বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২

ডলার কেন মোড়ল?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫, ৪:৫৫ পিএম | 133 বার পড়া হয়েছে
ডলার কেন মোড়ল?

প্রতিটি দেশের নিজস্ব মুদ্রা রয়েছে। যা দিয়ে দেশটির নাগরিকরা লেনদেন করে, পণ্য বা সেবা গ্রহন করেন। কিন্তু যখন দুটি দেশের, দুটি ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেন হয়, তখন সরাসরি আরেকটি পৃথক মুদ্রা বা সেই মুদ্রার তুলনায়, লেনদেন করতে হয়। আর এই তৃতীয় মুদ্রায় হিসেবে দুনিয়াজুড়ে সবচে ব্যবহৃত আর জনপ্রিয় ডলার। আর্থনীতিতে এই পুরো বিষয়কে বলা হয়, মুদ্রা বিনিময় হার।

১৯১০ দশকে স্বর্ণ মাননিয়ন্ত্রিত বিনিময় হার চালু। এ ধরনের মুদ্রাকে বলা হতো স্বর্ণমান মুদ্রা বা কমোডিটি–বেজড মানি। যার কাছে যত স্বর্ণের মজুদ, তার মুদ্রাও তত শক্তিশালী। কারণ তখন পর্যন্ত সোনার দার, বিশ্বব্যাপী সবচে স্থির সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ঠিক হয়, এক আউন্স সোনার দাম হবে ৩৫ ডলার। সেই ডলার নোটে লেখা থাকত, এই নোট যার হাতে থাকবে, সে যখন চাইবে তাকে সমমূল্যের স্বর্ণ ব্যাংক দেবে।

তবে দুটি ইস্যুতে এ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথমটি, স্বর্ণের দামের পত। এদিকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মুদ্রার চাহিদা বাড়লেও সোনার মজুত সে হারে বাড়েনি। এমন বাস্তবতায়, ২য় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে পর্যাপ্ত স্বর্ণের মজুদ না থাকলেও, দেশগুলো ইচ্ছেমতো ডলার ছাপাতে শুরু করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের অর্থনৈতিকর পাশাপাশি ধাক্কা আসে এশিয়ার অর্থনীতিতেও। এ সময় অবস্থা সামাল দিতে, ১৯৪৪ মাঠে নামে আইএমএফ। এখান থেকেই শুরু ডলারে একচ্ছত্র অধিকারী হবার গল্প।

২য় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের পূর্ণ নির্মাণে এ সময় ‘মার্শাল প্ল্যান’ পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ইউরোপিয়ান দেশগুলিকে ডলার সাহায্য দেওয়া হয়। ফলে দেশে দেশে রিজার্ভ কারেন্সি হিসেবে ডলারের ব্যবহার বাড়তে থাকে। আধিপত্যের সাথে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট নিক্সনের নাম জড়িত। ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন মার্কিন ডলার সোনায় রূপান্তরের ক্ষমতা বাতিল করেন। এই পদক্ষেপকে বলা হয় ‘গোল্ডেন উইন্ডো’ বন্ধ করা। ইতিহাসে এই ঘটনাকে ‘নিক্সন শক’ বলে হয়। কেননা, তখন জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির পরিপ্রেক্ষিতে সব দেশই তখন বিপদে। তাই দেশ গুলোর কাছ রপ্তানির প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে মুদ্রার অবমূল্যায়ন ছাড়া উপায় ছিলোনা।

মুলত একটি দেশ যদি অন্যকোন দেশ থেকে পণ্য-সেবা কিনতে যায়, তবে তার ডলার লাগবে। তার কাছে পর্যাপ্ত ডলার না থাকলে, তাকে আরো ডলার কিনতে হবে। অর্থনীতি প্রধানতম শর্ত চাহিদা। কোন কিছুর চাহিদা বাড়লে তার দাম্ও বাড়বে। তাই ডলারে দাম্ও দেশে দেশে বাড়তে শুরু করে। আর অভ্যন্তরীন মুদ্রা দাম হারাতে শুরু করে। এই প্রক্রিয়াই মুদ্রার অবমূল্যায়ন।

১৯৭১ স্বাধীন হবার পর বাংলাদেশে ডলারের বিনিময় হার ছিল ৭ দশমিক ২৭ টাকা। কিন্তু প্রতিনিয়ত আমদানির করবার প্রয়োজনের বিপরীতে বাংলাদেশের ডলারের প্রয়োজন বাড় থাকে। ডলার কিনতে চাই টাকা। টাকার যেহেতু বৈশ্বিক কোন চাহিদা নিই। তাই দিনদিন দাম হারাতে থাকে টাকা।

শুরুতে বাংলাদেশও তার রিজার্ভ হিসেবে ডলারের পাশাপাশি স্বর্ন রাখতো। তবে ২০০৮ এর বৈশ্বিক মন্দা আর ২০১৯ এর করোনার ধাক্কায় বাংলাদেশও স্বর্ণের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনে। এ কারণে আপনি শুনবে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার যে মজুদ তার সিংহভাগ মার্কিন ব্যাংকগুলো ডলার কিনে মজুদ রাখা। আবার ভারত-চীনের সাথে লেনদেন বাড়ায় রুপি- চীনের মুদ্রা্ও কিনে রাখ হয়। কারণ তাদের মুদ্রা দেশে না থাকেল ডলারে লেনদেন করতে হবে। তাতে আরো খরচ বাড়বে।

টাকার মান বাড়াতে হলে উপায়: আমদানি খরচ কমিয়ে রপ্তানী বাড়ানো। সেই সাথে রেমিট্যান্স। এক কথায় ডলারে মজুদ বাড়ানো। যখন বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিলো তখন বাজারে প্রায় ৮৬ টাকায় ডলার কেনাবেচা হতো। তবে রিজার্ভ কমার সাথে সাথেই বাড়তে থাকে ডলারে দাম। মান হারায় টাকা।

বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে লাঞ্ছিত

‎মুক্তাগাছায় আবাদী জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

ডাঃ মোঃ আবুল কালাম, ‎জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৯ পিএম
‎মুক্তাগাছায় আবাদী জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে সরকারি ম্যাপ পরিবর্তন করে জোরপূর্বক ব্যক্তিমালিকানাধীন আবাদী জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে বাধা দিতে গেলে ভুক্তভোগী এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের স্ত্রীকে লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
‎গত সোমবার (৩০ মার্চ, ২০২৬) দুপুরে মুক্তাগাছা থানার ১নং দুল্লা ইউনিয়নের চন্ডিমন্ডপ (গজিয়াপাড়া) গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মোঃ সরোয়ার হোসেন মুক্তাগাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ সরোয়ার হোসেনের আবাদী জমির ওপর দিয়ে কোনো সরকারি রাস্তা না থাকলেও স্থানীয় অভিযুক্ত মোঃ ফজলুল হক মাস্টার (৫০), মোঃ নজরুল ইসলাম (৫৫) ও মোঃ রুহুল আমীন মাস্টারসহ (৩০) আরও কয়েকজন মিলে ক্ষমতার দাপটে জমির মাঝখান দিয়ে রাস্তা নেওয়ার চেষ্টা করেন। এর আগে ভুক্তভোগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দিলে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
‎তবে গত ৩০ মার্চ সোমবার দুপুরে সরোয়ার হোসেনের অনুপস্থিতিতে অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আবাদী জমির মাঝখান দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে সরোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ আছমা ইয়াসমিন (৪৭) ঘটনাস্থলে গিয়ে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করতে চাইলে অভিযুক্তরা উত্তেজিত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধর করতে উদ্যত হন। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তিনি উদ্ধার হলেও অভিযুক্তরা তাকে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
‎ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। জমির মালিক মোঃ সরোয়ার হোসেন বলেন, “আমার আবাদী জমির ক্ষতি করে ম্যাপ বহির্ভূতভাবে এই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করায় আমার স্ত্রীকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার ও জানমালের নিরাপত্তা চাই।”
‎মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উলিপুরে মাদ্রাসার ছাত্র রাকিব হাসান নিখোঁজ

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৬ পিএম
উলিপুরে মাদ্রাসার ছাত্র রাকিব হাসান নিখোঁজ

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ময়নার বাজার এলাকায় রাকিব হাসান নামে এক হাফিজি মাদ্রাসার হেফজো বিভাগের কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। গতকাল (১ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বাড়ির পাশের মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে রওনা হলে সে নিখোঁজ হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকার আশেপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এতে করে পরিবারে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
যদি কোনো ব্যক্তি রাকিব হাসানের সন্ধান যদি কেউ পেয়ে থাকেন বা কোথাও দেখে থাকেন,অনুগ্রহ করে তাকে নিরাপদে হেফাজতে রেখে মানবিক সহযোগিতায় উক্ত নাম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

যোগাযোগ: 01309424992/01318102259

বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম উখিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম উখিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল
error: Content is protected !!