শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

চিকিৎসা পেশায় ব্যস্ত নায়লা নাঈম

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫, ৪:৫১ পিএম | 250 বার পড়া হয়েছে
চিকিৎসা পেশায় ব্যস্ত নায়লা নাঈম

ফ্যাশন মডেল হিসেবে নায়লা নাঈম তুমুলভাবে আলোচনায় আসেন ২০১৩ সালের শেষভাগে। সামাজিক মাধ্যমের আলোচিত ব্যক্তি হয়ে ওঠেন তিনি। শোবিজে নায়লার গুরুত্ব বেড়ে যায়। কাজের পরিধিও বাড়তে থাকে তার।বিজ্ঞাপন, গানের মডেল, নাটক – সবই চলতে থাকে সমানতালে।
গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে কাজ করে শোবিজে অভিষেক ঘটে নায়লা নাঈমের। এরপর পোশাকের মডেল হিসেবে দীর্ঘ সময় কাজ করেন।
তন্ময় তানসেন পরিচালিত রানআউট নামের একটি চলচ্চিত্রে একটি আইটেম গানে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে তার অভিষেক নায়লা নাঈমের। পরে তিনি কাজী হায়াত পরিচালিত ‘মারুফ টাকা ধরে না’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এরপর তার গুরুত্ব চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু করোনা পরবর্তী সময়ে আলোচিত এই মডেলকে সেভাবে আর দেখা যায়নি।
জানা গেছে, তিনি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলের নাম পরিবর্তন করে ফেলেছেন। তবে যে ভেরিফায়েড পেজের মাধ্যমে আলোচনায় ছিলেন, সেটি এখনো একই নামে আছে। কিন্তু তার টাইমলাইন ধরে এগোলে দেখা যাবে কোনো মডেলের ফেসবুক পেজ নয়, যেন শৌখিন কোনো ব্যক্তি চালান এটি।
নায়লা নাঈম জানালেন, ব্যক্তিগত ঝামেলায় শোবিজ দুনিয়া থেকে সরে আছেন। একেবারে পারিবারিক কিছু জটিলতার কারণে নেই অন্তরাল।
অন্তরালে অন্তর্ধান কত দিন চলবে – এমন প্রশ্নে নায়লা বলেন, কই, আমি তো হারাইনি। আপনি কি আমাকে পাননি ? নায়লা নাঈমকে ঠিকই খুঁজে পাওয়া যায়, তবে আগে যেভাবে পাওয়া যেতো সেভাবে নয়। চলমান ব্যস্ততা নিয়ে তিনি বলেন, আমি এখন চেম্বার নিয়ে ব্যস্ত। সবার নিশ্চয়ই মনে আছে আমি একজন দন্তচিকিৎসক। আগে খিলগাঁওয়ে আমার নিজের চেম্বার ছিল, এখন বনশ্রীতেও একটি চেম্বারে বসি। বুঝতেই পারছেন আমার ব্যস্ততা কোন দিকে বেড়েছে।
কথায় কথায় নায়লা নাঈম জানান, ক্যামেরার সামনে থেকে সরে রোগীর দিকে মনোযোগ বাড়লেও কমেনি কুকুর – বিড়ালদের প্রতি মনোযোগ। তিনি আফতাবনগরের যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, সেখানে অন্য ভাড়াটে বা ফ্ল্যাট মালিকরা নায়লা’র সঙ্গে প্রায়ই ঝামেলা করতেন। কেননা অনেক বিড়াল পুষতেন তিনি। আফতাবনগরের সব কুকুরকে খাওয়াতেন নায়লা। খাওয়াতেন বলা হচ্ছে এ কারণেই যে, তিনি এখন চলে গেছেন বনশ্রীতে। তাই বলে কুকুর – বিড়ালদের খাওয়ানো বা রেসকিউ করা এখনো থেমে যায়নি। আফতাবনগরে অন্য একজনকে দায়িত্ব দিয়েছেন, আর তিনি বনশ্রী, খিলগাঁও এলাকায়। নায়লা বলেন, ওরা তো আমার স্বজন, কুকুর – বিড়ালদের কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়ার উপায় নেই।
শোবিজে ফেরা প্রসঙ্গে নায়লা নাঈম বলেন, শীঘ্রি ফেরা হচ্ছে না। কিংবা নায়লা নাঈম নিজেও বলতে পারছেন না। ফিরে গেলেন শুরুর কথায়। বললেন, প্রথমেই বললাম, পারিবারিক কিছু জটিলতা চলছে। সেসবের পর দেখা যাক। সমসাময়িক এসব বিষয়ে কথা বললেও নায়লা নাঈম বিয়ে প্রসঙ্গটি কৌশলে এড়িয়ে গেলেন।

আমির ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি’র ঈদ মোবারক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৯ পিএম
আমির ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি’র ঈদ মোবারক

‎আমির ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানালেন টেকনাফের আলহাজ্ব এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি।

‎দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে খুশির বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদ। এই ঈদ বয়ে আনুক শান্তি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

‎এই শুভক্ষণে আমির গ্রুপ ও আমির ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সফল ব্যবসায়ী টেকনাফ পৌরসভার কৃতি সন্তান আলহাজ্ব এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।

‎তিনি বলেন,ঈদ শুধু আনন্দের নয়, বরং এটি আমাদের মধ্যে সহমর্মিতা, ভালোবাসা ও ত্যাগের চেতনা জাগ্রত করে। আসুন আমরা সবাই মিলে সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং ঈদের আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগি করি।

‎আলহাজ্ব এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি একজন দানশীল, মানবিক ও সৎ ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত। তিনি সবসময় গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং কাউকে কখনো খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না। তাঁর এই মহানুভবতা ও মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
‎এই পবিত্র ঈদে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, আসুন আমরা সবাই মিলেমিশে একে অপরের পাশে দাঁড়াই, ভালোবাসা ও মানবিকতার মাধ্যমে গড়ে তুলি একটি সুন্দর ও কল্যাণমুখী সমাজ।
‎ঈদ মোবারক! ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

মির্জাখীলসহ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৭ পিএম
মির্জাখীলসহ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মির্জাখীল দরবার শরিফের খানকাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন দরবারের অনুসারীরা।
হযরত শাহ জাহাঁগীর শেখুল আরেফীন (ক.), হযরত শাহ জাহাঁগীর ফখরুল আরেফীন (ক.) ও হযরত শাহ জাহাঁগীর শমসুল আরেফীন (ক.)-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে বর্তমান সাজ্জাদানশীন হযরত শাহ জাহাঁগীর তাজুল আরেফীন (ক.)-এর তত্ত্বাবধানে তার জানশিন হযরত ইমামুল আরেফীন ড. মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান ঈদের নামাজে ইমামতি করেন।
জানা যায়, মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা প্রায় আড়াইশ বছর ধরে হানাফি মাজহাবের নিয়ম অনুসরণ করে বিশ্বের যেকোনো দেশে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে রোজা, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহাসহ চান্দ্রমাস-সংশ্লিষ্ট সব ধর্মীয় অনুশাসন পালন করে আসছেন।
দরবার সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় আড়াইশ বছর আগে সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মির্জাখীল গ্রামে হযরত মাওলানা মোখলেছুর রহমান জাহাঁগীর (ক.) এ বিষয়ে ফতোয়া জারি করেন। এরপর থেকেই অনুসারীরা একই নিয়মে ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করে আসছেন।
মির্জাখীল ছাড়াও সাতকানিয়া উপজেলার গারাংগিয়া, সোনাকানিয়া, ছোটহাতিয়া, আছারতলি, সাইরতলি, এওচিয়া, খাগরিয়া, ছদাহা, গাটিয়াডেঙ্গা ও বাজালিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে ঈদ উদযাপন করা হয়।
এছাড়া লোহাগাড়া, বাঁশখালী, পটিয়া, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, রাউজান, ফটিকছড়ি, হাতিয়া, সন্দ্বীপসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, ঢাকা, সিলেট, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, চুয়াডাঙ্গা, ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার শতাধিক গ্রামের অনুসারীরাও একই দিন ঈদ উদযাপন করছেন।

হালিশহর পি এইচ আমীন একাডেমী স্কুল মাঠে সর্বস্তরের ভাইবোন সমন্বয়ে ঈদুর ফিতরের নামাজ সকাল ৮.৩০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে

- মঈনউদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
হালিশহর পি এইচ আমীন একাডেমী স্কুল মাঠে সর্বস্তরের ভাইবোন সমন্বয়ে ঈদুর ফিতরের নামাজ সকাল ৮.৩০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে

আসসালাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ । আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর লাইলাহা ইল্লেলাহু আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ। আহলে সুন্নাত ঈদ জামাত উদযাপন পরিষদ চট্রগ্রাম হালিশহর থানা শাখার উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদুল ফিতরের নামাজ ফইল্যাতলী বাজার পি এইচ আমীন একাডেমী স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে আগামীকাল সকাল ৮.৩০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত জামাতে মা—বোনদের ও আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। অত্র এলাকায় মা—বোনদের নিয়ে সম্মলিত ভাবে ইহাই একমাত্র জামাত। উক্ত ঈদুল ফিতর এর নামাজ, দোয়া—মুনাজাত পরিচালনা করবেন হাফেজ আল্লামা ইলিয়াছ শাহ, ও সালাতু ছালাম পরিচারনা করবেন মুফতি আল্লামা রেজাউল কাউসার। ঈমানদার ভাইবোন সবার প্রতি আসন্ন ঈদের আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি ও দুনিয়ার সব ভাইবোনদের জন্য শান্তি নিরাপত্তা ও সুপথ কামনায় ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় দোয়া মুনাজাত ও সালাতু সালামে শরীক হয়ে সবার জন্য দোয়া ও মুক্তির পথ তৈরীর শপথে সমগ্র বিশ্ব মন্ডলির মুক্তি সাধনায় দোয়া কামনায় আপনার উপস্থিতি একানÍ কামনা করছি।

বিনিত
(মঈনউদ্দিন,মনি)
সাধারন সম্পাদক
আহলে সুন্নাত ঈদ জামাত ঊদযাপন পরিষদ
হালিশহর থানা শাখা, চট্রগ্রাম।
মোবাইল: ০১৭১৪৪০৭৫৩৩

error: Content is protected !!