বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩

বস্তুর উর্ধ্বে মানবসত্তার প্রবক্তা এবং বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রবর্তক

ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী ও মব সন্ত্রাস দূর করে মুক্ত সংস্কৃতির প্রবাহের মাধ্যমেই সব মানুষের মানবতার রাষ্ট্র সম্ভব

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৭ পিএম | 52 বার পড়া হয়েছে
ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী ও মব সন্ত্রাস দূর করে মুক্ত সংস্কৃতির প্রবাহের মাধ্যমেই সব মানুষের মানবতার রাষ্ট্র সম্ভব

চন্দ্রবর্ষ সৌরবর্ষ ঋতুবর্ষ কোনো একক ধর্মের নয় সবার জন্য প্রাকৃতিক বিষয়। এসব বিষয়কে কোনো একক ধর্ম বা একক জাতীয়তাবাদ ভিত্তিক দেখানো মিথ্যা ও মূর্খতা এবং মানবতাবিরুদ্ধ অন্যায়।

বস্তুর উর্ধ্বে মানব সত্তার প্রবক্তা ও বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রবর্তক ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে উল্লেখ্য করে বলেন, বর্ষপরিক্রমা প্রাকৃতিক বিষয়, ঈমানী বিষয় নয়। পহেলা মহররম চন্দ্রবর্ষের আবর্তন, এভাবে সৌরবর্ষ ও ঋতুবর্ষ রয়েছে যার সবগুলোই প্রাকৃতিকভাবে মানব জীবনের কল্যাণের জন্য দয়াময় আল্লাহতাআলার ব্যবস্থা।

বর্ষপরিক্রমা সরাসরি ধর্মীয় বিষয় নয় কিন্তু জীবনের অংশ হিসেবে ধর্মের কার্যধারায় যুক্ত, যেমন আমরা চন্দ্রমাসের হিসেবে ঈদে আজম-জাতীয় শহীদ দিবস-ঈদে মেরাজ শরীফ-রমজান-হজ্ব-কদর-বরাত ইত্যাদি পালন করি; তেমনি সূর্য্য পরিক্রমায় নামাজ সেহরী ইফতার ইত্যাদি পালন হয়, এতদঞ্চলে বৈশাখ প্রাকৃতিক ঋতুবর্ষ হিসেবে শুরু হয়। অর্থাৎ কোনোটাই প্রকৃতি ধর্ম ও জীবন থেকে আলাদা নয় আবার একক কোন ধর্মের নিজস্ব বিষয় নয়, আবার এসব উদযাপনের কোনো ঈমানী তাৎপর্য নেই বরং ভূল পথে পালনে সমস্যা আছে। কোন বিষয় ও ঘটনা ছাড়া কোন দিবস বা মাসের আলাদা কোন বৈশিষ্ট্য নেই। কোন দিবস বা মাসের আবহ ও তাৎপর্য্য নির্ধারিত হয় সে দিবস বা মাসের বিশেষ কোন বিষয় বা ঘটনার ভিত্তিতে। দয়াময় আল্লাহতাআলার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভাগমনের মাধ্যমে আল্লাহতাআলাকে পাওয়া এবং ঈমান দ্বীন ও মুক্তির পথ লাভের কারণে মাহে রবিউল আওয়াল শোকরিয়া-আনন্দ-উৎসব ও লক্ষ্য উদ্দেশ্যে উদযাপনের মাস হলেও বিশেষভাবে মহররম শোক ও শপথের মাস আনন্দ উদযাপনের নয়। প্রকৃতি বা কোনো বর্ষ পরিক্রমার সাথে সত্য ও মানবতার মুক্তির সরাসরি সম্পর্ক নেই, সম্পর্ক আছে ঘটনাবলীর সাথে-ইতিহাসের সাথে-সত্য ও মিথ্যার ধারা পরিক্রমা উপলব্ধি করে নিজেদের অবস্থান ও কর্তব্য নির্ধারণের সাথে। দ্বীন-মিল্লাত-মানবতার বিরাজমান মহাসংকট ও মর্মান্তিক দুরবস্থায় সর্বোপরি প্রাণপ্রিয় কেবলাভূমির পরাধীনতার মধ্যে নববর্ষ উদ্যাপনের বিকৃতি মানসিকতা আপত্তিকর দুঃখজনক।

চন্দ্র নববর্ষ ইসলামের বিকৃতিকারী বাতিল মওদুদিবাদিরা নিজেদেরকে #ইসলামিক #কালচারাল হিসেবে দেখানোর জন্য এবং অন্য ধর্মের সাথে সংঘাত ও বৈশাখের সাথে দ্বন্দ্ব হিসেবে এবং নিছক একটি বর্ষভিত্তিক করে দ্বীন ও মিল্লাতের ক্ষতি করার জন্য #প্রদর্শনী করে, অথচ ঈমানের মৌলিক বিষয় #ঈদে #আজম উদযাপনে কার্পণ্য করে (নাউজুবিল্লাহ)। #ঈমান ধ্বংসাত্মক মওদুদিবাদের অনুসরণে ও অন্যান্য বস্তুবাদি মূর্খতার অবান্তর গড্ডালিকা প্রবাহের অংশ না হয়ে ঈমানী দৃষ্টি ও ঈমানী বিবেক উপলব্ধি নিয়ে চলা উচিত আমাদের সুন্নী ভাইবোনদের সবার।

মহররম প্রথমতঃ ঈমানী #শোকের #মাস, মহান #কারবালার শাহাদাতের অন্তহীন ব্যথা ও শাহাদাতের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জীবনপণ ঈমানী শপথের মাস। এদিকে প্রাণপ্রিয় পবিত্র কেবলাভূমি বাতিলের জবরদখলে রুদ্ধ, দুনিয়ায় বিভিন্ন স্থানে মর্মান্তিক গণহত্যা, অসহায় নিপীড়িত মা বোন শিশুদের আর্তনাদ, সমগ্র মিল্লাত বাতিল ফেরকা ও বস্তুবাদি মতবাদ এবং ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদের হিংস্র অপরাজনীতি ও তাদের স্বৈরদস্যুতন্ত্রের গ্রাসে বিপন্ন, দ্বীন-মিল্লাত-মানবতা তথা সুন্নীয়তের বিরুদ্ধে সর্ব বাতিলের সর্বাত্মক যুদ্ধ চলছে এবং সে যুদ্ধে ঈমানিয়াত ও ইনসানিয়াতের ধারা পরাজিত, মিল্লাত ও মানবতা রক্তের সাগরে ডুবন্ত, এদিকে ইসলাম বা সুন্নীয়তের নামে বাতিল জালিম অপশক্তির সর্বনাশা দালালি অসৎ স্বার্থে বিশ্বাসঘাতকতা, এ অবস্থায় চন্দ্র নববর্ষের শুভেচ্ছা বা উদ্যাপনের কোনো অবস্থা বা অবকাশ নেই।

ঈমানদার মাত্রই মহররমে কারবালায় ঈমানের মহাকেন্দ্র সত্যের প্রাণপ্রদীপ প্রাণপ্রিয় খলিফাতুর রাসুল ইমামে আকবার সাইয়্যেদিনা হজরত #ইমাম #হোসাইন #রাদিআল্লাহু আনহু ও মহামহিম পবিত্র আহলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেরকে #কাফের #এজিদ বাহিনীর মর্মান্তিক হত্যাকান্ডে অতুলনীয় ব্যাথা ভরাক্রান্ত। শাহাদাতে কারবালার ঈমানী হৃদয়ের অন্তহীন ব্যথা যন্ত্রনা ঈমানী অনুভ‚তি যাদের নেই তারাই কেবল মহররমের সূচনায় আনন্দ উৎসব পালন করতে পারে। কোনো ঈমানদার ঈমানী শোক ও ঈমানী শপথের মহররমকে এজিদবাদি কাফেরদের মত উৎসব হিসেবে #পালন করতে পারে না। শাহাদাতে কারবালার শোক সমগ্র মুসলিম মিল্লাত ও সমগ্র মানবতার শোক, এটা ইসলামের বিকৃতিকারী বাতিল শিয়াদের বিষয় নয়। বাতিল শিয়াবাদ শাহাদাতে কারবালার শোকের বিকৃত প্রদর্শনীর আড়ালে সত্য ও মানবতার প্রতিষ্ঠা এবং মিথ্যা ও জুলুম উৎখাতের লক্ষ্যে মহাত্যাগের এ শাহাদাতের আসল শিক্ষা ও লক্ষ্যের বিপরীতে ইসলামের ধ্বংসে লিপ্ত রয়েছে। মহররম মাস আসলে মহান শাহাদাতে কারবালার ঈমানী শোক আর লক্ষ্য বাস্তবায়নে পবিত্র কলেমার বিপ্লবী শপথের ধারায় যেমন মুমিনদের পরিচয় প্রকাশ পায়, তেমনি অবাঞ্চিত শুভেচ্ছা ও নির্মম উৎসবের মাধ্যমে মোনাফেকদের পরিচয় প্রকাশ পায়। ঈমানী শোক ও শপথ এবং বিপরীতে #শাহাদাতে #কারবালার শিক্ষা আড়াল করে আনন্দ উদযাপনের মাধ্যমে মাহে মহররমে মুমিন আর মোনাফেকের পরিচয় প্রকাশ পায়।

চন্দ্রবর্ষ সৌরবর্ষ ঋতুবর্ষ সবই প্রাকৃতিক সবই সমগ্র মানবতার কল্যাণে দয়াময় আল্লাহতাআলা ও তাঁর #হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দান। #দিন #রাত #মাস #বছর #চন্দ্র #সূর্য এগুলো কোন এক ধর্ম বা কোনো এক #জাতি বা গোষ্ঠীর নয় সর্বজনীন, প্রাকৃতিক এসব বিষয়কে বিশেষ ধর্মীয়করণ বা বিধর্মীয়করণ একেবারেই অবান্তর মূর্খতা সংকীর্ণতা এবং ধর্ম বিরোধী ও মানবতাবিরোধী ক্ষতিকর সা¤প্রদায়িক ব্যাধি। #ইসলাম চন্দ্র বা সৌর মাস বর্ষ ভিত্তিক নয় সত্য ভিত্তিক তথা তাওহীদ রেসালাতের ভিত্তিতে এবং ঈমানিয়াত ও ইনসানিয়াত ভিত্তিক। ঐতিহাসিক #হিজরত মোবারকের #বছর থেকে #চন্দ্রবর্ষের বর্তমান সন বা বর্ষ হিজরী সন হিসেবে গণণা হলেও হিজরত মোবারক মহররম মাসে হয় নি এবং আলাদাভাবে হিজরী বর্ষ পালনের শরিয়তগত কোন ভিত্তি নেই বরং এসব বর্ষ হিসেবে #উৎসব #উদযাপন শাহাদাতে #কারবালার #শিক্ষা তথা দ্বীন ও হিজরত মোবারকের আসল শিক্ষা আড়াল করার চক্রান্তে পর্যবসিত হয়। হিজরত মোবারকের পূর্বেও মহররম সফর রবিউল আউয়াল ১২ মাস ছিলো। শানে রেসালাত ও ঈমান হিজরত ভিত্তিক বা হিজরী সন ভিত্তিক নয় বরং #শাহাদাতে কারবালাই #তাওহীদ #রেসালাতের আলো ও দ্বীন খেলাফতের ধারক। মহান শাহাদাতে কারবালার আমানত পবিত্র কলেমার তাওহীদ রেসালাত ভিত্তিক জীবন চেতনায় বস্তুবাদি চেতনার আঁধারমুক্ত আত্মা ও একক গোষ্ঠীবাদি স্বৈরদস্যুতন্ত্র মুলুকিয়তের রূদ্ধতা জুলুমমুক্ত জীবন- সমাজ-দেশ ও দুনিয়ার লক্ষ্যে- শাহাদাতে কারবালার দাওয়াত- সর্বজনীন মানবতার রাষ্ট্র ও মানবিক সাম্যের ভিত্তিতে মুক্ত মানবতার অখন্ড বিশ্বব্যবস্থা খেলাফতে ইনসানিয়াত (authority of life & state & world of universal humanity) গড়ে তোলার প্রাণপণ ঈমানী শপথে মুসলিম মিল্লাতের মহান জাতীয় ঈমানী শহীদ দিবস ও মানবতার মুক্তির শাহাদাতের শিক্ষায় পালন করতে হবে মাহে মহররম।

===============================
তফসিরুল কোরআন মাশাহেদুল ঈমানের প্রণেতা ও পবিত্র বোখারী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ তাফহিমুল বোখারী শরীফের প্রণেতা, শায়খুল হাদিস, ইমামে আহলে সুন্নাত, পীরে হাক্কানী, ওলীয়ে রাব্বানী,
 আল্লামা সৈয়দ সাইফুর রহমান নিজামী শাহ
(প্রধান উপদেষ্টা-বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব)

 

লামা ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়ার্টারে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন।

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:- মোঃ নুরুল আলম) প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৪ এএম
লামা ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়ার্টারে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন।

 

আজ ১৪-ই এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি রোজ মঙ্গলবার। লামা ৩০- আনসার ব্যাটালিয়ান হেড কোয়ার্টারের মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন। এতে ৪-টি দল অংশগ্রহণ করেন, বিভিন্ন জেলা হতে আগত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, লামা। আজ সকাল ৯:০০ টার দুটি দল অংশগ্রহণ করেন, চট্টগ্রাম আনসার ব্যাটালিয়ান বনাম বান্দরবান আনসার ব্যাটালিয়ান, দুই দলের ফলাফল ড্র। আজ বিকেল ৪:৩০ মিনিটে ৩০- আনসার ব্যাট্যালিয়ান বনাম ১- আনসার ব্যাটালিয়ান মধ্যে খেলা হয়। এতে প্রত্যেক টিমের সিনিয়র অফিসার জেসিও উপস্থিত ছিলেন। আজ খেলায় ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান ৫-০ গোলে ১-ওয়ান আনসার ব্যাটলিয়ান কে হারিয়ে জয় লাভ করেন।

দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩২ এএম
দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

 

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনপ্রিয় স্থানীয় পত্রিকা “দৈনিক চাঁপাই দর্পণ”-এর যুগপূর্তি উদ্‌যাপন এবং বহুল প্রতীক্ষিত ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠান গত ১৪ এপ্রিল (দুপুর ১২টা) পত্রিকার নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ এনামুল হক।
উদ্বোধনী আয়োজনে স্থানীয় সাংবাদিক, সুধীজন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
পত্রিকার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু তাঁর বক্তব্যে বলেন, ই-পেপার চালুর মাধ্যমে “দৈনিক চাঁপাই দর্পণ” সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও দ্রুত, সহজলভ্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পাঠকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। তিনি পত্রিকার ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ পত্রিকার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের উন্নয়নে এর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে ডিজিটাল রূপান্তরের ধারায় এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়, যা ভবিষ্যতে পাঠকদের জন্য আরও আধুনিক ও কার্যকর সংবাদ সেবা নিশ্চিত করবে।

চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩১ এএম
চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে বিক্ষোভ ও প্রশ্নের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। একপর্যায়ে পুলিশি নিরাপত্তায় দ্রুত সেখান থেকে বের হয়ে যেতে দেখা যায় তাকে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নগরের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকার ‘এইচ এম ভিলা’ নামের একটি বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে হাসনাত আবদুল্লাহ সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় যান। তার আগমনকে ঘিরে এলাকায় আলোচনা শুরু হলে ছাত্রদল, জুলাই আন্দোলনের কর্মী ও স্থানীয় কিছু মানুষ বাসার সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।
তারা জানতে চান, কী উদ্দেশ্যে তিনি ওই বাসায় এসেছেন এবং সেখানে কোনো ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছিল কি না। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, আওয়ামী লীগের একজন নেতার বাসায় তিনি কেন গেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে হাসনাত আবদুল্লাহ বাসা থেকে বের হয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা বলেন। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে দ্রুত গাড়িতে করে স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের সমন্বয়কারী সদস্য ও মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয় সাংবাদিকদের বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ ব্যক্তিগত কাজে চট্টগ্রামে এসেছিলেন। এ সময় সাবেক মেয়র মনজুর আলমের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
রাত ৮টায় এনসিপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী দিনে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় নেতা।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষুব্ধরা হাসনাত আবদুল্লাহকে প্রশ্ন করছেন—‘আপনি সংসদে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার কথা বলছেন, তাহলে আওয়ামী লীগের দোসরের বাসায় কেন?’
তখন হাসনাত আবদুল্লাহকে হাত নাড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে, এনসিপি থেকে চট্টগ্রামে মেয়র পদে নির্বাচন করার বিষয়ে প্রাথমিক আলাপ করতেই মনজুর আলমের সঙ্গে দেখা করতে যান হাসনাত। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মনজুর আলম। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণেই হাসনাত তাকে দেখতে এসেছিলেন। কুশল বিনিময় ও দুপুরের খাবার শেষে তিনি চলে যান।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ মনজুর আলম ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি চারবার ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন।

error: Content is protected !!