বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২

কিছু নির্বাচিত বিদ্যালয়ে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালু হতে পারে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম | 14 বার পড়া হয়েছে
কিছু নির্বাচিত বিদ্যালয়ে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালু হতে পারে

‎বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, তীব্র যানজট ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার বাস্তবতা বিবেচনায় দেশের কিছু নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বিত (হাইব্রিড) পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনার রয়েছে। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ‎বলেছেন, সব স্কুলে একযোগে নয় বরং যেসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা রয়েছে, সেগুলোতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। যাতে জ্বালানি সাশ্রয়, যানজট কমানো এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়।

‎আজ বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এ ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব ইতিহাসে নানা সংকটই নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতেও শিক্ষা ব্যবস্থাকে থামিয়ে না রেখে নতুন পদ্ধতিতে এগিয়ে নিতে হবে। অতীতে বিশ্বযুদ্ধ, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন কিংবা সামাজিক রূপান্তরের মতো ঘটনাগুলো নতুন নতুন শিল্প ও সুযোগ সৃষ্টি করেছে। একইভাবে বর্তমান জ্বালানি সংকট, যানজট ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকেও নতুনভাবে ভাবতে হবে। আমরা সবকিছু কেন থ্রেট হিসেবে নেব? আমরা চাইলে এটাকে সুযোগ হিসেবেও নিতে পারি।

শিক্ষামন্ত্রী ‎এহছানুল হক মিলন বলেন, ভবিষ্যতের শিক্ষা হবে প্রযুক্তিনির্ভর ও অনেকাংশে পেপারলেস। সংসদ থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষ—সব জায়গায় ডিজিটাল ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়বে। শিক্ষার্থীদেরও সেই বাস্তবতার জন্য প্রস্তুত করতে হবে।

‎জ্বালানি সাশ্রয় ও যানজট কমাতে নির্দিষ্ট কিছু ‘কোয়ালিটি’ বা সক্ষম স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন-অফলাইনের সমন্বয়ে ক্লাস চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে নয়, বরং যেসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা আছে—সেসব স্কুলে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি চালু করা যেতে পারে। প্রস্তাবিত মডেলে সপ্তাহজুড়ে কিছুদিন অনলাইন এবং কিছুদিন অফলাইন ক্লাস থাকবে। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে ট্রাফিক চাপ ও জ্বালানি ব্যবহার হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠক্রমের মধ্যেই থাকবে।

‎মন্ত্রী আরও বলেন, রাজধানীতে অনেক শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত গাড়িতে স্কুলে যাতায়াত করে, যা প্রতিদিন বিপুল জ্বালানি অপচয় ও যানজট সৃষ্টি করে। করোনাকালে হঠাৎ করে অনলাইন শিক্ষায় যেতে হয়েছিল, কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য আমাদের আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে হবে।

‎শিক্ষকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অনলাইন ক্লাস কার্যকর করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও তদারকি বাড়াতে হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে অনলাইনে মনোযোগী থাকে, সে বিষয়েও নজরদারি প্রয়োজন।

‎সরকার ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন—এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা নির্ধারণ, অফিস সময়সূচিতে পরিবর্তন ইত্যাদি। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ ও বৈদ্যুতিক পরিবহনের ব্যবহার বাড়ানোর দিকেও জোর দেওয়া হচ্ছে।

নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও নমনীয় শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নেই। এ জন্য সরকার ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে এবং পরীক্ষামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ‎মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া।

 

পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

মোজাম্মেল হক :বীরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৬ এএম
পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

:দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপ

পারিবারিক আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে শর্তসাপেক্ষে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার রবার্ট কমল সরকার, প্রোগ্রাম অফিসার ডরিস লিয়া হাসদা এবং লাইভলি হুড টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট তাহমিদুর রহমান।

প্রোগ্রামে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং নিজপাড়া পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আনিস এবং বলরামপুর গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মিলন হোসেন।

কর্মসূচির আওতায় চলতি বছরে নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭০ টি নিবন্ধিত হতদরিদ্র পরিবারকে পরিবার প্রতি ১০,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এতে মোট ৭ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, এই সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারগুলোর স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

ঢাকা থেকে দিনাজপুর দৌড়ে জিরো পয়েন্ট স্পর্শকারী ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবকে গণ সংবর্ধনা প্রদান

মো:মেহেদী হাসান ফুয়াদ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
ঢাকা থেকে দিনাজপুর দৌড়ে জিরো পয়েন্ট স্পর্শকারী ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবকে গণ সংবর্ধনা প্রদান

 

“মাদকের বিরুদ্ধে এসো দৌড়াই” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে যমুনা নদী সাঁতরে পাড়ি দিয়ে দিনাজপুর জিরো পয়েন্টে ম্যারাথন দৌড়ে পৌঁছানো মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাকিব ও তার সঙ্গে থাকা সহযাত্রী সাইকেলিস্ট মোঃ রাব্বিকে গণ সংবর্ধনা দিয়েছে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস ‌।

৮ এপ্রিল-২০২৬ বুধবার বিকেলে দিনাজপুর ঐতিহাসিক গোর এ শহীদ বড় ময়দানে (কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন) পাটোয়ারী বিজনেস হাউজ (প্রাঃ) লিমিটেড এর সার্বিক সহযোগিতায় ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে(যমুনা নদী সাঁতরে) দিনাজপুর জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী তরুণ এই ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবের গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ও ফুল দিয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন।

এছাড়াও ২ এপ্রিল ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে ৮ এপ্রিল বুধবার দিনাজপুর জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ পথ দৌড়ে পাড়ি দেওয়া মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাকিবের গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ফুল দিয়ে বরণ ও উপহার প্রদান করেন এবং বক্তব্য রাখেন পাটোয়ারী বিজনেস হাউজ (প্রাঃ) লিমিটেড এর
ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন, দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ মোকাররম হোসেন, সহ-সভাপতি মোঃ খালেকুজ্জামান বাবু, দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও ক্রীড়া সংগঠক মোঃ রেহাতুল ইসলাম খোকাসহ খেলোয়াড়-সংগঠক-শাকিবের পরিবারবর্গ এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, দিনাজপুর জেলা শহরের রামনগর মহল্লার বাসিন্দা ক্রিয়া প্রতিভা সাকিবের সাহসী উদ্যোগের নেপথ্যে পূর্ণ সমর্থন ও স্পনসরশিপ প্রদান করেছেন দেশের অন্যতম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পাটোয়ারী বিজনেজ হাউস। সাকিবের এই অদম্য স্পৃহা এবং ক্রীড়া নৈপুণ্যকে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতেই এই পৃষ্ঠপোষকতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র শহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন।

এদিকে ঢাকা থেকে দিনাজপুর দৌড়ে বুধবার বিকেল আনুমানিক চারটায় জিরো পয়েন্ট স্পর্শকারী ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবকে সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন , স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা উপস্থিত থেকে এই তরুণ অ্যাথলেটকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

সাকিবের এই সাফল্য সম্পর্কে পাটোয়ারী বিজনেস হাউসের পক্ষ থেকে মুখপাত্র শহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন জানান , তারা সব সময় তরুণদের প্রতিভা বিকাশে কাজ করতে আগ্রহী এবং সাকিবের এই অর্জন দেশের যুবসমাজের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন বিশিষ্ট ধারাভাষ্যকার মোহাম্মদ রফিক।

পাহাড় কেটে লেক তৈরির চেষ্টা, এক্সক্যাভেটর জব্দ

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ এএম
পাহাড় কেটে লেক তৈরির চেষ্টা, এক্সক্যাভেটর জব্দ

 

প্রায় ১৫ একর জায়গাজুড়ে প্রকৃতির রূপ পাহাড়। উচ্চতায় প্রায় দুই শ ফুট। এ পাহাড় কেটে তৈরি করা হচ্ছিল লেক। পাহাড়ের মাটিও বিক্রি করা হচ্ছিল বিভিন্ন জায়গায়। খবর পেয়েই অভিযানে নামে প্রশাসন। এরপর ওই এলাকায় গিয়ে দুটি এক্সক্যাভেটর (খননযন্ত্র) জব্দ করা হয়।

গত ৫ এপ্রিল রোববার দুপুরে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়নের খাড়িছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাদিজা তাহিরা এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চলতি বছরেই এলাকায় অন্তত আটটি বড় পাহাড় পুরো কেটে ফেলা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় রাতের অন্ধকারে এমন তৎপরতা বেশি চলে। তবে স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
খাড়িছড়া এলাকায় যে পাহাড় কাটা হচ্ছিল, এটি ওই এলাকার মো. মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তির দখলে ছিল। তিনি সেখানে মাছ চাষের জন্য একটি লেক তৈরি করছিলেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা ভূঁইয়া বলেন, পাহাড়টি খাসজমি। তবে খাস বা ব্যক্তিমালিকানাধীন—যা–ই হোক, পাহাড় কাটা যাবে না। সেখানে মাছের প্রকল্প হচ্ছিল বলে তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে মনির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহিরা বলেন, এলাকায় বেশ কয়েকটি পাহাড় কাটার আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুটি এক্সক্যাভেটর জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অভিযানকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রিয়লাল চাকমা, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবদুল মান্নান, মানিকছড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তারেকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

error: Content is protected !!