রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২
রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

আইন কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি জিনাত আরা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ১:২০ এএম | 129 বার পড়া হয়েছে
আইন কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি জিনাত আরা

আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জিনাত আরা।

আইন মন্ত্রণালয়ের এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘আইন কমিশন আইন ১৯৯৬ এর ধারা ৫ এর উপ-ধারা (১) ও (২) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার, সাবেক বিচারপতি জিনাত আরা-কে নিয়োগের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করল। এই পদে থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের প্রাপ্য বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্ত হবেন।’

১৯৫৩ সালের ১৫ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন জিনাত আরা। তার বাবার নাম এইচ এম আর সিদ্দিকী (মৃত)। মায়ের নাম বেগম আয়শা সিদ্দিকী (মৃত)। জিনাত আরা বিএসসি ও এলএলবি পাসের পর ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর বিচার বিভাগে মুনসেফ হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদোন্নতি পান। এরপর ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান। আর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর জিনাত আরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। চার দশকের বিচারিক জীবন শেষে ২০২০ সালের ১২ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি থেকে অবসরে যান বিচারপতি জিনাত আরা।

বিচারপতি জিনাত আরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দ্বিতীয় নারী বিচারপতি ছিলেন। আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি নাজমুল আরা সুলতানা।

উল্লেখ্য ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে তিন বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ওই মেয়াদ শেষে কয়েক দফা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে পুনঃনিয়োগ দেয়া হয়।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে পদত্যাগ করে গত ৫ আগস্ট পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

গত ১৩ আগস্ট আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন এ বি এম খায়রুল হক।

‘৫১’র জাগরণ’-এর উদ্যোগে 

মোল্লাহাটে ভোটাধিকার ও গণভোট বিষয়ে যুব-নেতৃত্বাধীন সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক

আজিজুল গাজী, বাগেরহাট প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৫ এএম
মোল্লাহাটে ভোটাধিকার ও গণভোট বিষয়ে যুব-নেতৃত্বাধীন সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক সচেতনতা ও গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরতে যুব-নেতৃত্বাধীন স্থানীয় পর্যায়ের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সামাজিক ও নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘৫১’র জাগরণ’।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মোল্লারহাট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আয়োজন করা হয় একাধিক উঠান বৈঠক, যেখানে নারীদের ও যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ভোটাধিকার প্রয়োগে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, নাগরিক দায়িত্ব এবং গণভোটের ধারণা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল—
“আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই” ও “গণ ভোট কেন প্রয়োজন”।
উঠান বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুম্পা আক্তার মিম, ‘৫১’র জগগরণ’-এর নাগরিক ও ভোটার শিক্ষা বিষয়ক স্থানীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষক এবং VBD বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি। তিনি অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
“ভোট শুধু একটি অধিকার নয়, এটি নাগরিক শক্তির প্রতিফলন। গণভোট হচ্ছে জনগণের সরাসরি মত প্রকাশের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যা সম্পর্কে আমাদের দেশে এখনো ব্যাপক অজ্ঞতা রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মোল্লারহাটের অনেক মানুষ আগে জানতেন না গণভোট কী, এটি কীভাবে কাজ করে কিংবা কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণ ও আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা গণভোটের ধারণা, উদ্দেশ্য এবং গণতন্ত্রে এর ভূমিকা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করেন।
আলোচনায় নারীরা বলেন, ভোটকেন্দ্রে যেতে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং তথ্যের অভাব তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বড় বাধা। অন্যদিকে যুবরা জানান, তারা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হলেও সঠিক দিকনির্দেশনা ও নাগরিক শিক্ষার অভাবে অনেক সময় পিছিয়ে পড়েন।
‘৫১’র জাগরণ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভোটার তালিকাভুক্তি, ভোট প্রদানের গুরুত্ব, ভোটের গোপনীয়তা, গণভোটের আন্তর্জাতিক উদাহরণ এবং একটি কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা পুরো কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের মতামত সংগ্রহ করেন।
স্থানীয় এক নারী অংশগ্রহণকারী বলেন,
“আগে ভোটকে তেমন গুরুত্ব দিতাম না। আজ বুঝলাম, আমার একটি ভোটই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।”
আয়োজকরা জানান, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং বিশেষ করে নারী ও যুব সমাজকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা। ভবিষ্যতে মোল্লারহাটসহ বাগেরহাট জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।
উল্লেখ্য, ‘৫১’র জাগরণ’ দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক অধিকার, ভোটার শিক্ষা ও গণতন্ত্র চর্চা বিষয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করে আসছে। এই সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত উঠান বৈঠক স্থানীয় পর্যায়ে গণতান্ত্রিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঘিলাতলী পাড়ার মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৮ এএম
ঘিলাতলী পাড়ার মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সাবেক বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় রাজাপালং ইউনিয়ন উত্তর শাখার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ–সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, জননেতা Sarwar Jahan Chowdhury, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব, জনতার চেয়ারম্যান ও জননেতা Sadman Zami Chowdhury.

ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৯ এএম
ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ

ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছেন।

নিখোঁজ কিশোরের নাম ইমরুল আলম প্রবাল (১৬)। তিনি ঢাকা মতিঝিল বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তাঁর পিতার নাম এডভোকেট মোহাম্মদ আলম এবং মাতার নাম সেনোয়ারা বেগম।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইমরুল আলম প্রবাল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। নামাজ শেষে এখনও সে বাসায় ফিরে আসেনি এবং দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজের সময় তার পরনের পোশাক ও অন্যান্য বিবরণ হালকা সবুজ পাঞ্জাবি ও ল্যাব কালার টাউজার পরনে ছিল।

নিখোঁজ কিশোরের
বর্তমান ঠিকানা: সিদ্ধেশ্বরী, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড, রমনা, ঢাকা।
স্থায়ী ঠিকানা: পিএমখালী ৭ নম্বর ওয়ার্ড, ধাউনখালী, এডভোকেট আলমের বাড়ি, কক্সবাজার সদর।

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি ইমরুল আলম প্রবালকে কোথাও দেখে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে—

📞 যোগাযোগ নম্বর:
০১৩২১৮৬৯৬০৮
০১৬২৬১৮২৭৩২

পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।