তার স্ত্রী মারা যায়। এরপর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
স্থানীয়দের ধারণা, ঋণগ্রস্ততা ও ব্যক্তিগত হতাশা থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার পদ বেঁচে নেয়।

জানাযায়, রাজশাহী থেকে গোপালগঞ্জগামী গামী ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে বোয়ালমারী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

ফারুক হোসাইন, ব্যুরো প্রধান, রংপুর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

অবরোধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফকু, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুনান হক্কানি এবং জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কামালকে অবৈধভাবে বাফার গোডাউনে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি সারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপসারণ করা না হলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

error: Content is protected !!