রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২

স্বপ্নে ডুব দিলেই কি ঘুম গভীর হয়?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম | 46 বার পড়া হয়েছে
স্বপ্নে ডুব দিলেই কি ঘুম গভীর হয়?

ঘুম নিয়ে আমাদের মধ্যে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। মজার বিষয় হলো, ভুল হলেও এগুলো অনেক সময় তথ্যের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে কাজ করে। অনেকে মনে করি, কম ঘুমিয়েও কাজ চালানো সম্ভব। কিংবা ছুটির দিনে বেশি ঘুমিয়ে সপ্তাহের ঘুমের ঘাটতি পূরণ করা যায়। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে অন্য কথা। সুস্থ শরীর ও সতেজ মনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। অথচ সঠিক তথ্যের অভাবে আমরা প্রায়ই কিছু অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। যেগুলো দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে চলেছে। তাই ভালো ঘুমের অভ্যাস গড়তে হলে প্রথমে আমাদের এ প্রচলিত ধারণাগুলোর আসল তথ্যটি জানা প্রয়োজন।

কম ঘুমিয়ে কর্মক্ষম থাকা যায়

অনেকে মনে করেন, কম ঘুমিয়েও কর্মচঞ্চল থাকা যায়। কিন্তু এটি একদমই ভুল তথ্য। নিয়মিত ৭ ঘণ্টার কম ঘুমালে ওজন বেড়ে যায়। এ ছাড়া ভুলে যাওয়া এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। প্রতিদিন কম ঘুমালে দীর্ঘ মেয়াদে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস এবং আলঝেইমারের ঝুঁকি বাড়ে।

বেশি ঘুমানো সব সময় ভালো

৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমানো বা হাইপারসোমনিয়া অনিদ্রার মতোই ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ঘুমানোর ফলে স্থূলতা ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ে। যদি পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরও আপনার ক্লান্তি না কাটে, তবে সেটি ঘুম-সংক্রান্ত কোনো রোগের লক্ষণ হতে পারে।

নাক ডাকা কেবল একটি বিরক্তিকর বিষয় নয়। এটি অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। ছবি: পেক্সেলস
নাক ডাকা কেবল একটি বিরক্তিকর বিষয় নয়। এটি অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। ছবি: পেক্সেলস

জোরে নাক ডাকা স্বাভাবিক বিষয়

নাক ডাকা শুধু একটি বিরক্তিকর বিষয় নয়, এটি অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। যদি নাক ডাকার সঙ্গে দম বন্ধ হয়ে আসা বা দিনে প্রচণ্ড ঘুম পাওয়ার মতো সমস্যা থাকে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ঘুম না এলেও বিছানায় শুয়ে থাকা

বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করলে মস্তিষ্ক বিছানাকে দুশ্চিন্তা ও বিরক্তির সঙ্গে মিলিয়ে ফেলে। এর চেয়ে বরং ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না এলে বিছানা থেকে উঠে বই পড়া বা ডায়েরি লেখার মতো হালকা কাজ করা ভালো। ঘুম না এলে জোর করে ঘুম নিয়ে আসার চেষ্টা শুধু শুধু আপনাকে ক্লান্ত করে দেবে।

বয়স বাড়লে ঘুমের প্রয়োজন কমে যায়

এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা। অনেকে মনে করেন, বেশি বয়স্ক মানুষের বেশি ঘুমের দরকার নেই। বয়স বাড়লে ঘুমের ধরন বদলাতে পারে বা রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যেতে পারে। কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় ঘুমের পরিমাণ ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা খুব একটা কমে না।

ছুটির দিনে ঘাটতি পূরণ করা যায়

সারা সপ্তাহের ঘুমের ঘাটতি শুধু সপ্তাহান্তে বেশি ঘুমিয়ে মেটানো সম্ভব নয়। এটি সাময়িক স্বস্তি দিলেও আপনার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনতে পারে না। ঘুমের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই আসল।

দীর্ঘ সময় ন্যাপ নেওয়া

দুপুরে ২০ থেকে ৩০ মিনিটের ন্যাপ বা ঘুম শরীরের শক্তি বাড়ায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ঘুমালে রাতে ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করে এবং ঘুম থেকে ওঠার পর মাথা ধরা বা বিভ্রান্তি কাজ করতে পারে।

স্বপ্নে ডুব দিলেই কি ঘুম গভীর হয়

আমাদের অন্যতম প্রচলিত ধারণা হলো, স্বপ্ন দেখলে হয়তো ঘুম গভীর হয় না। কিন্তু ইতালির আইএমটি স্কুল ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ লুকার একদল গবেষক সম্পূর্ণ উল্টো এবং চমকপ্রদ এক তথ্য সামনে এনেছে। এ ধারণাটিকে পুরোপুরি ভুল দাবি করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, আপনি যত বেশি রোমাঞ্চকর বা প্রাণবন্ত স্বপ্ন দেখবেন, আপনার ঘুমের মান তত উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ইতালির অধ্যাপক গিউলিও বার্নার্দির নেতৃত্বে একদল গবেষক দীর্ঘ চার ৪৪ জন ব্যক্তির ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে এক নতুন সত্য উন্মোচন করেছেন। সে গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা রাতে অত্যন্ত স্পষ্ট, প্রগাঢ় এবং মগ্ন হওয়ার মতো স্বপ্ন দেখেন, তাঁরা সকালে ঘুম থেকে উঠে বেশি সতেজ বোধ করেন। এমনকি তাঁদের মনে হয়, তাঁদের ঘুম খুব গভীর ছিল। অদ্ভুত বিষয় হলো, যখন মানুষ খুব যুক্তিযুক্ত বা অস্পষ্ট স্বপ্ন দেখে, তখন তাঁদের মনে হয় ঘুম গভীর হয়নি। কিন্তু স্বপ্ন যদি হয় অদ্ভুত কিংবা রোমাঞ্চকর, তবে সেটি বাইরের জগতের সঙ্গে আমাদের বিচ্ছিন্নতা বাড়িয়ে দেয়। এটি ঘুমের তৃপ্তি বা স্যাটিসফেকশন বাড়িয়ে তোলে।

সাধারণ ধারণা হলো, ঘুমের সময় মস্তিষ্কের তরঙ্গ যত ধীর হবে, ঘুম তত গভীর হবে। কিন্তু স্বপ্ন দেখার সময় মস্তিষ্কের তরঙ্গ জাগ্রত অবস্থার মতো দ্রুত হলেও তা মানুষের গভীর ঘুমের অনুভূতিতে কোনো বাধা সৃষ্টি করে না। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে গবেষকেরা জানান, গভীর ঘুম মানেই শুধু মস্তিষ্কের বিশ্রাম নয়। এর অর্থ স্বপ্নের মাধ্যমে আমরা যে অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যাই, তা-ও আমাদের ঘুমের গুণমান বা কোয়ালিটি নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।

সূত্র: সায়েন্স ডেইলি, স্লিপ ডক্টর

বিরোধ আর মামলার জালে বন্দী এক নাম—বিনো বালা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ এএম
বিরোধ আর মামলার জালে বন্দী এক নাম—বিনো বালা

 

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের বড় কমলাবাড়ী (হাজীগঞ্জ ভাটিটারী) এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী বিনো বালা (৭০), পিতা টয়রা বর্মন, দীর্ঘদিন ধরে মন্টু রাম বর্মনের সঙ্গে জমি নিয়ে মামলায় জড়িয়ে আছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল, ১০-০৪-২৬ আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে

লালমনিরহাট জলা জজ কোর্ট সংশ্লিষ্ট স্টাফ গণেশ চন্দ্র বর্মন ও তার বিয়াই মন্টু রাম বর্মন সহ সহোযোগীদের
নিয়ে বিনো বালার বাড়িতে প্রবেশ করেন। তারা মামলা আপোষ-মীমাংসার কথা বলে জোরপূর্বক চারটি স্ট্যাম্পে বিনো বালার টিপসই (স্বাক্ষর) নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় বিনো বালার পুত্রবধূ বিষয়টি টের পেয়ে ঘরে ঢুকে টিপ দেয়া স্টাম্প গুলো কৌসলে হাতে নেয় এবং চিৎকার শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিনো বালার বড় ছেলে সন্তোষ বর্মন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অভিযুক্তরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গণেশ চন্দ্র বর্মন প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানির শিকার করছেন। তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনার পরপরই গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগে জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীকে।

কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভ ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

কেশবপুর(যশোর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভ ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

কেশবপুর উপজেলার বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক -কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার কেশবপুর উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক -কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে কেশবপুর পইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চত্বরে এটি অনুষ্ঠিত হয়। কেশবপুর উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক – কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি কালিয়ারই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সুফলাকাটী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস. এম. মুনজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও অত্র সমিতির সহ- সভাপতি সুপ্রভাত কুমার বসুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, যশোর -৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেশবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ, কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ শহিদুল ইসলাম, কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেশবপুর পৌর শাখার আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক সাইদুর রহমান, উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক – কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব সেন গুপ্ত,এনসিপি কেশবপুর উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী সম্রাট হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত প্রধান শিক্ষকগণ, শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দ ও কর্মচারীবৃন্দ।

নীলফামারীতে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত—মেধা বিকাশে নতুন দিগন্তের সূচনা

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
নীলফামারীতে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত—মেধা বিকাশে নতুন দিগন্তের সূচনা

 

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও সৃজনশীল চিন্তাধারাকে উৎসাহিত করতে ১১ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার সকালে নীলফামারী শহরের শিল্পকলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’। জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যা জেলার শিক্ষা অঙ্গনে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন কেন্দ্র একযোগে এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। নির্ধারিত সময়ে শুরু হওয়া পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে অংশগ্রহণ করে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোর আশপাশে ছিলো উৎসাহ ও আগ্রহের দৃশ্য।
আয়োজকরা জানান, মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান, নৈতিকতা ও সৃজনশীল দক্ষতা যাচাই করা হয়। এতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ বাড়ায় এবং তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।
পরীক্ষা শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। ফলাফল প্রকাশের পর কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
সামগ্রিকভাবে, ‘কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’ নীলফামারীর শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের মেধা বিকাশে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী তারিখঃ ১১-০৪-২০২৬ মোবাইলঃ ০১৬১৪৬৫৩৮৩১

error: Content is protected !!